মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে সংকট আরও গভীর হলো

সরকার ও জোটে অস্বস্তি

বিশেষ প্রতিনিধি | তারিখ: ১৫-০৯-২০১২

  • ৬০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

তোফায়েল আহমেদ ও রাশেদ খান মেনন মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মহাজোট সরকারের দুর্বলতা ও সংকট আরও গভীর হলো। এ ঘটনায় সরকার, আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলোয় হতাশা ও অস্বস্তি বেড়েছে। এমনকি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগেই জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে।
সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করে সংকট মোচন করতে গিয়ে নতুন সংকটের জন্ম হবে, এমনটা সরকারের উচ্চপর্যায়ের ভাবনায় ছিল না। মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হতে পারে, তা ছিল তাদের চিন্তার বাইরে। গত ৪০ বছরে এভাবে কেউ জানান দিয়ে মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যান করেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন নীতিনির্ধারক প্রথম আলোকে বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদের মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যানের পর থেকে সবকিছু অন্যভাবে দেখছি। এ ঘটনায় রীতিমতো হতভম্ব হয়েছি।’ আরেক নীতিনির্ধারক বলেন, ‘তোফায়েল মন্ত্রী না হয়ে সরকারকে বিপদে ফেলেছেন।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরকারের বড় বড় ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে দলের ভেতরে-বাইরের শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাঁরা দলে বিভেদ নয়, সমঝোতার মাধ্যমে বিভক্তি নিরসন করার উদ্যোগ নিতে বলেছিলেন। সে জন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের দলের সভাপতিমণ্ডলী ও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার কথা বলেছিলেন অনেকে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, বিশ্বব্যাংক ও নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়গুলোতে আপসমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরে। মিলমিশ করে চলা এবং দেশকে সংকটের দিকে না নেওয়ার পরামর্শও ছিল। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা এসব পরামর্শ মানতে চান না, বরং বিরোধ বাড়িয়েছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত লোক দেখানো মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেও সংকট কমল না, উল্টো বাড়ল।
ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী: প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানায়, তোফায়েল আহমেদ ও রাশেদ খান মেনন মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে পারেন, তা ছিল প্রধানমন্ত্রীর ধারণার বাইরে। বিশেষ করে তোফায়েল আহমেদের ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ঘনিষ্ঠদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তোফায়েল আহমেদ কাজটি ঠিক করেননি। অপর একজনকে তিনি বলেছেন, এখন আর কোনো বিভ্রান্তি নেই। সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে।
সূত্র জানায়, তোফায়েল আহমেদের মন্ত্রী না হওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। তবে জ্যেষ্ঠ নেতারা নাখোশ হয়েছেন। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে বলেছিলেন, ‘আমি কাউকে ফোন করিনি। দলের সভাপতি হিসেবে আমার নির্দেশ অমান্য করলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রশ্ন উঠত।’
কেন মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ: রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের মতে, গত প্রায় চার বছরে মহাজোট সরকারের শাসনকাজের দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনা স্পষ্ট ছিল। বিশেষ করে শেয়ারবাজারে কারসাজি করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেওয়া, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া, দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিল করা, সর্বশেষ হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ ডেসটিনি ও ইউনিপেটুইউর আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সরকারের নাজুক অবস্থা। আর সরকারের এসব দুর্বলতার ব্যাপারে সংসদের ভেতরে-বাইরে তোফায়েল আহমেদ, রাশেদ খান মেনন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও হাসানুল হক ইনু ছিলেন সরব এবং বেশ সমালোচনামুখর।
