শিরোনাম:

সরল গরল

রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিলেন খালেদা জিয়া

মিজানুর রহমান খান | তারিখ: ২৩-০৯-২০১২

  • ৪৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

গত বৃহস্পতিবার বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যখন সংবাদ সম্মেলন হচ্ছিল, এই লেখক তখন একজন বিশিষ্ট আইনবিদের মুখোমুখি ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় নিয়ে ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করছিলেন। তখনই বার্তা রটল, বিরোধীদলীয় নেতা ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট, অগ্রহণযোগ্য ও বাতিলযোগ্য বলে ঘোষণা করেছেন।
দ্রুত আইনবিদের মনোযোগ আকর্ষণ করি। তিনি ত্বরিত উত্তর দিলেন, ‘বিরোধী দলের উচিত রায়ের ৩৩৮ পৃষ্ঠার শেষ প্যারাগ্রাফটি পাঠ করা। সেখানেই তাঁরা সন্তুষ্টি খুঁজে পেতে পারেন।’ এখন পর্যন্ত রায়টিকে শুধু আওয়ামী লীগই বর্ম করতে পারছে। তবে বিএনপিও একে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। কারণ, বিচারপতি খায়রুল হকসহ সাত বিচারপতি আগামী দুই মেয়াদে অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার চান।
ওই প্যারাগ্রাফটিতে লেখা আছে, ‘এই রূপ অসাধারণ পরিস্থিতির কারণে হাজার বছরের পুরাতন লাতিন প্রবাদ প্রয়োগ করত তর্কিত সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন ১৯৯৬ অবৈধ হওয়া সত্ত্বেও আগামী দশম ও একাদশ, সর্বোচ্চ এই দুইটি সাধারণ নির্বাচন জাতীয় সংসদের বিবেচনা অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অধীনে হইতে পারে।’ এর মানে হলো, বিচারপতি খায়রুল হক ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সংবিধানের স্বার্থে নিরুপায় হয়ে বাতিল বলতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পর্কে তিনি উদাসীন নন। খালেদা জিয়ার উদ্বেগ সম্পর্কে অসচেতন নন। খালেদা জিয়াও তাই বিচারপতি খায়রুল হকের উল্লেখ করা লাতিন প্রবাদের কথা তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন। আমাদের মনে হচ্ছে, বিচারপতি খায়রুল হক তথা চার বিচারপতির উদ্বেগের সঙ্গে খালেদা জিয়া সহজেই সংহতি প্রকাশ করতে পারেন। বিশেষ করে সাত বিচারকই যখন মনে করেন, দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হলে দেশে নৈরাজ্য ও অরাজক অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। সে কারণেই বাতিল হওয়া সংশোধনী পুনরায় জীবন্ত করতে সাত বিচারকের সম্মতি, এমনকি নির্দেশনা রয়েছে। তা হলে সোজা ব্যাপারটা দাঁড়ায়, শেখ হাসিনা যেভাবে রায়টিকে দেখছেন এবং ব্যবহার করতে চাইছেন, তা রায়ের বাস্তব চেতনার বিরোধী।
রায়ের গরমিল বিষয়ে ওই আইনবিদ বললেন, ‘রায়কে সামগ্রিকভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। লক্ষ করতে হবে আগামী দশম ও একাদশ সাধারণ নির্বাচন সংসদের বিবেচনা অনুসারে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে, সেটা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দিয়ে করতেই হবে তা রায়ে বলা হয়নি।’ আমরা যেটা বুঝলাম তা হলো, সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার অর্থ সরকারি দলের কোর্টে বল ঠেলে দেওয়া। আর সেই বলে লাথি মেরে গোল করার দায়িত্ব বিরোধী দলের ওপর চাপানো।
ওই আইনবিদকে বললাম, রায়ে এর আগে শুধু বিচারকদের বাদ দেওয়ার শর্ত ছিল। এবার দেখা যাচ্ছে, আরও দুটো শর্ত যোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে এবং নির্বাচন-প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জনপ্রশাসনের সব ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন। ওই আইনবিদ বলেন, ‘আপনি যে তিনটিকে শর্ত হিসেবে বলছেন, সেগুলো শর্ত নয়, সুপারিশমাত্র। আদালত সংসদকে নির্দেশ দিতে পারেন না। তাই সুপারিশ আকারে লেখা হয়েছে। তা ছাড়া এই তিনটি সুপারিশকে উল্লিখিত ৩৩৮ পৃষ্ঠার ওই পরিচ্ছেদটির আলোকে পড়তে হবে।’
বললাম, আমরা কি তা হলে ধরে নেব যে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকেরা খালেদা জিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী কার্যত সংখ্যাগরিষ্ঠ অ্যামিকাস কিউরিদের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন এবং অবস্থাটি এই যে বাতিল করে দেওয়া ত্রয়োদশ সংশোধনী, এমনকি সংসদ যদি হুবহু পুনরুজ্জীবিত করতে চায়, তা হলেও এই রায় বাধা হবে না। এমনকি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকেরা সেটাই চাইছেন?
ওই আইনবিদ আমাকে অবাক করে দিয়ে বলেন, ‘ঠিক তাই। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকদের অভিমত এই যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগে যেমন ছিল অর্থাৎ অবসরপ্রাপ্ত বিচারক তথা অনির্বাচিতদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে যোগ্য করে সংসদ কোনো পদক্ষেপ নিলে তাতে রায় কোনো বাধা নয়। প্রকৃতপক্ষে আগামী দুই মেয়াদে যেকোনো আকারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক, সেটাই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকেরা চাইছেন।’
এ পর্যায়ে তাঁকে বললাম, তা হলে নির্বাচিত সাংসদদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা লেখা হলো কেন? এর উত্তরে ওই আইনবিদ যা বলেন তার অর্থ, ‘এখানে শুধুই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকদের একটা সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র। এটা মানতে সংসদকে বাধ্য করা হয়নি। এখন যদি ক্ষমতাসীন বা কোনো দল রায়ের ভিত্তিতে দাবি করে যে আগামী দুই মেয়াদে শুধু নির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়েই তত্ত্বাবধায়ক সরকার করতে হবে, তা হলে সেটা সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ের অপব্যাখ্যা করা হবে।’
আমরা ওই বিশিষ্ট আইনবিদের এই ব্যাখ্যাকে বিবেচনার যোগ্য বলে মনে করি। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকেরা যে আগামী দুই মেয়াদে অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেও নির্বাচন চাইছেন, সেটা সরকারি দল মুখে না আনলেও এটা আর ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়ার বিষয় নয়। এটা বিচারপতি খায়রুল হকের মন্ত্র। সংখ্যাগরিষ্ঠের রায় দানকারী চার বিচারকের মধ্যে শুধু বিচারপতি খায়রুল হকই নন, আরও একজন বিচারক দুই মেয়াদে অনির্বাচিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।
এর প্রমাণও রায়ে রয়েছে। খালেদা জিয়াকে যাঁরা শুধুই নিন্দা করার পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁরা আদৌ তা পড়ে দেখেছেন কি না, সে বিষয়ে কারও সন্দেহ জাগতে পারে।
বিচারপতি এস কে সিনহার মতে, এটা বর্তমান সময়ের ‘জ্বলন্ত ইস্যু’। তাঁর কথায়, এটা বিবেচনায় নিয়ে আমার বক্তব্য হচ্ছে, আগামী দুটি নির্বাচন ‘বিদ্যমান পদ্ধতির’ (এক্সিজটেম সিস্টেম) মধ্যে হতে পারে। তবে বিচারকদের বাদ দিয়ে করতে পারলে ভালো। সরকারি দল বলতে পারে, বিচারপতি সিনহা যখন রায় লিখেছিলেন, তখন তা সংবিধানে ছিল, এখন তা নেই। সুতরাং বর্তমানে এটার কার্যকারিতা নেই। কিন্তু আমাদের দেখার বিষয় হলো, বিরোধী দল তো এই বক্তব্য দেখিয়ে সরকারি দলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
আমরা মনে করি না যে রায়ের যথেষ্ট সমালোচনার জায়গা নেই। এমনকি ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী ঘোষণা করে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকেরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার সঙ্গে আমরা ভিন্নমত পোষণ করতে পারি। বিরোধীদলীয় নেতাও আট অ্যামিকাস কিউরির মতো তা বলতে পারেন। আমাদের উদ্বেগ হলো, এই রায় থেকে যতটা সুফল খালেদা জিয়া নিতে পারেন, সেটা গ্রহণ করার সামান্যতম ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ তিনি ঘটাননি; বরং তিনি কতগুলো ভুল তথ্য উপস্থিত করে বেশ অতিরঞ্জিত ও আবেগসঞ্জাত বক্তব্য দিয়েছেন।
প্রথমত, তিনি বলেছেন, অবসরপ্রাপ্ত কোনো বিচারক আদালতে বসতে পারেন না, শুনানি করতে পারেন না এবং একই কারণে কোনো মামলার রায়ও লিখতে কিংবা তাতে দস্তখত করতে পারেন না। এ বাক্যের দ্বিতীয় ভাগ অসত্য। বিচারপতি মোস্তাফা কামাল অবসরে গিয়ে মাসদার হোসেন মামলার ঐতিহাসিক রায়টি লিখেছিলেন। এ রকমের বহু বিচারকের নাম করতে পারি, যাঁরা অবসরে গিয়ে ডজন ডজন মামলার রায় লিখেছেন। বিএনপির নেতার পরামর্শকেরা যে অর্বাচীন, তার ছাপ তাঁর লিখিত বিবৃতিতে পাওয়া যায়। অবসরে গিয়ে বিলম্বিত দস্তখত করার বিষয়টি একটি বিচ্যুতি বটে। এতে কোনো লিখিত আইন ভঙ্গ হয় না। তা ছাড়া শুধু এই অসংগতির ওপর জোর দিয়ে সমগ্র রায়টিকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট, অগ্রহণযোগ্য ও বাতিলযোগ্য’ বলে মন্তব্য করা যায় কি?
দ্বিতীয়ত, খালেদা জিয়া বলেন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিবর্তে এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করেছেন। এটাও অসত্য। কারণ, বিচারপতি খায়রুল হক ‘শুধুমাত্র জনগণের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যগণ দ্বারা গঠিত হইতে পারে’ মর্মে উল্লেখ করেছেন। কোথাও দলীয় সরকার কথাটি নেই।
অবশ্য এ কথার ফলে সরকারি দল আরও প্রচণ্ডতা নিয়ে রায়টি অপব্যবহার করতে পারে, সেই আশঙ্কা সঠিক। খালেদা জিয়া এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের ‘হুবহু প্রতিধ্বনি’ লক্ষ করেছেন। কিন্তু আগেই বলেছি, যদি তিনি ৩৩৮ পৃষ্ঠায় দুই মেয়াদে তাঁর শর্তে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিধান দেখেন, তা হলে বলা যায়, ‘পরস্পরবিরোধী’ একই রায়ে তাঁর বক্তব্যেরও ‘হুবহু প্রতিধ্বনি’ রয়েছে। বিচারপতি খায়রুল হকও অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার চান—এটা জনপ্রিয় করা, এর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া, একে আলোচনায় আনার দায়িত্ব তাঁকে ও তাঁর দলকে গ্রহণ করতে হবে।
তৃতীয়ত, খালেদা জিয়া অভিযোগ এনেছেন যে একই রায় বিচারপতি খায়রুল হক দুবার লিখেছেন এবং দুবার জমা দিয়েছেন।’ প্রকৃতপক্ষে অবসরে গিয়ে রায় লেখা এবং তাতে সই দেওয়া ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট বিধিবিধান নেই। ২৯ মার্চ তাঁর রায়ে সই হওয়ার পরে তাঁর সহকর্মীরা সাড়ে পাঁচ মাস সময় নেন। এরপর তিনি চার-পাঁচ পৃষ্ঠা নতুন করে লিখেছেন বলে শুনেছি। এখন তাতে কী হেরফের ঘটেছে, সেটা দালিলিকভাবে বলা সম্ভব দুটো ডকুমেন্ট একসঙ্গে হাতে পেলে। খালেদা জিয়া দুই দলিল দেখে মন্তব্য করেছেন, তা বিশ্বাসযোগ্য বলে প্রতীয়মান হয় না।
চতুর্থত, খালেদা জিয়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নে এমন একটি অসত্য তথ্য দিয়েছেন, যা সবচেয়ে বেশি মনঃপূত হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। হলফ করে বলতে পারি, আওয়ামী লীগের বাকপটু নেতারা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অন্তত এই ইস্যুতে মুখ খুলবেন না। কারণ, তা হলে তাঁদের মুখোশ মাটিতে গড়াবে। খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘বাকশালের সময় বিচার বিভাগকে প্রশাসনের অধীন করা হয়েছিল।’ এটা সত্য। কিন্তু তার পরের বাক্য, ‘আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তা থেকে বিচার বিভাগকে মুক্ত করেছিলেন।’ এটা আংশিক সত্য এবং অসত্যের মিশ্রণ। কারণ, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত ১১৬ অনুচ্ছেদের যে ক্ষতি বাকশালে ঘটেছিল, তা ঘোচাতে আর কখনোই বাহাত্তরের সংবিধানের বিধান ফিরিয়ে আনা হয়নি।
তবে আমরা একমত যে সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ে কিছু অসংগতি, অস্পষ্টতা রয়েছে। সেটা নিয়ে অবশ্যই আলাপ-আলোচনার সুযোগ থাকবে। কিন্তু এই মুহূর্তে প্রধান বিরোধী দলকে লাতিন প্রবাদগুলো (যা অবৈধ, প্রয়োজনে তা-ই বৈধ), বিরোধী দলের নেতা যা যথার্থই তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, সেটার আলোকে তার অবস্থান পরিবর্তন করা উচিত।
রাজনৈতিক কৌশলগত দিক থেকে দেখলেও রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে বিএনপির বিরুদ্ধে খাড়া করানোর মধ্যে কোনো বাহাদুরি নেই। আর তাঁরা তো এমন কোনো মহৎ আদর্শের রাজনীতি করেন না। নির্বাচনসর্বস্ব রাজনীতিই যখন শেষ কথা, তখন বিরোধীদলীয় নেতার উচিত হবে, তিনি রায়ের মধ্যে যে অংশটি তাঁদের কাজে লাগে, তা নিজের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা। দুবার, মতান্তরে তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে মনে রাখতে হবে, তিনি যদি ব্যক্তি বা সুপ্রিম কোর্টকে অযথা খাটো করেন, তা হলে তাঁর অনুসারীরা কী করবে?
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.০৯.২৩ ০৩:০৫
ভুল সবই ভুল

Mohamed S Rahman

Mohamed S Rahman

২০১২.০৯.২৩ ০৩:১১
"বাকশালের সময় বিচার বিভাগকে প্রশাসনের অধীন করা হয়েছিল।’ তার পরের বাক্যে, ‘আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তা থেকে বিচার বিভাগকে মুক্ত করেছিলেন।" আমাদের বিরোধী দলীয় নেত্রীর কাছে আমার প্রশ্নঃ সামরিক আইনের সময় কী দেশে বিচার বিভাগ বা প্রশাসন বিভাগের কোন স্বাধীনতা থাকে?

MAZEED

MAZEED

২০১২.০৯.২৩ ০৩:৪০
Mr. Mizan, who is this so called special Lawyer? Please stop your stupid reasoning in favor of illegal system of care taker government.

Raza

Raza

২০১২.০৯.২৩ ০৩:৪১
সুন্দর প্রস্তাবের জন্য প্রবাসীকে ধন্যবাদ।

Abdullah Al-Rubaish

Abdullah Al-Rubaish

২০১২.০৯.২৩ ০৪:২৩
The advisers of BNP are really immatured.There are so many issues for BNP to raise & convince the entire Nation with a Concrete Future Plan. they should apologize to the Nation for their past misdeeds & mistakes. Nation will welcome them. And for the Verdict, Mr. Mizan is right. BNP should not bring straight controversy of all the State Agencies. Begum Khaleda Zia is three times PM & she might be going to lead the Country 4th time. these State Agencies are her Govt weapons to run BD.

Belal

Belal

২০১২.০৯.২৩ ০৫:০২
মিজান ভাইয়ের কাছে আগে কয়েকটা প্রশ্ন করেছিলাম। জবাব পেলামনা। আরেকটা প্রশ্ন করি ,খালেদা জিয়া আরেকটা কথা বলেছেন সংসদ ভেংগে দেওয়ার পর রাষ্টপতি ছাড়া কেউ নির্বাচিত থাকেনা। তাহলে নির্বাচিতদের দিয়ে কিভাবে সরকার গঠন সম্ভব ????????????????

Ashaduzzaman

Ashaduzzaman

২০১২.০৯.২৩ ০৬:৩০
সময় বলে দিবে সেষ বিকালের সুরজ হয়ে কে গধুলি বেলা পাটে যাবে

chowdhury abdul halim

chowdhury abdul halim

২০১২.০৯.২৩ ০৬:৩৯
you sang the song, for whom ?

হানিফ- ভালোখবর

হানিফ- ভালোখবর

২০১২.০৯.২৩ ০৭:৩৪
কঠিন কথা সহজ করে বুঝতে হলে এই লেখাটা পড়তে হবে।

alamin

alamin

২০১২.০৯.২৩ ০৯:৪৭
বিচারপতি খায়রুল হক ‘শুধুমাত্র জনগণের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যগণ দ্বারা গঠিত হইতে পারে’ মর্মে উল্লেখ করেছেন। কোথাও দলীয় সরকার কথাটি নেই। তাহলে আওয়ামিলীগ কে বলতে চাই তারা কি খালেদা জিয়া কে নিরবাচন কালিন সরকার পরধান করে নিরবাচন করবেন??? আমার তো মনে হয় না । কোন দল ই কাউকে বিশ্বাস করে না। আমরা সাধারন জনগন ও কিন্তু মনে করি দলিয় কারো আন্ডারে নিরবাচন ভালো হবে ? তাই সকল সংক্ট সমাধানের জন্যে নিরপখ কাউকে ই সরকার পরধান করা উচিত

Farid

Farid

২০১২.০৯.২৩ ০৯:৫১
জনাব লেখক দয়া করে পক্ষপাতিত্ব করবেন না। বাস্তব চিত্র তুলে ধরুন। তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনের বিকল্প নাই।
২০১২.০৯.২৩ ০৯:৫৭
আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কোন ভাবেই ডিজিটাল ডাটা বেজে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করবে না। জাতীয় পরিচিতি কার্ড নিবেন না, প্রয়োজনে তত্ববধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে। কিন্তু ভাবতে অবাক লাগছে যে ইনি আমাদের নেত্রী। কিন্তু দেশের প্রত্যেকটি মানুষ ডিজিটাল ডাটা বেজে অন্তর্ভুক্ত হওয়াতে, আমাদের দেশের জন্য কত বড় একটি কাজ হয়েছে সেটি বুঝার মানুষও আমাদের দেশে অনেক কম। যা হোক আমাদের নেত্রীদের মানুষীকতা পরিবর্তন খুবই প্রয়োজন দেশের ভালর জন্য। তাদের মধ্যে একটি ভাব আছে সেটি হল নির্বাচনে হারলে ফলাফল মেনে না নেয়া। সেটি অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে। আর বিরোধী দলে গেলে দেশ বাচানোর যে আন্দোলন করে সেটি ত্যাগ করতে হবে।

এই সব কার্য্ক্রমে ডিজিটাল ডাটাবেজের ব্যবহার অপহার্য। আশা করি সরকার এই কার্যক্রমে ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগ করবে। কারণ আমাদের এখন আছে ডিজিটাল ডাটাবেজ। আমরা চাইলে এখন এর ফলাফল ভোগ করতে পারি। প্রয়োগ করতে পারি।


আদালদ কখনো পক্ষ বিপক্ষ অবলম্বন করে রায় দেয় না। তারা রায়দেয় সামনে উকিলদের উপস্থাপিত যুক্তি তর্কের উপর। আর েএরকম একটি ইস্যুকে নিয়ে যারা পক্ষ বিপক্ষের যুক্তি দেখিয়ে রাজনীতি করে তাদেরকে বয়কট করুন। ওনি অসুস্থতার কথা বলে উনার নামে মামলায় হাজিরা দেয় না। কিন্তু একই সময় ‍ওনি জনসমাবেশ করে বেড়ায়। জনগনের মাধ্যমে ওনার কাছে জানতে চাই ওনি কেন আদালতে যায় না কারন ওনি আদালতে গেলে নিশ্চিত হারবে। ওনি যা করেছে তা যদি অন্য কেহ করত তাহলে তাকে এখন জেলের ভাত খেতে হত।

Ahsan

Ahsan

২০১২.০৯.২৩ ১০:০০
we are seck of ellection & caretaker govt news.

২০১২.০৯.২৩ ১০:০২
হাইকোর্টের নয়, নির্বাচন হবে গণমানুষের রায়ে তত্ত্বাবধায়কের অধীনে।
২০১২.০৯.২৩ ১০:০৩
একমাত্র খালেদা জিয়াই আমাদের দেশের ডিজিটাল কাজকর্মের বিরোধতিা করেন। একমাত্র খালেদা জিয়াই আদালতের বিরোদ্ধে আন্দোলন করেন।

আমাদের দেশে দুই নেত্রৃী তাদের একজন আমাদেরকে আলোর পথ দেখাইয়া আলোর পথে এগিয়ে নিয়ে যাইবে আরেক জন দুনিয়ার বস্তা পচা ধ্যান ধারনা আকড়াইয়া ধরিয়া আমাদেরকে পিছু টানিবে।

md.shazzadur rahman

md.shazzadur rahman

২০১২.০৯.২৩ ১০:০৫
একজন লোক একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অবসর নিয়ে পরবর্তিতে কিভাবে ঐ প্রতিষ্ঠানের কার্যপরিচালনা করে । এটি কেমন আইন । অতীতে ভূল করলে এখনও সেটিই হবে এর কি যুক্তি ? যেমন সেনাবাহিনীর প্রধান অবসর গ্রহন করলেও কি পরবর্তীতে তার নির্দেশে সেনাবাহিনী চলবে কি চলবে না এর জবাব বিজ্ঞ আইনবিদদের কাছে জানতে চাই ?

Arman

Arman

২০১২.০৯.২৩ ১০:১১
@Mazeed vai..if caretaker govermrnt is illegal..then why Awami legue did countrywide movement in 1994-1996 for this illegal thing?
২০১২.০৯.২৩ ১০:১৬
This is all stupid explation. The honorable judge, no doubt, used to know that it would create a national chaos; still he has done it. The so called advices or options included in the verdict are only to save themselves just in case. That's how the man made laws or contitutions are written for.

