শিরোনাম:

সাতটি জেলে পরিবার পেল ট্রলার ও মাছ ধরার সামগ্রী

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি | তারিখ: ২১-১২-২০১১

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
পটুয়াখালীর গলাচিপার মধুখালী গ্রামে সাতটি জেলে পরিবারকে প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গতকাল মা

পটুয়াখালীর গলাচিপার মধুখালী গ্রামে সাতটি জেলে পরিবারকে প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গতকাল মাছ ধরার নৌকা ও সরঞ্জাম দেওয়া হয়

ছবি: প্রথম আলো

পটুয়াখালীর গলাচিপার দাঁড়ছিড়া নদীতীরের ছোট্ট গ্রাম মধুখালীতে যেন বনভোজনের আমেজ। গ্রামের পূর্ব দিকে নদীতীরের খোলা জায়গায় সামিয়ানা টানিয়ে চারপাশে কাপড়ের বেড়া দিয়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। প্যান্ডেলের পাশেই চলছে রান্না। আমন্ত্রিত অতিথিদের দুপুরের খাওয়ার আয়োজনে চলছে রান্না।
অতিথিরা প্যান্ডেলের মধ্যে বসে আছেন। পাটিসাপটা, কাঁচিখোঁচাসহ কয়েক ধরনের পিঠা অতিথিদের পরিবেশন করছেন নোমাউ রাখাইন। মঁচলারপাড়া, তুলাতলী, মণিপাড়া ও মধুখালী গ্রামের নারীরা আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বাড়ি থেকে পিঠাগুলো তৈরি করে নিয়ে এসেছেন। আরও এনেছেন মহিষের দুধের কাঁচা দই ও খেজুরের গুড়।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় প্রথম আলো ট্রাস্টের সৌজন্যে গলাচিপার মধুখালী গ্রামের সাতটি জেলে পরিবারের মধ্যে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও মাছ ধরার সামগ্রী বিতরণের আগের দৃশ্য এটি। ঢাকার বাসিন্দা চার নারীর সহযোগিতায় প্রথম আলো ট্রাস্ট মধুখালী গ্রামের সাতটি জেলে পরিবারের মধ্যে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও মাছ ধরার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেয়। এতে ব্যয় হয় এক লাখ ৩০ হাজার টাকা।
দুপুর ১২টায় মধুখালী গ্রামের মো. রাসেল, মো. বিপ্লব, মো. মোফাজ্জেল, মো. সুমন, মো. মাহতাব, ইদ্রিস মিয়া ও মো. স্বপনের হাতে ট্রলারের হ্যান্ডেল ও মাছ ধরার সামগ্রী তুলে দেন বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এ বি এম ছিদ্দিক। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মহিদুল ইসলাম মুন্সি, বড়বাইশদিয়া ইউপির সদস্য নাজমা বেগম, মো. মনিরুজ্জামান, মো. ইয়াকুব হাওলাদার, বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা মো. রবিউল হক, বেসরকারি সংস্থা এসএপি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপক মো. জামান, সমাজকর্মী মো. শাহ আলম, মো. এমদাদুল হক, আজিজ মৃধা, মো. ডিউক, গলাচিপা বন্ধুসভার সভাপতি মু. জাহিদুল ইসলাম, মো. রিয়াদ হোসাইন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রথম আলোর গলাচিপা প্রতিনিধি ইশরাত হোসেন প্রমুখ।
উপকারভোগী মো. রাসেল বলেন, ‘প্রথম আলো আমাগো ট্রলার-জাল করে দিল। এটা আমাগো বিরাট পাওয়া।’
মধুখালী গ্রামের মো. রফিক বলেন, ‘এ গ্রামের সাতটি পরিবারকে প্রথম আলো জাল-ট্রলার দিল। এর মানে হলো—আমরা সবাই-ই প্রথম আলোর কাছ থেকে সহয়তা পেলাম।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন