লিমন ও তাঁর মায়ের ওপর র্যাবের সোর্সের হামলা!
ঝালকাঠিতে র্যাবের গুলিতে পা হারানো কলেজছাত্র লিমন হোসেন, তাঁর মা ও ভাইয়ের ওপর হামলা হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ইদুঁরবাড়ী নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। লিমনের অভিযোগ, এলাকায় র্যাবের সোর্স হিসেবে পরিচিত ইব্রাহীম হাওলাদার তাঁদের ওপর এ হামলা করেছেন।
লিমন মুঠোফোনে প্রথম আলো ডটকমকে জানান, ঈদ শেষে সন্ধ্যায় তিনি মা হোনোয়ারা বেগম ও ভাই মো. সুমনকে সঙ্গে নিয়ে রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা সদরের ভাড়া করা বাসায় যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে হেঁটে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ইদুরবাড়ি নামক স্থানের পর সেখানে অবস্থানকারী ইব্রাহীম হাওলাদার তাঁর মা হেনোয়ারা বেগমকে উদ্দেশ্য করে কুটুক্তি করেন। এর প্রতিবাদ করলে ইব্রাহীম কিল-ঘুষি মেরে তাঁর মা, ভাই ও তাঁকে আহত করেন।
ঘটনার পর আহত লিমন ও তাঁর মা রাজাপুর থানায় যাওয়ার চেষ্টা করলে ইব্রাহীমের লোকজন তাঁদের বাধা দেয়। খবর পেয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। লিমন ও তাঁর ভাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মা হেনোয়ারা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক আবুল খায়ের প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘লিমনের মায়ের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথা ফুলে আছে।’
এদিকে, লিমনের ও তাঁর মায়ের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ইব্রাহীম হাওলাদার নিজেকে আহত দাবি করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।
লিমন ও তাঁর মায়ের ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জেল হোসেন। তবে লিমনদের পক্ষ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলে জানান ওসি।
গত বছরের ২৩ মার্চ বাড়ির কাছে মাঠে গরু আনতে গিয়ে র্যাবের গুলিতে আহত হন কলেজছাত্র লিমন। তাঁকে বাঁচাতে চিকিৎসকরা তাঁর একটি পা কেটে ফেলেন।
এ ঘটনয় র্যাব লিমনের বিরুদ্ধে দুটি এবং লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম র্যাবের বিরুদ্ধে রাজাপুর থানায় একটি মামলা করেন।
লিমনের বিরুদ্ধে র্যাবের করা অস্ত্রমামলার সাক্ষীদের একজন ইব্রাহীম হাওলাদার।







Akas
২০১২.০৮.২০ ২০:৫২আবদুল কারিম
২০১২.০৮.২০ ২০:৫৯mahfuz
২০১২.০৮.২০ ২১:০৩Kamal Ahmed
২০১২.০৮.২০ ২১:১৬Mosarraf Hossain
২০১২.০৮.২০ ২১:১৮Aurko Talukder
২০১২.০৮.২০ ২১:৩৬syed Kamal mohammad Mukul
২০১২.০৮.২০ ২১:৩৭Md. Ali Ullah
২০১২.০৮.২০ ২১:৫০ali
২০১২.০৮.২০ ২২:০৩Sheikh Abul Hasan
২০১২.০৮.২০ ২২:০৩Amzad Hossain
২০১২.০৮.২০ ২২:১০farhad
২০১২.০৮.২০ ২২:১০তোমাদের-ই জয় হোক,
তোমরাই থাক এই বাংলায়!
আযরাইল বেশে এসে
আহত, নিহত বা সন্ত্রাসে
বাংলাকে গড়ে তোল এক অপার র্যাববাংলায়!
sumon
২০১২.০৮.২০ ২২:২৪whats the wrong with govt and their corrupted security forces !!!!!!!!!!!
shame , shame , shame on govt and their forces.
