দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে হতে বাধা নেই

মিজানুর রহমান খান | তারিখ: ১৮-০৯-২০১২

  • ৪০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

অস্বচ্ছতা, অস্পষ্টতা এমনকি স্ববিরোধিতা সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, আগামী দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন হতে পারে। আদালত আক্ষরিক অর্থে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করেননি। আবার সংসদ সিদ্ধান্ত নিলে তাঁরা বাধাও তৈরি করেননি। বরং বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য এড়াতে দুই মেয়াদে নির্বাচন করার পথ সুগম করেছেন।
সার্বিক বিচারে সাতজন বিচারপতির একটি অভিন্ন অবস্থান হিসেবে দাবি করা চলে যে, তাঁরা প্রত্যেকে যেন অন্তত এটুকু একমত হয়েছেন, জাতীয় সংসদ চাইলে আগামী দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাঁদের কোনো আপত্তি থাকবে না।
তবে বিচারপতি খায়রুল হকের মূল আদেশে দুই মেয়াদের বিষয়টি নেই বলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গত রোববার যে মত দিয়েছেন, তা তথ্যভিত্তিক নয়। ২০১১ সালের ১০ মে ঘোষিত সংক্ষিপ্ত আদেশে একটি শর্তে আগামী দুটি সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে বলে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকেরা মত দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই সংক্ষিপ্ত আদেশে পূর্ণাঙ্গ রায়দানকারী সাত বিচারকের মধ্যে কতজন মিলে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং কতজন মিলে সংখ্যালঘু ছিলেন, তা প্রকাশ করা হয়নি। এবার প্রথম জানা গেল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী মনে করেন বিচারপতি খায়রুল হক এবং আপিল বিভাগের তিন বিচারপতি।
অন্যদিকে সংখ্যালঘুর রায়দানকারী তিন বিচারপতির মধ্যে দুজন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে সংবিধানসম্মত মনে করেন। অন্যজন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ ও সংবিধানসম্মত বলে মনে করলেও সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাঁর কথায় কার্যত সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ব্যক্তিগতভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন। তাঁর যুক্তি, ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তৎকালীন ত্রয়োদশ সংশোধনীর অধীনে তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি। আর সে কারণেই বিদ্যমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়েছে। আর এ বিষয়ে জাতীয় সংসদই উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে পারে। বিচারপতি মো. ইমান আলীর ওই অভিমতের প্রথম অংশের সঙ্গে সংখ্যালঘু রায়ের মূল লেখক বিচারপতি মো. ওয়াহাব মিঞা একমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিচারপতি ইমান আলী তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে যথার্থই সংবিধানসম্মত বলেছেন। কিন্তু এ ব্যবস্থা শুধু একজন রাষ্ট্রপতির কারণে অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে যে মত তিনি রেখেছেন, তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি।’
উল্লেখ্য, মূল রায়ের লেখক বিচারপতি খায়রুল হকের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেও আলাদা রায় লিখেছেন বিচারপতি এস কে সিনহা। প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন শুধু একবাক্যে বিচারপতি খায়রুল হকের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে বিচারপতি ওয়াহাব মিঞার রায়ের সঙ্গে একবাক্যে একাত্ম হয়েছেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
তিন শর্ত: তবে এখন দেখা যাচ্ছে, মূল রায়দানকারী বিচারপতি খায়রুল হক তিন শর্তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দুই মেয়াদে নির্বাচনের কথা বলেছেন। শর্তগুলো হলো: ১. জাতীয় সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের বাদ দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়ন করতে পারে, কারণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে তাঁদের সম্পৃক্ত করা বাঞ্ছনীয় নয়। ২. তত্ত্বাবধায়ক সরকার শুধু জনগণের নির্বাচিত সাংসদদের দ্বারা গঠিত হতে পারে। কারণ, জনগণের সার্বভৌমত্ব ও ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্র, প্রজাতান্ত্রিকতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো এবং এই রায়ে ওই বিষয়গুলোর ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে; ৩. ওপরে বর্ণিত নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও বহাল থাকবে।
২০১১ সালে সংক্ষিপ্ত আদেশে শুধু প্রথম শর্তটি ছিল। এবার দুটি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। ‘নির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের’ শর্তটি যুক্ত করায় বিচারপতি ওয়াহাব মিঞা উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এই শর্তটি সংক্ষিপ্ত আদেশের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।’ অনেক আইনবিদ মনে করেন, পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ রকম মৌলিক পরিবর্তন নজিরবিহীন। এটা গুরুতর বিচারিক বিচ্যুতি। এ ধরনের বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রিভিউ হতে পারে।
দুই আদেশের পার্থক্য: অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গত রোববার রাতে সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের বলেন, বিচারপতি খায়রুল হকের লেখা পূর্ণাঙ্গ রায়ের চূড়ান্ত আদেশ অংশে দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধানের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন, গত বছরের মে মাসে সংক্ষিপ্ত আদেশ প্রচারিত হওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেলসহ আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনবিদ ও আইনজীবীরা অবিটার ডিক্টা বা পর্যবেক্ষণ নামে একটি শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। তাঁরা আরও দেখিয়েছিলেন, দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার ক্ষেত্রে ‘শ্যাল’ নয় ‘মে’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এটা বাধ্যকর নয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল এখন বলছেন যে, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইতিমধ্যে বাতিল হয়ে গেছে। তাই এ বিষয়টি একাডেমিক অর্থাৎ কার্যকারিতা হারিয়েছে।’ তাঁর এই বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ের এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা আগামী দুই মেয়াদে বৈধ হিসেবে গণ্য হবে।
ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে যে, ‘পর্যবেক্ষণ বা অবিটার ডিক্টা যখন সর্বোচ্চ আদালত থেকে আসবে তখন তাকে সুউচ্চ মর্যাদা দিতে হবে।’ এ ক্ষেত্রে এটা মেনে চলা বাধ্যকর বলে মনে করা হবে। যদি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ হয়, তখন তা মানা বা না মানা ঐচ্ছিক। আলোচ্য ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ রায়ে তিন শর্তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে বিধান রাখা হয়েছে, তাকে বাধ্যকর হিসেবে বিবেচনা করাটাই হবে সমীচীন ও প্রত্যাশিত। অ্যাটর্নি জেনারেল যেভাবে একতরফা বাধ্যকর নয় বলে মত দিচ্ছেন, তাতে কার্যত আংশিক সত্যের প্রতিফলন ঘটছে।
সংসদ ভেঙে দেওয়া: সংসদ ভেঙে না দিয়ে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই থেকে বিরোধী দল সংসদ ভেঙে দেওয়ার পক্ষেই মত দিচ্ছে। বিচারপতি খায়রুল হক তাঁর ১৬ দফা আদেশের ১২ দফায় উল্লেখ করেছেন, ‘সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে, জাতীয় সংসদের বিবেচনা (ডিস্ক্রিশন) অনুসারে যুক্তিসংগতকাল পূর্বে যথা, ৪২ দিন পূর্বে, সংসদ ভেঙে দেওয়া বাঞ্ছনীয় হবে। তবে, নির্বাচন-পরবর্তী নতুন মন্ত্রিসভা কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত পূর্ববর্তী মন্ত্রিসভা সংক্ষিপ্ত আকার গ্রহণ করত উক্ত সময়ের জন্য রাষ্ট্রের স্বাভাবিক ও সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’
অনেকে বলছেন, এই বিধান যুক্ত করার ফলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা সম্ভব হয়েছে। প্রতীয়মান হবে যে, প্রধানমন্ত্রী যেখানে সংসদ রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন, বিচারপতি খায়রুল হক সেখানে তাঁর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ৪২ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে বলেছেন। এটা অবশ্য একটা কথার কথা। শুধু উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
আদেশে আছে কি নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রোববার সাত বিচারপতির সই করার পরপরই সুপ্রিম কোর্টে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, মূল আদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কথা বলা নেই। অথচ তাঁর এই ব্যাখ্যা যথাযথ নয়। কারণ, বিচারপতি খায়রুল হক তাঁর ৪৫ দফায় আদেশ শিরোনামে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ‘ইহা ছাড়াও উপরে ৪৪ দফায় বর্ণিত নির্দেশাবলী প্রদান করা হইল।’ আর ৪৪ দফার ১৩ দফায় বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ সংশোধনী অসাংবিধানিক ও অবৈধ হলেও জাতীয় সংসদের বিবেচনা ও সিদ্ধান্ত অনুসারে উপরে বর্ণিত নির্দেশাবলী সাপেক্ষে দশম ও একাদশ সাধারণ নির্বাচনকালীন প্রয়োজনমতো নতুনভাবে ও আঙ্গিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।’ সুতরাং স্পষ্টতই এ বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান রয়েছে। অপর তিন বিচারপতিও ওই ১৩ দফার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন।
এখানে ‘উপরে বর্ণিত নির্দেশাবলী’ হিসেবে বিচারপতি খায়রুল লিখেছেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ অ্যামিকাস কিউরিগণ কোনো না কোনো আকারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বজায় রাখিবার পক্ষে মত প্রকাশ করিয়াছেন। তাঁহাদের আশঙ্কা, নির্বাচনকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে দেশে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হইতে পারে। তাঁহারা সকলেই দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তাঁহাদের আশঙ্কা, আমরা একেবারে অবহেলা করিতে পারি না। তবুও এইরূপ আশঙ্কার কারণে সহস্র বৎসরের পুরাতন Latin Maxim, যেমন, Id Quod Alias Non Est Licitum, Necessitas Licitum Facit (That which otherwise is not lawful, necessity makes lawful), এর অর্থ হলো যা বৈধ নয় প্রয়োজন তাকে বৈধতা দেয়। Salus Populi Est Suprema Lex (Safety of the people is the supreme law) এর অর্থ জননিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন এবং Salus Republicae Est Suprema Lex (Safety of the State is the Supreme law) এর অর্থ রাষ্ট্রনিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন, ইহার সহায়তা লইতে হইল।
উপরোক্ত নীতিসমূহের আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সাময়িকভাবে শুধুমাত্র পরবর্তী দুই সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে থাকিবে কি না, সে সম্বন্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র জনগণের প্রতিনিধি জাতীয় সংসদ লইতে পারে।
উক্ত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলেই নিজ নিজ কর্তব্য সঠিকরূপে পালন করিতে সম্পূর্ণ সজাগ ও পরিপূর্ণ দায়িত্বশীল হইবেন বলিয়া আশা করা যায়।
এইরূপ অসাধারণ পরিস্থিতির কারণে উপরোক্ত সহস্র বৎসরের পুরাতন ল্যাতিন প্রবাদ প্রয়োগ করত তর্কিত সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, অবৈধ হওয়া সত্ত্বেও আগামী দশম ও একাদশ সর্বোচ্চ এই দুটি সাধারণ নির্বাচন জাতীয় সংসদের বিবেচনা অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অধীনে হইতে পারে।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Towhidur Rahman

Towhidur Rahman

২০১২.০৯.১৮ ০২:১৯
ণুর হোসেন তোমার সাথে আমার খুব একটা পাথক্য নেই, তুমি মাটির গভিরে আমি মাটির উপরে উভায় লাশ, তবে তুমি ভিশন ভাগ্যবান কেন না তোমাকে দেকতে হচ্ছে না গনতন্ত্র বানে বাংকের টাকা লুটপাট মুক্তিযুদ্ধ মানে মরুবাংলাদেশে ফালানির লাশ, রাজনীতি মানে গুম হয়ে যাওয়া, রায় মানে রায়বাহাদুরে ব্যাক্তিগত মতামত. তবু বল্লব দেশের এখন তোমার মত বোকা লোকের ভিষন প্রয়োজন.

MAZEED

MAZEED

২০১২.০৯.১৮ ০২:৪৮
Stop confusing people Mr. Mizanur Rahman. You guys always misinterpret and make confusion. Stop this kind of yellow journalism immediately . Don't always give your own opinion and favour party like Jamat.

সিরাজ

সিরাজ

২০১২.০৯.১৮ ০৫:৫৯
যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হবার স্বপ্ন দেখতেন, এ খবর পড়ে তারা হতভম্ব হয়ে যাবে।
২০১২.০৯.১৮ ০৬:২৪
আর কোন নির্বাচনেরই প্রয়োজন নেই । ভারতের একটা অংগরাজ্যের ১৬ ভাগের একভাগ আয়তনের একটা ছোট্ট দেশে আহারে --কী পরিমান নেতার বাহার । নেতায় নেতায় দেশটা একেবারে কানায় কানায় ভরে গেছে । অতএব মোদ্দা কথা হল আমাদের জন্য এত নেতার কোন দরকার নেই । এই দেশে ১০ জন উপদেষ্টার দ্বারা চালিত একজন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারই যথেষ্ট। এই ব্যবস্থা আগামী ৫০ বছরের জন্য চলবে । এরকম একটা ব্যবস্থাই এদেশের জনগন চায় । প্রয়োজনে গণভোট নিয়ে প্রমাণ করে দেখুন ।

Maniur Rahman

Maniur Rahman

২০১২.০৯.১৮ ০৬:৩৩
দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করিতে হইলে এবং আগামী নির্বাচন সকলের নিকট গ্রহন যোগ্য করিতে হইলে অবশ্যই তা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হইতে হইবে। প্রয়োজনে আবারও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। কিন্তু আগামী সংসদ নির্বাচন কিছুতেই বর্তমান সরকারের অধীনে হতে পারেনা। কারন এই রায়ে প্রথমে বলা হয়েছিল যে, আগামী দুইটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে।অথচ চুড়ান্ত রায়ে সেই কথাটিকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। হাইকোটের রায়কেও তারা পরিবর্তন করে ফেলেছে। তারা যে জনগনের ভোটের রায়কে পরিবর্তন করবেনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? কথা দিয়ে কথা না রাখার এক জলন্ত উদাহরন এই বর্তমান সরকার।

mizanul hasan

mizanul hasan

২০১২.০৯.১৮ ০৭:৪৭
The judgement regarding care taker govt now is clear,we the people waiting to see how the judgement is being h'nored by the govt party nd others.

Mohammad Parvez

Mohammad Parvez

২০১২.০৯.১৮ ০৮:০৯
Politician Can Change Our Country.

Romel

Romel

২০১২.০৯.১৮ ০৮:১৩
বাংলাদেশের ইতিহাসে জাস্টিস সাহাবুদ্দিনের নাম যেমন সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে, ঠিক তেমন করে জাস্টিস খায়রুল হকের নামও লেখা থাকবে, তবে কয়লা দিয়ে, শুধু কয়লা নয়, অনাগত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা ও হানাহানির শিকার হয়ে নিহত অগণিত বাংলাদেশীর রক্তও থাকবে তার প্রতিটি আখ্যানে। এই নুপংসক আদালতের সমালোচনা করলে যদি অবমাননার মামলা হয়, দেশদ্রোহের মামলা হয়, তবুও পরোয়া করি না, মরলে মরবো, কিন্তু কোদালকে কোদালই বলবো, ফুলের আঘাত বলবো না।

Farhan

Farhan

২০১২.০৯.১৮ ০৮:২০
লেখাটি পড়ে যা বুঝলাম তা হল, এখন আর পরবর্তী দুটি সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত করতে কোন অসুবিধা নেই। বিচারপতিরা তাঁদের অবস্থান পরিস্কারভাবে তুলে ধরেছেন। এটর্নি জেনারেল সাহেব হাতির "কান" দেখিয়ে "কুলো" বুঝানোর অপচেষ্টা করছেন। দেশকে সম্ভাব্য সংঘাত থেকে মুক্ত রাখতে এটর্নি জেনারেল সাহেবের এসব অপব্যাখ্যা করার পথ পরিহার করা উচিত। দেশের সাধারণ জনগণও পরবর্তী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়া দেখতে চায়। সতরাং অযথা পানি ঘোলা করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনার মতো বড় ভুল করা সরকারের উচিত হবে না। ধন্যবাদ মিজানুর রহমান খান, এই সুন্দর ব্যাখ্যার জন্য।

Romel

Romel

২০১২.০৯.১৮ ০৮:২২
কি জঘন্য হীন মানসিকতা। আপনাদের বিচার বিভাগের যে আত্ম মর্যাদা দেখা যাচ্ছে, তাতে বলতে চাই, আগের বিধান রাখতে গেলে যদি বিচার বিভাগ উচ্ছন্নে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু তার বদলে শুধু সামনের পাঁচ বছর নয়, তার পরের পাঁচ, তার পরের, তারও পরের অর্থাৎ সবসময়ের জন্য এই দেশে রাজনৈতিক হানাহানি থেমে স্থিতিশীলতা থাকবে, তাহলে বরং আপনাদের উচ্ছন্নে যাওয়াই ভালো। দেশ আগে না আপনাদের প্রতিষ্ঠান আগে ?

SHAMSUL HUDA

SHAMSUL HUDA

২০১২.০৯.১৮ ০৮:৪২
Yes people also want that.

Sohel

Sohel

২০১২.০৯.১৮ ০৮:৫১
দুটি নির্বাচন না সব নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে হউক আমরা চাই কারন আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি কাহারো অধীনে নির্বাচন হলে সুষ্ট নির্বাচন হবে না।

হেলাল

হেলাল

২০১২.০৯.১৮ ০৮:৫৯
কিন্তু কথা হলো সরকার কি তা মানবেন?

mintu_marsh

mintu_marsh

২০১২.০৯.১৮ ০৯:১০
আমি ত্তবাধায়ক সরকার চাই ?

২০১২.০৯.১৮ ০৯:২৬
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন কি আ। লীগ মানবে। যদি এখন বিরোধী দলের যে অবস্থাা

২০১২.০৯.১৮ ০৯:৩১
সরকারের আগাগোড়া এভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ায় জনগণের মন বিষিয়ে উঠেছে। ক্ষমতা হস্তান্তরের গণতান্ত্রিক পথ ও জনগণের ভোটের অধিকার না থাকলে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কেউই নিরাপদ নয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা রোধে ও জনগণের জন্য শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহালের দাবি করচি ।

২০১২.০৯.১৮ ০৯:৩৭
দেশের সাধারণ জনগণও পরবর্তী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়া দেখতে চায়। GONO VOTE DEWA HOK .আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করতে চেয়েছিল। এজন্য আদালতের একটি রায় তাদের দরকার। আদালতের রায়ের পরপরই সংবিধান সংশোধন করে নিয়েছে। এখন প্রকাশিত রায়ের বিন্দুমাত্র গুরুত্ব নেই। একেবারেই গুরুত্বহীন এই রায়।

২০১২.০৯.১৮ ০৯:৫৭
100% Agree with Mr. Romel . Thanks for justifide comment.

Ahsan Al

Ahsan Al

২০১২.০৯.১৮ ১০:০৩
২০০৪ সালে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে সংবিধানসম্মত বলে রায় দিয়েছিল। এরপর সুপ্রিম কোর্টে বিভাজন রায়। তার মানে বিচারপতি বদল হলে রায় ও বদলে যেতে পারে। বিচারপতিদের নিয়োগ আমল, তাদের চিন্তাধারা এবং রাজনৈতিক মামলার রায় - এই ৩ টার মধ্যে সব সময়ই আমরা কিছু মিল খুজে পাই। তাই বিচার বিভাগ নয়, অগ্রাধিকার দিতে হবে জনগনের মঙ্গল কে।

sayed Ahmed

sayed Ahmed

২০১২.০৯.১৮ ১০:০৬
Whatever the judgement, it is not impossible to hold a free and fair election under the Political govt,

Officers involve in the electrol process will rig the election (assume that govt are honest ) not for the govt only for their own interest because they are the benificiary of the current Govt.

So in the present circumstances of BD no caretaker no free and fair election.
২০১২.০৯.১৮ ১০:০৯
আমাদের সংবিধানে বলা আছে জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস, এ দেশের নির্বাচনকালিন সরকার ব্যবস্থা কি হবে তা এ দেশের জনগণের বিষয় অথ্যাৎ সংসদের বিষয় । কিন্ত এখন দেখছি আদালতই সকল ক্ষমতার উৎস। চারজন বিচারপতি মিলে ১৬ কোটি জনতার ক্ষমতা ব্যবহার করলেন। আগামীতে অন্য একটি আদালত যদি বলে “এদেশে কোন সংবাদপত্র থাকবে না, সরকার ব্যবস্থা হতে হবে রাষ্ট্রপতি শাসিত বা প্রধান বিচারপতি (প্রধানমন্ত্রি নয়) শাসিত, আদালত যেহেতু সংবিধানের রক্ষক সেহেতু আদালতই সকল ক্ষমতার উৎস বা প্রধানমন্ত্রিকে প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে দেশ চালাতে হবে” তাহলে কি জনতাকে তাই মেনে নিতে হবে? আমি এই কথাগুলো এই কারণে বলছি, জনগণের ইচ্ছায় তাদের সরকার ব্যবস্থা চলে, এদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে প্রধানমন্ত্রি শাসিত সরকার ব্যবস্থা এদেশের জনগণের দাবীর কারণে হয়েছিল, ঠিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও এদেশের জনতার দাবী, তাতে যদি আদালত হাত দেয় তাহলে জনতার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে আদালত।

shawon

shawon

২০১২.০৯.১৮ ১০:১১
এমনিতেও তো ৫ বছরের আগে, এদেশের সরকার কোন প্রকার দুর্নীতি করলে জনগনের কিছুই করার থাকে না, তারউপর তত্তাবধায়ক বাদ দিয়ে জনগনের ভোটের অধিকারও কেড়ে নেওয়া হলো।
কারণ তত্তাবধায়ক বাদ দিয়ে দলীয় অধীনে নির্বাচন হলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হওয়ার কোন সম্ভবনাই নাই, এতে কারচুপির মাধ্যমে ভোটের ফলাফল ঘুরিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্টিত দলের অনূকুলে যাওয়ার সম্ভবনাই বেশী। আর এতে করে জনগনের নির্বাচনে অংশগ্রহন করা একটি লোক দেখানো নির্বাচনে পরিনত হবে।
এতে করে জনগনের ভোটের অধিকার যেমন খর্ব হবে, তেমনি ভাবে দুর্নীতিবাজদের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে, আর এর মাসুল জনগনকেই দিতে হবে অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে(বিশ্বের কাছে চোরের জাতিতে পরিনত হওয়া)। সুশাসনের অভাবে বর্তমানে শিক্ষা, চিকিrmৎ, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি মানুষের মৌলিক চাহিদার মূল্য একদিকে যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে অন্যদিকে মানুষের চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বানিজ্যের নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়নি, মানুষের আয় বাড়েনি, আর এসব চাহিদার যোগান দিতে সাধারণ জনগন হিমসিম খাচ্ছে, আর দুর্নীতিবাজরা বসে বসে হাসছে, ভবিষ্যতে দলীয় অধীনে নির্বাচন করে নির্বাচনের ফলাফল যদি কারচুপির মাধ্যমে ঘুরিয়ে দেয়া হয় সেখেক্ষে মানুষের মৌলিক চাহিদার মূল্য আরো প্রকট আকার ধারণ করবে।
বর্তমানে সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বিভিন্ন প্রকার লিফলেট এবং পোষ্টার লাগিয়ে জনগনকে একটা ছক দিয়েছিল যার সারমর্ম ছিল B.N.P আমলে সবজিনিসের দাম বেশী ছিল আওয়ামীলিগ ক্ষমতায় আসলে তারা খুব কমদামে জনগনকে মৌলিক চাহিদা পূরন করাবে অথচ তারা তাদের ওয়াদা রাখেনি, অথচ এই সরকারের নির্বাচনি ওয়াদা ছিল মানুষের মৌলিক চাহিদাকে নাগালের মধ্যে রাখা। এরা জনগনের সাথে প্রতারনা করেছে। বিদ্যুত, গ্যাস, ডিম, তেল, ভাড়া, চিকিৎসা মোদ্দাকথা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ইত্যাদি মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে অবস্থান রয়েছে, এসব ব্যাপার খেয়াল করলেই লেখাটার সত্যতা অনুধাবন করা যাবে।

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৯.১৮ ১০:১৪
তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন হতে বাধা নেই,আবার বাধা আছে।১০০%তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামীলীগ ২৬টা আসন পাবে।তাই,আওয়ামীলীগের জন্য বাধা।রায়ের আলোকে বাধা নেই।

Ahsan Al

Ahsan Al

২০১২.০৯.১৮ ১০:২০
বৈধ জাতীয় সংসদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য যদি সংবিধান সংশোধন করে কোন বিল পাশ করে, তা যদি ৪/৫ জন লোক (বিচারপতি ) এক বাক্যে না করে দিবার ক্ষমতা রাখে, তাহলে জনগন যাদের ভোট দিয়ে যাদের নির্বাচিত করে তারা কি গরু/গাধা ?

