শিরোনাম:

বুয়েটের আন্দোলন কাল পর্যন্ত স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৩-০৯-২০১২

  • ৪৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • সিরিঞ্জ হাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ।

    সিরিঞ্জ হাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ।

    সাজিদ হোসেন

  • রক্তের বোতল ও সিরিঞ্জ হাতে মিছিল নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ের দিকে শিক্ষার্থীদের মিছিল।

    রক্তের বোতল ও সিরিঞ্জ হাতে মিছিল নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ের দিকে শিক্ষার্থীদের মিছিল।

    সাজিদ হোসেন

  • উপাচার্য তাঁর কার্যালয়ে না থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সিঁড়িতে রক্ত ঢেলে প্রতিবাদ জানা

    উপাচার্য তাঁর কার্যালয়ে না থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সিঁড়িতে রক্ত ঢেলে প্রতিবাদ জানান।

    সাজিদ হোসেন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) চলমান আন্দোলন কাল মঙ্গলবার বেলা ১১টা পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার শিক্ষা সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। তবে কাল বেলা ১১টার পর থেকে আবারও পরবর্তী কর্মসূচি পালন করা হবে বলে আন্দোলনরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।
আন্দোলনকারী বুয়েটের এক শিক্ষার্থী প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘শিক্ষকদের সঙ্গে টেলিফোনে শিক্ষা সচিব আশ্বাস দিয়েছেন, গতকাল (রোববার) রাতের মামলা নিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হয়রানি করা হবে না। একই সঙ্গে বুয়েটের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কাল পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেছি।’
এর আগে আজ এক অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন বুয়েটের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাঁরা সকালে প্রতীকী রক্তপাত কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল ভবনের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের শরীর থেকে সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত সংগ্রহ করে তা বোতলে জমা করেন। এরপর তাঁরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখানে উপাচার্যকে না পেয়ে তাঁরা সামনের সিঁড়িতে দুই বোতল রক্ত ঢেলে দেন। এরপর তারা পলাশীর মোড়ে অবস্থান নিয়ে বেলা প্রায় তিনটা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ করে রাখেন।
প্রতীকী রক্তপাত কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ‘বুয়েটের বর্তমান উপাচার্য এস এম নজরুল ইসলাম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থাকাকালে সেখানে একটি খুনের ঘটনা ঘটে। এরপর তিনি সেখান থেকে চলে আসতে বাধ্য হন। আমরা আশঙ্কা করছি, মিথ্যা মামলা ও সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা চালিয়ে বুয়েটেও রক্তপাত ঘটাতে চাইছেন তিনি। তাই আমরা নিজেরা আমাদের রক্ত সংগ্রহ করে উপাচার্যকে দেব। আমরা তাঁকে বলতে চাই, আমাদের রক্ত নিন, তার পরও বিদায় হোন।’
বেলা একটার দিকে শিক্ষার্থীরা জানান, উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি। তাঁদের না পেয়ে সংগৃহীত রক্ত প্রশাসনিক ভবনের সামনের সিঁড়িতে ঢেলে দেওয়া হয়েছে।
সকাল থেকেই পুরকৌশল ভবনের সামনে শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অবস্থান নেন। তবে পুলিশ আদালতের নিষেধাজ্ঞার কথা বলে তাঁদের মাইক ব্যবহার করতে দেয়নি। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ভবনের সামনেও আন্দোলনকারীদের অবস্থান নিতে দেয়নি পুলিশ।
গতকাল রোববার বুয়েটের আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হন সরকার-সমর্থক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা আন্দোলনকারীদের মাইক কেড়ে নেওয়া এবং প্রশাসনিক ভবনের দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া আন্দোলনকারীদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তাঁরা।
পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানতে শিক্ষকেরা গতকাল উপাচার্যের কার্যালয়ে দিনভর অবস্থান করেন। তবে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য কার্যালয়ে ছিলেন না। উপাচার্য গতকাল নিজের কার্যালয়ে যাননি। সহ-উপাচার্য সকালে গেলেও বেশিক্ষণ কর্মস্থলে ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই দুজনের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন। এর পাশাপাশি বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন।
পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য এস এম নজরুল ইসলাম বলছিলেন, ‘আমি কোনো অন্যায় করিনি। তাই সরকার না বললে পদত্যাগ করব না।’
উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে বুয়েট শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ১১ জুলাই থেকে লাগাতার আন্দোলন করে আসছিলেন। ৩১ জুলাই আদালত আন্দোলনের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন। এরপর শিক্ষক সমিতি আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে। কিন্তু শিক্ষকেরা ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে ক্লাসে না যাওয়ায় দীর্ঘ ৪৪ দিন পর গত ২৫ আগস্ট বুয়েট খুললেও ক্লাস বা পরীক্ষা হচ্ছে না। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.০৯.০৩ ১৩:০২
বেহায়া................