Rajib Hasan

Rajib Hasan

২০১২.০৯.২৩ ১০:২২
যে দলের নেতা সংসদে ধন্যবাদ দিয়ে আবার বাইরে এসে ফিরিয়ে নেই তার কাছ থেকে ভুল ব্যাখ্যা ছাড়া সঠিক আশা করা যায় কি ?

২০১২.০৯.২৩ ১০:২৬
In this situation we need minus three formula to keep alive our people.

Nazmul Khan

Nazmul Khan

২০১২.০৯.২৩ ১০:৩০
@Mohammed s Rahman: try to understand first when ziaur Rahman run country under marshal law and when by elected govt. Don't make fool comment.

Md.Shajidul Islam

Md.Shajidul Islam

২০১২.০৯.২৩ ১০:৪৬
@ Mohammed S Rahman who told you that at the time of military administration, the HS is banned or stop their activities ? to obey the verdict of HC may be not maintain by military admin. but HC is free. if the justice has feel insecurity to issue verdict that is another question.
২০১২.০৯.২৩ ১০:৫৩
এই পর্যন্ত যতবার তত্ববধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনে হয়েছে, সব বারই কারচুরি, সুক্ষকারচুপি, এবং ফলাফল বর্জন হয়েছে, এই বিএনপি ও আউমিলীগ দারাই তাহলে তারা কেন এই তত্ববধায়ক সরকার চাচ্ছে। কোন বারই তো তত্ববধায়ক সরকারের নির্বাচন কেহই মেনে নেয়নি। তাহলে কেন প্রতি পাচ বছর অন্তর অন্তর একই ইস্যুতে আ্ন্দোলন। হায়রে আমরা যে কপাল পোড়া জাতি, এ জাতি এ পর্যন্ত (বঙ্গবন্ধু ব্যাতিত) কোন নেতা পেল না ... যাও একজন আছে বঙ্গ বন্ধু কন্যা তাকে তো আমরা কাজই করতে দিচ্ছি না। জাতীর বিবেকের দ্বার খুলে দেওয়ার প্রার্থনায়।
২০১২.০৯.২৩ ১১:০০
কোথায় আমেরিকাতে কি ছবি বানিয়েছে তারাই তাদের বানানো ছবি প্রদর্শন করছে, ও দেখছে তাদের যুক্তি সৃষ্টি ও কালচার সংস্কৃতি। যা হোক, সেই ছবির প্রতিবাদে আমাদের দেশের ইসলামি দলগুলি হরতাল আহ্বান করছে, জ্বালাও পোড়াও ভাংচুর করছে,

যা হোক, হরতাল আহ্বান করেছে, মোল্লারা কিন্তু চেয়ে দেখেন সেই হরতালের আওতা মুক্ত রেখেছে, খালেদা জিয়ার দিনাজপুর সফরকে।

কিসুক্ষ তাদের শিখর বন্দন। মৌবাদের সাথে খালেদার এ কি শিখরের বন্দন ভাবা যায় না।

Orun

Orun

২০১২.০৯.২৩ ১১:১৪
She no study more how to she know which is right?
২০১২.০৯.২৩ ১১:২৫
যে দলটি হরতাল, হানাহানি করে দেশের হাজার হাজার কোটি ডলার ক্ষতি করে,গোটা জাতিকে জিম্মি করে এ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল আনতে বাধ্য করলো। আর আজ তারাই বলে এটার আর প্রয়োজনীয়তা নাই।
জনাব লেখক, আপনি এখানে কোনও ভুল খুঁজে পান না?
আমরা পাঠক কিন্তু এখন আপনাদের পালস বুঝি।

২০১২.০৯.২৩ ১১:২৮
মি মিজানুর রহমান রায়ের ভুল ব্যাখ্যায় কারো কিছু যায় ‍আসে না কিন্তু রায়টিই যখন ভুল তখন যত যুক্তিই দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন না কেন শেখ হাসিনা ‍আর খায়রুল গং দের বাঁচাতে পারবেন না।
২০১২.০৯.২৩ ১১:২৮
Nazmul Khan২০১২.০৯.২৩ ১০:৩০ ভাই জিয়াউর রহমান কোন নির্বাচনে পাশ করে ছিল। হ্যা/ না রায় আর সাধারণ নির্বাচন কিন্তু এক জিনিষ নয়। শাক দিয়ে মাছ ঢাকবেন না।
২০১২.০৯.২৩ ১১:২৯
একমাত্র খালেদা জিয়াই আমাদের দেশের ডিজিটাল কাজকর্মের বিরোধতিা করেন। একমাত্র খালেদা জিয়াই আদালতের বিরোদ্ধে আন্দোলন করেন।

