শীতার্তদের পাশেপ্রথম আলো
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০০ প্রতিবন্ধীর মধ্যে কম্বল বিতরণ
‘ঠার (ঠান্ডা) পর্যাছে। হাড়ের মধ্যে ঢুইক্যা যাইছে। গাদলায় (মোটা কাঁথা) আর ঠার যায় না। সারা রাইত ঘুমাইতে পারছুনু না। আইজ রাইতে একটু শান্তিতে ঘুমাইতে পারবো।’ প্রথম আলোর দেওয়া কম্বল হাতে নিয়ে এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া গ্রামের ৭২ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী সেকেন্দার আলী। প্রথম আলোর উদ্যোগে গতকাল সোমবার দুপুরে বারঘরিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের সামনে ১০০ প্রতিবন্ধী নারী, পুরুষ ও শিশুর মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। পরে আরও পাঁচজন দরিদ্র বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাকে কম্বল দেওয়া হয়।
সদর উপজেলার বারঘরিয়া, রানীহাটি ও বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার এই ১০৫ জনের মধ্যে কম্বল বিতরণে সহযোগিতা করেন সংগ্রামী প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা এবং নবজাগরণ প্রতিবন্ধী অধিকার সংস্থার নেতারা। কম্বল বিতরণকালে উপস্থিত থেকে সহায়তা করেন বারঘরিয়া ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী চিকিত্সা কর্মকর্তা ইয়াসিন আলী, ফার্মাসিস্ট জহিরুল ইসলাম, এমএলএসএস খাইরুল ইসলাম, সংগ্রামী প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সমন্বয়কারী আবু তালেব, নবজাগরণ প্রতিবন্ধী অধিকার সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক জোছনা আরা খাতুন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা তাজিমুল হক, বন্ধুসভার রফিক হাসান, নুরুল ইসলাম, বারঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, ‘পুরো ইউনিয়নের জন্য সরকার মাত্র ৪৫টি কম্বল বরাদ্দ দিয়েছে। এ কয়টি কম্বল নিয়ে কীভাবে গরিব শীতার্তদের কাছে যাব, তা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আমার ইউনিয়নের দরিদ্র প্রতিবন্ধীদের কম্বল বিতরণ করে খুবই উপকার করলেন। প্রথম আলোকে ধন্যবাদ।’
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






