স্বপ্নের সেই ঈদ ঠিক আসবেই

আনিসুল হক | তারিখ: ১৮-০৮-২০১২

  • ২৭ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দেখো, ঠিক একদিন আমাদের ঈদ হবে আমাদের স্বপ্নের ঈদ। তখনো আমরা ঈদের আগে বাড়ি যাব, আমাদের শৈশবের গন্ধমাখা পথে হাঁটব, শৈশবের ঈদগাহে নামাজ পড়ব, দেখা করব পুরোনো বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে, জিয়ারত করব স্বজনদের কবর, কিন্তু সেই ভ্রমণ আজকের মতো কষ্টকর হবে না। তখন আমাদের পথঘাটগুলো হবে আরও শৃঙ্খলাময়। আমরা রেলপথের জাল দিয়ে পুরোটা দেশকে এনে ফেলতে পারব একটা চমত্কার আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার ভেতরে। ইলেকট্রিক ট্রেনে চড়ে দুই-তিন ঘণ্টায় চলাচল করতে পারব ঢাকা-চট্টগ্রাম। চার-পাঁচ ঘণ্টায় পৌঁছে যাব ঢাকা থেকে টেকনাফ বা তেঁতুলিয়ায়। আমাদের ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনার খবরে বিষণ্ন হয়ে উঠবেই না।
দেখো, এমন একদিন আসবে, যখন ঈদের সময় বাড়ি ছাড়তে আমাদের দুশ্চিন্তা করতে হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তালা নিয়ে ভাবতে হবে না। আর আমরা ফিতরা দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করব সবাই, কিন্তু ফিতরা নেওয়ার লোক এই দেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন হয়তো আমাদের কোনো সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগের জন্য ফিতরার টাকা জমা দিতে বাধ্য হতে হবে।
জাকাত নেওয়ার মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না পথে-ঘাটে-জনপদে। তখন আমরা গল্প করতে পারব, আমাদের জীবনেই আমরা দেখেছিলাম, জাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে পায়ের চাপে পিষ্ট হয়ে একদিন এই দেশের মানুষ মারা গিয়েছিল। ‘নাল পিরান’ নামে আমি যে একটা নাটক লিখেছিলাম বিশ শতকের নব্বইয়ের দশকে, একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে এসেও সেই নাটকের ট্র্যাজেডি আবার ঘটেছে আমাদের বাস্তব জীবনে। কিন্তু নিশ্চয়ই এমন দিন আসবে, যেদিন ছেলেমেয়েরা এসব গল্প শুনে চোখ বড় বড় করে বলবে, যা, এ কি সম্ভব!
দেখো, এমন দিনে আমরা ঈদ করব, যখন রমজানের সময় পণ্যে ভেজাল দেওয়ার প্রতিযোগিতা একটা অসম্ভব অবাস্তব ধারণা বলে গণ্য হবে। সেমাইয়ে কেউ কৃত্রিম রং ব্যবহার করবে না, মাছে বা দুধে ফরমালিন মেশানোর কথা কেউ ভাববেও না।
নিশ্চয়ই আমরা এমন দিন পাব, যখন সরকারকে বলতে হবে না, ঈদের আগেই পোশাক-শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করুন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলতে হবে না, ক্লিনিকে-হাসপাতালে ঈদের ছুটিতেও চিকিত্সাসুবিধা অব্যাহত রাখুন।
হয়তো একে ভাবছ এক স্বপ্নবিলাসী লেখকের আকাশকুসুম কল্পনা।
কিন্তু তোমাকে বলি, আমার জীবনেই আমি রংপুর থেকে ঢাকা আসার পথে তিনটা ফেরি পার হয়েছি। ভোর সাড়ে চারটায় গাড়ি ছাড়ত, সেই গাড়ি ঢাকা এসে পৌঁছাত রাত সাতটা-আটটায়। অর্থাত্ সময় লাগত ১৪-১৫ ঘণ্টা। এখন স্বাভাবিক সময়ে সাত ঘণ্টার বেশি সময় দরকার হয় না ঢাকা-রংপুর সড়কপথে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, ফরিদপুর থেকে গোপালগঞ্জ যেতে লাগে ষাট ঘণ্টা। (২১ ডিসেম্বর ১৯৫০, সোহরাওয়ার্দীকে লেখা চিঠি) আর ২০১২ সালে ফরিদপুর থেকে গোপালগঞ্জ যেতে আসলে দেড় ঘণ্টার মতো লাগে।
১৯৭১ সালে দেশ যখন স্বাধীন হলো, এই দেশের প্রায় কিছুই ছিল না। তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালে যে বাজেট ঘোষণা করেছিলেন, তা ছিল ৫০১ কোটি টাকার। এখন আমাদের বহু ব্যক্তিমালিকানাধীন কোম্পানির বার্ষিক বাজেট ১৯৭২-এ আমাদের জাতীয় বাজেটের চেয়ে বেশি। আমাদের দেশের বহু মানুষ দুবেলা খেতে পেত না। পায়ে স্যান্ডেল পরা ছিল বিলাসিতা। স্পঞ্জের স্যান্ডেল ছিল লেটেস্ট ফ্যাশন। স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরে লোকে আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে যেত। রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলার মতো স্বাধীনতার পরের বছরগুলোয় আমাদের শৈশবেও পাদুকামাত্রই ছিল বাহুল্য। রবীন্দ্রনাথ পাদুকা অগ্রে অগ্রে নিক্ষেপ করে করে এগোতেন, আমরা স্যান্ডেল না পরে খালি পায়েই দৌড়ে যেতাম স্কুলে। স্বাধীনতার পর ন্যায্য মূল্যে শার্টের কাপড় দেওয়া হয়েছিল। সেই কাপড় নেওয়ার জন্য ভোররাতে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিল আমাদের বাড়ির বড়রা। বলা বাহুল্য, ভিড়ের কারণে সেই কাপড় আমাদের পরিবারের কেউ পায়নি।
তলাবিহীন ঝুড়ি ছিল এই দেশ। এই দেশ টিকবে না, ভায়াবল হবে না, মার্কিনিরা স্বাধীনতার আগেই পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছিল। কিন্তু টিকে গেছি তো। এখন এগিয়েও যাচ্ছি। নব্বই শতাংশের বেশি ছেলেমেয়ে স্কুলে যাচ্ছে। এই ছেলেমেয়েরা যখন বড় হবে, কর্মক্ষেত্রে যাবে, তখন দেশটাকে কি তারা পাল্টে দেবে না?
আমাদের স্বপ্নের ঈদের দিন আসবে। কাজী নজরুল ইসলাম যাদের কথা লিখেছিলেন, ‘জীবনে যাদের হররোজ রোজা, ক্ষুধায় আসে না নিদ, মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ’—তাদের দিনও পাল্টাবে। বছরের প্রতিটি দিন রোজার দিন হবে না। প্রতিটি দিনই হবে ঈদের দিন। শান্তি থাকবে। শৃঙ্খলা থাকবে। নিরাপত্তা থাকবে। খাদ্যের নিরাপত্তা, জীবনের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা, চলাচলের নিরাপত্তা!
দেখো, একদিন ঠিক এই দিন আসবে।