বছর দেড়েক আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপনির্বাচনকালে সেখানকার রাস্তাঘাটের করুণ দশার কথা উল্লেখ করে জাতীয় সংসদে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এরপর নানা প্রসঙ্গে সরকারের সমালোচনায় মুখর ছিলেন তাঁরা। সূত্র জানায়, তাঁদের মুখ বন্ধ করা এবং সরকারের দুর্বলতা ঢাকাই ছিল মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের মূল লক্ষ্য। এর আগে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও ওবায়দুল কাদেরও সরকারের সমালোচনায় সরব ছিলেন। তাঁদের মন্ত্রী করার পর সমালোচনা বন্ধ হয়েছে।
মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যান করার নেপথ্যে: খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন দল ও সরকারে উপেক্ষিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই তোফায়েল আহমেদ মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার আগে তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা না করাও ছিল একটি বড় কারণ।
সূত্র জানায়, এক-এগারোর পর থেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে তোফায়েলসহ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতার আস্থা ও বিশ্বাসের সংকট চলছিল। যে কারণে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি মহাজোটের সরকার গঠনকালে তাঁকেসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ একই বছরের ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তাঁকে সভাপতিমণ্ডলীর সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য করা হয়। কিন্তু তিনি উপদেষ্টাদের কোনো সভায় যোগ দেননি। প্রকাশ্যেই তিনি বলতেন, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নয়, দলের একজন কর্মী হয়ে থাকতে চান তিনি।
তোফায়েল আহমেদের ঘনিষ্ঠ কারও কারও মতে, এত কিছুর পরও তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করলে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব গ্রহণ করার সম্ভাবনা তৈরি হতো। তবে মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে তোফায়েল আহমেদের ফাঁদে পড়ার বা অসম্মানিত হওয়ার ঝুঁকিও ছিল।
এ ছাড়া দলের দুই নেতা ও মন্ত্রী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করতে তোফায়েল আহমেদকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত আধা ঘণ্টা আগে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান তোফায়েল আহমেদকে ফোন করে মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করার অনুরোধ করেন। এ জন্য প্রয়োজনে তিনি শপথ অনুষ্ঠান স্থগিত রাখারও প্রস্তাব দেন। তার পরও তোফায়েল সম্মত হননি।
অন্যদিকে রাশেদ খান মেননও চেয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে মন্ত্রিসভায় নেবেন। তা না হওয়ায় তিনিও ক্ষুব্ধ হন। তিনি মনে করেন, গত চার বছরে মহাজোট সরকারে তাঁর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ছিল না। তিনি এসব বিষয় সুরাহা করতে চেয়েছিলেন। এ ছাড়া তাঁর দলও মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে সম্মতি দেয়নি।
নতুন মন্ত্রীদের নিয়ে দলের ভাবনা: আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানায়, মন্ত্রিসভায় নবনিযুক্ত সাত সদস্যকে নিয়ে দলে কোনো উচ্চাশা নেই, বরং হতাশা কাজ করছে। নতুন সাতজনের মধ্যে মহীউদ্দীন খান আলমগীর, এ এইচ মাহমুদ আলী ও মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ সাবেক আমলা। তাঁদের অংশগ্রহণে দল ও সরকারের বিশেষ কোনো লাভ হবে বলে মনে করেন না মন্ত্রিসভারই অনেক সদস্য। তোফায়েল আহমেদ ও রাশেদ খান মেননের বিকল্প যে দুজনকে নেওয়া হয়েছে, তাঁদের কতটুকু কী করার আছে, সে ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে অনেকের মধ্যে। এর চেয়ে তরুণ নেতাদের মন্ত্রিসভায় নিলে দলের ভবিষ্যতের জন্য ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন কেউ কেউ। প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী সম্পর্কে রাজশাহীতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা আছে।
দপ্তর বণ্টন করা হয়নি: সরকারি সূত্রগুলো জানায়, নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের দপ্তর এখনো বণ্টন করা হয়নি। রোববার নতুন মন্ত্রীরা দপ্তর পাবেন বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হলেও কেউ বাদ পড়ার সম্ভাবনা কম।
সূত্র জানায়, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে সপ্তাহে চার-পাঁচ দিন ডায়ালাইসিস করাতে হয়। স্বাস্থ্যগত কারণে তাঁর বাদ পড়ার কিছুটা সম্ভাবনা আছে। খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে দুটি আলাদা মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কেও আলাদা করা হতে পারে। এ ছাড়া রেলপথ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী দেওয়া হবে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Tanvir

