এসএমই খাতকে আরও কর সুবিধা দেওয়ার তাগিদ
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) আরও কর-সুবিধা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এসএমই উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন সহজ করার পাশাপাশি লেনদেনের (টার্নওভার) পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় গতকাল বুধবার বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর পান্থপথে এসএমই ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে এ সভা হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। আরও বক্তব্য দেন ঢাকা চেম্বারের (ডিসিসিআই) সভাপতি সবুর খান, বাংলাদেশ চেম্বারের (বিসিআই) সাবেক সভাপতি শাহেদুর ইসলাম হেলাল, হালকা প্রকৌশল শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুব রহমান। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনবিআরের সাবেক সদস্য মো. সাহাবুদ্দিন।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এসএমই খাত। তাই এ খাতকে আরও প্রণোদনা দেওয়া উচিত।
এনবিআরের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ব্যবস্থা আরও সহজ করা হচ্ছে। এ জন্য কাঠামো সংস্কার হচ্ছে।
গোলাম হোসেন ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘কোনো জায়গায় পয়সা দেবেন না। আমি কথা দিচ্ছি, ফাইল কোথাও আটকাবে না। আমাকে জানাবেন, ওমুক লোক ফাইল আটকে রেখেছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।’
করবান্ধব পরিবেশ দিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতি এনবিআরের সমর্থন থাকবে বলে তিনি জানান।
গোলাম হোসেন আরও বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে রাজস্ব কর্মকর্তাদের ঘুষ নেওয়ার দিকটি শুধু দেখলে হবে না, ব্যবসায়ীরা ঘুষ দেন, সেটাও বিবেচনায় আনতে হবে। তিনি জানান, এনবিআর এখন অবৈধভাবে আনা মার্সিজিড বেঞ্জ ও বিএমডব্লিউর মতো বিলাসবহুল গাড়িগুলো খুঁজছে। এসব কারা ব্যবহার করছেন, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গোলাম হোসেন জানান, যারা কর আদায় করে, তারা আগের চেয়ে অনেক কম দুর্নীতিগ্রস্ত। সর্বশেষ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশালের প্রতিবেদনে প্রথম ১০টি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কর বিভাগ নেই।
সবুর খান বলেন, এসএমই খাতে ২৪ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এই সীমা আরও বাড়ানো উচিত।
সবুর খান মনে করেন, বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী কিছু ছোট প্রতিষ্ঠান করে এসএমই খাতের সব সুবিধা নিয়ে যাচ্ছে। এতে সত্যিকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
রাজু আহমেদ বলেন, কুটিরশিল্প উদ্যোক্তাদের নিবন্ধনের জন্য যেতে হয় বিভাগীয় কর কমিশনারের কার্যালয়ে। আর অন্য উদ্যোক্তাদের যেতে হয় সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে। এই ধরনের বৈষম্যমূলক অসংগতি দূর করা উচিত।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, এসএমই খাতে টার্নওভার আয় নিয়ে দুর্নীতি হয়। এই দুর্নীতি কমাতে টার্নওভার সীমা উঠিয়ে দেওয়া আর যন্ত্রপাতি স্থাপনের বিনিয়োগ সীমা আরও বাড়ানো উচিত।
রাজ্জাক প্রস্তাব করেন, এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে ‘যদি’, ‘তবে’, ‘দাঁড়ি’, ‘সেমিকোলন’ ইত্যাদির ব্যবহার কমিয়ে সহজবোধ্য ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
মূল্য সংযোজন প্রদান-প্রক্রিয়া আরও সহজ করার পরামর্শ দেন বিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল।
মূল প্রবন্ধ
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, গত কয়েক বছরে কর দেওয়ার টার্নওভার সীমা বাড়ানোর ফলে উৎপাদন কমেছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এই খাতে উৎপাদন ছিল ১১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। অবশ্য গত অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
প্রবন্ধে এসএমই খাতের বিকাশে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এগুলো হলো: এসএমই খাতের নিবন্ধন সহজ করা, টার্নওভারের পরিমাণ পুনর্নির্ধারন করা, সুবিধাভোগীদের যন্ত্রপাতি স্থাপনের বিনিয়োগ পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করা ইত্যাদি।
এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় গতকাল বুধবার বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর পান্থপথে এসএমই ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে এ সভা হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। আরও বক্তব্য দেন ঢাকা চেম্বারের (ডিসিসিআই) সভাপতি সবুর খান, বাংলাদেশ চেম্বারের (বিসিআই) সাবেক সভাপতি শাহেদুর ইসলাম হেলাল, হালকা প্রকৌশল শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুব রহমান। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনবিআরের সাবেক সদস্য মো. সাহাবুদ্দিন।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এসএমই খাত। তাই এ খাতকে আরও প্রণোদনা দেওয়া উচিত।
এনবিআরের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ব্যবস্থা আরও সহজ করা হচ্ছে। এ জন্য কাঠামো সংস্কার হচ্ছে।
গোলাম হোসেন ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘কোনো জায়গায় পয়সা দেবেন না। আমি কথা দিচ্ছি, ফাইল কোথাও আটকাবে না। আমাকে জানাবেন, ওমুক লোক ফাইল আটকে রেখেছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।’
করবান্ধব পরিবেশ দিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতি এনবিআরের সমর্থন থাকবে বলে তিনি জানান।
গোলাম হোসেন আরও বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে রাজস্ব কর্মকর্তাদের ঘুষ নেওয়ার দিকটি শুধু দেখলে হবে না, ব্যবসায়ীরা ঘুষ দেন, সেটাও বিবেচনায় আনতে হবে। তিনি জানান, এনবিআর এখন অবৈধভাবে আনা মার্সিজিড বেঞ্জ ও বিএমডব্লিউর মতো বিলাসবহুল গাড়িগুলো খুঁজছে। এসব কারা ব্যবহার করছেন, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গোলাম হোসেন জানান, যারা কর আদায় করে, তারা আগের চেয়ে অনেক কম দুর্নীতিগ্রস্ত। সর্বশেষ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশালের প্রতিবেদনে প্রথম ১০টি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কর বিভাগ নেই।
সবুর খান বলেন, এসএমই খাতে ২৪ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এই সীমা আরও বাড়ানো উচিত।
সবুর খান মনে করেন, বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী কিছু ছোট প্রতিষ্ঠান করে এসএমই খাতের সব সুবিধা নিয়ে যাচ্ছে। এতে সত্যিকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
রাজু আহমেদ বলেন, কুটিরশিল্প উদ্যোক্তাদের নিবন্ধনের জন্য যেতে হয় বিভাগীয় কর কমিশনারের কার্যালয়ে। আর অন্য উদ্যোক্তাদের যেতে হয় সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে। এই ধরনের বৈষম্যমূলক অসংগতি দূর করা উচিত।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, এসএমই খাতে টার্নওভার আয় নিয়ে দুর্নীতি হয়। এই দুর্নীতি কমাতে টার্নওভার সীমা উঠিয়ে দেওয়া আর যন্ত্রপাতি স্থাপনের বিনিয়োগ সীমা আরও বাড়ানো উচিত।
রাজ্জাক প্রস্তাব করেন, এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে ‘যদি’, ‘তবে’, ‘দাঁড়ি’, ‘সেমিকোলন’ ইত্যাদির ব্যবহার কমিয়ে সহজবোধ্য ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
মূল্য সংযোজন প্রদান-প্রক্রিয়া আরও সহজ করার পরামর্শ দেন বিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল।
মূল প্রবন্ধ
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, গত কয়েক বছরে কর দেওয়ার টার্নওভার সীমা বাড়ানোর ফলে উৎপাদন কমেছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এই খাতে উৎপাদন ছিল ১১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। অবশ্য গত অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
প্রবন্ধে এসএমই খাতের বিকাশে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এগুলো হলো: এসএমই খাতের নিবন্ধন সহজ করা, টার্নওভারের পরিমাণ পুনর্নির্ধারন করা, সুবিধাভোগীদের যন্ত্রপাতি স্থাপনের বিনিয়োগ পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করা ইত্যাদি।
ডিএসইর লেনদেনে বস্ত্র খাতের প্রাধান্য
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মঙ্গলবার লেনদেনে আধিপত্য বিস্তার করেছে বস্ত্র খাত। এদিন ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ২০ শতাংশ জুড়েই ছিল বস্ত্র খাত। যদিও লেনদেন হওয়া বস্ত্র খাতের অধিকাংশ কোম্পানিরই দাম কমেছে। শুধু বস্ত্র খাত নয়, ঢাকার বাজারে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানিরই দরপতন ঘটেছে। সেই সঙ্গে লেনদেনও কিছুটা কমে গেছে। বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কসমোপলিটন ফিন্যান্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিএসইর মোট লেনদেনের মধ্যে গতকাল বস্ত্র খাতের বাইরে বড় অংশ জুড়ে ছিল ভ্রমণ ও অবকাশ এবং ব্যাংক খাত। ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ১৫ শতাংশ ছিল ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের এবং ১৩ শতাংশ ছিল ব্যাংকিং খাতের।