Sharif

Sharif

২০১২.০৯.২৩ ১১:৩০
Nazmul Khan@ জিয়ার সব কিছু ছিল অবৈধ ।

সাকী রহমতুল্লাহ

সাকী রহমতুল্লাহ

২০১২.০৯.২৩ ১১:৩৫
একটা বাজে রায়, জনমানুষের ক্ষমতাকে কেড়ে নেয়া হয়েছে। রির্পোটি ও একপেশে, কারন এখানে বলা হয়েছে – “খালেদা জিয়া অভিযোগ এনেছেন যে একই রায় বিচারপতি খায়রুল হক দুবার লিখেছেন এবং দুবার জমা দিয়েছেন।’ প্রকৃতপক্ষে অবসরে গিয়ে রায় লেখা এবং তাতে সই দেওয়া ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট বিধিবিধান নেই” । কয়েকদিন পর শেখ হাসিনা আবার অন্য কিছু বলবেন এবং খায়রুল হক সাহেব তা তুলে নিয়ে আবার সংশোধ্নী দিবেন...হাস্যকর। এই রায়টা হল প্রধানমন্ত্রির বক্তিতার প্রতিফলন।

Md. Saifur Rahman

Md. Saifur Rahman

২০১২.০৯.২৩ ১১:৪৩
@ ২০১২.০৯.২৩ ১১:২৫ "আমরা পাঠক কিন্তু এখন আপনাদের পালস বুঝি।" পরিচয় গোপন করে মন্তব্য করেন কেন ? সাহস নাই ? গতকাল এই লেখক এর লেখায় ত বহু বাহ বাহ দিছেন !!!!! আজ কেন আপনাদের গা জালা করে ? আপনারা সেই পাঠক যারা এই লেখকদের পালস বুঝেন ?!!!
আপনাদের মত পাঠক / লোকদের কারনেই ত আজ দেশের এই অবসথা !!! পচনদ হলে ভালো, আর পচনদ না হলে কালো !!!!!! সমালোচনা করতে ভাল লাগে, কিন্তু শুন্তে ভাল লাগে না। বিচিএ &প বিপদজনক পাঠক আপনারা।

২০১২.০৯.২৩ ১১:৪৩
আসে পাশের লোকজন যা লিখে দেয় উনি তাই গড়গড় করে বলে দেন ।

২০১২.০৯.২৩ ১১:৫৪
দল কানা আর কাকে বলে ......,
২০১২.০৯.২৩ ১১:৫৮
মিজানুর রহমান খান সাহেবের জ্ঞাতার্থে বলছি-আপনি যে বিশিষ্ট আইনবিদের রেফারেন্স দিয়েছেন এরকম অনেক আইনবিদ বিরোধীদলের নেতার আশে পাশে থাকে, তাঁরা ৩৩৮ পৃষ্ঠার শেষ প্যারাগ্রাফটি পাঠ করেনি সেটা আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন ? একজন বিচারপতি সংক্ষিপ্ত রায়ে একরকম লিখবেন তারপর অবসরে গিয়ে পূর্নাঙ্গ রায় লিখবেন, এরকম নজির কোন সভ্য দেশে আছে নাকি ?

Meer abul Hasan Al Murad

Meer abul Hasan Al Murad

২০১২.০৯.২৩ ১২:১৯
Since our political parties do not trust each other then the next National Election must be arranged under a Non Political Impartial Interim govt.

Md. Ruhul Amin

Md. Ruhul Amin

২০১২.০৯.২৩ ১২:৩২
Thanks Mizanur Rahman Khan for your valuable article. I request you to raise your voice in this regard in Talk show, seminar & in other media so that the people can conscious about the valuable paragraph of the judgement for avoiding the future unrest political situation. we want a peaceful election under a neutral govt. so that people can cast their vote in favor of their choice able candidate.
২০১২.০৯.২৩ ১২:৩৬
জিয়াউর রহমান কখনোওই বিচার বিভাগকে প্রশান বিভাগ থেকে পৃথক করেন নাই। বরংচ তিনি এটিকে আকড়িয়ে ঘরেছিলেন। জিয়াই প্রথম হ্যা/ না রায়ের আয়োজন করেছিলেন, পরবর্তীতে এরশাদ এই হ্যা/না, পদ্ধতি প্রয়োগ করেছিলেন ক্ষমতা ধরে রাখতে।