নাজিম হিকমতের মতো করে বলি,
দুঃসময় থেকে সুসময়ে মানুষ পৌঁছে দেবে মানুষকে।
আমাদের ছেলেরা বড় হবে।
যে সমুদ্র সবচেয়ে সুন্দর তা আজও আমরা দেখিনি,
সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো আজও আমরা পাইনি,
সবচেয়ে সুন্দর শিশু আজও বেড়ে ওঠেনি।
মধুরতম যে কথা আমি বলতে চাই, প্রিয়ত০মা আমার, তা আজও আমি বলি নি।

আমাদের সবচেয়ে সুন্দর ঈদের দিনগুলো আজও আমরা পাইনি। কিন্তু নিশ্চয়ই একদিন পাব।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Rausan Atik Jewel

Rausan Atik Jewel

২০১২.০৮.২০ ১৩:০৯
নিশ্চয়ই একদিন পাব।

Rausan Atik Jewel

Rausan Atik Jewel

২০১২.০৮.২০ ১৩:১১
অামাদের যাকাত অার ফিতরার টাকা জমিয়ে অামরা পাঠিয়ে দেব কোন গরিব দেশের মানুষের জন্য।

Ripon

Ripon

২০১২.০৮.২০ ১৪:২৩
স্যার এরশাদ হাসিনাদের দেশে সবচেয়ে সুন্দর ঈদের দিনগুলো আমরা কোন দিন পাবো না.. !!!!পাইনি!!!!!!
স্বপ্ন স্বপ্নের মাঝেই থাকুক তবুও আশা করি ,,,খাদ্যের নিরাপত্তা, জীবনের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা, চলাচলের নিরাপত্তা! একদিন ঠিক এই দিন আসবে ?????????

zakir ( জাপান )

zakir ( জাপান )

২০১২.০৮.২০ ১৪:৩৯
আপনি যে সপ্নের কথা বলেছেন সেটা বাস্তবে রুপ দিতে কোন ব্যাপারী না। শুধু আমাদের চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন করতে হবে। আমরা যদি পকেটের চিন্তা না করে সেটা যদি দেশ, জাতি এবং মানুষের জন্য চিন্তা করি তবেই সম্ভব। কারন আমরা জাতি হিসেবে আমাদের চিন্তা ভাবনা আমাদের মেধা অন্যান্য জাতির চেয়ে কোন অংশেই কম নই । তারা পারলে আমরা পারব না কেন? সবাইকে ঈদ মোবারক ।