খাতভিত্তিক লেনদেনের পাশাপাশি একক কোম্পানি হিসেবেও লেনদেনের শীর্ষস্থানে ছিল ইউনাইটেড এয়ার। এদিন এককভাবে কোম্পানিটির লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৮ শতাংশ। ইউনাইটেড এয়ারের পর লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের অপর কোম্পানি ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস। দিন শেষে কোম্পানিটির লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২১ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৭ শতাংশ।
এদিকে, নতুন-পুরোনো মিলিয়ে ঢাকার বাজারের তিনটি সূচকই গতকাল কমেছে। ডিএসইর পুরোনো সাধারণ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ২২৮ পয়েন্টে। এই বাজারের নতুন দুই সূচকের মধ্যে সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ২৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় চার হাজার ১২৭ পয়েন্টে। গত সোমবার চার হাজার ৫৫ পয়েন্ট থেকে নতুন এই সূচকটির যাত্রা শুরু হয়। এরপর গত তিন কার্যদিবসে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৭২ পয়েন্ট।
এর বাইরে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্য থেকে বাছাই করা ৩০ কোম্পানিকে নিয়ে চালু হওয়া নতুন সূচক ডিএস-৩০ প্রায় ৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ৪৮৭ পয়েন্টে। এক হাজার ৪৬০ পয়েন্টের অবস্থান থেকে সোমবার নতুন এই সূচকটি চালু হয়েছিল।
এদিকে ছয় দিন পর গতকাল ঢাকার বাজারে দরপতন ঘটেছে। যদিও বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এটিকে মূল্যসংশোধন বলে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলছেন, কয়েক দিনের দরবৃদ্ধির পর বাজারে কিছুটা মূল্যসংশোধন হবে, এটাই স্বাভাবিক।
মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়েই গতকাল ঢাকার বাজারে লেনদেন শুরু হয়। তবে সেটি স্থায়ী হয়নি। এদিন ডিএসইতে ২৭২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৭৬টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৭০টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২৬টির দাম। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৮৭ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৫ কোটি টাকা কম।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক প্রায় ৭৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৯২১ পয়েন্টে। সিএসইতে মঙ্গলবার ১৮৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৩২টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৩১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২০টির দাম। দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৭ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে চার কোটি টাকা কম।
আজ নির্বাচিত হবেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নতুন মহাপরিচালক
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) পরবর্তী মহাপরিচালক (ডিজি) নির্বাচিত হবেন আজ বৃহস্পতিবার।ডব্লিউটিওর ডিজি পদের জন্য এবার ঘানা, ইন্দোনেশিয়া, কোস্টারিকা, নিউজিল্যান্ড, কেনিয়া, জর্ডান, মেক্সিকো, কোরিয়া ও ব্রাজিল এই নয়টি দেশ প্রার্থী দিয়েছে।
সংস্থাটির চলমান সাধারণ পর্ষদের তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রার্থীরা বক্তব্য দিতে শুরু করেছেন। তাঁরা প্রতিদিনই আলাদাভাবে সদস্যদের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দিচ্ছেন।
এর মধ্যে সম্মেলনের প্রথম দিনে গত মঙ্গলবার বক্তব্য দিয়েছেন ঘানার অ্যালান জন কাওয়াডাও, কোস্টারিকার আনাবেল গঞ্জালেস ও ইন্দোনেশিয়ার মারি এল্কা পাঙ্গেস্তু। তাঁরা প্রত্যেকে সংবাদ সম্মেলনেও বক্তব্য দেন। এ সময়ে তাঁদের ভিশন বা রূপকল্পসহ ডব্লিউটিওতে কীভাবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করবেন ও নারী হিসেবে এই সংস্থায় কী পরিবর্তন আনবেন এবং সদস্যদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পেয়েছেন এসব জানতে চাওয়া হয়।
ইন্দোনেশিয়ার সাবেক বাণিজ্য এবং বর্তমানে পর্যটন ও সৃজনশীল অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী মারি এল্কা পাঙ্গেস্তু বলেন, সম্ভবত এটি হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন। সদস্যরা প্রার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই ডব্লিউটিওর পরবর্তী ডিজি নির্বাচিত করবেন।
ডব্লিউটিওর সাধারণ পর্ষদের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে গতকাল বুধবার নিউজিল্যান্ড, কেনিয়া, জর্ডান ও মেক্সিকোর প্রার্থীদের বক্তব্য উপস্থাপন করার কথা। আর শেষ দিনে আজ বৃহস্পতিবার কোরিয়া ও ব্রাজিলের প্রার্থী তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
এদিকে ডব্লিউটিওর সচিবালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ৩১ জানুয়ারির (আজ) মধ্যেই অর্থাৎ সম্মেলনের শেষ দিনেই সাধারণ পর্ষদের সদস্যরা পরবর্তী ডিজি নির্বাচিত করবে।
ডব্লিউটিওর বর্তমান মহাপরিচালক প্যাসকাল লামির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ আগস্ট। সূত্র: বাসস/সিনহুয়া।
ভারত সীমান্তে পণ্য খালাসের চারটি স্থান প্রস্তাব
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যেন সহজে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোয় পণ্য রপ্তানি করতে পারে, সে জন্য সীমান্তসংলগ্ন এসব রাজ্যে পণ্য খালাসের জন্য স্থান নির্ধারণের বাংলাদেশের প্রস্তাব ভারত বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।ভারত সফররত বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার (সিআইআই)-এর আমন্ত্রণে পার্টনার-শিপ সামিটে যোগদানের উদ্দেশ্যে জি এম কাদের বর্তমানে ভারতে রয়েছেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মার সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন, সীমান্তে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বাংলাদেশের পণ্য ভারতে রপ্তানির ক্ষেত্রে অশুল্ক সমস্যা দূর করার ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী অশুল্ক বাধাসমূহ দূর করার ব্যাপারে বাংলাদেশের মন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের যে বাণিজ্য-ঘাটতি রয়েছে, তাকে আমরা নেতিবাচক মনে করছি না। কারণ, শিল্পের কাঁচামালসহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী আমরা ভারত থেকে আমদানি করে থাকি। বাংলাদেশ বছরে ভারত থেকে ৫০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। অপর দিকে আমরা ভারতে ৬০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে থাকি।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইতিমধ্যে ভারত কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেওয়া বিএসটিআইয়ের সনদ গ্রহণ করছে। তবে সব পণ্যের ক্ষেত্রেই তা গ্রহণ করার ব্যাপারে তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন। ভারতের কতিপয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে মূল্য পরিশোধ না করায় যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করার ব্যাপারেও ভারতের মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও শিল্পের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ভারতের শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য পৃথকভাবে ইপিজেড স্থাপনের ব্যাপারে এক প্রশ্নের উত্তরে জি এম কাদের বলেন, ‘আমাদের দেশে ভূমি সমস্যা রয়েছে। তবে সাতটি বিভাগে যে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে, ভারতের বিনিয়োগকারীরা ইচ্ছা করলে সেসব অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে পারবেন।’
এ সময় নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার এনামুল হক চৌধুরী এবং কমার্শিয়াল মিনিস্টার হাবিবুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক আলোচনায় মিলিত হন।
শ্রমিকের বিমা দাবি দুই লাখ টাকায় উন্নীত করেছে বিকেএমইএ
মৃত্যুজনিত কারণে নিট পোশাক কারখানা-শ্রমিকদের বিমা দাবির পরিমাণ এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকায় উন্নীত করেছে নিট পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সমিতি (বিকেএমইএ)।
রাজধানীতে বিকেএমইএ কার্যালয়ে গতকাল বুধবার এ লক্ষ্যে জীবন বীমা করপোরেশনের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক চুক্তিও সই করেছে সংগঠনটি। জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরিক্ষীৎ দত্ত চৌধুরী এবং বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এতে সই করেন।
বিকেএমইএ থেকে গতকাল পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।
অনুষ্ঠানে ৩০টি বিমা দাবির বিপরীতে ২৯ লাখ ৫০ টাকার চেক দেওয়া হয়। বিকেএমইএ জানায়, ২০০৫ সাল থেকে বিকেএমইএ শ্রমিকদের জন্য জীবন বিমা বাধ্যতামূলক করেছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ৩৪২ জনকে তিন কোটি ৪১ লাখ টাকার বিমা চেক দেওয়া হয়।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সম্প্রতি স্মার্ট এক্সপোর্টে সংঘটিত দুর্ঘটনায় নিহত সাত শ্রমিক পরিবারের জন্য বিকেএমইএর পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ শ্রম প্রতিমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে শ্রমসচিব মিখাইল শিপার, বিকেএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহসভাপতি মহিউদ্দিন ফারুকী, সহসভাপতি (অর্থ) শামীম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীতে বিকেএমইএ কার্যালয়ে গতকাল বুধবার এ লক্ষ্যে জীবন বীমা করপোরেশনের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক চুক্তিও সই করেছে সংগঠনটি। জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরিক্ষীৎ দত্ত চৌধুরী এবং বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এতে সই করেন।
