একের পর এক কেলেঙ্কারিতে বেকায়দায় সরকার

আনোয়ার হোসেন | তারিখ: ১৫-০৯-২০১২

  • ৩৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

একের পর এক কেলেঙ্কারি নিয়ে এমনিতে বেকায়দায় আছে বর্তমান মহাজোট সরকার। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও জোটের শরিক রাশেদ খান মেননের মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যান। বিষয়টি এখন সরকার ও দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে।
এসব নিয়ে আওয়ামী লীগের তিনজন মন্ত্রী, পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতা, একাধিক সাংসদ, দুজন সাংগঠনিক সম্পাদকসহ জেলার ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব নেতা বলেন, সরকারের পৌনে চার বছরের সব কর্মকাণ্ড ছাপিয়ে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে শেয়ারবাজারে কারসাজি, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি, সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএসের (সহকারী একান্ত সচিব) অর্থ কেলেঙ্কারি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাস। কিন্তু কোনো ঘটনায়ই সরকার সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি। সর্বশেষ এর সঙ্গে যুক্ত হলো মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের উদ্যোগ দুই প্রবীণ নেতার প্রত্যাখ্যান।
আর, এসব কেলেঙ্কারি নিয়ে জাতীয় সংসদের ভেতরে-বাইরে সরব ছিলেন মহাজোটের সাংসদ তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও ওবায়দুল কাদের। এঁদের মধ্যে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও ওবায়দুল কাদেরকে ইতিপূর্বে মন্ত্রী করা হয়েছে। বাকি তিনজনের মুখ বন্ধ করতেই গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হয়েছে বলে মনে করেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। কিন্তু তোফায়েল ও মেনন তা গ্রহণ না করায় বিষয়টি বুমেরাং হয়েছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি আরেক দফা ক্ষতিগ্রস্ত হলো।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে জেলা পর্যায়ের অনেক নেতা মনে করেন, সরকার এ পর্যন্ত যেসব বিষয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রক্ষা এবং ব্যক্তির দোষ-ত্রুটি আড়াল করতে গিয়ে। এর ফলে দলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকারের গঠনের পর পৌনে চার বছরের মাথায় এখন অনেক নেতা-কর্মীর মধ্যে আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে গভীর সন্দেহ রয়েছে।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আছে, এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালেও আওয়ামী লীগ সরকার ফেনীর জয়নাল হাজারী, লক্ষ্মীপুরের আবু তাহের, নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমানসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসের ‘গডফাদারদের’ রক্ষা করতে গিয়ে ভরাডুবি ডেকে আনে। সেবারও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া বর্তমান সরকার কিছু অপ্রয়োজনীয় বিষয়েও বাড়াবাড়ি করে ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বলে মনে করেন দলীয় নেতারা। এর মধ্যে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে টানাহেঁচড়া, ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুই ভাগে বিভক্ত করা এবং জনমতের বিপক্ষে গিয়ে আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর স্থাপনের উদ্যোগ অন্যতম। ড. ইউনূসের কারণে সরকার সম্পর্কে বহির্বিশ্বে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন অনেক নেতা।
এ ছাড়া হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে কঠোর সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মহাজোটের শরিক দলের নেতা রাশেদ খান মেননসহ আরও কয়েকজন। এর আগে শেয়ারবাজার নিয়েও সংসদে উত্তপ্ত আলোচনা হয় বেশ কয়েকবার।
আজ শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেও পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিয়ে সর্বশেষ অবস্থা, হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও সর্বশেষ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ প্রসঙ্গ আলোচনায় আসতে পারে বলে কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা জানিয়েছেন।
জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র এক বছর বাকি। এই অবস্থায় কিছু ব্যক্তির দুর্নাম কিংবা সরকারের নেওয়া ভুল কৌশল আগামী নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। বিশেষ করে দুর্নীতির যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলোর কারণে জনগণ আওয়ামী লীগকে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের কাতারে নামিয়ে আনে কি না, সেই শঙ্কাও কাজ করছে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে।
জেলা পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শুরুটা হয়েছিল বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সারা দেশে ছাত্রলীগের সহিংস সংঘাত দিয়ে। ছাত্রলীগের সংঘাত কিংবা অন্যদের দখল-টেন্ডারবাজি বন্ধ করতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে টেন্ডারবাজি আর দখলবাজি ছাড়িয়ে গেছে দুর্নীতি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায়। তাঁদের মতে, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং রেলের তদন্ত কমিটি যতই বলুক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মধ্যরাতের অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত নন, মানুষ তা বিশ্বাস করেনি।
জ্যেষ্ঠ একজন মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এখন পর্যন্ত সরকার কিছু উন্নয়নমূলক কর্মসূচি পালন করেছে, সেগুলো প্রশংসিত হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতির গতিও কিছুটা আশাব্যঞ্জক। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে সরকার প্রশংসা পেয়েছে। কৃষি ও শিক্ষা খাতে এবং জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য আছে। কিন্তু সরকারের ভেতরের বা ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তির দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারি সেসব সাফল্যে কালিমা এঁকে দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে এই বিষয়গুলোই বড় হয়ে দেখা দিতে পারে।
যোগাযোগ করা হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন প্রথম আলোকে বলেন, এটা ঠিক, সামান্য জিনিস বড় অর্জনকে আড়াল করে দেয়। ব্যক্তির বিষয় সব সরকারের আমলেই থাকে। তবে হলমার্কের বিষয়ে কিন্তু সরকার ত্বরিত ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বিষয়টি সমালোচিত। তবে দুদক তো বলছে, তিনি নির্দোষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ ও হলমার্ক কেলেঙ্কারির কারণে মানুষ বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের সঙ্গে আওয়ামী লীগকে তুলনা করা শুরু করেছে। যে দুর্নীতির জন্য মানুষ বিএনপি-জামায়াতকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে, সেই দুর্নীতির তকমা বর্তমান সরকারের গায়ে পড়লে ভোটে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে।
দুজন মন্ত্রী মনে করেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরপরই সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। দুই দিন আগে বা পরে হলেও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানকেও হয়তো পদ ছাড়তে হবে। তবে এরই মধ্যে ব্যক্তি মসিউর ও দল সম্পর্কে খারাপ বার্তা গেছে মানুষের কাছে। এ ছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনও সরকারের জন্য বিব্রতকর ছিল। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই মাস এবং বুয়েটে দীর্ঘদিন ছাত্র-শিক্ষকদের আন্দোলনের পর সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।
আওয়ামী লীগের একাধিক সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারিতেও প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার নাম এসেছে। এখন তাঁকে পদে রাখা এবং বের করে দেওয়া—দুটিই বিব্রতকর। এ ছাড়া সুশাসনের অভাব, প্রশাসনে দলীয়করণ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীর অযোগ্যতা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ লোকমুখে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