Tanvir

২০১২.০৯.১৫ ০২:২৬
Ministers are these days nothing but Hasina's file bearers. They have absolutely not power, they collect money on PM's behalf and so good men are better of not taking the job.

সুঘ্রাণ কাদের

সুঘ্রাণ কাদের

২০১২.০৯.১৫ ০৩:২৪
স্যালুট তোফায়েল ভাই। সঠিক সিদ্ধান্ত শেষ বেলায়।
২০১২.০৯.১৫ ০৩:৩১
গত প্রায় চার বছরে মহাজোট সরকারের শাসনকাজের দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনা স্পষ্ট ছিল। বিশেষ করে শেয়ারবাজারে কারসাজি করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেওয়া, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া, দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিল করা, সর্বশেষ হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ ডেসটিনি ও ইউনিপেটুইউর আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সরকারের নাজুক অবস্থা।
১০০% true.

Muzibur rahman

Muzibur rahman

২০১২.০৯.১৫ ০৪:০৩
Mr. Tufayel did mistake, why Tufayel was out of ministry from begining, he should realised,He was in a group to push out sk. hasina. Hasina should show broadness in the beginning to take Tufayel in the cabinet.Tufayel is in the history of bangldesh, not easy to remove him. Manon got political gain due to tufayel refusal.Tufal should know Awami league is his party. Hasina party leader because a sympathy to bango bandhu. Tufayel is Awami natural leader. This is bad time of ruling party AL. Name Tufayel is revolution, people know it. Sounds like confliction AL& Tufayel, of couse damaging. As president of the party PM should find out solution if she difficult to work out take wise advise.Sranjeet/Motia/Dilip are allen in AL Tufayel is base line AL leader.

AL-AMIN

AL-AMIN

২০১২.০৯.১৫ ০৪:২০
বুদ্ধিমানরা এভাবেই বুদ্ধি দিয়ে কাজ করে। এবার অন্তত সরকারের বুঝা উচিত বলে আমি মনে করি।

Sharif

Sharif

২০১২.০৯.১৫ ০৫:১৭
নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন না করে এদেরকেও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসাবে রাখলে সুরঞ্জিত বাবু একটু খুশিই হতেন। অন্তত: গোটা সাতেক সহকর্মীতো পেতেন।

zahid

zahid

২০১২.০৯.১৫ ০৬:০২
WHO WILL BEAR THE NEW MINISTER'S EMPLOYMENT.HASINA NEED MORE MINISTER AND ADVISER.

Md Abdul Hakim

Md Abdul Hakim

২০১২.০৯.১৫ ০৭:২৬
এখন এটা খুবই স্পষ্ট যে, দলের মধ্যে কারও যদি মন্ত্রী হওয়ার খায়েশ থাকে, তাহলে সে যেন সরকারের সব ভুল সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে। এরপর মন্ত্র্রীত্ব পাবেন, পাওয়ার পর --- সেনগুপ্ত হয়ে --- হয়ে যাবেন।
২০১২.০৯.১৫ ০৭:৩০
তোফায়েল আহমেদও একজন সাধারণ মানুষ । তিনি ভুল-ত্রুটির উর্ধে নন । তবে এরকম অসময়ে মন্ত্রীত্ব গ্রহণ না করে তিনি তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন । তিনি যে অনেক বড় মাপের একজন নেতা - এটা অন্তত এই প্রজন্মের মানুষ অনুভব করতে পেরেছে বলে আমার মনে হয় । অসময়ে মন্ত্রীত্বর আহ্বান জানিয়ে বরং ক্ষমতাসীন দল তাদের রাজনৈতিক মেধাহীনতা , অদূরদর্শিতা এবং অদক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে । তাদের এ ভুলের দায় মোটেই এই নেতার ঘাড়ে চাপানো উচিত নয় ।

Mainuddin Mainul

Mainuddin Mainul

২০১২.০৯.১৫ ০৮:০৪
সরকারের লেজে-গোবরে অবস্থা দেখে এখন সাধারণ মানুষেরই সরকারের প্রতি করুনা হচ্ছে। একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারের এমন বেহাল দশা দেখে সরকারের সাথে জনগণও অস্বস্তিতে আছে। কে রক্ষা করবে আমাদের?