Md. Jahid Anwar

Md. Jahid Anwar

২০১২.০৮.২০ ১৪:৫৭
হয়ত এমন একদিন আসবে কিন্তু তা আসবে আমরা পরপারে চলে যাওয়ার পড়ে! আমরা সেই সুদিন এর সপ্ন দেখতেই পারি।

Arunava(kolkata)

Arunava(kolkata)

২০১২.০৮.২০ ১৫:২৩
EID MOBARAK TO ALL MY BROTHERS AND SISTERS OF BANGLADESH.

mahfuz

mahfuz

২০১২.০৮.২০ ১৫:৫৮
This is not impossible. This is very much possible if we had a government who will not be selfish and who is fare and dedicate properly to the welfare of country........................

mahmud

mahmud

২০১২.০৮.২০ ১৬:৩৬
কবে যে আমাদের রাজনিতিবিদরা সেই স্বপ্ন দেখবে।

Jamal Hossain Talukder

Jamal Hossain Talukder

২০১২.০৮.২০ ১৭:১১
সেদিন আসবে যেদিন হয়ত আমরা থাকবনা, খালেদা, হাসিনা থাকবেনা থাকবেনা কোন রাজাকার।

nazim

nazim

২০১২.০৮.২০ ১৮:৪৮
আমরা এমন দেশে কবে বসবাস করবো। সেই দিনটা জন্য আর কত দিন অপেক্ষা করতে হবে। যাকাত ফিতরার টাকা মন্ত্রী এম- পি সাহেবদের পকেটে যাবে। তাহলে সবাই মিলে এখন থেকে স্বপ্ন দেখতে শ্তরু করি সেই দিনটির আশায় ।।
ধন্যবাদ লেখক সাহেবকে। অপেক্ষায় থাকুন আপনারা সবাই। সবাইকে আবার ও ঈদমোবারক ??

MD JAKIR HUSSAIN

MD JAKIR HUSSAIN

২০১২.০৮.২০ ১৯:৫০
সপন দেখি এমন দিনের আমরা সবাই। আমাদের দেশের ধনি আর শাসক গণ যদি এ সপন দেখে এবং নিজের পকেট ভড়ার চিন্তা না করে তবে আমি মনে করি সেই সপনের ঈদের দিনটি বেশি দুরে নয়। সবাই কে ঈদ মোবারক।

Ali

Ali

২০১২.০৮.২০ ২০:০৩
আনিসুল হক bhai,
Yes, we have progressed in few sectors. However, we are also destroying some of our finest achievements. Aren't we? Please think about recent BUET incident. BUET is one of our prides. It is in stalemate for last 2/3 months. Nobody is caring. Govt. is trying to destroy this prime institute by protecting corrupt VC and pro-VC. Now, they are trying to run the university with high court ruling. ridiculous! Let's fight to make this country as you dreamed. If we can see this in our life time, that will be the greatest achievement of our lives.

শুভ্র

শুভ্র

২০১২.০৮.২০ ২০:০৯
সবাই যদি বাধ্যতামূলক সরকারী ফান্ডে যাকাত দিত, আর সরকার সেগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করত তবে যাকাত দেয়ার মানুষ খুজে পাওয়া যেত না।

Motakabbir Sujan

Motakabbir Sujan

২০১২.০৮.২০ ২০:২৬
i believe it...bangladesh will be the most developed country in the world..this is not a joke...just think..

Md. Ebrahim Hossain

Md. Ebrahim Hossain

২০১২.০৮.২০ ২১:০৪
আজ থেকে আমরা নয় আমি হিসেবে ভাবতে শুরু করি তবে এটা আর বেশি দূর নয়।

zahid ahmad

zahid ahmad

২০১২.০৮.২০ ২১:১৬
চুকে জল চলে আশে ৈ দিনের অপাক্কয় taklam

Gausur Rahman Taki

Gausur Rahman Taki

২০১২.০৮.২০ ২২:৫২
খুব ভাল একটা লেখা লিখেছেন। আজকে এই ঈদের দিনে আমার পরা সেরা লেখা । ধন্যবাদ । আপনার সাথে আমিও একমত নিশ্চয়ই একদিন পাব।

Jahangir Hossain

Jahangir Hossain

২০১২.০৮.২০ ২৩:০২
লেখকের চিন্তায় সারা বাংলার মানুষ একাকার হউক এই কামনা,ধন্যবাদ লেখক।