বিকেএমইএ থেকে গতকাল পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।
অনুষ্ঠানে ৩০টি বিমা দাবির বিপরীতে ২৯ লাখ ৫০ টাকার চেক দেওয়া হয়। বিকেএমইএ জানায়, ২০০৫ সাল থেকে বিকেএমইএ শ্রমিকদের জন্য জীবন বিমা বাধ্যতামূলক করেছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ৩৪২ জনকে তিন কোটি ৪১ লাখ টাকার বিমা চেক দেওয়া হয়।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সম্প্রতি স্মার্ট এক্সপোর্টে সংঘটিত দুর্ঘটনায় নিহত সাত শ্রমিক পরিবারের জন্য বিকেএমইএর পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ শ্রম প্রতিমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে শ্রমসচিব মিখাইল শিপার, বিকেএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহসভাপতি মহিউদ্দিন ফারুকী, সহসভাপতি (অর্থ) শামীম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গুচ্ছভিত্তিক শিল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হচ্ছে
চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরে ক্লাস্টার বা গুচ্ছভিত্তিক শিল্পে অর্থায়নে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লক্ষ্যমাত্রা জমা নেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খবর বাসসের।
এর মধ্যে ২৯টি ব্যাংক ও ১৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান মোট চার হাজার ৬৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা গুচ্ছ অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাকি ৩২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এখনো লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করতে পারেনি। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে গুচ্ছ অর্থায়নে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশনার পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ কাজ শুরু করেছে।
চলতি বছর গুচ্ছভিত্তিক শিল্পে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংক ৮৩০ কোটি টাকা ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সুকোমল সিংহ চৌধুরী বাসসকে বলেন, বিগত বছরগুলোতে এ শিল্পের জন্য লক্ষ্যমাত্রা পর্যবেক্ষণ না থাকায় ব্যাংকগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় এ শিল্পে বিনিয়োগ করত। কিন্তু চলতি বছর গুচ্ছভিত্তিক কার্যক্রম উন্নয়নে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে প্রকৃত শিল্পোদ্যোক্তার সহজে এসএমই ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত চলতি বছর কৃষিভিত্তিক প্রকৌশল শিল্প, তাঁতশিল্প, চাতালশিল্প, নকশিকাঁথা শিল্প, জামদানি শিল্প, মণিপুরি তাঁতশিল্প, বুটিক ও হস্তশিল্প প্রভৃতির মধ্যে তাঁতশিল্পে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
এর মধ্যে ২৯টি ব্যাংক ও ১৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান মোট চার হাজার ৬৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা গুচ্ছ অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাকি ৩২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এখনো লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করতে পারেনি। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে গুচ্ছ অর্থায়নে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশনার পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ কাজ শুরু করেছে।
চলতি বছর গুচ্ছভিত্তিক শিল্পে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংক ৮৩০ কোটি টাকা ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সুকোমল সিংহ চৌধুরী বাসসকে বলেন, বিগত বছরগুলোতে এ শিল্পের জন্য লক্ষ্যমাত্রা পর্যবেক্ষণ না থাকায় ব্যাংকগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় এ শিল্পে বিনিয়োগ করত। কিন্তু চলতি বছর গুচ্ছভিত্তিক কার্যক্রম উন্নয়নে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে প্রকৃত শিল্পোদ্যোক্তার সহজে এসএমই ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত চলতি বছর কৃষিভিত্তিক প্রকৌশল শিল্প, তাঁতশিল্প, চাতালশিল্প, নকশিকাঁথা শিল্প, জামদানি শিল্প, মণিপুরি তাঁতশিল্প, বুটিক ও হস্তশিল্প প্রভৃতির মধ্যে তাঁতশিল্পে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