২০১২.০৯.১৫ ০৮:০৭
আমি ১২০% গ্যারান্টি দিতে পারি ।যদি সততার সাথে নির্বাচন হয় তবে আওয়ামিলিগ মোট ২৩ টি আসন পেয়ে হারবে) ।

s.nahar bithi

s.nahar bithi

২০১২.০৯.১৫ ০৮:১৯
শেখ হাসিনার কোন পরিকল্পনা এখন টিকছে না ।

Aminul Ahesan

Aminul Ahesan

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৩০
ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী: প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানায়, তোফায়েল আহমেদ ও রাশেদ খান মেনন মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে পারেন, তা ছিল প্রধানমন্ত্রীর ধারণার বাইরে। বিশেষ করে তোফায়েল আহমেদের ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ঘনিষ্ঠদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তোফায়েল আহমেদ কাজটি ঠিক করেননি। অপর একজনকে তিনি বলেছেন, এখন আর কোনো বিভ্রান্তি নেই। সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে কিছুই পরিস্কার হবে না যদি আপনি পরিস্কারভাবে চিন্তা করতে না পারেন।

Rabbani Chowdhury

Rabbani Chowdhury

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৩০
আজ হয় তো দেশ চলছে নুতন এক ফমূর্লায় যা হচ্ছে্ - বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা কারো পরামর্শ মানতে চান না।

Aminul Ahesan

Aminul Ahesan

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৩৫
মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হতে পারে, তা ছিল তাদের চিন্তার বাইরে। গত ৪০ বছরে এভাবে কেউ জানান দিয়ে মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যান করেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন নীতিনির্ধারক প্রথম আলোকে বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদের মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যানের পর থেকে সবকিছু অন্যভাবে দেখছি। এ ঘটনায় রীতিমতো হতভম্ব হয়েছি।’
শুধুমাত্র লোভের আর লাভের জন্য যারা রাজনীতি করেন তারা এতে হতভম্ব হবেন এটাইতো স্বাভাবিক।

Sheikh Rafiq

Sheikh Rafiq

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৫৩
Thanks Tufayel bhai, Right decision at right time.

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৫৯
এখন সরকারের শুভ বুদ্দির উদয় হয় কিনা দেখার বিষয়।সকল কাজ-দিবা সপনের মতো,জনগণ বুজে।

Paayel

Paayel

২০১২.০৯.১৫ ১০:১৩
দীর্ঘদিন দল ও সরকারে উপেক্ষিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই তোফায়েল আহমেদ মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার আগে তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা না করাও ছিল একটি বড় কারণ।

satya sarker

satya sarker

২০১২.০৯.১৫ ১০:১৫
Robi ভাই,
আপনি কেমনে হিসেব করলেন ২৩ টি পাবে।আমার তো মনে হয় আগের ২ টা বাদ গিয়ে শুধু ৩ টা থাকবে।তাতেও অবশ্য সন্দেহ আছে।

SHAMSUL HUDA

SHAMSUL HUDA

২০১২.০৯.১৫ ১০:২০
What a humiliation for the ruling party !
২০১২.০৯.১৫ ১০:৪৯
তোফায়েল এবং মেনন স্যার আপনারা মন্ত্রীত্ব না নিয়ে অবশ্যই ভাল করেছেন।কারণ মন্ত্রীত্ব নিলে আপনাদের অবস্থাও হয়তোবা হতো সুরঞ্জিত এর মতো।

jahidul

jahidul

২০১২.০৯.১৫ ১১:১০
জোটের এই জট পাকানো রাজনীতি থেকে বাংলাদেশ কবে রেহাই পাবে?একবার চার দলীয় জোট, একবার চৌদ্দদলীয় জোট, আবার আঠারোদলীয় জোট ।আশায় আছি কবে সর্বদলীয় জোট হবে অন্তত দেশের সার্থে।

Ruksana Shirin

Ruksana Shirin

২০১২.০৯.১৫ ১১:১৩
Mr Tofail, the best possible POLITICAL DECISION you have taken in your political career. Now your image is best among all Awami Leaguers.