Md. Ruhul Amin

Md. Ruhul Amin

২০১২.০৯.০৩ ১৩:১৮
জানিনা কপালে যে আরো কত কি আছে। সত্যিই খুব খারাপ লাগে বুয়েট এর মত বড় শিক্ষ্যাঙ্গণে যখন অচলাবস্হার সৃষ্টি হয়। সরকার আর কতদিন বুয়েট বন্ধ রাখবে? বুয়েট একদিন বন্ধ মানে আমাদের অনেক বড় ক্ষতি।

Azim

Azim

২০১২.০৯.০৩ ১৩:৪০
এই ধরনের সংগঠিত আন্দোলন কোন রাজনৈতিক ইন্ধন ছাড়া সম্ভব না। সরকারের অবিলম্বে তদন্ত করে দেখা উচিত আসলে কোন রাজনৈতিক দল এই আন্দোলন পরিচালনা করছে কিনা।

M A Jabbar

M A Jabbar

২০১২.০৯.০৩ ১৩:৪১
BUET situation is not becoming a matter of grave concern to everybody including its teachers, students, parents and mass citizen of the country. The government must come forward with a acceptable solution without wasting anytime and the parents of BUET students must also come forward to protect the future of the prestigious institution and academic lives of their sons and daughters.

Monu

Monu

২০১২.০৯.০৩ ১৩:৪৩
উপাচার্য কে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Shamsul

Shamsul

২০১২.০৯.০৩ ১৩:৪৬
খবরে দেখলাম বহিরাগত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা সেখানে গিয়ে মিছিল করছে।সাংবাদিক তাদের একজনকে কোন ডিপার্টমেন্টে পড়েন বলে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয় "কমার্সে পড়ি"।আজব!!!!!!!!!!!!

Bidhan Choudhury

Bidhan Choudhury

২০১২.০৯.০৩ ১৩:৫৭
Strange VC, totally .........

তানভীর আলাদিন সরব

তানভীর আলাদিন সরব

২০১২.০৯.০৩ ১৪:০৪
@Azim,...কথা বলবেন না বুয়েটে শিবিরের কোন শাখা নেই।

Md Abdul Hakim

Md Abdul Hakim

২০১২.০৯.০৩ ১৪:১১
ভাই আজিম, কোন রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভিসি অথবা প্রোভিসি পদত্যাগ করছেননা অথবা বহিরাগত কাদের লোক আদ্নোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দের উপর হমলা করল তার কি তদন্ত দাবি করবেন ?

Mohammed

Mohammed

২০১২.০৯.০৩ ১৪:১৭
How an educated person like vc can be such idiot? Please stop publishing news on BUET otherwise we will be sick soon.

Irfan Ahmed

Irfan Ahmed

২০১২.০৯.০৩ ১৪:১৮
বাংলা অভিধান থেকে লজ্জা শব্দটি মনে হয় উঠিয়ে দেয়া হল। ভিসি প্রো ভিসি লজ্জা শব্দটি পড়েননি।

Abdul

Abdul

২০১২.০৯.০৩ ১৪:২৪
Mr. Azim please clarify your motive.

Zulfikar

Zulfikar

২০১২.০৯.০৩ ১৪:৩১
লজ্জা নাই রে.. লজ্জা নাই.. ছি. ধিক.. ক্ষমতা মানুষকে পশুতে রূপান্তরিত করতে পারে..

