আদমশুমারির তথ্য মতে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ

দেশে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমছে

শেখ সাবিহা আলম | তারিখ: ০৫-০৯-২০১০

  • ১৭ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমছে। গত ১১টি আদমশুমারির তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আগামী বছর যে আদমশুমারি হতে যাচ্ছে, তাতে ওই জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বর্তমানের চেয়েও কমে আসতে পারে।
আদমশুমারির তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৯০১ সালে বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল মোট জনগোষ্ঠীর ৩৩ শতাংশ। স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম আদমশুমারিতে এই হার দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৫ এবং ২০০১ সালের শুমারিতে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে, একই সময়ে বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুর সংখ্যায় তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। আর ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে।
বিবিএসের কর্মকর্তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে জন্মহার কম এবং অভিবাসনের হার বেশি হওয়ায় দেশে তাদের সংখ্যা কমে আসছে। কিন্তু জন্মহার কম হওয়ায় একটি জনগোষ্ঠী ছোট হয়ে আসছে, এই বক্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (নিপোর্ট) কয়েকজন কর্মকর্তা ও গবেষক।
নিপোর্টের কর্মকর্তাদের মতে, মূলত দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণেই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমছে। এর পেছনে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য এবং বিদেশে সামাজিক মর্যাদা ও উন্নততর জীবন পাওয়ার সুযোগ বড় ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়া, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর সহিংসতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু ধর্মাবলম্বী দেশ ছেড়েছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সম্পদ ধ্বংস, দৈহিক নির্যাতন, বিশেষত, ধর্ষণ ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণহানির কারণে এরা দেশ ছাড়ে। এর একটি প্রভাব ২০১১ সালের আদমশুমারিতে পড়বে বলেও ধারণা করছেন তাঁরা।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, একসময় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাধিক্য ছিল যেসব জেলায় সেই গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঠাকুরগাঁও, খুলনা, দিনাজপুর ও বাগেরহাটে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমে গেছে। একমাত্র নড়াইল ছাড়া অন্যসব জেলায় ১৯৯১ সালের পর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমেছে। শুধু নড়াইলে ’৯১ সালে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ২০০১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সব কটি বিভাগে মুসলমান জনগোষ্ঠীর খানার (হাউসহোল্ড) তুলনায় সংখ্যালঘুদের খানা আকারে ছোট। ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুসারে একটি সংখ্যালঘু খানার গড় সদস্যসংখ্যা ৪ দশমিক ৯। সেই তুলনায় একটি মুসলমান খানার সদস্যসংখ্যা গড়ে ৫ দশমিক ৬।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৯০১ সালে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ। স্বাধীন বাংলাদেশে এই সংখ্যা ৮৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০০১ সালের আদমশুমারিতে ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হয়। দেশ বিভাগের কারণে ১৯৪১—৪৭ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে মুসলমানদের আগমন এবং প্রায় সব সময়ই মুসলমানদের মধ্যে উচ্চ জন্মহার বজায় ছিল বলে বিবিএসের তথ্য থেকে জানা যায়।
অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুর মধ্যে ১৯৭৪ সালে এ দেশে বৌদ্ধদের সংখ্যা ছিল মোট জনগোষ্ঠীর দশমিক ৬ শতাংশ। ২০০১ সালেও এই হার অপরিবর্তিত ছিল। একই সময়ে খ্রিষ্টানদের সংখ্যা ছিল দশমিক ৩ শতাংশ। এই সংখ্যারও কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান এ কে এম নূরুন্নবী প্রথম আলোকে বলেন, জনসংখ্যার কাঠামোতে ধর্মভিত্তিক জনগোষ্ঠীগুলোর বাড়া-কমা এবং এর কারণ সম্পর্কে বাংলাদেশে খুব একটা গবেষণা হয়নি। তবে কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কম হলে শেষ পর্যন্ত মোট জনসংখ্যায় ওই সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা কম হতে পারে।