Khandaker Tofazzal Hossain

Khandaker Tofazzal Hossain

২০১২.০৯.১৫ ১১:১৫
আমরা গনতন্ত্রের কথা বলি কিন্ত এর চর্চা নিজেরা করিনা। অন্য অর্থে এর চর্চা করাকে আমরা ভয় পাই। এবং একে মেনে নেয়ার স্বাভাবিক মানসিকতা আমাদের মধ্যে এখনও গড়ে উঠেনি। অথচ সামগ্রিক গনতন্ত্রের স্বার্থে এর অনুশীলন জরুরী।

Raihanul Islam

Raihanul Islam

২০১২.০৯.১৫ ১১:১৬
আওয়ামী লীগের ডুবার জন্য শেখ হাসিনা এক নমবর দায়ী। কারন কি জানেন? কিছু চাটুকার নেতাদের কথা মত চলে আওয়ামী লীগের আজকের এই অবসথা।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০৯.১৫ ১১:২০
সম্প্রসারিত মনএীসভার সদস্যরা শপথ নেবার পর জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সরকারদলীয়রা বেশ খোশ মেজাজে তাদের বরণ করে নেবার খবর মিডিয়াতে এসেছে । তাতে বুঝা যায় সরকার আসলে অস্বস্তিতে নেই, অস্বস্তিতে পড়েছে দেশের অসহায় জনসাধারণ ।

Shakil

Shakil

২০১২.০৯.১৫ ১১:২৩
মিঃ রবি, আপনাকেই বলছি। আপনি ১২০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন আওয়ামিলীগ ২৩ টি আসন পেয়ে হারবে। ভালো কথা আমার কোনো আপত্তি নেই। কারন আমি আওয়ামিলীগ সমর্থন করিনা। কিন্তু আওয়ামিলীগ হারলে কে জিতবে। বিএনপি। বিএনপির অতীত ইতিহাসতো জনগন তো ভোলেনি। আপনি কি ভুলে গেছেন। তবে আমরা কাকে ভোট দেব। না ভোট ছাড়া কি আর কোন উপায় আছে।

Syed Harun ur Rashid Towhid

Syed Harun ur Rashid Towhid

২০১২.০৯.১৫ ১১:৩০
নতুন সাতজন এবং সুরঞ্জিত বাবু সহ মোট ৮ জন কে নিয়ে একটি নতুন মন্ত্রনালয়ের নাম প্রস্তাব করছি "দপ্তরবিহীন মন্ত্রনালয়" "Ministry of OSD" এই মন্ত্রনালয়ের সভাপতি করা হোক সুর বাবুকে।।।

Arif

Arif

২০১২.০৯.১৫ ১১:৩১
হাসিনা ক্ষুব্ধ, তোফায়েল আপনি শেষ।
"আগে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও ওবায়দুল কাদের সরকারের সমালোচনায় সরব ছিলেন। তাঁদের মন্ত্রী করার পর সমালোচনা বন্ধ হয়েছে"

md.nazmul haque

md.nazmul haque

২০১২.০৯.১৫ ১১:৩৬
হাসানুল হক ইনু সাহেব বাইরে বসে এই লুটপাটের লোভ সামলাতে না পেরে মন্তিসভায় যোগ দিলোন যদি শেয বেলায় ভাগে কিছু পাওয়া যায়। হি হি হি .... এরা সংসদে সরকারের সমালোচনা মন্তি হওয়ার জন্য দেশ সেবার জন্য নয়। সাবাস তোফায়েল আহমেদ এবং রাশেদ খান মেনন
২০১২.০৯.১৫ ১১:৫২
@ রবি সাহেব আওয়ামিলীগ ২৩ টা আসন পেলে আমি ধরে নেব নিবাচনে কারচুপি হইছে কারন জনমত বলে আওয়ামিলীগ ১০ তার বেশি আসন পাবে না ........।

Mohammad nurul Hoque

Mohammad nurul Hoque

২০১২.০৯.১৫ ১১:৫৮
'no, thanks' is a positive response from Mr. Tofail. It means, he is not with government but not without Awamy League. Dr. Kamal Hossain, Kader Siddiki like another leaders did not show like this response. They like Awamy League but not with now. In this case, Mr Tofail shows a historical step for the government not for the Awamy League. Congratulations for different but significant movement in politics as well as political leaders.