Osman Sarker

Osman Sarker

২০১২.০৯.০৩ ১৪:৩২
বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে বুয়েট।

namhin

namhin

২০১২.০৯.০৩ ১৪:৩৭
@azim..এতটা দলকানা হইতে লজ্জা লাগেনা!!!!!দেশের শীর্ষ শিক্ষালয় কে আপনার বেহায়া সরকার ধ্বংস করে ফেলছে, আর আপনি এসেছেন সরকার এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র খুঁজতে!!!! আপনাকে কিছু বলব তার আর ভাষা নাই...এই কষ্ট বুয়েটিয়ানরা অনুভব করছে...
২০১২.০৯.০৩ ১৪:৩৯
আর কত করলে তবে এই বেহায়াদেরকে আওয়ামী লীগ সরাবে ??????
২০১২.০৯.০৩ ১৪:৪০
@আযিম
আপনার কি চোখ,কান সরকার নিয়ে গেছে, কি পরিমান নিরলজ্জ হলে এই ধরনের কমেন্ট করতে পারি!!!!!!!!!!!!!! অবাক লাগে, এত গুলা সাধারণ ছাত্র শিক্ষক আন্দোলন করতেসে আর আপনি এখানেও রাজনীতির গন্ধ খুজতেসেন!!লজ্জা লজ্জা!!
২০১২.০৯.০৩ ১৪:৪৮
If everything is run this way shortly we will be became a fail state. Most prestigious Two Institution Bangladesh. One is BUET and another is Grameen bank. And what happened next..................

zakir ( জাপান )

zakir ( জাপান )

২০১২.০৯.০৩ ১৪:৫১
ছাত্রলীগ বুয়েট এ কমার্স পড়ে । এই ডিপার্টমেন্ট বুয়েটে কবে থেকে চালু হল? গিনিস বুকে এটা পাঠানো হোক।ছাত্র লীগ নিজের নামটাও বলতে পারে না। বলে কি না আমার না ছাত্রলীগ .............। আজব।
২০১২.০৯.০৩ ১৪:৫২
ভাই Azim আপনি কোন দল করেন, দয়া করে বলবেন কি ?????

Faisal

Faisal

২০১২.০৯.০৩ ১৪:৫৫
@Azim
২০১২.০৯.০৩ ১৩:৪০
সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখেছে - বুয়েটের চলমান আন্দোলনে বিরোধীদলের সংস্লিষ্টতার, কিন্তু পজেটিভ কিছুই পায়নি। প্রথমে বলা হয়েছিল, এ আন্দোলনে সম্প্রদায়িক শক্তি জড়িত - কিন্তু প্রমাণিত হয়নি। কারণ এ আন্দোলনের নেতৃত্বে সকলেই মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তবুদ্ধির অণুসারী। সবচেয়ে বড় বিষয়, বর্তমান উপাচার্য বুয়েটে ৪২ বছর ধরে আছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের অনেকেই তার কলিগ-ছাত্র- এদের সবাইকে তিনি গোয়েন্দা সংস্থার চেয়েও ভালোভাবে চেনেন। কিন্তু, পরিহাস! দলীয় আণুগত্যের নগ্ন প্রকাশের দরুণ উপাচার্যের কলিগ-ছাত্রগণ এখন তারই বিরুদ্ধে খড়গহস্ত।

nhshuvo

nhshuvo

২০১২.০৯.০৩ ১৫:১০
বুজলাম না সরকার আসলে কি জনগনের সরকার নাকি বুয়েটের ভিসি প্রো-ভিসির সরকার?

Towkir

Towkir

২০১২.০৯.০৩ ১৫:১২
@Azim আপনার যদি মনে হয় এই আন্দোলনে কোন রাজনৈতিক ইন্ধন আছে তাহলে আপনি স্বশরীরে বুয়েটে আসুন আশা করি আপনার ভুল ভেঙে যাবে।
দয়া করে বুয়েটকে অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে এক করে ফেলবেন না!!!