SL

SL

২০১২.০৯.১৫ ০২:৩৩
Can you compare scandal of last Khaleda administration and present Hasina administration.

raheb

raheb

২০১২.০৯.১৫ ০২:৪৬
ঠেলার নাম বাবজী........
বর্তমান সকারের অবস্থা বি এন পি সরকারের চাইতেও খারাপ হয়েগেছে, এতে আর কোন সন্দেহ নাই /
শেয়ার মার্কেট লুটের জবাব দেয়ার জন্য আমরা নির্বাচনের অপেক্ষাতে আছি .............. /

tushar

tushar

২০১২.০৯.১৫ ০২:৫৮
আমার মনে হয়, আমাদের দেশে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যোগ্য মানুষ নাই। তাই বার বার আমরা যে দলের উপরে আশা করি, তারাই আমাদের ডুবিয়ে যায়, নিজেরা তো ডুবেই। আগামী নির্বাচনের ফল গরানুগতিক হবে। তবে হ্যাঁ, নতুন প্রজন্ম যদি কোন উদ্যোগ নেয়, তা হলে হয়ত অন্য কিছু হলেও হতে পারে।

tushar

tushar

২০১২.০৯.১৫ ০৩:০৬
মহাজোট সরকার গত সাড়ে তিন বছরের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুত্ সমস্যা, হত্যা-গুমসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, যানজট, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের দখল নিতে ছাত্রলীগের তান্ডবসহ চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি-ভর্তি বাণিজ্য, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, ঢাকাকে দু’ভাগ, কুইক রেন্টালের নামে ২০ হাজার কোটি টাকার লুটপাট, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অচলাবস্থা, বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী, জাতীয় সংসদ ও বিচার বিভাগের মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, এপিএসের অর্থ কেলেঙ্কারির রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পদত্যাগ, পদ্মা সেতু নিয়ে মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও সব শেষে সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট এবং এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বেফাঁস মন্তব্যে ইত্যাদি অন্যতম।

Kabeer Hossain

Kabeer Hossain

২০১২.০৯.১৫ ০৩:২৫
I think this report reflect the accurate attitude of the mass people truly. Present govt. is fully isolated from the mass people who are the all in all of the state power.

Selina Sultana

Selina Sultana

২০১২.০৯.১৫ ০৪:৩১
হাসিনা খালেদার মতো Leader দের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা আমাদেরই ভুল ।

zahid

zahid

২০১২.০৯.১৫ ০৬:০৫
BOTH WOMEN SHOULD TAKE REST AND WE WANT NEW YOUNG LEADER TO PROTECT CORRUPTION.

M. Shawkat Ali

M. Shawkat Ali

২০১২.০৯.১৫ ০৭:৩৩
হায়! কত বড় আশার কত বিশাল সমাধি!

Russell

Russell

২০১২.০৯.১৫ ০৭:৩৫
লিমন এবং সরকারের ১০-১২ জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টার ব্যর্থতা এখানে মূল্যায়ন করা হয়নি।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৯.১৫ ০৭:৩৫
কোন সরকারের সাফল্যের চেয়ে যদি ব্যর্থতা আর ভুলের পাল্লা ভারী হয়, তখন আমজনতা সাফল্যের বিষয়টা একেবারেই বুঝতে চায় না, তারা ব্যর্থতা আর ভুলের দিকেই বেশী গুরুত্ব দিয়ে দেখে। এ সরকারের ব্যর্থতা আর ভুলের পাল্লা সংখ্যা ও মান বিচারে এতই ভারী যে, তাতে অতীতের সকল সরকারের ব্যর্থতা আর ভুল একেবারে আড়াল করে দিয়েছে।
২০১২.০৯.১৫ ০৭:৩৮
আমারতো মনে হয় গত টার্মে বি এন পির স্বেচ্ছচারিতা এবং জনগনের সাথে প্রতারনার মাশুল হিসেবে নাজিল হওয়া এই অপদার্থ সরকারের ভুল এমন পর্যায়ে গেছে এবং আরো যাবে - যেখান থেকে মাথা উচু করে দাড়াবার মত আর কোন ক্ষমতাই এ রাষ্ট্রের থাকবে না। এটি সুমালিয়ার মত একটা প্রতিবন্ধী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে ।

Shumon

Shumon

২০১২.০৯.১৫ ০৮:২০
BAL & BNP are the head & tail of the same coin....no difference....

Prof.Eheshamul Haque

Prof.Eheshamul Haque

২০১২.০৯.১৫ ০৯:১৪
Awami League, must pay for its illegal role .