Md.Mizan Ibn

Md.Mizan Ibn

২০১২.০৯.২৩ ১৩:০৮
বলে লাথি মেরে গোল করার দায়িত্ব বিরোধী দলের।

ibne mizan

ibne mizan

২০১২.০৯.২৩ ১৩:১২
মিজান সাহেবের লিখাটি বুঝলাম না। খালেদা জিয়া নাকি ভুল ব্যাখ্যা দিলেন। কিন্তু কোথায়? আদালত যদি সংবিধানের দোহাই দেন, তবে তত্বাবধায়ক সরকার থাকে না। আর যদি 'প্রয়োজনীয়তা আছে' মনে করেন, তবে তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করতে পারেন না কোনো অবস্থাতেই।
২০১২.০৯.২৩ ১৩:১৬
Mohamed S Rahman কে বলছিঃ
সামরিক শাসন দিয়ে জিয়া শুরু করেন, কারন পরিস্থিতি বাধ্য করেছিল। কিন্তু, তিনিই পরে গনতন্ত্র দিয়ে শেষ করেন। বাকশাল দ্বারা নিশিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ কে আবার রাজনীতি করার শুযোগ করে দেন। এটা ই বা কম কিশে?

sultan ahmed

sultan ahmed

২০১২.০৯.২৩ ১৩:৩৭
তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনের বিকল্প নাই

তালুকদার

তালুকদার

২০১২.০৯.২৩ ১৬:৩২
@Mohamed S Rahman
আপনার কথা আংশিক ঠিক! কিন্তু আপনি কি ভুলে গেছেন যে বাংলাদেশে বাকশাল কায়েম করার পর মানুষের বাক স্বাধীনতা,সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরন করা হয়েছিল? আপনার তার পরের বাক্যে যে মন্তব্যটি করেছেন,
{‘আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তা থেকে বিচার বিভাগকে মুক্ত করেছিলেন।" আমাদের বিরোধী দলীয় নেত্রীর কাছে আমার প্রশ্নঃ সামরিক আইনের সময় কী দেশে বিচার বিভাগ বা প্রশাসন বিভাগের কোন স্বাধীনতা থাকে?}আপনার এই কথাতে আমি অবশ্যই নীতিগতভাবে এই দিকদিয়ে একমত যে সমারিক সরকারের সময়ে সব কিছুকেই নিয়ন্ত্রিত করা হয়! কিন্তু এখানে কথার কিছু ফাঁক আছে সেটা হলো যে জিয়াউর রহমান কিন্তু যখন গণতান্ত্রিক ব্যবস্তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আর সংবাদ পত্রের স্বাধীনতাও দিয়েছিলেন,আর তাই মানুষ বিএনপি এখনো ভোট দেয় ও কয়েকবার জয় যুক্তও করেছে!
কিন্তু,আমি জিয়াউর রহমানের একটা ব্যাপারে খুবই নিন্দা জানাই সেটা হলো আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ব্যাপরে সব জানতেন!তখন যদি উনি বিপদগামী সেনাদের বাঁধা দিতেন তা হলে এভাবে আমাদের বঙ্গবন্ধু অসহায়ভাবে সপরিবারে মারা যেতেন না!
সব কিছুই ইতিহাস,বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধুই তার বিকল্প কেউ নাই!
আর জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমানই যিনি একজন বীর মুক্তি যোদ্ধা ও বংগবন্ধুর পক্ষে চট্রগামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন।
বর্তমান সরকার যে,জুলুম ও অন্যায়ভাবে বিরোধীদলের উপর মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়েছে তা কোন ধরনের গণতন্ত্র?
পদ্মা সেতুতে কেলেংকারী,শেয়ার বাজারের কেলেংকারী,প্রাক্তন রেল মন্ত্রীর সত্তুর লক্ষ টাকার কেলেংকারী, মানে কেলেঙ্কারির আর শেষ নাই!তাহলে বলেন এটা কি গণতান্ত্রিক সরকারের নমুনা?
এখন আবার নির্বাচন নিয়ে চলছে কিভাবে সরকার প্রধানকে রেখেই সাধারন নির্বাচন দেওয়া যায়!তা হলে কি মনে করেন নির্বাচন কি প্রভাবিত হবেন না? এখন আপনিই নিরপেক্ষভাবে বিচার করুন কার আমলে ভাল ছিলেন/আছেন?????

Sardar Younus

Sardar Younus

২০১২.০৯.২৩ ১৮:১৮
একটা হল এইডস
ক্যান্সার আরেকটা,
দুই দলের গ্যারাকলে
পড়ে গেছে দেশটা।
সোনার বাংলায় শান্তি নাই
অমানুষের অভাব নাই,
বিদ্রোহীরা কই গেলি সব
বিপ্লব চাই, মুক্তি চাই।।