বাবুল করিম

বাবুল করিম

২০১২.০৯.০৩ ১৫:২৮
শাবাশ শিক্ষার্থী ভাইবোনেরা। তোমরা আন্দোলন চালিয়ে যাও ন্যায়ের জ্য না হওয়া পর্যন্ত।

২০১২.০৯.০৩ ১৫:৫৩
সিইসি আজিজকেও হারমানাবে বোধহয়।

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.০৯.০৩ ১৫:৫৬
সরকার চায়না উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের পদত্যাগ তাই আমার মনে হয়না আন্দোলন করে কোন লাভ হবে।

kabir khan

kabir khan

২০১২.০৯.০৩ ১৬:২৭
আমাদের মসতিসকে পচন দরেচে।

তানভীর আলাদিন সরব

তানভীর আলাদিন সরব

২০১২.০৯.০৩ ১৬:৩৮
বুয়েটের মেধাবী ছাত্রগন ডাক্তারের ন্যায় সিরিন্জে রক্ত নিয়েছে। তারা যা চায় তাই করতে পারে।

Raihan arefin

Raihan arefin

২০১২.০৯.০৩ ১৭:২৬
আজিম সাহেব, বহিরাগত ক্যাডারেরা ,যারা কিনা বুয়েটে "কমার্সে" পড়ে তারা কোন রাজনৈতিক দলের আন্ডারে, কাদের আন্ডারে বুয়েটে হামলা চালাতে গেছিলো, আশা করি তার জবাব দেবেন!
আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে , রাজনৈতিক দল না করলে কোন আন্দোলন করা যায় না! কি হাস্যকর! এই বুয়েটের শিক্ষার্থীরাই এই বছরের শুরুতেই দেখিয়েছিলো, দলকানা না হয়েই কি অসাধারন ভাবে সংগঠিত হয়ে অন্যায়াকারীর শাস্তি দেয়ার ব্যবস্থা করতে হয়। আপনার মত লোকগুলোর জন্যই আজ এই দেশ , এই দেশের ভার্সিটিগুলো ধ্বংসের মুখে।
২০১২.০৯.০৩ ১৭:৫২
@Azim - সোনার ছেলেদের এজেন্ট - বুয়েট, গোপালগন্জের বিশ্ববিদ্যালয় না।

abul fajol

abul fajol

২০১২.০৯.০৩ ১৯:৫৬
Why you are giving importance to people like Azim I don't understand.Just ignore him.To them ,party is above the nation.Education & knowledge are different,VC BUET has proved it.He will remain as an example how shameless(I can not find the exact word)an educated person can be.Like Aziz he will go to history.

Reaz Mahmud ( দোহা-কাতার)

Reaz Mahmud ( দোহা-কাতার)

২০১২.০৯.০৩ ১৯:৫৯
সম্মানিত মন্তব্য দাতাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আপনারা প্রকৃত ঘটনা প্রসঙ্গে না লিখে লাগামহীন Azim কে নিয়ে মন্তব্য কেন করছেন।

Arifuzzaman

Arifuzzaman

২০১২.০৯.০৩ ২০:০১
@Azim:
বছরের সেরা কৌতুক বলেছেন ভাই!! হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না!!!
এইরকম একটা ভারী কমেন্ট করার আগে কিছু হোম ওয়ার্ক করে নিলে ভালো করতেন। না জেনে বুঝে এরকম আলতু ফালতু গবেট টাইপ কমেন্ট আর করবেন না আশা করি।

Mahmood Hussain

Mahmood Hussain

২০১২.০৯.০৩ ২০:২১
একটা সরকার যে কতটুকু অপেশাদার হতে পারে তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ এটি। বুয়েট বন্ধ হওয়ার পর মাসাধিক সময় গেল, কিন্তু এই সংকট নিরসনে ছুটির এই সময়টুকু কাজে লাগানো হলোনা। কেন? কার স্বার্থে এই সমস্যাটা জিইয়ে রাখা হচ্ছে?

