ডিএসই
২০০৮ ও ২০০১-কে ভিত্তি ধরে নতুন সূচক চালু হচ্ছে
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কাল সোমবার নতুন সূচক চালু করা হচ্ছে। সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এর যাত্রা শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই সূচক চালুর ক্ষেত্রে ২০০৮ ও ২০০১ সালকে ভিত্তি বছর ধরা হচ্ছে।
ডিএসই সূত্র জানায়, নতুন সূচক চালুর ক্ষেত্রে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের ২০০৮ সালের ১৭ জানুয়ারির অবস্থানকে ভিত্তি ধরে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২০০১ সালের ২৪ নভেম্বরের ভিত্তিরও ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হচ্ছে। ২০০১ সালের ২৪ নভেম্বর ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক (জেনারেল ইনডেক্স) প্রবর্তন করা হয়। এ সময় জেড ক্যাটাগরির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ছাড়া বাকি সব শেয়ার ভিত্তি ধরে এ সূচক গণনা করা হয়েছিল। তবে নতুন এই সূচক গণনার ক্ষেত্রে শুধু লেনদেনযোগ্য শেয়ার (ফ্রি ফ্লট) হিসেবে রাখা হবে। এ ছাড়া যেসব শেয়ার লকইন রয়েছে, তা হিসাবে ধরা হবে না।
এ দিকে ২০০৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচকের অবস্থান ছিল ২৯৫১ পয়েন্টে। আগামীকাল যে সূচক চালু করা হবে, তাতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের ওই অবস্থানকেও একটি ভিত্তি ধরা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহমেদ রশিদ লালী প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের ২০০৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ও ২০০১ সালের নভেম্বরের অবস্থানকে ভিত্তি ধরে তার ধারাবাহিকতায় নতুন সূচক গণনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে এসঅ্যান্ডপি তাদের নিজস্ব মেথডলজি ব্যবহার করছে।’ তবে কত পয়েন্টকে ভিত্তি ধরে নতুন সূচক গণনা করা হচ্ছে, সে ব্যাপারে জানাননি তিনি।
সিএসইতে চালু হলো সিএসই-৩০ সূচক
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) তালিকাভুক্ত ৩০টি কোম্পানির সমন্বয়ে সিএসই-৩০ সূচক চালু হয়েছে। আজ রোববার নতুন এ সূচক চালু করা হয়। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সার্বিক কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে নতুন এই সূচক চালু করা হয়।
সিএসই সূত্রে জানা যায়, ২০ জানুয়ারি সিএসইর তালিকাভুক্তি ও ইনডেক্স কমিটির সভায় এই সূচক চূড়ান্ত করা হয়। ওই সভায় আজ থেকে নতুন এই সূচক কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সাজিদ হোসেন জানান, সিএসইর তালিকাভুক্তি ও ইনডেক্স কমিটির সভায় সিএসই-৩০ সূচক চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আজ থেকে চালু হলো সমন্বয়কৃত সূচক সিএসই-৩০।
সিএসইর-৩০ সূচকে স্থান পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো: স্কয়ার টেক্সটাইল, অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস, কেয়া কসমেটিকস, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, কনফিডেন্স সিমেন্ট, আফতাব অটোমোবাইলস, সিংগার বাংলাদেশ লিমিটেড, অ্যাপেক্স ট্যানারি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল, তিতাস গ্যাস, উত্তরা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স, বেক্সিমকো ও জিকিউ বলপেন।
সিএসই সূত্রে জানা যায়, ২০ জানুয়ারি সিএসইর তালিকাভুক্তি ও ইনডেক্স কমিটির সভায় এই সূচক চূড়ান্ত করা হয়। ওই সভায় আজ থেকে নতুন এই সূচক কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সাজিদ হোসেন জানান, সিএসইর তালিকাভুক্তি ও ইনডেক্স কমিটির সভায় সিএসই-৩০ সূচক চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আজ থেকে চালু হলো সমন্বয়কৃত সূচক সিএসই-৩০।
সিএসইর-৩০ সূচকে স্থান পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো: স্কয়ার টেক্সটাইল, অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস, কেয়া কসমেটিকস, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, কনফিডেন্স সিমেন্ট, আফতাব অটোমোবাইলস, সিংগার বাংলাদেশ লিমিটেড, অ্যাপেক্স ট্যানারি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল, তিতাস গ্যাস, উত্তরা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স, বেক্সিমকো ও জিকিউ বলপেন।