Jahangir Hossain
২০১২.০৮.২০ ২২:৩৩SR Taufiq
২০১২.০৮.২০ ২২:৫৬Russell
২০১২.০৮.২০ ২৩:১৪নিঝুম
২০১২.০৮.২০ ২৩:২১Naz
২০১২.০৮.২০ ২৩:৪৭mostafa
২০১২.০৮.২১ ০০:০৭raju
২০১২.০৮.২১ ০০:৩১md mostafa kamal
২০১২.০৮.২১ ০০:৩৭Mohd. Huq
২০১২.০৮.২১ ০০:৩৯Ahsan Habib
২০১২.০৮.২১ ০০:৫৫Akram zaman from Sweden
২০১২.০৮.২১ ০১:৩৩Moshiur Rahaman
২০১২.০৮.২১ ০১:৪৪রক্ত দিয়ে কিনেছি এমন স্বাধীনতা।
Akram zaman from Sweden
২০১২.০৮.২১ ০১:৫৫Monzur
২০১২.০৮.২১ ০২:১২maruf
২০১২.০৮.২১ ০২:১৮Monzur
২০১২.০৮.২১ ০৬:২৭tonni
২০১২.০৮.২১ ০৭:৩৫Mamunur Rahman
২০১২.০৮.২১ ০৮:১৪Rashed Khan
২০১২.০৮.২১ ০৯:০৩RAMIM
২০১২.০৮.২১ ০৯:৫৯Asad
২০১২.০৮.২১ ১০:২০M M Humayun Kabir
২০১২.০৮.২১ ১১:২৮Md. Abdul Kayum
২০১২.০৮.২১ ১১:৫৮Masud Rana Akanda
২০১২.০৮.২১ ১২:০৯saddam hossain
২০১২.০৮.২১ ১২:২৭Asif Karim
২০১২.০৮.২১ ১২:৩২Mohammad Abu Azam
২০১২.০৮.২১ ১২:৪৭Zakir Hossain
২০১২.০৮.২১ ১৩:৩৩লিমনের ঘটনার প্রায় ১৬ মাস হয়ে গেল কিন্তু... এভাবে ১৬ মাস, ৩২ মাস, ৬৪ মাস, ১২৮ মাস.. চলে যাবে এক সময় প্রিন্ট মিডিয়া, বেসরকারী টি ভি চ্যানেল এবং সাধারন মানুষ এটি ভুলে যাবে আবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে এবং মানুষ ভুলে যাবে। ঠিক এভাবেই বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাদবে । সুপ্রিয় পাঠক, আমাদের এই সব অপরাধের খবর পড়ে কিছু মূল্যবান সময় নষ্ট করে মন্তব্য লিখা ছাড়া আর কিছুই কি করবার নেই , বোধ হয় নেই ...। ধৈর্য ধারন কারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন আমরা আর কত দিন ধৈর্য ধারন করব ???
Anonto Murmu
২০১২.০৮.২১ ১৩:৫৪Zillur Rahman
২০১২.০৮.২১ ১৪:৩৪Md.Rakibul Hasan
২০১২.০৮.২১ ১৪:৫৯MASUDUR RAHMAN
২০১২.০৮.২১ ১৫:০৮mahfuza bulbul
২০১২.০৮.২১ ১৫:১৯abdul moyeen
২০১২.০৮.২১ ১৫:৪৫nazim
২০১২.০৮.২১ ১৫:৫১Md. Anisur Rahman
২০১২.০৮.২১ ১৬:১২র সময় ছাত্রদল আর ছাত্রলীগে লুকিয়ে খাকা শিবিরা অনেক অপকর্ম করতো, দুইপক্ষের সঙ্গে ঝগড়া লাগিয়ে দিতো... । পরে অবশ্য ঘা্পটি মারা শিবিরের অনেকে ধরা পড়ে ছাত্রধোলাই খেয়েছিল । কিন্ত ওদের শক্তি অনেক, এখন ওরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহ প্রশাসনের অনেক বড় বড় পদে জামাতপ্রীতির মাধ্যমে অধিষ্টিত।
hifzur rahman
২০১২.০৮.২১ ১৯:২৬