Suzaul Islam

Suzaul Islam

২০১২.০৯.১৫ ১২:০৮
কার্টুনটা খুবই চমতকার হয়েছে ।

Esfaquel Hoque

Esfaquel Hoque

২০১২.০৯.১৫ ১২:১৪
Tofail Sir probably u have made the best possible political decision in your whole political career. ...U proved that u r the real hero of 69....yourself U r a history......we young generation never seen u r fight and revolutionary movement on 69 or 71.... but toady u proved who u are ...you r not like other so called politician of bd ....just salute u ...may God bless u ...
২০১২.০৯.১৫ ১২:২১
I am agree with Mr. Shakil, AL and BNP are in same character, compare the period of 2001 to 2006 of BNP and 2009 to 2012 of AL, so what will we do?
২০১২.০৯.১৫ ১২:৩০
একটি কাল্পনিক গল্প-
সাংবাদিকঃ কি তোফায়েল ভাই, মন্ত্রীত্ব প্রত্যাখ্যান করলেন কেন?
তোফায়েল আহমেদঃ আরে ভাই আর বোলো না। আখ যা খাবার তা ওরা সবাই খেয়ে ফেলেছে, আমার জন্য রেখেছে শুধু ছোবড়া। ছোবড়ার মধ্যে কি কোনো মজা আছে?

Md. Rezaul Karim

Md. Rezaul Karim

২০১২.০৯.১৫ ১২:৩৯
I appreciate your decision dear Tofael Ahmed, This matter should be observers by our PM. We the young people of bangladesh just able to think and dreaming, may be a change are start and it will be seen in all political parties. May be the time comes to us to say good bye Khaleda, Hasina and others. A change is sentential in political parties to change their leader for building positive Bangladesh. Theses leadership are expired dated, they depends on bureaucracy and taking Bangladesh in to the Darkness.

prodip

prodip

২০১২.০৯.১৫ ১২:৪১
এই রিপোটিং এ নতুনত্ব নেই । একই কথার নতুন করে পরিবেশন ।

edris

edris

২০১২.০৯.১৫ ১২:৫৩
উনারা মিনিসটারি না নিয়েও আনেক উপরে উঠে গেলেন। এই সরকারের মিনিসটার হবার চেয়ে গেরামের চকিদার হওয়া ভাল ।

Jakir Hossain (Rajib)

Jakir Hossain (Rajib)

২০১২.০৯.১৫ ১৩:১৭
ফালতু, বাজে, সেনসলেস সরকার

shuvo shahriar

shuvo shahriar

২০১২.০৯.১৫ ১৩:২৫
মন্ত্রীত্ব প্রত্যাখ্যান করার মত সাহস বর্তমান প্রেক্ষ্যাপটে একটি পজিটিভ দিক। কিন্তু এর মূল কারন ও তার উপর ভিত্তি করে দলের ভুল শোধরানোর মত উদার মনের পরিচয় আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখাতে পারবেন কি না এটাই প্রশ্ন ?

Hossain Ahamed

Hossain Ahamed

২০১২.০৯.১৫ ১৩:৩৩
আওয়ামী লীগ যে সব সময় চার লাইন বেশি বোজে এটাই তার বড় প্রমান।

Tawhid

Tawhid

২০১২.০৯.১৫ ১৪:০৪
@Shakil
২০১২.০৯.১৫ ১১:২৩
আমি গতবার “না” ভোট দিয়েছিলাম। এবার নাকি “না” ভোটের option থাকবে না। কেউ কি এব্যাপারে বলতে পারেন?

Meer abul Hasan Al Murad

Meer abul Hasan Al Murad

২০১২.০৯.১৫ ১৪:১২
Dear Tofayel Bhai, I salute your patriotism. Pls do something more for this unlucky country without any personal interest.

Paayel

Paayel

২০১২.০৯.১৫ ১৪:১৫
dear, sekh hasina.
Only upward,s the Share bazer overcome the disaster situation. please kindly see the situation.
paayel.
২০১২.০৯.১৫ ১৪:২৩
mr. tufayel became the history by refusing becoming minister. Other politician should learn from him. salute you mr. tofayel.

Esfaquel Hoque

Esfaquel Hoque

২০১২.০৯.১৫ ১৫:০০
Tofail Sir probably u have made the best possible political decision in your whole political career. ...U proved that u r the real hero of 69....yourself U r a history......we young generation never seen u r fight and revolutionary movement on 69 or 71.... but toady u proved who u are ...you r not like other so called politician of bd ....just salute u ...may God bless u ...