স্যামসন এইচ চৌধুরী স্মারক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ চায় দেশীয় ওষুধশিল্প খাত
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বের বিরাট বাজারে অবস্থান করে নিতে চায়। এ জন্য কঠোরভাবে গুণগত মান নিশ্চিত করতে এবং শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে।ঢাকায় রূপসী বাংলা হোটেলে গতকাল শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত স্যামসন এইচ চৌধুরী স্মারক সম্মেলনের প্রথম কার্য-অধিবেশনে এই অভিমত প্রকাশ করা হয়। এতে ওষুধশিল্পের বড় বড় উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী বক্তব্য দেন। ‘বাংলাদেশের ওষুধশিল্প ও বর্তমান প্রবণতা’ শীর্ষক দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করা হয়।
স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরী স্মরণে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এই সম্মেলনের আয়োজন করে। সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন অনিতা-স্যামসন ফাউন্ডেশন ও স্কয়ার ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং স্যামসন এইচ চৌধুরীর সহধর্মিণী অনিতা চৌধুরী।
প্রথম কার্য-অধিবেশন সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ফরহাত আনোয়ার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনসেপটা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব আবদুল মুক্তাদির। এতে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বার্ষিক গড়ে ১৫ শতাংশ হারে বিকশিত হচ্ছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পাঁচ বছর পর অর্থাৎ ২০১৭ সালে দেশের ওষুধ খাতের বার্ষিক বিক্রয় ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ২০১২ সালে এটি ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে।
মুক্তাদির বলেন, ‘বিশ্বে ওষুধের জন্য বার্ষিক ব্যয় এখন ৯৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যা ২০১৬ সালে এক লাখ ২০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে। অন্যদিকে উচ্চমানের ওষুধ প্রস্তুতকরণ, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও মানবসম্পদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প নিজেদের সক্ষমতা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে। কাজেই বিশ্ববাজারে প্রবেশের যথেষ্ট সম্ভাবনা আমাদের রয়েছে।’
মুক্তাদির আরও বলেন, ‘কঠোরভাবে গুণগত মান বজায় রাখা এখনো এই শিল্পের জন্য একটি বড় বিষয়। স্থানীয় নিয়ন্ত্রকেরা গুণগত মান যাচাই করতে গেলে আমাদের দিক থেকে অনেক সময়ই যেভাবে আপত্তি উত্থাপন করা হয়, তা ঠিক নয়। গুণগত মান নিশ্চিত না হলে বিশ্ববাজারে অবস্থান করা যাবে না।’
মুক্তাদিরের মতে, বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত বড় কোম্পানিগুলোকে, দেশের বাইরে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেওয়া উচিত, যেন তারা যৌথ উদ্যোগে উৎপাদনে যেতে পারে, অন্য ছোট কোম্পানি কিনে নিতে পারে ও নিজেদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারে।
প্যানেল আলোচনায় ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ১০-১২ বছর ধরে গড়ে ৬ শতাংশ হারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। তাহলে ওষুধ শিল্প খাত কেন ১৫ শতাংশ গড় প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারবে না। একদিকে আমাদের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে, অন্যদিকে সরকার স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ওষুধশিল্পের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দাঁড়িয়ে গেছে। তেমন কোনো তুলনামূলক সুবিধা না থাকার পরও প্লাস্টিক-শিল্প বছরে ১০০ কোটি ডলার রপ্তানি দেখছে। তাহলে ওষুধশিল্প কেন পারবে না?’