Mahbubul Hoque

Mahbubul Hoque

২০১২.০৮.২০ ২৩:৪৩
জানিনা ঈদ সম্পর্কে আপনার ধারনা কতটুকু। ঈদ মানে যদি মনে করে থাকেন শুধু খুশি তাহলে সেটা হবে ভুল। ঈদ ইসলামেরই একটি অংশ সুতরাং ঈদকে জানতে হলে ইসলামকে জানতে হবে। ঈদের উৎপত্তি কিভাবে, রাসূল (স) ঈদে কি করতেন, কি করতে বলতেন সেটা জানতে হবে। ঈদ নিয়ে আমাদের মনগড়া কিছু করার সুযোগ নেই। শুধু এ বিষয়টুকু খেয়াল করেন ঈদ শুরু হয় কিন্তু আল্লাহ্‌তালার ইবাদত তথা সালাত আদায়ের মাধ্যমে। এ সালাত প্রত্যহ পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের অতিরিক্ত। আপনার স্বপ্নের বাস্তবায়ন অবশ্যই হবে যদি ইসলামকে বাস্তবায়ন করতে পারেন অন্যথায় নয়।

Golam Nabi Khan

Golam Nabi Khan

২০১২.০৮.২১ ০০:১৬
দিবা স্বপ্নের ঘোর ।

mohammad ali

mohammad ali

২০১২.০৮.২১ ০১:০৬
সবপ্ন নিয়েইত মানুষের পখ চলা, বেচে থাকা । আমাদের সবপ্ন একদিন নিশচয় সত্য হবে ।

md.mahmud

md.mahmud

২০১২.০৮.২১ ০১:৪২
আমি আপনার লেখাটি দেখে আর না মন্তব্য করে পারলাম না। আসলে আমরা সবাই এই স্বপ্নটা বাস্তবে দেখতে চাইনা যদি চাইতাম তাহলে তা ঠিকই আমরা দেখে যেতে পারতাম। তারপরও আসা রাখি এটা একদিন সত্যি হবে ইন্সআল্লাহ।
২০১২.০৮.২১ ০৬:৩০
আপনার পজিটিভ ভাবনা ভাল লাগল । কিন্তু এটা তো কেবল স্বপ্নে ভাবলে হবে না। এর জন্য কাজ করা চাই । এখন সমস্যা হল কাজটা করবে কে ? একজন শিশু মায়ের কোল থেকে কি শিখে আসছে ? সে তার পরিবেশ থেকে কি শিক্ষা পাচ্ছে ? আমাদের মত যারা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করি, বড় বড় মানুষের ব্যক্তিগত চরিত্র বা আখলাক দেখেই বা সে কি শিক্ষা পাচ্ছে ? এর খুব সরল উত্তর- সে খুব ভাল কিছু শিখতে পারছে না। মানে শিশুকে গঠণ করা যাদের দায়িত্ব ছিল তারা যেমন করেনি , নাগরিককে সুশাসন বা সুন্দর সমাজ উপহার দেবার যে দায়িত্ব যাদের হাতে পড়েছে তারা তা পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, হচ্ছেন ধারাবাহিকভাবেই । এখন আপনি বলুন, এই যেখানে অবস্থা, সেখানে এই ভাবনা কেবল স্বপ্রই নয় কি ?

Farhad Nazem

Farhad Nazem

২০১২.০৮.২১ ০৮:০২
If we don’t comprehend the bigger picture of our current situation, we won’t able to build our prosperous tomorrow. Let’s research what’s pushing us back and then consider what would be the actions. To me, nation’s current scenario has been contributed by a number of key factors like:
i) Our foresight less and corrupt political leaders (with some exceptions-but remember exceptions don’t play major role in any case)-who don’t possess enough leadership abilities, courage and/or patriotism to stand tall to fight for greater interest of nation and country rather paying much more attention on promoting their own and cronies mean benefits using political authorities.
ii) Partisan and corrupt public administration – After 40 years of country’s independence our poor leaders present us such administration which has been filling with meritless followers without considering its destructive finale. Our best sons of the soil are losing their interest in PA.
iii) Partisan and corrupt court and law enforcement system – We are delivered with a more or less unjust and unsafe society.
iv) Promoting partisanship in educational institutes- where we would suppose to create country’s reserve bench of human resources to face contemporary and potential global challenges (to turn weaknesses as strengths)
v) Absence of active people desire for fine leaders (statesmen)

Alamgir Kabir

Alamgir Kabir

২০১২.০৮.২১ ০৯:৩৩
This is Asian century and therefore, I hope Bangladesh will emerge as an econimic power in the near future.

Prabir

Prabir

২০১২.০৮.২১ ১০:২২
Yes I am alos agree with Anis Bhai.

Razzaque Hussain

Razzaque Hussain

২০১২.০৮.২১ ১০:৪৯
This will be true if you think positive...