Raihan

Raihan

২০১২.০৯.০৩ ২০:৪৩
GOv is acting like naive....

kabir ahmed bahar

kabir ahmed bahar

২০১২.০৯.০৩ ২১:১৮
Mr. VC & Pro-VC if U have little bit sense pls. resign and save Buet

Md. Faysal Ahmed

Md. Faysal Ahmed

২০১২.০৯.০৩ ২১:৪১
vai Azim,

Apni thik e bolechen. Ashole shob shorojontro. juddhaporadhider bichar banchal kortei ere jamat shibir mile.....................hahaha....................vai r ki bolben,,,,,,,,,,,,,,,,

mahadi hasan

mahadi hasan

২০১২.০৯.০৩ ২১:৫১
বুয়েট এ নতুনএকটা পোস্ট খোলা হবে সহ-সহউপাচারয , আর তার দায়িত্ব আজিম কে দেয়া হোক.। পুরাই একটা

shihan

shihan

২০১২.০৯.০৩ ২২:২৬
এমন যদি হত উনার কোন দোষ নেই তারপরও যখন কেউ চায় না উনার ভিসি পদে থাকার কোন যোগ্যতা নেই। সেখানে তো উনি মহা পাপী মানুষ। আর আমি বুঝি না বুয়েটের ছাত্ররা মেরে অইসব ছাত্রলীগ নামের ছেলেদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয় নাই কেন?

joyeetazafreen

joyeetazafreen

২০১২.০৯.০৩ ২২:৪৫
hello Azim apnio buet e commerce poren naki hehehehhehe

joyeetazafreen

joyeetazafreen

২০১২.০৯.০৩ ২২:৪৮
azim kintu ononto jalil ke fail mere amon joke mere dilo..i think "azim too is pom gana along with VC who studied in university of south asia:P"

mizanul islam chowdhury

mizanul islam chowdhury

২০১২.০৯.০৩ ২৩:৪৩
উপাচার্য এস এম নজরুল ইসলাম কে বুয়েটের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী গন যেখানে মেনে নিতে পারছেন না তাহাকে জিজ্ঞাসা করুন তিনি কাহাদের উপাচার্য হিসাবে থাকতে চান। সরকার না বললে পদত্যাগ করব না মানে কি ? সরকার ও তার দলীয় সংসদীয় যত সমর্থিত সকল সোনার ছেলেরা এইখানে ভর্তি হবে তাই তাদের জন্য এই উপাচার্য’ সহ-উপাচার্য হয়ে থাকতে চান কথাটা আমনি বুঝা যায়। নুতুবা তিনি এখনও বহাল থাকাটা সমস্ত শিক্ষা সমাজের গুনমান ও ইজ্জতের ব্যপার হয়ে দাড়িয়েছে ।বেলা ১টার মধ্য ও সহ-উপাচার্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি এতো বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা এটা কি করে সম্ভাব । এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান জুদি বিশ্বের শিক্ষার মানের কাছা কাছি পৌঁছাইতে হলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক পরি বর্তন করতে হবে। ।বেলা ১টার মধ্য ও সহ-উপাচার্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি এই নিয়ম বিশ্বের কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাই।
কোন শিক্ষককে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে বা যেতে শিক্ষার্থির মধ্যে কেউ দেখেননি কারণ তাদের হাতে প্রচুর কাজ থাকায় শিক্ষার্থিদের তুলনায় আন্তঃত দেড় ঘনটা আগে আসে এবং দেড় ঘনটা পরে যাওয়া হয় ।বহিরাগত কিছু ছেলেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক ভবনের দরজা ভাঙার চেষ্টা করা এতে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে দেশের সচেতন মানুষের কিছু উদ্বেগ নেওয়ার দরকার। প্রধান মন্ত্রি ইচ্ছে করলে ঐ দুই জনকে আভ্যহতির নির্দেশ দিয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শান্তি শূংখোলা ফিরে আনতে পারে ।
২০১২.০৯.০৪ ০১:৩৮
পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য এস এম নজরুল ইসলাম বলছিলেন, ‘আমি কোনো অন্যায় করিনি। তাই সরকার না বললে পদত্যাগ করব না।’ ### খুব ভালো বলেছেন - আপনার ছাত্ররা শিক্ষকেরা আপনাকে দেখতে পারে না - এর পরেও আপনার পদ এর প্রতি লোভ কমে না । আপনার যদি দোষ না থাকে তাহলে শিক্ষক দের বিরুদ্ধে মান হানি মামলা করেন - পদ ধরে রাখছেন কি জন্য ?