নিবন্ধনহীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট অনুমোদন সহজ হলো
নিবন্ধিত নয়, এমন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এজেন্ট, কারিগরি বা ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ও কর্মকর্তার ভূমিকায় বাংলাদেশে কাজ করার ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ে অনুমোদন পেতে এ-সংক্রান্ত অনুমোদন-প্রক্রিয়া উদার করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খবর বাসসের।
এর ফলে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বার্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়ার এক দিনের ব্যবধানে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের এক সার্কুলারে বলা হয়, আবেদনপত্র এবং সঙ্গে পাওয়া কাগজপত্র যথাযথ হওয়ার বিষয়ে প্রত্যয়ন সহকারে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখার বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রধান কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত ফরোয়ার্ডিং (সুপারিশসহ) পত্রের ইলেকট্রনিক কপি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বরাবর পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে ফরোয়ার্ডিং পত্রের মুদ্রিত অনুলিপি ও দাখিলযোগ্য সমুদয় দলিলাদিও একই প্রাপকের বরাবর একই দিন পাঠাতে হবে।
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বার্তাটির প্রাপ্তি স্বীকার অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখায় পরবর্তী কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়ে দেবে। প্রাপ্তি স্বীকার বার্তাটিই এজেন্সি কার্যক্রমের আবেদনের অস্থায়ী অনুমোদন বলে বিবেচিত হবে এবং এর মেয়াদ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য অফিসগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
এর ফলে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বার্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়ার এক দিনের ব্যবধানে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের এক সার্কুলারে বলা হয়, আবেদনপত্র এবং সঙ্গে পাওয়া কাগজপত্র যথাযথ হওয়ার বিষয়ে প্রত্যয়ন সহকারে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখার বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রধান কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত ফরোয়ার্ডিং (সুপারিশসহ) পত্রের ইলেকট্রনিক কপি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বরাবর পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে ফরোয়ার্ডিং পত্রের মুদ্রিত অনুলিপি ও দাখিলযোগ্য সমুদয় দলিলাদিও একই প্রাপকের বরাবর একই দিন পাঠাতে হবে।
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বার্তাটির প্রাপ্তি স্বীকার অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখায় পরবর্তী কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়ে দেবে। প্রাপ্তি স্বীকার বার্তাটিই এজেন্সি কার্যক্রমের আবেদনের অস্থায়ী অনুমোদন বলে বিবেচিত হবে এবং এর মেয়াদ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য অফিসগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারের যাত্রা শুরু
সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ নামে নতুন ব্যবসায়িক সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার নগরের রামের-দিঘীরপার এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সংগঠনের চেয়ারম্যান তৌফিক রহমান চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান হাসিন আহমেদ বক্তব্য দেন।
সভায় বলা হয়, সিলেটে বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচ শতাধিক শাখায় বিপুল পরিমাণ অলস অর্থ পড়ে আছে। এই অর্থের সুষ্ঠু বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে সিলেটে অপার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাবে।
সভায় বক্তারা জানান, সিলেট বিভাগে প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স বা প্রবাস-আয় আসে। এ ছাড়া সিলেটে প্রাকৃতিক গ্যাস, পাথর, চুনাপাথর ও তেলের প্রাচুর্য রয়েছে। এগুলোকে কাজে লাগানোর তাগিদ দেন তাঁরা।
এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার নগরের রামের-দিঘীরপার এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সংগঠনের চেয়ারম্যান তৌফিক রহমান চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান হাসিন আহমেদ বক্তব্য দেন।