কিন্তু নূরুন্নবীর এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন নিপোর্টের পরিচালক ও গবেষক আহমেদ আল সাবির। তিনি বলেন, এ কথা সত্য যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে জন্মহার কম এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণের হার বেশি। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, এতে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমে আসবে। যেমন, এক পরিবারে যদি আট ভাইবোন থাকে এবং পরবর্তী সময়ে যদি তাদের একটি করেও সন্তান হয়, তাহলে জনসংখ্যা না কমে বরং বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছাবে। বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে জন্মহার কম হলেই সংখ্যা কমে আসার যুক্তি এখনো বাস্তবসম্মত নয়।
ধর্মভিত্তিক কোনো গবেষণা হয়নি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিবাসনের কারণে জনসংখ্যা কমে আসার বিষয়টি অধিকতর সত্য বলে তিনি মনে করেন। আদমশুমারির প্রতিবেদনে অভিবাসনের কথা উল্লেখ করা হলেও ঠিক কত সংখ্যক হিন্দু ধর্মাবলম্বী স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে দেশ ছেড়েছে এবং কেন ছেড়েছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।
বেসরকারি পর্যায়ে কয়েকজন গবেষক বিষয়টি নিয়ে কাজ করেন। অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাত তাঁদের অন্যতম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় এ দেশে ৪৫ শতাংশ ভূমির মালিক ছিল হিন্দুরা। অর্পিত সম্পত্তি আইনের সুযোগ নিয়ে অনেকে এই জমিগুলো গ্রাস করেছে। ফলে দেশ ছাড়তে হয়েছে অনেক হিন্দু পরিবারকে।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের গবেষক মোহাম্মদ রফি প্রথম আলোকে বলেন, তিনি গবেষণায় দেখেছেন, অত্যাচারের কারণে অনেক সময় হিন্দুরা দেশ ছাড়ছে। এ ছাড়া, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া সন্তান আছে যে পরিবারগুলোর, তারা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ ছাড়ছে। শুধু ভারত নয়, এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও অভিবাসন হচ্ছে। মুসলমানেরাও কাজের খোঁজে এসব দেশে যাচ্ছে। তবে, নির্যাতনের জন্য দেশ ছেড়ে যাওয়ার যে ধারা, তা বন্ধে কোনো সরকারই কার্যকর উদ্যোগ নেয় না।
রফি তাঁর একটি গবেষণাগ্রন্থে দেখিয়েছেন, ২০০১ সালে নির্বাচনের মাস অক্টোবর থেকে ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১২০টি উপজেলায় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে, হিন্দুদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে বাধা দেওয়া হয়েছে। ১৯০টি উপজেলায় এরা চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে। ১৩৭টি উপজেলায় সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। ১২৮টি উপজেলায় সহায়সম্পদ লুটের ঘটনা ঘটে। ১৬২টি উপজেলায় সম্পত্তি ধ্বংস হয় এবং ২০২টি উপজেলায় হিন্দুরা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবাদ না জানিয়ে দেশ ছাড়ে বলে সম্পত্তি দখলের জন্য তাদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা হয়। সরকার সংখ্যালঘুদের দেশ ছেড়ে যাওয়া বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেয় না। বরং কিছুটা নির্বিকার আচরণ করে।
বিবিএসের আদমশুমারি উইংয়ের প্রধান অসীম কুমার দে বলেন, শতকরা হিসাবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমছে বলে মনে হতে পারে। কিন্তু সংখ্যার হিসাবে এই সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা কমছে না। মুসলিম পরিবার এবং হিন্দু পরিবারগুলোর মধ্যে মোট সদস্যদের যে পার্থক্য, তা ক্রমেই বড় হচ্ছে। অভিবাসনের কারণটিও স্বীকৃত। কিন্তু কত মানুষ দেশ ছাড়ছে, সে বিষয়ে কখনো বিশদ কোনো জরিপ হয়নি। ভবিষ্যতে বিষয়টি তাঁরা জরিপে অন্তর্ভুক্ত করবেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১০.০৯.০৫ ০৩:২০
এটাতো অনেকের জন্যই খুশীর খবর।

