অর্ধেক অর্থ ফেরত দিতে হলমার্ককে চিঠি দেওয়া হবে
হলমার্কের এমডি তানভীর মাহমুদ
ঋণের নামে সোনালী ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে তোলা অর্থের ৫০ শতাংশ ফেরত চেয়ে হলমার্ক গ্রুপকে চিঠি দেবে সোনালী ব্যাংক। কাল মঙ্গলবার হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ বরাবর এই চিঠি পাঠানো হবে।
অবৈধভাবে তোলা দুই হাজার ৬৬৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ, অর্থাত্ এক হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হবে। আজ সোমবার সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য কাশেম হুমায়ুন সাংবাদিকদের এ কথা জানান। খবর বাসসের।
দুর্নীতি দমন কমিশন হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের এক দিন পর সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল।
কাশেম হুমায়ুন বলেন, ‘গতকাল দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সোনালী ব্যাংক থেকে তিনি যে পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন, তাঁর সম্পদের পরিমাণ এর ২০ গুণ বেশি। এটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় আমরা তা আমলে নিয়েছি। তাই ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত অর্থের দ্রুত সমন্বয় করতে এর ৫০ শতাংশ ১৫ দিনের মধ্যে ফেরত চেয়ে কাল (মঙ্গলবার) তাঁকে চিঠি দেওয়া হবে।’ কাশেম হুমায়ুন বলেন, বাকি ৫০ শতাংশ হলমার্ক গ্রুপের জামানত থেকে শর্ত সাপেক্ষে সমন্বয় করা হবে। ব্যাংকবিধি, ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ মোতাবেক এসব শর্ত পূরণ করা হবে।
অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে কাল মঙ্গলবার পরিচালনা পর্ষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে, হলমার্ক গ্রুপের আত্মসাত্ করা অর্থের মধ্যে ২৭৭ কোটি টাকা এরই মধ্যে নগদ আদায় হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার হেমায়েতপুরে ৪৬ দশমিক ৫৪ একর জমি জামানত হিসেবে বন্ধক দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। আরও ১৩ একর জমি বন্ধক দেবে বলে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে হলমার্ক গ্রুপ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসে। দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে। এই অনিয়মের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথা গণমাধ্যমে আসে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে দুদক জানিয়েছে।







mahfuza bulbul
২০১২.০৯.০৩ ২১:৪৪
২০১২.০৯.০৩ ২২:০৪
২০১২.০৯.০৩ ২২:১৭SR Taufiq
২০১২.০৯.০৩ ২২:২৫Mohammed Alam Chowdhury
২০১২.০৯.০৩ ২২:৪১ব্যাস এবার দুদকের কিছু লোকের টাকা বানাবার একটা মহা সুযোগ হল আর কি। এদেশের মানুষ নাগরিক সচেতন নয় বলেই দিনে দিনে এসব লুটেরার দল বাড়ছে ।
M Hossain
২০১২.০৯.০৩ ২২:৪১Raihanul Islam
২০১২.০৯.০৩ ২২:৪৫A. M. Zubair
২০১২.০৯.০৩ ২৩:৩২mostafa
২০১২.০৯.০৩ ২৩:৪১