পূর্ব রণাঙ্গনে ভারতীয় ও বাংলাদেশি যৌথ বাহিনীর জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানের সব সশস্ত্র বাহিনী আত্মসমর্পণে সম্মত হলো। পাকিস্তানের স্থল, বিমান ও নৌবাহিনীসহ সব আধা-সামরিক ও বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে এই আত্মসমর্পণ প্রযোজ্য হবে। এই বাহিনীগুলো যে যেখানে আছে, সেখান থেকে সবচেয়ে নিকটস্থ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কর্তৃত্বাধীন নিয়মিত সেনাদের কাছে অস্ত্রসমর্পণ ও আত্মসমর্পণ করবে।
এই দলিল... বিস্তারিত
আত্মসমর্পণের দলিল
পূর্ব রণাঙ্গনে ভারতীয় ও বাংলাদেশি যৌথ বাহিনীর জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানের সব সশস্ত্র বাহিনী আত্মসমর্পণে সম্মত হলো। পাকিস্তানের স্থল, বিমান ও নৌবাহিনীসহ সব আধা-সামরিক ও বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে এই আত্মসমর্পণ প্রযোজ্য হবে। এই বাহিনীগুলো যে যেখানে আছে, সেখান থেকে সবচেয়ে নিকটস্থ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কর্তৃত্বাধীন নিয়মিত সেনাদের কাছে অস্ত্রসমর্পণ ও আত্মসমর্পণ করবে।এই দলিল... বিস্তারিত
বিজয়ের দিনে, মুক্তির দিনে
নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে পাল্টে যাচ্ছিল যুদ্ধের ছবি। মুক্তিবাহিনী তখন অনেক সংগঠিত, ভারতীয় বাহিনী পেছন থেকে জোগাচ্ছিল জোর সমর্থন, মুক্ত হতে শুরু করেছিল সীমান্তবর্তী কিছু কিছু এলাকা। ঢাকাবাসীর কাছে এসব ছিল দূরের যুদ্ধ; আগুনের আঁচ তাদের গায়ে লাগেনি, কিন্তু বাঘের থাবার নিচে চলছিল তাদের বসবাস। সেই ছবি আমূল পাল্টে গেল ডিসেম্বরের ৩ তারিখ গভীর রাতে, যখন আকস্মিকভাবে ট্রেসার... বিস্তারিত
স্মৃতি আত্মপক্ষ
বিজয়ের দিন
আমি প্লেনে ঢোকামাত্রই ইঞ্জিন স্টার্ট দিল। আমরা দমদম বিমানবন্দর থেকে আগরতলা বিমানবন্দরে উপস্থিত হই। সেখানে আমরা বিমান পরিবর্তন করে সাত-আটটি হেলিকপ্টারযোগে রওনা দিই ঢাকার দিকে। আনুমানিক প্রায় সোয়া তিনটার সময় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করি। অবতরণ করার পর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর জেনারেল নিয়াজি এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মচারী অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অরোরা ও আমাকে।... বিস্তারিত
স্মৃতি মিত্রপক্ষ
ঢাকার পতন
আমাদের ব্যবস্থা অনুযায়ী নিয়াজিকে ঢাকা এয়ারপোর্টে আমার আগমনের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হলো এবং সেখানেই আত্মসমর্পণ কাগজে সই করার ব্যবস্থা করা হয়। আমি এই প্রস্তাবটি নাকচ করে দিলাম। আমি বললাম, এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এটা যত বেশি সম্ভব লোকের সামনে অনুষ্ঠান করা উচিত। আমি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানকে ভেন্যু হিসেবে পছন্দ করলাম।
১৬ ডিসেম্বর নয়টার সময় আমি নিয়াজির কাছ থেকে একটি মেসেজ পেলাম যে... বিস্তারিত
১৬ ডিসেম্বর নয়টার সময় আমি নিয়াজির কাছ থেকে একটি মেসেজ পেলাম যে... বিস্তারিত
স্মৃতি শত্রুপক্ষ
আত্মসমর্পণের আগে
জেনারেল নিয়াজির অফিসে প্রবেশ করে যে দৃশ্য দেখলাম, তা আমাকে ভীতবিহ্বল করে তুলল। জেনারেল নিয়াজি তাঁর চেয়ারে বসে আছেন, তাঁর সামনে জেনারেল নাগরা রয়েছেন এবং একজন জেনারেলের পোশাকে রয়েছেন মুক্তিবাহিনীর টাইগার সিদ্দিকীও। নিয়াজি খুব আমুদে মেজাজে ছিলেন এবং তিনি উর্দু কবিতার শ্লোক আবৃত্তি করছিলেন। ...নাগরা যেহেতু নিয়াজির চেয়ে বেশি শিক্ষিত ছিলেন, নিয়াজি তাই পাঞ্জাবিতে রসিকতা করতে... বিস্তারিত
উচ্চারণগুলি শোকের
লক্ষ্মী বউটিকে আমি আজ আর কোথাও দেখি না,
হাঁটি হাঁটি শিশুটিকে কোথাও দেখি না;
কতগুলি রাজহাঁস দেখি,
নরম শরীর ভরা রাজহাঁস দেখি
কতগুলি মুখস্থ মানুষ দেখি, বউটিকে কোথাও দেখি না
শিশুটিকে কোথাও দেখি না।
তবে কি বউটি রাজহাঁস
তবে কি শিশুটি আজ সবুজ মাঠের সূর্য, সবুজ আকাশ?
অনেক যুদ্ধ গেল
অনেক রক্ত গেল
শিমুল তুলোর মতো সোনা-রুপো ছড়াল বাতাস।
ছোট ভাইটিকে আমি কোথাও দেখি না,
নরম নোলকপরা বোনটিকে... বিস্তারিত
<< [ 3 ][ 4 ][ 5 ][ 6 ][ 7 ]
হাঁটি হাঁটি শিশুটিকে কোথাও দেখি না;
কতগুলি রাজহাঁস দেখি,
নরম শরীর ভরা রাজহাঁস দেখি
কতগুলি মুখস্থ মানুষ দেখি, বউটিকে কোথাও দেখি না
শিশুটিকে কোথাও দেখি না।
তবে কি বউটি রাজহাঁস
তবে কি শিশুটি আজ সবুজ মাঠের সূর্য, সবুজ আকাশ?
অনেক যুদ্ধ গেল
অনেক রক্ত গেল
শিমুল তুলোর মতো সোনা-রুপো ছড়াল বাতাস।
ছোট ভাইটিকে আমি কোথাও দেখি না,
নরম নোলকপরা বোনটিকে... বিস্তারিত