Syed Kamrul Huq

Syed Kamrul Huq

২০১২.০৯.১৫ ১৫:০২
লেখকের সাথে দ্বিমত প্রসণ করছি। আমরাই অস্বস্তিতে আছি - জনগন। ওনারা বরং স্বস্তিতে আছেন এত কিছুর পরও।

Iftekhar

Iftekhar

২০১২.০৯.১৫ ১৫:০৮
যিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় প্রদানের আগে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই ভাবতে হবে-কারণ তিনি আমলা থেকে ৪শত কোটি টাকার ব্যাংক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক বনেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ সাধুবেশে এসব ডাকাতদের জাতির গুরু দায়িত্ব দিয়ে দেশ, জাতি এবং দলের ক্ষতি করবেন না।

karim uddin

karim uddin

২০১২.০৯.১৫ ১৫:০৯
One men rule in the government, why so many minister? Only to give them some facility?

২০১২.০৯.১৫ ১৫:১৪
তোফায়েল চাচাকে আশংখ ধননবাদ, সঠিক সিধধান্ত নেয়ার জনন । আপনার এই সিধধান্তের জনন বাংলার মানূষ আজীবন সমমান জানাবে।

২০১২.০৯.১৫ ১৫:১৪
Keep the bone & save from barking hence that therapy also has failed this time.

Maniur Rahman

Maniur Rahman

২০১২.০৯.১৫ ১৫:১৭
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে বলেছিলেন, ‘আমি কাউকে ফোন করিনি। দলের সভাপতি হিসেবে আমার নির্দেশ অমান্য করলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রশ্ন উঠত।’ এই কথার মানে কি? প্রধানমন্ত্রী কি সচিব মহোদয়কে এই সাতজনের নামের তালিকা দেন নাই? যে সাতজন নতুন মন্ত্রীকে সরকারে নেয়া হলো কার নির্দ্দেশে তাদের নাম এলো? মন্ত্রী পরিষদ সচিব তাঁর একক ইচ্ছা ও পছন্দেই কি তাদের তালিকা তৈরী করেছিলেন এবং সবাইকে মন্ত্রী সাভায় যোগ দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন? প্রধানমন্ত্রী কি এর কিছুই জানতেননা? তাহলে প্রশ্ন হলো সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রীসভা গঠন, মন্ত্রীসভা থেকে কাউকে বাদ দেয়া বা নতুন কাউকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া এসবের দায়িত্ত্ব কার? এই আমাদের প্রধানমন্ত্রী? নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে একের পর এক এই ভাবে মিথ্যা কথা বলে তিনি ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকতে চান? মানুষকি এতই বোকা?

M.R Mizan - Italy

M.R Mizan - Italy

২০১২.০৯.১৫ ১৫:১৮
ইহাকেই বলে রাজনীতি ''ফুলেরমালা আর জুতারমালা'' খুব কাছাকাছি এরপর ও যদি উনাদের শিক্ষা হয় না ........
২০১২.০৯.১৫ ১৫:৪১
আওয়ামী লীগে কি ওবায়দুল কাদের এর মত নেতার খুবই অভাব যে সুবিধাবাদী আমলাদের দিয়ে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করতে হবে???

abul fajol

abul fajol

২০১২.০৯.১৫ ১৬:০৩
So there are still a few good people in political arena. So there is a hope. Every cloud has a silver lining.

Zahid

Zahid

২০১২.০৯.১৫ ১৭:৩৯
দুই নেতার মন্ত্রীত্ব প্রত্যাখ্যান এক সাজানো নাটক। হলমার্ক কেলেংকারী ধামাচাপা দিতেই এই নাটক সাজানো হয়েছে।

apple_sohag

apple_sohag

২০১২.০৯.১৫ ১৯:১০
ওবায়দুল কাদেরের মত একজন ভালো মানুষ চাই .. ফাটা কেষ্ট ....

Md. Kutub Uddin

Md. Kutub Uddin

২০১২.০৯.১৫ ১৯:৫২
I think Mr Tofayel Ahmed has taken the right decision by refusing the invitation of being a minister. Now would like to make a request to him that now he will go back to the general people's pavilion and do something really as a people's leader. I think he has that ability. Please noted that it is not necessary to make a new platform of the politics. He should stay with BAL as general worker or a retired politician. May Allah help you and give you a live long.

suman

suman

২০১২.০৯.১৫ ২২:০৯
Our country needed same to Dear ওবায়দুল কাদেরের. He is a great human for Bangladeshi.