শীতার্তদের পাশেপ্রথম আলো
‘এদ্দিন সবাই নাম লিখে লিয়ে গেল তাকাইয়া দেখেনি’
‘আল্লায় যখন মিলায় তখন এমনি করেই মেলে। এদ্দিন সবাই নাম লিখে লিয়ে গেল। এই জাড়ে কাঁপতিছি, কেউ তাকাইয়া দেখেনি। খুব খুশি হইছি।’ প্রথম আলোর দেওয়া কম্বল পেয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে রাজশাহী মহানগরের ভদ্রা এলাকার কাগজ কুড়ানি রহিমা (৫০) এভাবেই তাঁর অনুভূতির কথা জানান।
গতকাল রাজশাহী মহানগরের ভদ্রা বস্তি এলাকায় ১৫০ জন দুস্থ শীতার্ত ব্যক্তির মধ্যে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়। ষাটোর্ধ্ব হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সরকার থাইক্যা এবার বস্তির কেউ কোনো গরম কাপড় পায় নাই। এই এলাকায় এ রকম মানুষ অনেক আছে, যাদের এই জাড়ে গায়ে দেওয়ার মতো কোনো গরম কাপড় নাই। কম্বল দেওয়ার খোঁজ পাইলে সব ছুইটে আসবিনি।’ হাবিবুর রহমানের কথা শেষ হতে না হতেই তালিকার বাইরের মানুষ এসে চারপাশে ভিড় করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত পরে আরও গরম কাপড় দেওয়ার কথা বলে বন্ধুসভার বন্ধুরা সেখান থেকে চলে আসেন।
বস্তির আবদুল্লাহ (৭০) কম্বল হাতে নিয়ে বলেন, ‘এই জাড়ে এই বস্তিতে মইর্যা গেলেও দেখার কেউ নাই। আফনারা যে আগে আইস্যা খোঁজ নিলেন। এতেই খুশি হইছি। এতেই অনেকখানি গাও গরম হবিনি।’
এ সময় উপস্থিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এ বি এম আবদুল হান্নান বলেন, ‘প্রথম আলো বরাবরই দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। প্রথম আলোর এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি প্রথম আলো ভবিষ্যতেও তাদের এ উদ্যোগ চালিয়ে যাবে। এ সময় রাজশাহী বন্ধুসভার বন্ধু সুমন, তাহসিন, মাসুদ, রাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।







Zubair525514@yahoo.com
২০১০.০১.০৭ ০৪:১৫Ata ki jahir korty hoy ..........