Akas

Akas

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৩২
আমরা সাধারন জনগণ মনে করি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, আমলা, উপদেষ্টা আর দলের লোকদের দুধে ধোওয়া তুলসী পাতা সার্টিফিকেট প্রদান করতেই দুদক বেশি ব্যস্ত এবং এটাই তাদের প্রধান কর্তব্য।

Rabbani Chowdhury

Rabbani Chowdhury

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৩৯
হয় তো শুরু হতে চলেছে এবার পাকাপোক্ত ভাবে একের পর এক কেলেঙ্কারিতে পড়ে সরকার বেকায়দা অবস্থানে।

Md.Ali Ashraf

Md.Ali Ashraf

২০১২.০৯.১৫ ০৯:৪৯
কথায় আছে দা’য়ের চেয়ে যদি দা’য়ের গুড়ালিটা বেশি ভারি হযে যায় সেই দা দিযে কাজ করা যায়না। বর্তমান সরকারের অবস্থা তাই হয়েছে।
২০১২.০৯.১৫ ১০:১৪
how do they (Hasina & Khaled) become politician?
২০১২.০৯.১৫ ১০:৪৮
শেয়ার বাজার লুটপাট, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ ও হলমার্ক কেলেঙ্কারীর পর এ সরকারকে বিগত জোট সরকারের সাথে কোনভাবেই তুলনা করা চলে না । জোট সরকারকে ছাড়িয়ে এই সরকার আরো অনেক বেশী অপকরম করে বসে আছে ।

SR Taufiq

SR Taufiq

২০১২.০৯.১৫ ১০:৫৯
কেউ কি কেলেংকারীর লিসট এখানে লিখবেন? শেয়ার বাজার দিয়ে শুরু কইরেন আর শেষ কইরেন হল-মারক দিয়ে.....

Shaheen_Raozan_Chittagong

Shaheen_Raozan_Chittagong

২০১২.০৯.১৫ ১১:১০
Can u please help me to get this answer!!!!
If 60yers old man declared as nonqualified for any post then how 70years old man become minister or else?

A.W.Haq

A.W.Haq

২০১২.০৯.১৫ ১১:২০
মহাজোট এখন মহা দুর্নীতিবাজদের দখলে। মহাজোট মহান কিছুই করে নাই বিগত চার বছরে আর তাই গামী নির্বাচনে এদেরকে ভোট দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না ।

A.W.Haq

A.W.Haq

২০১২.০৯.১৫ ১১:২৩
মহাজোট এখন মহা দুর্নীতিবাজদের দখলে।

AftabAlamgir

AftabAlamgir

২০১২.০৯.১৫ ১১:৪৫
অর্থনীতি কিন্তু সচল রয়েছে। মাত্র ৬/৭ বছর আগে একজন মা তাঁর তিন বাচ্চাকে শুধু ডাল দিয়ে ভাত খাইয়ে টিকিয়ে রাথতে দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁরা উচ্চ মধ্যবিত্তের শ্রেণীতে ছিলেন। শুধু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার হ্রাসের কারণেই তাঁদের এই অবস্থা হয়েছিল।

Paayel

Paayel

২০১২.০৯.১৫ ১২:০৪
I think this report reflect the accurate attitude of the mass people truly. we were blind AL supporter. but now this time we will ready to defeat AL by vote only for share bazar scandal. 80% people lost everything..........I think mass people agree with me. please everybody comment this..we r waiting. for election. All of energy & capacity will use to defeat the AL.

Belal

Belal

২০১২.০৯.১৫ ১২:৪২
বিএনপির আমলে কারো বিরোদ্ধে সরাসরি অভিযোগ উঠেনি। কোনো মন্ত্রীর পিএস এপিএসের গাড়তে টাকা পাওয়াতো পরের কথা। মোশারফ হোসেনের বিরোদ্ধে অভিযোগ উঠার সাথে সাথে পদত্যাগ করেছিলো। বানিজ্য মন্ত্রী জিনিসের দাম কমাতে পারতেছেনা বলে তাকেও পদত্যাগ করতে হয়েছিলো। স্বরাষ্ট মন্ত্রীকে দফতর বদল করেছিলো। তাহলে আওয়ামিলীগ সরকার আর বিএনপি সরকার এক হলো কিভাবে ???? যদিও বিএনপির অনেক ভুল ছিল তবুও আমি মনে করি সেটা অনেকটা গণতন্ত্রি সরকার ছিল। বিরোধী দলকে সংসদে নিতে জমির উদ্দিন সরকার অনেক বার সংলাপ করেছিলেন। কিন্তু এখন এটা কল্পনা করা যায় ?