সালমান রহমান আরও বলেন, ‘বিদেশে বিনিয়োগের জন্য এখন কেস-টু-কেস ভিত্তিতে অনুমোদনের নীতি আছে আর ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই সুযোগ আরও উন্মুক্ত করা হবে। তবে কিছুটা সময় লাগবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।’
সালমান রহমান প্রস্তুতকৃত ওষুধের গুণগত মান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘সরকারের উচিত দ্রুত পরীক্ষাগার স্থাপন করা। আমরা চাই গুণগত মান বজায় রাখতে। একটা নেতিবাচক ঘটনা পুরো খাতে প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন হল-মার্কের ঘটনা গোটা আর্থিক খাতের ওপর প্রভাব ফেলেছে।’
স্কয়ার ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের এখন বিদেশে বিনিয়োগ করার সময় এসেছে। দেশের বাইরে আমরা অনেক ছোট কোম্পানি কিনে নিতে পারি, বাইরে কারখানা স্থাপন করতে পারি। এ জন্য সরকারের দিক থেকে নীতি-সমর্থন প্রয়োজন।’
আলোচনায় অংশ নিয়ে রেনাটা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ কায়সার কবির বলেন, ‘বিশ্ববাজারে অবস্থান করে নিতে হলে আমাদের গুণগত মানের দিকে অনেক বেশি জোর দিতে হবে। দেশে এখনো পেটেন্ট আইন নেই। এটি দ্রুত করতে হবে।’
মুক্ত আলোচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি থেকে আগত বিশেষজ্ঞ সুগি এ চরাই বলেন, ‘ভারতের ওষুধশিল্প বাংলাদেশের চেয়ে অন্তত ১০ বছর এগিয়ে আছে। তবে তা রাতারাতি হয়নি। বাংলাদেশের তাই ভারতের দিকে বেশি না তাকিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কেননা কোরিয়ার ওষুধশিল্প বাংলাদেশের মতো অবস্থায় রয়েছে।’
সুগি আরও বলেন, ভারতে হাজার হাজার ওষুধ কোম্পানি থাকলেও মাত্র ১২-১৪টি বিশ্ববাজারে অবস্থান করে নিয়েছে। এর পেছনে প্রতিষ্ঠানগুলোর নৈতিক ব্যবসা একটি বড় ভূমিকা রেখেছে।
সিপিডির সংলাপে মালিকের গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ
তাজরীনে অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিকের প্রাণহানির দায় মালিকের
আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডে ১১২ জন শ্রমিকের মৃত্যুর প্রধান দায় মালিকের। কিন্তু দুই মাস পার হয়ে গেলেও এই মালিককে সরকার গ্রেপ্তার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।‘পোশাক শিল্প শ্রমিকের কর্মকালীন নিরাপত্তা ঝুঁকি: কারণ ও করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে গতকাল শনিবার এই ক্ষোভ প্রকাশ পায়। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এই সংলাপের আয়োজন করে। এতে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন সংস্থাটির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। সভাপতিত্ব করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইসরাফিল আলম তীব্র ভাষায় তৈরি পোশাক মালিক সমিতি বিজিএমইএর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই সমিতির কাজ হলো মালিকদের রক্ষা করা। নিজেদের করমুক্তি, ভ্যাট কমানোসহ সরকারের কাছ থেকে সুবিধা আদায়।
সাংসদ বলেন, ১১২ জন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। আর বিজিএমইএ তাঁকে রক্ষা করতে তদন্ত কমিটি করেছে। তিনি বলেন, বিজিএমইএর তদন্ত কমিটি উদ্দেশ্যমূলক, একপেশে। শুধু মালিককে হত্যার দায় থেকে বাঁচাতে এই কমিটি গঠন করেছে তারা। তিনি বলেন, কোনোদিনই পোশাকমালিকেরা কোনো দুর্ঘটনার দায়িত্ব নেননি। অগ্নিকাণ্ড ঘটলে বলেন, সর্টসার্কিটে ঘটেছে। কিন্তু তাঁদের বাসায় কোনোদিন সর্টসার্কিট হয় না। বিজিএমইএতে কোনো সর্টসার্কিট হয় না।
ইসরাফিল আলম বলেন, যদি অগ্নিকাণ্ডে হত্যার দায়ে বিচার না হয়, দায়ীদের আইনের আওতায় না আনা যায়, তাহলে এই খাতে এ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। অবশ্য আমেরিকাতে জিএসপি বাতিলের উদ্যোগসহ বিশ্বব্যাপী যে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে তাতে এ খাতের ব্যবসার ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে শঙ্কা আছে। তিনি বলেন, পোশাক খাতকে মৃত্যুকূপ বানানো চলবে না। প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির মধ্যে আনতে হবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, তাজরীনের অগ্নিকাণ্ড কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। রোগের চিকিৎসা না হলে উপসর্গ হতে থাকবে। রোগের জায়গাটা হলো আর্থসামাজিক উন্নতি হয়নি। সামাজিক শক্তির ভারসাম্য সামনে না এলে মনোভাবের পরিবর্তন হবে না। অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক অব্যবস্থার কারণে তাজরীনে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। এর দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই। মালিককে আইনের আওতায় নিতে হবে। শাস্তি না হলে নতুন ঘটনা বন্ধ হবে না। শ্রমিক সংঘ করার দাবি শ্রমিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু এখানে করা যাবে না এই অজুহাত বিদেশে দেওয়া যাবে না। দেবপ্রিয় আরও বলেন, বাংলাদেশের শ্রমিকের নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ নিজেদের উদ্যোগেই করতে হবে, বিদেশিদের ডেকে এনে নয়।
