৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির সূচনা
২৬ মার্চ থেকে ৬ ডিসেম্বর; একাত্তরে এর মাঝে সময় চলে গেছে আট মাসেরও বেশি। স্বাধীনতার ঘোষণার পর এই সময়ে মুক্তির জন্য যুদ্ধ যেমন দিনে দিনে জোরদার হয়েছে, দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতাও বেড়েছে। কোটি খানেক শরণার্থী দেশ ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে পাশের দেশ ভারতে। ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী সরকার গঠনের পর এই সরকারের নেতৃত্বেই পরিচালিত হতে থাকে মুক্তিযুদ্ধ। সীমান্ত তখন মিলেমিশে একাকার।... বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীতাজউদ্দীন আহমদকে ইন্দিরা গান্ধীর চিঠি
নয়াদিল্লি
ডিসেম্বর ৬, ১৯৭১
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী,
৪ঠা ডিসেম্বর তারিখে মাননীয় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং আপনি যে বার্তা পাঠিয়েছেন তা পেয়ে আমি ও ভারত সরকারের আমার সহকর্মীবৃন্দ গভীরভাবে অভিভূত হয়েছি। বার্তাটি পেয়ে ভারত সরকার আপনার নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের জন্য আপনার অনুরোধ পুনর্বিবেচনা করেছে। আমি আনন্দের সঙ্গে... বিস্তারিত
ডিসেম্বর ৬, ১৯৭১
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী,
৪ঠা ডিসেম্বর তারিখে মাননীয় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং আপনি যে বার্তা পাঠিয়েছেন তা পেয়ে আমি ও ভারত সরকারের আমার সহকর্মীবৃন্দ গভীরভাবে অভিভূত হয়েছি। বার্তাটি পেয়ে ভারত সরকার আপনার নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের জন্য আপনার অনুরোধ পুনর্বিবেচনা করেছে। আমি আনন্দের সঙ্গে... বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিক্রিয়া
স্বীকৃতির পক্ষে-বিপক্ষে
বাংলাদেশকে ভারতের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার খবর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে গেছে খুব দ্রুতই। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধী অবস্থান নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে এর প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। মার্কিন সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে সদস্যদের দেওয়া বক্তব্য ও তাঁদের প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টি স্পষ্ট। ভারতের স্বীকৃতির বিষয়টি প্রচারিত হওয়ার পর ৬ ডিসেম্বর সিনেটে দেওয়া এক বক্তব্যে সিনেটর রবার্ট বায়ার্ড... বিস্তারিত
ভারতের স্বীকৃতি জরুরি ছিল
একাত্তরের ৬ ডিসেম্বর আমি মুজিবনগর সরকারে কর্মরত ছিলাম। মুজিবনগর সরকারের রাজনৈতিক নেতারা থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী পর্যন্ত সবাই সেদিনের এই ঘোষণায় আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন। সবচেয়ে বড় কথা, ভারতের এই স্বীকৃতি আমাদের জন্য এক বড় স্বস্তির বিষয় ছিল।
আমরা এটা সবাই জানি যে ভারত একাত্তরের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ অবস্থায় যতক্ষণ পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশকে... বিস্তারিত
আমরা এটা সবাই জানি যে ভারত একাত্তরের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ অবস্থায় যতক্ষণ পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশকে... বিস্তারিত
দুটি সম্পাদকীয়
স্বাগত বাংলাদেশ
সোমবার, ৬ ডিসেম্বর। ইতিহাসের এক যুগান্তকারী দিন। অধীর আগ্রহের বাঞ্ছিত অবসান। বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রায় আট মাস আগে সার্বভৌম রাষ্ট্ররূপে যার প্রথম আবির্ভাব, আজ তার পূর্ণ অভিষেক সমাপ্ত। নবজাতকের মাথায় কল্যাণ বারি বর্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী। ভারতের ৫৫ কোটি নর-নারীর অন্তরের শুভেচ্ছা মিশন রয়েছে তার সঙ্গে।... বিস্তারিত
সোমবার, ৬ ডিসেম্বর। ইতিহাসের এক যুগান্তকারী দিন। অধীর আগ্রহের বাঞ্ছিত অবসান। বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রায় আট মাস আগে সার্বভৌম রাষ্ট্ররূপে যার প্রথম আবির্ভাব, আজ তার পূর্ণ অভিষেক সমাপ্ত। নবজাতকের মাথায় কল্যাণ বারি বর্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী। ভারতের ৫৫ কোটি নর-নারীর অন্তরের শুভেচ্ছা মিশন রয়েছে তার সঙ্গে।... বিস্তারিত
৪-১৫ ডিসেম্বর
১৯৭১: নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশ
১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কেবল যুদ্ধের ময়দানেই হয়নি, বহুদূরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে হার হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিঘ্নিত হতো তা নয়, তবে বিলম্বিত হতো, তা নিশ্চিত।
বাংলাদেশে গণহত্যা ঠেকাতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের দাবি প্রথম তোলে ভারত, কিন্তু পাকিস্তান বিষয়টি তার অভ্যন্তরীণ, এই যুক্তিতে সব আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। কিন্তু জুন-জুলাই... বিস্তারিত
বাংলাদেশে গণহত্যা ঠেকাতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের দাবি প্রথম তোলে ভারত, কিন্তু পাকিস্তান বিষয়টি তার অভ্যন্তরীণ, এই যুক্তিতে সব আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। কিন্তু জুন-জুলাই... বিস্তারিত
হোয়াইট হাউস বিচলিত ছিল
আনাতলি দবরিনিন ১৯৭১ সালে ওয়াশিংটনে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তাঁর স্মৃতিকথা ইন কনফিডেন্স থেকে এখানে নির্বাচিত অংশের অনুবাদ পত্রস্থ হলো।
একাত্তরের অক্টোবরে পাকিস্তান ও ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে আমরা গোপন সূত্রের মাধ্যমে জোরালোভাবে যোগাযোগ চালিয়ে গেলাম, কিন্তু সংঘর্ষ নিবারণে ব্যর্থ হলাম। মার্কিন সরকার পাকিস্তানকে প্রচ্ছন্নভাবে সমর্থন করেছিল; আর যখন... বিস্তারিত
একাত্তরের অক্টোবরে পাকিস্তান ও ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে আমরা গোপন সূত্রের মাধ্যমে জোরালোভাবে যোগাযোগ চালিয়ে গেলাম, কিন্তু সংঘর্ষ নিবারণে ব্যর্থ হলাম। মার্কিন সরকার পাকিস্তানকে প্রচ্ছন্নভাবে সমর্থন করেছিল; আর যখন... বিস্তারিত
স্বাধীনতা অবশ্যম্ভাবী
‘জনগণের অধিকার’ নামক বিপ্লবী মতবাদ নিয়ে বহু কথা আমরা শুনি। জানি না, এসব বিপ্লবী কী করবেন যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হবে—এই স্বাধীনতা তো অবশ্যম্ভাবী। বাংলাদেশ স্বাধীন হবে, শুধু এ জন্য নয় যে ভারত সহায়তা দিচ্ছে—ভারত দেশটিকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে—বরং এ কারণে যে সাত কোটি মানুষের মানবিক চেতনা ধ্বংস করা যায় না। তারা তো সব চেষ্টাই করেছে। সামরিক পথে চেষ্টা করেছে। কাল্পনিক প্রশাসনের পথেও... বিস্তারিত
<< [ 1 ][ 2 ][ 3 ][ 4 ][ 5 ][ 6 ][ 7 ] >>