Moniruzzaman

Moniruzzaman

২০১২.০৯.১৮ ১০:২৭
তত্ত্বাবধায়ক, সরকার, মন্ত্রী, আমলা, র‍্যাব, রাজাকার আর স্বাধীনতা কিছুই চাইনা না, না।
আমি শুধু চাই উদোম করা গোলাঘর। সবকিছু খুলে দে মা স্বাধীনভাবে লুটেপুটে খাই!!

Rajib Hasan

Rajib Hasan

২০১২.০৯.১৮ ১০:২৯
তোরা যে যাই বলিশ ভাই, আমার সোনার হরিন চায় ।

২০১২.০৯.১৮ ১০:৩৭
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিকল্প নেই । গত তিনটি নির্বাচন যে টুকু ভাল হয়েছে তা তত্ত্বাবধায়ক সরকার এর কারণেই হয়েছে।

হেলাল

হেলাল

২০১২.০৯.১৮ ১০:৩৮
আমার তো মনে হয়না সরকার নিরপেক্ষ তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্তায় নির্বাচন দিবেন! কারন এ কথা ১০০%নির্ভেজাল সত্য যে আওয়ামীলীগ তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্তায় নির্বাচন দিলে তারা বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হবে!আর এটা পরিনত হবে তাদের জন্য আত্মহত্যারই সামিল!আর এটা হবে বিএনপির মত অগোছালো দল!নিঃশ্চয়ই আওয়ামীলীগ এই ভুলটি কোন ক্রমেই করবেনা আর তাই কুটকৌশলে পবিত্র বিচার ব্যবস্তায়ও হাত লাগাতে সরকার কার্পন্য করেনি!তাই অসহায় বিচারপতিগন তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্তায় নির্বাচন হবে না বলে রায় দিলেন!তবে একটু ব্যবস্তা রাখা হয়েছে আর সেটা হলো আরো দুইটি নির্বাচন নিরপেক্ষ তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।
আমার আরেকটি কথা খুবই আশ্চর্য লেগেছে যে কিভাবে সেনা সমর্থিত তত্তাবধায়ক সরকারকে কার্যত বৈধ্য বলে রায় দেওয়া হলো!এগুলো কিন্তু দেশে দারুন সমালোচনা হবে!!!!!!!!!

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

২০১২.০৯.১৮ ১০:৩৯
জাতীয় নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দলৈর আলোচনার মাধ্যমে সমজোতায় আসা উচিত।

সাকী রহমতুল্লাহ

সাকী রহমতুল্লাহ

২০১২.০৯.১৮ ১০:৪৩
আমাদের সংবিধানে বলা আছে জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস, এ দেশের নির্বাচনকালিন সরকার ব্যবস্থা কি হবে তা এ দেশের জনগণের বিষয় অথ্যাৎ সংসদের বিষয় । কিন্ত এখন দেখছি আদালতই সকল ক্ষমতার উৎস। চারজন বিচারপতি মিলে ১৬ কোটি জনতার ক্ষমতা ব্যবহার করলেন। আগামীতে অন্য একটি আদালত যদি বলে “এদেশে কোন সংবাদপত্র থাকবে না, সরকার ব্যবস্থা হতে হবে রাষ্ট্রপতি শাসিত বা প্রধান বিচারপতি (প্রধানমন্ত্রি নয়) শাসিত, আদালত যেহেতু সংবিধানের রক্ষক সেহেতু আদালতই সকল ক্ষমতার উৎস বা প্রধানমন্ত্রিকে প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে দেশ চালাতে হবে” তাহলে কি জনতাকে তাই মেনে নিতে হবে? আমি এই কথাগুলো এই কারণে বলছি, জনগণের ইচ্ছায় তাদের সরকার ব্যবস্থা চলে, এদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে প্রধানমন্ত্রি শাসিত সরকার ব্যবস্থা এদেশের জনগণের দাবীর কারণে হয়েছিল, ঠিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও এদেশের জনতার দাবী, তাতে যদি আদালত হাত দেয় তাহলে জনতার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে আদালত।

al amin

al amin

২০১২.০৯.১৮ ১০:৪৭
বৈধ জাতীয় সংসদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য যদি সংবিধান সংশোধন করে কোন বিল পাশ করে, তা যদি ৪/৫ জন লোক (বিচারপতি ) এক বাক্যে না করে দিবার ক্ষমতা রাখে, তাহলে জনগন যাদের ভোট দিয়ে যাদের নির্বাচিত করে তারা কি গরু/গাধা ? একমত