এর আগে শ্রম মিকাইল শিপার বলেন, তাজরীনে ৫৩টি লাশ শনাক্ত করা যায়নি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমি জানি না কেন সব আশ্চর্যজনক ঘটনা পোশাক খাতে ঘটে? ৪৭ জনের ডিএনএ টেস্ট করতে হয়।’ ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এর রিপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
মিকাইল শিপার আরও বলেন, ‘আইন না মানা আমাদের একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাঁদের কাছে মানার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাঁরা আইন মানেন না। অবশ্য বিদেশিরা আইন মানে।’
শ্রমসচিব জানান, শ্রমমন্ত্রীর নেতৃত্বে পোশাক খাতের সব আইনকানুন এক মন্ত্রণালয়ে আনার বিষয়ে ১১ জন মন্ত্রীর একটি কমিটি হচ্ছে। তাদের সুপারিশ অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শ্রমিকনেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, অনেক আইনকানুন হয়েছে। তদন্ত কমিটি, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম হয়েছে। কোনো শাস্তি হয়নি। সরকারিভাবে যখন বলা হয় ষড়যন্ত্র, তখন কার ক্ষমতা আছে এর বিপরীতে মত দেওয়া। ফলে যতক্ষণ পর্যন্ত ষড়যন্ত্র প্রমাণ করা না যাবে, ততক্ষণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কমিটির কোনো প্রতিবেদন হবে না। তিনি বলেন, আরে এটা কী করে সম্ভব যে ৫৭ জনের পরিচয় পাওয়া যাবে না। এটা কি সম্ভব? এটাই কি মস্ত বড় অপরাধ নয় মালিককে শাস্তির দেওয়ার জন্য। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি জিএসপি বন্ধ করে তবে কার দায়ে এটা হবে? তিনি বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ১৮ বছর বয়সে ভোটাধিকার দেওয়া হয়, আর বিজিএমইএ বলছে ২২-২৩ বছরের মানুষকে ইউনিয়ন করতে দেওয়া যায় না।
এর আগে আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পোশাক কারখানাতে ট্রেড ইউনিয়ন বা শ্রম সংঘ করার বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ওয়েলফেয়ার কমিটি করে তাঁরা এগোচ্ছেন। এখনো সময় হয়নি শ্রম সংঘ করার সুযোগ দেওয়ার। ২২-২৩ বছর বয়সীরা এই কারখানাগুলোতে কাজ করে উল্লেখ করে তিনি শ্রম সংঘের বিরোধিতা করেন। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পোশাকের বাজারে যে বড় ধরনের আঘাত আসার আশঙ্কা আছে সে বিষয়ে তিনি সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। বলেন, পরস্পরকে দোষারোপ করে লাভ নেই।
আনোয়ার উল আলম চৌধুরীর এই বক্তব্যের পর বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সাইফুল হক স্পষ্টভাষায় জানতে চান ইউনিয়ন দিতে চান কি না। জবাবে আনোয়ার উল আলম বলেন, এখনো সময় হয়নি। এ সময় শ্রমিকনেতারা একযোগে কথা বলে ওঠেন। এ পর্যায়ে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সবাইকে এ বিষয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা করার জন্য ব্যবস্থা করা হবে বলে শান্ত করেন।
বিজিএমইএর বর্তমান সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকে একটা জাতীয় সংকটের মধ্যে পড়েছে এই শিল্প। সবাইকে একত্রে আসতে হবে। দায় আমাদের নিতে হবে। ব্যক্তিকে প্রতিপক্ষ ভাবলে চলবে না।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হামিদা হোসেন বলেন, এটা কোনো ষড়যন্ত্র ছিল না। বিজিএমইএকে তাদের সদস্যপদ শ্রমিকের কর্মপরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত করে শক্তভাবে দেখতে হবে।
সেন্ট্রাল উইমেন ইউনিভার্সিটির সোশিওলজি ও জেন্ডার স্টাডিজের অধ্যাপক এবং নারীনেত্রী মালেকা বেগম, সিপিবির উপদেষ্টা শহীদুল্লাহ চৌধুরী, নিজেরা করির খুশী কবীর প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
এ ছাড়া শ্রমিকনেতা মন্টু ঘোষ, ফিরোজা বেগম, বাবুল আক্তার, নাজমা আক্তার, জেড এম কামরুল আনাম, লিমা ফেরদৌস, সিরাজুল ইসলাম রনি, কামরান রহমানসহ আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিকনেতা সংলাপে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন। তাঁরা স্পষ্ট ভাষায় তাজরীনের অগ্নিকাণ্ডে মালিককে দায়ী করে তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন। একই সঙ্গে পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রম সংঘ করার অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন।
সিএসআরকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পরামর্শ