Pronay

Pronay

২০১০.০৯.০৫ ০৪:৪৪
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যেমন সকল প্রাণীর ‍‍পারসপরিক সাম্যবসথা প্রয়োজন , ঠিক তেমনি ১ টি দেশের সামগ্রিক উননয়নে সকল ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহন ও প্রয়োজন !!!! তাই দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা হ্রাস পাওয়া মানে দেশে সামাজিক পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক নেই !!! তাই কেন সরকার সংখ্যালঘুদের দেশ ছেড়ে যাওয়া বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেয় না ???? আর সরকারের সাথে সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকদের কি উচিৎ না, যে সংখ্যালঘুদের উপর হতে সব ধরনের নির্যাতন (ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সম্পদ ধ্বংস, দৈহিক নির্যাতন, বিশেষত, ধর্ষণ ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণহানি) বণ্ধ করা ??? সবার কাছে প্রশ্ন রইল???

Rabin

Rabin

২০১০.০৯.০৫ ০৮:৪৬
"দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমছে। গত ১১টি আদমশুমারির তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আগামী বছর যে আদমশুমারি হতে যাচ্ছে, তাতে ওই জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বর্তমানের চেয়েও কমে আসতে পারে।" বর্তমান সরকার কে এই বিষয়টি নজর দেয়া দরকার ।

Raihanul Islam

Raihanul Islam

২০১০.০৯.০৫ ০৯:২১
যে হারে সংখ্যালঘুদের অত্যাচার করে তাদের ঘরবাড়ি দখল করা হচেছ তাতে সংখ্যালঘু মানুষ দেশ ছাড়ারই কথা। দেশে অত্যাচারিত সংখ্যালঘুদের রকখায় মনে হয় না কোনো বিচার ব্যাবসথা আছে।

moloy chakraborty

moloy chakraborty

২০১০.০৯.০৫ ০৯:৪০
this report based on true fact. but should not be publish. as my observation this type of report deteriorate social environment. to protect `silent migration' should take `silent positive action', that is impossible.

Saleque Uzzal

Saleque Uzzal

২০১০.০৯.০৫ ১০:৫১
বাংলাদেশ সেকুলার হলে দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা হ্রাস পাওয়া বনধ হবে ।

২০১০.০৯.০৫ ১০:৫৯
স্পর্শকাতর কিন্ত অতীব সত্য ঘটনা। একথা স্বীকার করতে হবে দেশের সংখ্যাগুরু মুসলিম সম্প্রদায়ের বেশ উল্লেখযোগ্য অংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি বৈরী ভাবাপন্ন, অসহনশীল যা সরাসরি স্বীকার করার মত মনোবৃত্তি তাদের নেই বা তারা স্বীকার করতে লজ্জা পান। দেশের ভাবমুর্তী ক্ষুন্ন হবার ভয়ে কোন সরকারই এই অপ্রিয় সত্যকে মানতে চান না। এ ব্যাপারে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধ প্রতিবাদের দরকার ছিল তা তারা করতে পারেন নি। আর যেসব জায়গায় অভিযোগ জানানো সম্ভব সেই সব দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ বেশীরভাগই কর্তব্য পালনে শিথিল, কারন হয় তারা সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের হওয়ায় নিজেরাই অসহনশীল মনোভাব পোষন করেন বা নিজেদের সম্প্রদায়ের অসহনশীল অংশের চাপের জন্য কর্তব্য পালনে অক্ষম। আর সরকারী ও বেসরকারী বেশীরভাগ ক্ষেত্রে যোগ্যতা থাকা সত্তেও বঞ্চনার স্বীকার হওয়া হিন্দু সম্প্রদায়কে আরো বেশী নিরুতসাহিত করছে। এমতাবস্থায় এদের বেশীর ভাগই অপমান ও বঞ্চনার চেয়ে দেশ ত্যাগকেই অধিকতর শ্রেয় মনে করেন।

Raihanul Islam

Raihanul Islam

২০১০.০৯.০৫ ১১:১৭
বাংলাদেশে সব সরকারের আমলে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার নিপিড়ন হয়েছে আর এখনও হচেছ ।

২০১০.০৯.০৫ ১২:০৩
বঞ্চনা ও নির্যাতন ছাড়াও ভারতের মত দেশ পাশে থাকাটাও হিন্দু সম্প্রদায়েকে প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ করার পরিবর্তে দেশ ছাড়ার মত সিদ্ধান্ত নিতে অধিক উত্সাহিত করছে।

Halim Shan

Halim Shan

২০১০.০৯.০৫ ১২:২৪
This is confusing. Is the actual number of Hindu population or only their number as percentage population is decreasing? The first case is very unlikely and if true, is very unfortunate. The second case may be possible. May be their total number is increasing but at rate slower than that of Muslims.