T Alahee

T Alahee

২০১২.০৯.১৮ ১১:১৩
ভবিষ্যতে কি হবে জানিনা, কিন্তু বর্তমানে কেয়ারটেকার সরকারের বিকলপ নাই।

Shamim Ahsan

Shamim Ahsan

২০১২.০৯.১৮ ১১:৪২
আমাদের দেশে রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ হলে সাধারনত সেনাবাহিনীর ক্ষমতায় আসে। এখন রাজনীতিবিদদের অযোগ্যতা, অসাধুতা এবং দুর্নীতির জন্য কেউ যদি বিচারপতিদেরকে দেশের ক্ষমতা গ্রহণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট/ হাইকোর্টে রিট করে, আর বিচারপতিরা দেশের মঙ্গল চিন্তা করে দেশের ক্ষমতা গ্রহণের অধ্যাদেশ জারি করে বসে, তখন কি হবে ? পুরোটাই হাস্যকর ধারনা, কিনতু যদি সত্যই ঘটে?

Md Chowdhury Murad

Md Chowdhury Murad

২০১২.০৯.১৮ ১২:০১
We should follow the judgement not for political partiese dmand if we follwo the political dmand then country will be destroy soon.

Sharif

Sharif

২০১২.০৯.১৮ ১২:৪৫
বাংলাদেশে দেশে কোন নির্বাচনের দরকার নেই । বি সি এস পাশ করে প্রধান মন্ত্রী , ও মন্ত্রী হবেন । কোন রাজনীতির দরকার নেই । রাজনীতি বড় খারাপ জিনিস ।

alamin

alamin

২০১২.০৯.১৮ ১৩:১৬
সংসদ নির্বাচন কিছুতেই বর্তমান সরকারের অধীনে হতে পারেনা। কারন এই রায়ে প্রথমে বলা হয়েছিল যে, আগামী দুইটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে।অথচ চুড়ান্ত রায়ে সেই কথাটিকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। হাইকোটের রায়কেও তারা পরিবর্তন করে ফেলেছে। তারা যে জনগনের ভোটের রায়কে পরিবর্তন করবেনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? বিচারপতি খায়রুল হককে বলব আপনি কেনো মানুষের ভাষা বুজেন না ??? বিচার কি মানুষের শান্তির জন্যে ? সংবিধান কি মানুষের শান্তির জন্যে ? যদি হয়ে থাকে তাহলে আপনের রায়ে দেশে জে হানা হানী হবে তার দায় কার?? কেনো নুরহোসেন সেদিন জীবন দিলো ? কেনো আমরা ১৯৭১ এ যুদ্দ করলাম সুধু শান্তির জন্যেই কারো পরাধীন থাকার জন্যে নয়

Habib

Habib

২০১২.০৯.১৮ ১৩:৩১
বিসয় িট পিরস্কার - বাংলােদেেশর ইতিহাস বলে ৫ বছর িব. এন. িপ আবার ৫ বছর আওয়ািমলিগ কােজই পরবতী ৫ বছর িব. এন. িপ তারপর আবার আওয়ািমলিগ .....
২০১২.০৯.১৮ ১৩:৪৫
যে বাস্তবতায় বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল আজ সেই একই বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করে উচ্চ আদালতকে প্রভাবিত করার মধ্য দিয়ে তত্বাবধায় পদ্ধতিকে বাতিল কিংবা উল্লেখিত দুটি নির্বাচনও তত্বাবধায়কের অধিনে না করার যে অপকৌশলের আশ্রয় বর্তমান সরকার নিচ্ছে
তাতে নির্দিধায় বলা যায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও সংঘাত অনিবার্য। তাছাড়া শুধু দুটি নির্বাচন কেন, আমাদের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি তাতে কোন জাতীয় নির্বাচনই বাংলাদেশে দলীয় সরকারের অধীনে গ্রহনযোগ্যতা পাবে বলে মনে হয় না ।

Shafiq Islam

Shafiq Islam

২০১২.০৯.১৮ ১৭:৫৯
His judgement not acceptable to nation.

Shafiq Islam

Shafiq Islam

২০১২.০৯.১৮ ১৮:২৭
Better no election in Bangladesh. Chief Justice(Rtd.) Khirul should be point out in his judgement only BKSAL is only solution without any election in Bangladesh.