প্রথম সরকারি নির্দেশ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম সরকারি নির্দেশের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। এতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ছিল:
১. কোন বাঙ্গালী কর্মচারী শত্রুপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন না। ছোট বড় প্রতিটি কর্মচারী স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশ মোতাবেক কাজ করবেন। শত্রু কবলিত এলাকায় তারা জনপ্রতিনিধিদের এবং অবস্থা বিশেষে নিজেদের বিচার-বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করবেন।
২. সরকারী, আধাসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের যে-সমস্ত কর্মচারী অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁরা স্ব স্ব পদে বহাল থাকবেন এবং নিজ নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী... বিস্তারিত
১. কোন বাঙ্গালী কর্মচারী শত্রুপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন না। ছোট বড় প্রতিটি কর্মচারী স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশ মোতাবেক কাজ করবেন। শত্রু কবলিত এলাকায় তারা জনপ্রতিনিধিদের এবং অবস্থা বিশেষে নিজেদের বিচার-বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করবেন।
২. সরকারী, আধাসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের যে-সমস্ত কর্মচারী অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁরা স্ব স্ব পদে বহাল থাকবেন এবং নিজ নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী... বিস্তারিত
১১ জুলাই ১৯৭১
২৬ মার্চ স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিয়োগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশকে কয়েকটি সামরিক অঞ্চল বা সেক্টরে ভাগ করা হয়। যুদ্ধকে গতিশীল করা এবং চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য ১১ থেকে ১৫ জুলাই সেক্টর কমান্ডারদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধের রূপরেখা, রণনীতি ও রণকৌশল,... বিস্তারিত
বহু প্রতীক্ষিত সেক্টর কমান্ডারদের সভা
জুন মাসের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে যুদ্ধপরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এখানে সিদ্ধান্ত হয় যে প্রশাসনিক ও রণকৌশলের সুবিধার্থে রণাঙ্গনকে কয়েকটি অঞ্চল বা সেক্টরে ভাগ করা হবে। মন্ত্রিসভা প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমানীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়।
প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমানী ১১ থেকে ১৫ জুলাই সেক্টর... বিস্তারিত
প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমানী ১১ থেকে ১৫ জুলাই সেক্টর... বিস্তারিত
যেভাবে শুরু
মার্চের শেষের দিকে সারা বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হয়, বিভিন্ন কারণে এটিকে একক নেতৃত্বের অধীন সংগঠিত করা যাচ্ছিল না। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হলেও মাঠপর্যায়ের যুদ্ধে কেন্দ্রের কর্তৃত্ব বা নেতৃত্ব কাগজ-কলমের মধ্যেই সীমিত থেকে যায়।
প্রাথমিকভাবে গড়ে ওঠা প্রতিরোধযুদ্ধ অনেকটা স্থিমিত হতে থাকে। একক নেতৃত্ব, ভারী অস্ত্র, উন্নত... বিস্তারিত
প্রাথমিকভাবে গড়ে ওঠা প্রতিরোধযুদ্ধ অনেকটা স্থিমিত হতে থাকে। একক নেতৃত্ব, ভারী অস্ত্র, উন্নত... বিস্তারিত
সভার সিদ্ধান্ত
সেক্টর কন্ডারদের সভায় যা আলোচনা হয়েছিল, তা পরবর্তীতে সভার কার্যবিবরণী এবং একাধিক নীতিমালার সাহায্যে প্রচার করা হয়। সভায় অনেক বিষয় আলোচনা হলেও সবগুলোকে কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ২৭টি বিষয় কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই ২৭টির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিচে দেওয়া হলো:
অনেকগুলি কোম্পানি নিয়ে একটি সেক্টর গঠিত হবে। সেক্টরের এলাকা ও... বিস্তারিত
অনেকগুলি কোম্পানি নিয়ে একটি সেক্টর গঠিত হবে। সেক্টরের এলাকা ও... বিস্তারিত
তেলিয়াপাড়া সম্মেলন
১ এপ্রিল ২ ও ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসাররা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ ও সমন্বয় সাধনের জন্য তেলিয়াপাড়া (হবিগঞ্জ) চা-বাগানে উপস্থিত হন। বিকেলে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভিসি পান্ডে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বাঙালি অফিসাররা ব্রিগেডিয়ার পান্ডের কাছ থেকে কর্নেল এম এ জি ওসমানী (অবসরপ্রাপ্ত) এবং ৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের... বিস্তারিত
বাংলাদেশ বাহিনীর জনবল
‘জেড’ ফোর্স
১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং রওশন আরা ব্যাটারি।
‘এস’ ফোর্স
২য় ও ১১তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
‘কে’ ফোর্স
৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং মুজিব ব্যাটারি।
১নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ২,১০০ খ. গণবাহিনী: ২০,০০০
২নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ৪,০০০ খ. গণবাহিনী: ৩০,০০০
৩নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ৬,৬৯৩ খ. গণবাহিনী:২৫,০০০
৪নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ৯৭৫ খ.... বিস্তারিত
১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং রওশন আরা ব্যাটারি।
‘এস’ ফোর্স
২য় ও ১১তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
‘কে’ ফোর্স
৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং মুজিব ব্যাটারি।
১নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ২,১০০ খ. গণবাহিনী: ২০,০০০
২নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ৪,০০০ খ. গণবাহিনী: ৩০,০০০
৩নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ৬,৬৯৩ খ. গণবাহিনী:২৫,০০০
৪নং সেক্টর
ক. নিয়মিত বাহিনী: ৯৭৫ খ.... বিস্তারিত
কমান্ডারদের নাম
দেশরক্ষা মন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
প্রধান সেনাপতি : কর্নেল এম এ জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ : লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ : গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
‘জেড’ ফোর্স কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান
‘এস’ ফোর্স কমান্ডার : মেজর কে এম সফিউল্লাহ
‘কে’ ফোর্স কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ
সেক্টর নং ১
মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল-১০ জুন ’৭১)
মেজর রফিকুল ইসলাম (১১ জুন-১৬ ডিসেম্বর ’৭১)... বিস্তারিত
প্রধান সেনাপতি : কর্নেল এম এ জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ : লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ : গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
‘জেড’ ফোর্স কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান
‘এস’ ফোর্স কমান্ডার : মেজর কে এম সফিউল্লাহ
‘কে’ ফোর্স কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ
সেক্টর নং ১
মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল-১০ জুন ’৭১)
মেজর রফিকুল ইসলাম (১১ জুন-১৬ ডিসেম্বর ’৭১)... বিস্তারিত
১ আগস্ট ১৯৭১
একাত্তরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও তহবিল সংগ্রহের জন্য পণ্ডিত রবিশংকরের অনুরোধে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নামের এক অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলেসর শিল্পী জর্জ হ্যারিসন। তখন থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক জর্জের। ওই কনসার্ট, অ্যালবাম এবং ২০০৫ সালে প্রকাশিত ডিভিডি থেকে পাওয়া... বিস্তারিত
জর্জ হ্যারিসন ও দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
এক.
আমাদের একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলেসর শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন... বিস্তারিত
<< [ 1 ][ 2 ][ 3 ][ 4 ][ 5 ][ 6 ][ 7 ] >>
আমাদের একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলেসর শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন... বিস্তারিত



