প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগ
মাদ্রাসা ও শিক্ষকের ঘর নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে
-
নীলফামারী প্রথম আলো ট্রাস্টের নির্মাণাধীন বেড়াকুটি বড়ুয়া দাখিল মাদ্রাসার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ছবিটি গতকাল বিকেলে তোলা হয়েছে
ছবি: প্রথম আলো
-
রঞ্জিত কুমার রায়
নীলফামারীর আলোচিত মাদ্রাসাশিক্ষক রঞ্জিত কুমার রায়ের মাদ্রাসা এবং তাঁর বসবাসের একটি ঘর নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে অর্ধেকের বেশি নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ১১ আগস্ট কাজটি শুরু করা হয়।
এদিকে নীলফামারীর সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, মাদ্রাসাটি এবার এমপিওভুক্ত হয়ে যাবে।
গতকাল সোমবার বিকেলে জেলা সদরের সোনারায় ইউনিয়নের বেড়াকুটি বড়ুয়া দাখিল মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসা ও শিক্ষক রঞ্জিতের জন্য প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ঘরের কাজ দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। আধাপাকা ঘর দুটির ইটের গাঁথুনির কাজ গতকাল প্রায় শেষ হয়েছে। এখন ওপরের টিনশেড ও জানালা-দরজার কাজ বাকি।
কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষক রঞ্জিত কুমার রায় বলেন, এ কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার দ্রুততার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে চললে আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
এ কাজে নিয়োজিত মিস্ত্রি ময়নুল ইসলাম বলেন, সোমবার পর্যন্ত মাদ্রাসা ও শিক্ষকের ঘরের ইটের গাঁথুনির কাজ শেষ হয়েছে। জানালা-দরজার কাজ বৃহস্পতিবার শেষ হবে। ঘরের ও বারান্দার টিন লাগানোর কাজ শুরু হলে প্লাস্টার ও মেঝে ঢালাইয়ের কাজ করা হবে। ৯৫ ভাগ কাজ ঈদের আগেই শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ঠিকাদার আবিদ হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজের কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ঈদের পর দু-এক দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।
আরও অনুদান: মাদ্রাসা ও শিক্ষকের থাকার ঘর নির্মাণের জন্য আরও সহায়তা এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নীলফামারীর এক তরুণ ব্যবসায়ী সম্প্রতি প্রথম আলোর কার্যালয়ে এসে এক লাখ টাকার চেক দিয়ে গেছেন। এ নিয়ে এই তহবিলে তিন লাখ ৩২ হাজার টাকা জমা পড়ল।
যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই তহবিলে আর্থিক সহায়তা দিতে পারেন। যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯১৪ ৬০০৭৭০ নম্বরে।
‘এক বেলা শিক্ষকতা অন্য বেলা দিনমজুরি’ শিরোনামে গত ৯ মার্চ প্রথম আলোর শেষের পাতায় একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের অসংখ্য পাঠকের অনুরোধে প্রথম আলো মাদ্রাসা ও ও শিক্ষক রঞ্জিতের থাকার জন্য ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এ কাজে অংশ নিতে অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন।







Sohel Sarwar
২০১১.০৮.২৩ ০৮:১০