সভায় বলা হয়, সিলেটে বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচ শতাধিক শাখায় বিপুল পরিমাণ অলস অর্থ পড়ে আছে। এই অর্থের সুষ্ঠু বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে সিলেটে অপার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাবে।
সভায় বক্তারা জানান, সিলেট বিভাগে প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স বা প্রবাস-আয় আসে। এ ছাড়া সিলেটে প্রাকৃতিক গ্যাস, পাথর, চুনাপাথর ও তেলের প্রাচুর্য রয়েছে। এগুলোকে কাজে লাগানোর তাগিদ দেন তাঁরা।
বস্ত্রশিল্পের যন্ত্রপাতির আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী আজ শুরু
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের উদ্যোক্তাদের পরিচয় ঘটানো ও স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের যন্ত্রপাতির প্রদর্শনী আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। এবারের প্রদর্শনীতে ৩১ দেশের ৮৫০টি বিশ্বখ্যাত যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), তাইওয়ানের চ্যান চাও ইন্টারন্যাশনাল এবং হংকংয়ের ইয়োর্কার্স ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস কোম্পানি যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। দশম বারের এই আয়োজনে এক হাজার ৫০টি স্টল থাকবে।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আজ বৃহস্পতিবার চার দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। রোববার পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য এটি প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, জাপান, কোরিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৩১টি দেশের আট শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), তাইওয়ানের চ্যান চাও ইন্টারন্যাশনাল এবং হংকংয়ের ইয়োর্কার্স ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস কোম্পানি যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। দশম বারের এই আয়োজনে এক হাজার ৫০টি স্টল থাকবে।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আজ বৃহস্পতিবার চার দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। রোববার পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য এটি প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, জাপান, কোরিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৩১টি দেশের আট শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
সূচক বেড়েছে দুই বাজারেই
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকা অর্ধদিবস হরতালে আজ বৃহস্পতিবার স্বাভাবিক লেনদেন চলে দেশের শেয়ারবাজারে। বেলা আড়াইটায় দিনের লেনদেন শেষে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ফলে সূচকও বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে ডিএসইতে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা যায়, আজ ডিএসইর ডিএসইএক্স সূচক ৯.৫৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১৩৬। একই সঙ্গে সাধারণ সূচক ৩ পয়েন্ট ও ডিএস৩০ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে একাধিকবার ওঠানামা করে সূচক।
এর আগে নির্ধারিত সময়, অর্থাত্ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বলে জানান ডিএসইর জনসংযোগ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমান।
ডিএসইর পাশাপাশি সিএসইতে যথাসময়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শেষে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক গতকালের চেয়ে ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৯২৯।
আজ ডিএসইতে মোট ২৬৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৫টির দাম বেড়েছে; কমেছে ৭২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
আজ এই স্টক এক্সচেঞ্জে ২৯৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ১১ কোটি টাকা বেশি।
অন্যদিকে, সিএসইতে আজ ১৭৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে ৯১টির দাম বেড়েছে; কমেছে ৬৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
আজ এই স্টক এক্সচেঞ্জে ৩৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে তিন কোটি টাকা কম।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: সানলাইফ ইনস্যুরেন্স, ইউনাইটেড এয়ার, সায়হাম কটন, পূবালী ব্যাংক, ইউনিক হোটেল, আরএন স্পিনিং, তাল্লু স্পিনিং, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, ডেল্টা স্পিনিং ও সায়হাম টেক্সটাইল।