shuvro

shuvro

২০১০.০৯.০৫ ১৩:০১
নির্মম সত্য কথা। আমাদের সমাজের অনেক লোক বিষযটি নিয়ে ঊল্টা তিরস্কার করে। সত্যকে যেনেও না জানার ভান করে। এটিকে ভালোভাবে আরো প্রকাশ করা উচিত। যাতে করে অন্তত নতুন প্রজন্ম এই ধরনের হিংসাত্তক কাজ থেকে দূরে থাকে। ২০০১ সাল আমি দেখেছি। কিভাবে আমাদের গ্রামের সমস্ত যুবক ও যুবতি রা পালিয়েছে। বাদ যায়নি ১০, ১২ বছরের কিশোর। আস্তে আস্তে অনেকে ফিরে এসেছে টাকা দিয়ে। কিছু সংখ্যক একেবারেই ফিরেনি।

রাজিব নন্দী

রাজিব নন্দী

২০১০.০৯.০৫ ১৩:২৩
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ক্রমাগত স্বীকার হতে নানা প্রকার বৈষম্য, কয়েকদিন আগের পুলিশের আইজিপি নিয়োগের ঘটনায় এদেশের সরকারগুলি চরম সাম্প্রদায়িকতামূলক মানসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায়, যোগ্যতা সিনিয়রিটির দিক থেকে সামনে থাকা সত্ত্বেও স্রেফ সংখ্যালঘু হওয়ার কারনে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে বঞ্চিত করে তাদের জায়গায় বসানো হয় তাদের অনেক জুনিয়র এক অফিসারকে.

Nakib

Nakib

২০১০.০৯.০৫ ১৩:২৩
They are Bangladeshis as we are.

২০১০.০৯.০৫ ১৪:২৮
আওয়ামী লিগ বা বিএনপি দুই সরকারের সময়ই হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হয়ে থাকে। সাধারনত এ ধরনের ঘৃণ্য কাজ গ্রামাঞ্চলে কিংবা ছোট শহরে হয়ে থাকে। আর যারা এসব করে তারা সমাজের কিছু প্রভাবশালী মহলের সরাসরি সমর্থন পেয়ে থাকে, যাতে করে হিন্দুরা দেশে ছাড়লে তাদের জমিজমা ঐ মহল দখল করতে পারে। মুর্খ ও অর্ধশিক্ষিত বাকি লোকজন মৌন সম্মতি দিয়ে যায় এই ঘৃণ্য কাজগুলোকে। এছাড়া দুর্নীতিগ্রস্থ রাজনীতি তো আছেই। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারত ও পাকিস্তানেও ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ভারতীয় মুসলিমরা অপেক্ষাকৃত গরিব দেশ বাংলাদেশে অভিবাসন করতে চায় না, আবার পাকিস্তানেও যেতে চায়না সেখানকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিদেনপক্ষে ভারতে যাবার জায়গা আছে। সাম্প্রদায়িকতার আগাছা এই উপমহাদেশে খুব গভীরে ঢুকে গেছে, যেকোনো মূল্যে একে উৎপাটন করতে না পারলে, একটা বড় ধরনের বিপর্যয় অনিবার্য। সমাজের শিক্ষিত ও বিবেকবান মানুষদের এ ব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত। প্রথম আলো সহ অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের এগিয়ে আসা উচিত।

Sormista Das

Sormista Das

২০১০.০৯.০৫ ১৭:২৮
একজন নামবিহীন মানুষ বলেছেন যে এটা অনেকের কাছেই খুশির খবর !!!!!!!!!!! দুঃখজনক হলেও এটা অনেকাংশে সত্য। জানি না তিনিও সেই দলে আছেন কিনা??????? উপমহাদেশের প্রতিটি দেশেই কম বেশি সামপ্রদায়িকতা আছে।but it is a duty for a civilized government to determine privilizes for all people from any cast in a country.আমাদের দেশের সরকার এই জায়গায় ব্যর্থ।দেশে দেশে ধর্মের নামে এই নোংড়ামি দেখলে মনে হয় ঈশরকে আমরা বড় ছোট করে ফেলছি.........হায় আমার প্রিয় মানবজাতি,না পারলাম ধর্মের মর্ম বুঝতে,না ঈশরকে...............মানুষের জন্য ধর্ম,ধর্মের জন্য মানুষ নয়...........

sarthak

sarthak

২০১০.০৯.০৫ ১৯:৩৯
It's very unfortunate we as a society have failed to love ourselves irrespective of religion.
২০১০.০৯.০৬ ০১:৪৪
We don't want 2001 in Bangladesh again.....