প্রাতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলছেন, বিচ্ছিন্নভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত সিএসআর কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া সম্ভব হলে দেশের উন্নয়নে তা আরও ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবে।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (এমআরডিআই) যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত সিএসআর কর্মকাণ্ড প্রকল্পের বাস্তব অভিজ্ঞতা দলিল উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ দাবি জানানো হয়।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) সভাপতি রোকেয়া আফজাল রহমানের সভাপতিত্বে গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত দলিল উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম। বক্তব্য দেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস এ খান, এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইংরেজি দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন।
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘দেশের ব্যবসায়ী ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সিএসআর কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহের কোনো অভাব নেই। বিচ্ছিন্নভাবে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমরা অনেক সিএসআর কর্মকাণ্ড দেখতে পাই। কিন্তু এখন সময় এসেছে সমন্বিত উদ্যোগে এসব কাজ করার। এ জন্য সিএসআরের সব অর্থ নিয়ে সরকারি উদ্যোগেই একটি আলাদা তহবিল গড়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’
ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, সিএসআরের সব অর্থকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে সরকার চাইলে জাতীয় শিক্ষা তহবিল বা ট্রাস্ট নামের বিশ্বাসযোগ্য একটি তহবিল গড়ে তুলতে পারে। শিক্ষা খাতে যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সিএসআরে আগ্রহী, তারা সেখানে তাদের অর্থ জমা দেবে। সেই অর্থে এ খাতের উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে। তার বিপরীতে অর্থদাতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সরকার কিছুটা স্বীকৃতিও দিতে পারে। আর সিএসআরের বিপরীতে সরকারের কর রেয়াত-সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও এতে সহজতর হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এস কে সুর চৌধুরী বলেন, ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সিএসআরের অর্থ দিয়ে একটি সমন্বিত তহবিল গড়ার চিন্তা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর মুনাফার ৫ শতাংশ এ খাতে বরাদ্দ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সিএসআর কর্মকাণ্ডে অনেক বেশি সক্রিয় হলে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এটা নিয়ে মাথাও ঘামায় না। অথচ তারা ব্যবসা থেকে অনেক লাভ করে।
শাহীন আনাম বলেন, ‘সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়েও এখন ভাবতে হবে। সে সঙ্গে এই খাতে পেশাদারি বাড়ানো দরকার। বিচ্ছিন্নভাবে কাজ না করে এখন চাইলে একেকটি ব্যাংক বা একেকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান একেকটি গ্রামের শিক্ষা বা স্বাস্থ্য খাতের দায়িত্ব নিতে পারে।’ রোকেয়া আফজাল রহমান বলেন, সিএসআর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণের বিষয়টি এখন খুবই জরুরি হয়ে গেছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন শুধু মুনাফার কথা ভাবলে আর চলবে না। মুনাফার একটি অংশ নিয়ে তাদের সিএসআর কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও এমআরডিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এবং কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থে দেশের পিছিয়ে থাকা একাধিক অঞ্চলে সিএসআরের মাধ্যমে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে গড়ে ওঠা সাফল্যের ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
চার দিনব্যাপী প্লাস্টিক মেলা শেষ হলো
টিকফা স্বাক্ষরের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রীর মত
আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা (টিকফা) চুক্তি করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি বলেন, এটি করা গেলে হয়তো আমেরিকায় বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স বা জিএসপি রক্ষা করা যেতে পারে।
অষ্টম আন্ত-র্জাতিক প্লাস্টিক মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে গতকাল শনিবার বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চার দিনব্যাপী এই মেলা যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) এবং তাইওয়ানের চ্যান চাও ইন্টারন্যাশনাল।
গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘আমেরিকার সঙ্গে টিকফা চুক্তি শ্রম অধিকার বিষয়ে আটকে আছে। এটি নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ অনেক দেশই চুক্তিটি করেছে। এটা করা মানে আমেরিকাকে আমরা কিছু দেব, তা নয়।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধার জন্য জিএসপি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শিশুশ্রম বন্ধের বাধ্যবাধকতা থাকে। আমরা সেগুলো মোটামুটি মেনে চলেছি।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টিকফা আগে করা গেলে জিএসপির শুনানির সময় শ্রম অধিকার নিয়ে কথা উঠবে না। তাই এটা করা উচিত। অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য নয়, দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্যও জিএসপি-সুবিধা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
বিপিজিএমইএর সাধারণ সম্পাদক কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, এবারের প্লাস্টিক মেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। চার দিনে প্রায় দেড় লাখ দর্শনার্থী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। কয়েক কোটি টাকার কেনাবেচা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম, বিপিজিএমইএ সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সাবেক সভাপতি এ এস এম কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
অষ্টম আন্ত-র্জাতিক প্লাস্টিক মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে গতকাল শনিবার বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চার দিনব্যাপী এই মেলা যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) এবং তাইওয়ানের চ্যান চাও ইন্টারন্যাশনাল।
গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘আমেরিকার সঙ্গে টিকফা চুক্তি শ্রম অধিকার বিষয়ে আটকে আছে। এটি নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ অনেক দেশই চুক্তিটি করেছে। এটা করা মানে আমেরিকাকে আমরা কিছু দেব, তা নয়।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধার জন্য জিএসপি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শিশুশ্রম বন্ধের বাধ্যবাধকতা থাকে। আমরা সেগুলো মোটামুটি মেনে চলেছি।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টিকফা আগে করা গেলে জিএসপির শুনানির সময় শ্রম অধিকার নিয়ে কথা উঠবে না। তাই এটা করা উচিত। অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য নয়, দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্যও জিএসপি-সুবিধা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
বিপিজিএমইএর সাধারণ সম্পাদক কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, এবারের প্লাস্টিক মেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। চার দিনে প্রায় দেড় লাখ দর্শনার্থী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। কয়েক কোটি টাকার কেনাবেচা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম, বিপিজিএমইএ সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সাবেক সভাপতি এ এস এম কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
বিশ্ব অর্থনীতি
ইউরোপের ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ঋণ পরিশোধের তাগিদ দিল ইসিবি
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) কাছ থেকে ইউরো অঞ্চলের যেসব ব্যাংক সস্তায় বা কম সুদে ঋণ নিয়েছে, তাদের দ্রুত তা পরিশোধ করতে হবে।
ইউরো অঞ্চলের ২৭৮টি ব্যাংককে এখন ইসিবির পাওনা ১৩ হাজার ৭১৬ কোটি ইউরোর (১৮ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার) ঋণ পরিশোধ করতে হবে। ওই অঞ্চলে ঋণ-সংকটের সময়ে ব্যাংকগুলো বিপর্যয়ের আশঙ্কায় এ ঋণ নিয়েছিল।
ইসিবি বলেছে, ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নেওয়া এই ঋণ ৩০ জানুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। খবর বিবিসির।
তবে ইসিবি স্বল্প সুদে মোট ঋণ দিয়েছিল এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ইউরো। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃহত্তর বা ২৭ জাতির ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮০০ ব্যাংককে ৫৩ হাজার ইউরো ঋণ দেয়। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ৪৮ হাজার ৯০০ কোটি ইউরো ঋণ দেয় ইসিবি। ওই ঋণই আগে পরিশোধের তাগিদ দিয়েছে ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি।
সংকটের কারণে গ্রিসকে দুই দফায় আন্তর্জাতিক পুনরুদ্ধার সহায়তার আওতায় বিপুল অঙ্কের ঋণ নিতে হয়েছে। একই ভাবে স্পেন ও ইতালিকেও আন্তর্জাতিক সহায়তা নিতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসিবির প্রধান মারিও দ্রাঘি গত শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে বলেন, ইউরোপের ১৭ জাতির সমন্বয়ে গঠিত ইউরো অঞ্চলে একক মুদ্রা ইউরোর কার্যকর পুনঃপ্রবর্তন হয় ২০১২ সালে, যা ১৯৯৯ সালে চালু হয়।