Asif

Asif

২০১২.০৯.১৫ ১৩:৫৩
সরকারের অর্জনের তুলনায় ব্যার্থতার পাল্লাই অনেক ভারী। আমিও সবার মত দিন বদলের আশায় আছি।

Meer abul Hasan Al Murad

Meer abul Hasan Al Murad

২০১২.০৯.১৫ ১৩:৫৮
After 04 (approx.) years of this govt., public perception concluding that BNP Govt. is better than Awami Govt. in all respect except control over Islamic Extremism

২০১২.০৯.১৫ ১৪:৫১
সম্প্রতি ৭ মন্ত্রীর নিয়োগ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে মিডিয়ার সামনে যতটা বেপরোয়া এবং কোণঠাসা মনে হয়েছে অতীতে কখনই তা মনে হয়নি।

bulbul

bulbul

২০১২.০৯.১৫ ১৫:৩০
Are we all forgetting what happend to Pilkahna? We want investigation and I am sure the big fish in the govt are involved.

M Z ISLAM

M Z ISLAM

২০১২.০৯.১৫ ১৫:৩৬
একের পর এক কেলেঙ্কারি নিয়ে এমনিতে বেকায়দায় আছে বর্তমান মহাজোট সরকার। আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূস বলেন, সরকারের চোরদের চুরি করার দক্ষতা আছে। চুরি বিদ্যা বড় বিদ্যা তবে লুকানোর দক্ষতা নেই, তাই ধরা পড়ে গেছে। চুরি যেই করুন দায়িত্ব সরকারের। কারণ, জনগনের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের।কিন্তু সরকারের ভেতরের বা ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তির দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারি সেসব সাফল্যে কালিমা এঁকে দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে এই বিষয়গুলোই বড় হয়ে দেখা দিতে পারে।বিষয়টি এখন সরকার ও দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে।

Maniur Rahman

Maniur Rahman

২০১২.০৯.১৫ ১৫:৪০
শুধু মাত্র সমালোচনা বন্ধ করার জন্য একের পর এক দল বা জোটের নেতাদের মন্ত্রী বানিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা না করে যে কারনে তারা সমালোচনা করছেন- সেই সন্ত্রাস, শেয়ারবাজারে কারসাজি, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি, রেলের অর্থ কেলেঙ্কারি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, তাদের চাঁদাবাজী, দলীয়করন, খুন-গুম এই সব অনিয়ম বন্ধের ব্যবস্থা করাই ছিল সরকারের প্রধান কাজ। কিন্তু এসব কোনো বিষয়েই সরকার সময়মতো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তামান সরকারের ব্যর্থতা বিগত সরকারের দুর্নীতি ও ব্যর্থতাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তারপরও বাকি সময়টাকে সঠিক ভাবে কাজে লাগালে হয়তো মানুষের আস্তা পিরে আসতে পারে।এখনই সরকারের সজাগ হওয়া উচিত।
২০১২.০৯.১৫ ১৬:৫৭
I think new leader is essential in our country as like "Mahatir Mohammad"
May Allah save our country.

mahamud

mahamud

২০১২.০৯.১৫ ১৮:২৩
Aftab Alamgir@ অর্থনীতি কিন্তু সচল রয়েছে। মাত্র ৬/৭ বছর আগে একজন মা তাঁর তিন বাচ্চাকে শুধু ডাল দিয়ে ভাত খাইয়ে টিকিয়ে রাথতে দেখেছিলাম,@ভাই আমি কিছু দিন আগে দেখলাম এক লোক তার বাচ্চাদের খাবার দিতে না পেরে সেতুর উপর থেকে তার দুই বাচ্চাকে নদীতে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলে। এই সরকারের সাফল্য ৪৫ টাকা ডিমের হালি।

md manir hossain khan

md manir hossain khan

২০১২.০৯.১৫ ২৩:০০
Aftab Alamgir@ অর্থনীতি কিন্তু সচল রয়েছে।