মারিও দ্রাঘি আরও বলেন, ‘আমরা এখনো অর্থনীতির সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে গতিশীলতা দেখতে পারছি না। সে জন্য আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে।’
ইউরো অঞ্চলের ২৭৮টি ব্যাংককে এখন ইসিবির পাওনা ১৩ হাজার ৭১৬ কোটি ইউরোর (১৮ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার) ঋণ পরিশোধ করতে হবে। ওই অঞ্চলে ঋণ-সংকটের সময়ে ব্যাংকগুলো বিপর্যয়ের আশঙ্কায় এ ঋণ নিয়েছিল।
ইসিবি বলেছে, ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নেওয়া এই ঋণ ৩০ জানুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। খবর বিবিসির।
তবে ইসিবি স্বল্প সুদে মোট ঋণ দিয়েছিল এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ইউরো। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃহত্তর বা ২৭ জাতির ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮০০ ব্যাংককে ৫৩ হাজার ইউরো ঋণ দেয়। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ৪৮ হাজার ৯০০ কোটি ইউরো ঋণ দেয় ইসিবি। ওই ঋণই আগে পরিশোধের তাগিদ দিয়েছে ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি।
সংকটের কারণে গ্রিসকে দুই দফায় আন্তর্জাতিক পুনরুদ্ধার সহায়তার আওতায় বিপুল অঙ্কের ঋণ নিতে হয়েছে। একই ভাবে স্পেন ও ইতালিকেও আন্তর্জাতিক সহায়তা নিতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসিবির প্রধান মারিও দ্রাঘি গত শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে বলেন, ইউরোপের ১৭ জাতির সমন্বয়ে গঠিত ইউরো অঞ্চলে একক মুদ্রা ইউরোর কার্যকর পুনঃপ্রবর্তন হয় ২০১২ সালে, যা ১৯৯৯ সালে চালু হয়।
মারিও দ্রাঘি আরও বলেন, ‘আমরা এখনো অর্থনীতির সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে গতিশীলতা দেখতে পারছি না। সে জন্য আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে।’
রিহ্যাবের দুটি মেলার পুরস্কার বিতরণ
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) র্যাফল ড্রয়ের পুরস্কার পেলেন ২৫ জন। এর আগে সংগঠনটির আয়োজিত দুটি মেলার প্রবেশ টিকিটের ওপর গতকাল শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে এই পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১২ সালের ১৪ থেকে ১৭ জুন অনুষ্ঠিত ‘রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০১২’-এর জন্য ২০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। একই স্থানে ২ থেকে ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ‘রিহ্যাব ফেয়ার-২০১২’-এর বিপরীতে পুরস্কার দেওয়া হয় পাঁচটি।
পুরস্কার বিরতণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাবের সভাপতি সাংসদ নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেলা আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহিম খান ও আহ্বায়ক মো. আবদুর রশীদ, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহ মোমরেজ চৌধুরী। বিজ্ঞপ্তি।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১২ সালের ১৪ থেকে ১৭ জুন অনুষ্ঠিত ‘রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০১২’-এর জন্য ২০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। একই স্থানে ২ থেকে ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ‘রিহ্যাব ফেয়ার-২০১২’-এর বিপরীতে পুরস্কার দেওয়া হয় পাঁচটি।
পুরস্কার বিরতণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাবের সভাপতি সাংসদ নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেলা আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহিম খান ও আহ্বায়ক মো. আবদুর রশীদ, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহ মোমরেজ চৌধুরী। বিজ্ঞপ্তি।
নিট পোশাকশিল্পে শ্রম সমস্যা সমাধানের বিষয়ে কর্মশালা
নিট পোশাকশিল্পে ব্যবস্থাপনা ও শ্রমসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নিটওয়্যার শিল্পে কর্মরত মধ্যম পর্যায়ের প্রায় ৪০০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) ‘দ্বন্দ্ব নিরসন ও শৃঙ্খলা নীতি’ শীর্ষক কর্মশালাটির আয়োজন করে। নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সংগঠনের প্রথম সহসভাপতি মোহামঞ্চদ হাতেম, দ্বিতীয় সহসভাপতি এ এইচ আসলাম সানি, সহসভাপতি (অর্থ) শামীম আহমেদ, পরিচালক মঞ্জুরুল হক, মো. হুমায়ুন কবীর খান, মোস্তফা জামাল পাশা, মো. মজিবুর রহমান, জি এম ফারুক ও এ কে এম জাহিদুল হক ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) ‘দ্বন্দ্ব নিরসন ও শৃঙ্খলা নীতি’ শীর্ষক কর্মশালাটির আয়োজন করে। নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সংগঠনের প্রথম সহসভাপতি মোহামঞ্চদ হাতেম, দ্বিতীয় সহসভাপতি এ এইচ আসলাম সানি, সহসভাপতি (অর্থ) শামীম আহমেদ, পরিচালক মঞ্জুরুল হক, মো. হুমায়ুন কবীর খান, মোস্তফা জামাল পাশা, মো. মজিবুর রহমান, জি এম ফারুক ও এ কে এম জাহিদুল হক ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি।
বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য এমিরেটসের মূল্যছাড় ঘোষণা
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্বল্পকালীন বিশেষ ভাড়া ঘোষণা করেছে এমিরেটস এয়ারলাইন। লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটনসহ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ৪০টি গন্তব্যের যাত্রীরা এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
নতুন ঘোষণার আওতায় যাত্রীরা আজ রোববার থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে টিকিট কিনলে ১২ শতাংশ মূল্যছাড় পাবেন। বাংলাদেশে অবস্থিত এমিরেটসের সব কার্যালয় ও ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট কেনা যাবে। আর ভ্রমণ শুরু করতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে।
এমিরেটসের বহরে বর্তমানে ১৯৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এই বিমান সংস্থা এখন ঢাকায় প্রতি সপ্তাহে ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং বিশ্বের ৭৪টি দেশের ১২৫টিরও বেশি গন্তব্যে সংযোগ দিচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি।
নতুন ঘোষণার আওতায় যাত্রীরা আজ রোববার থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে টিকিট কিনলে ১২ শতাংশ মূল্যছাড় পাবেন। বাংলাদেশে অবস্থিত এমিরেটসের সব কার্যালয় ও ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট কেনা যাবে। আর ভ্রমণ শুরু করতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে।
এমিরেটসের বহরে বর্তমানে ১৯৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এই বিমান সংস্থা এখন ঢাকায় প্রতি সপ্তাহে ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং বিশ্বের ৭৪টি দেশের ১২৫টিরও বেশি গন্তব্যে সংযোগ দিচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি।
ট্রান্সকম বেভারেজেস ‘বটলার দ্য ইয়ার পুরস্কার’ পেয়েছে
ট্রান্সকম বেভারেজেস ২০১২ সালের জন্য ভারত অঞ্চলের ‘বটলার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চতুর্থবারের মতো এ পুরস্কার পেল। ভারতের জয়পুরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পেপসিকোর বার্ষিক সম্মেলনে ট্রান্সকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের হাতে পুরস্কারের ক্রেস্ট তুলে দেন পেপসিকোর ভারত অঞ্চলের চেয়ারম্যান মানু আনন্দ। এ সময় ট্রান্সকম বেভারেজেসের পরিচালক আরশাদ ওয়ালিউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক খুরশিদ ইরফান চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপক এন কে ভৌমিক ও বাজার উন্নয়ন ব্যবস্থাপক আরিফ হোসাইন, পেপসিকোর ভাইস প্রেসিডেন্ট সমিক বসু, কান্ট্রি ম্যানেজার প্রতীক সাভারওয়াল এবং পেপসিকো বেভারেজেসের সিইও গৌতম মুখাভিল্লি উপস্থিত ছিলেন।
পেপসিকো ইন্টারন্যাশনালের ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে ট্রান্সকম বেভারেজেস দেশে জনপ্রিয় সব পেপসিকো পানীয় বোতলজাত, বাজারজাত ও বিতরণ করে আসছে। বিজ্ঞপ্তি।
সূচক বেড়েছে দুই বাজারে
সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। আজ রোববার বেলা আড়াইটায় দিনের লেনদেন শেষে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তবে সূচক সামান্য বেড়েছে। দিনের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী থাকে সূচক। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটায় দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৩.৭২ পয়েন্ট বেড়ে ৪১৭১.৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সূচক গতকালের চেয়ে ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচক বাড়ার হার কমলেও শেষ পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী থাকে।
আজ ডিএসইতে মোট ২৬৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১০৯টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১২৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: ইউনাইটেড এয়ার, মালেক স্পিনিং, ইউনিক হোটেল, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, ডেল্টা স্পিনিং, কেয়া কসমেটিকস, আরএন স্পিনিং, বেক্সিমকো, বিএসসিসিএল ও এনভয় টেক্সটাইল।
দিনের লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২০.৪০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৭৪৯.৬৪ পয়েন্টে। সিএসইতে আজ ১৭০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে ৬২টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৮৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।




