আগাম নির্বাচনের কথাও ভাবছে সরকার

টিপু সুলতান | তারিখ: ২৩-০৯-২০১২

  • ৩৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চিন্তাভাবনা চলছে। আর আগাম নির্বাচন দেওয়ার ক্ষেত্রে আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল বা মে মাসকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগের ভেতর-বাইরের অনেকে মনে করছেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আগামী ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর একাধিক নেতার মামলার রায় হতে পারে। আর তাতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি উজ্জীবিত হবে, সরকারের জনপ্রিয়তাও বাড়বে। আর তা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনতার মাস মার্চে আগাম নির্বাচন দেওয়ার বিষয়টি চিন্তায় আছে। তবে মার্চে সম্ভব না হলে এপ্রিল বা মে মাসে তা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তাও প্রথম আলোকে জানান, এ সময়ে আগাম নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তাঁরা কাজ করছেন।
মহাজোটের শরিক দলের শীর্ষস্থানীয় এক নেতা বলেন, সরকার মনে করছে, বিরোধী দল এখনো সংগঠিত নয়। আগাম নির্বাচন দিলে তারা সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে না।
প্রধান বিরোধী দল বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, তাঁরাও নানাভাবে তথ্য পাচ্ছেন, সরকার হঠাৎ আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে দিতে পারে, যাতে বিএনপি প্রস্তুতি নিতে না পারে।
বিএনপির নেতারা জানান, ক্ষমতাসীন মহাজোটের অন্যতম প্রধান শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ সম্প্রতি দলীয় এক সভায় তাঁর নেতা-কর্মীদের আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। এরশাদ এ-ও বলেছেন, প্রধান বিরোধী দল যাতে সংগঠিত হতে না পারে, মূলত এ কারণেই সরকার আগাম নির্বাচন দিতে পারে। গণমাধ্যমে এরশাদের এই বক্তব্য প্রকাশের পর বিষয়টি আরও বেশি করে বিবেচনায় নিয়েছেন বিএনপির নেতারা। এরপর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে বলেছেন, সরকার দলীয় সরকারের অধীনে আগাম নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। তা হতে দেওয়া হবে না।
অবশ্য মহাজোট সরকারের আরেক শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, আগাম নির্বাচনের ব্যাপারে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেছেন, ‘আগাম নির্বাচন হলে হয়তো এরশাদ সাহেবের সুবিধা। এ কারণে তিনি এ ধরনের কথা বলে থাকতে পারেন। তবে আওয়ামী লীগের ভেতরে এ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, তাঁর দল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তাঁরা সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান।
এদিকে গত সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদ বলেছেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে যেকোনো সময় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। তিনি এ-ও বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কিছু সামগ্রী আছে, যা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এগুলো আসতে ছয় মাসের মতো সময় লাগে। সেসব সামগ্রীও ইতিমধ্যে আনা হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগাম নির্বাচন দিক আর যা-ই দিক, তা নির্দলীয় সরকারের অধীনে হতে হবে। তা না হলে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।’ তিনি এ-ও বলেন, ‘সাজানো নির্বাচন করতে সরকারের নীলনকশার কথা আমরা জানি, এটা মোকাবিলা করার সামর্থ্য বিএনপির আছে।’
বর্তমান জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারি। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ, আগামী বছরের ২৭ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আগের মেয়াদেও (১৯৯৬-২০০১) শেখ হাসিনা আগাম নির্বাচন দিতে চেয়েছিলেন—এমন তথ্য এবার আলোচনায় এসেছে। তখন তিনি এ ব্যাপারে মদিনা শরিফে ঘোষণাও দিয়েছিলেন। কিন্তু দলীয় চাপে শেষ পর্যন্ত আগাম নির্বাচনের চিন্তা থেকে সরে আসতে হয় তাঁকে।
সরকারঘনিষ্ঠ একাধিক মহল থেকে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত যে চিন্তা-পরিকল্পনা, তাতে আগামী নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার সম্ভাবনা নেই। সে ক্ষেত্রে পুলিশ, বিডিআর, র‌্যাব, আনসার মোতায়েন করে যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়, সে জন্য বিভাগ ধরে একাধিক দিনে ভোট গ্রহণের কথা ভাবা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, আগাম নির্বাচন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কী কী ধরনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.০৯.২৩ ০৩:০৪
সাধের লাউ (ক্ষমতা ) তুই আমারে করলি দিওয়ানা ।

MUHAMMAD

MUHAMMAD

২০১২.০৯.২৩ ০৩:৩৮
আগাম ইলেকশন দিন আর যাই করুন, আওয়ামীলীগের পরাজয় আবধারিত।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.০৯.২৩ ০৫:৩৬
আমরা গাঁও গেরামের মানুষ, র্নিরদলিয়ও বুঝিনা দলিয়ও বুঝিনা খালি ভোট হইলেই হয়। সুষ্ঠু ভাবে ভোট হলে আমাগোরে কুনো আপত্তি নাই।
২০১২.০৯.২৩ ০৬:১৪
কিন্তু এ বিষয়ে দেশের সাধারণ জনগন কি ভাবছেন ? যারা রাজনীতি করছেন, তারা দয়া করে অনুসন্ধান করুন এবং দরকার হলে একটা গণভোট এর আয়োজন করুন ।

রাসেল

রাসেল

২০১২.০৯.২৩ ০৭:৫৮
আগাম নির্বাচন বাংলাদেশে! তাও আবার আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে! আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এত ভাল হল কবে থেকে।

alamin

alamin

২০১২.০৯.২৩ ০৮:৩১
এটা কেমন গনতন্তর !!!!!!!! কেনো আগাম নিরবাচন ?

rana

rana

২০১২.০৯.২৩ ০৯:২৫
Mr. Tajerul islam sadhin. You know the Internet! You know the e-paper. But, You don't understand the caretaker govt. very Strange!!!

Md.Shajidul Islam

Md.Shajidul Islam

২০১২.০৯.২৩ ০৯:৫৭
সরকারের কাজ কি দেশের উননয়ন, না কি ৌশলগত ভাবে বিরধি দল কে দমন করে কি ভাবে আবার খমতা দখল করা যায় তা ? তাদের মুল চিন্তা কি খমতা ??

sayed Ahmed

sayed Ahmed

২০১২.০৯.২৩ ১০:০৬
Earlier or later doesn't matter, we need a free and fair election. where people can put their judicious judgment against corruption.
২০১২.০৯.২৩ ১০:৩৮
No doubt, AL will consider all possible ways to come to the power for next term, whatever means it takes. That's how they are planning as well as preparing, and organizing all govt. organizations, law enforcing agencies, and even their own cadre: Chhatra League and yuba league.

Syeed Mahdi

Syeed Mahdi

২০১২.০৯.২৩ ১০:৪০
আগাম নির্বাচনের কথা ভেবেছেন কিন্তু আগাম পরাজয়ের কথা ভেবেছেন তো?

২০১২.০৯.২৩ ১০:৫১
- দ্রব্যমূল্য ও বিভিন্ন সেবা-মূল্যের উর্ধগতি, আইন-শৃঙ্খলার চরম অধঃগতি, বিরোধী দল-মত দলন, রাষ্ট্রীয় সকল সেক্টরে নির্লজ্জ দলীয়করণ, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, চাদাবাজি, সাগর-রুনি হত্যা, ইলিয়াস আলী গুম, ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের দেশব্যাপী তান্ডব-অনাচার, নিজ দলের ভেতর মেয়র লোকমান খুনসহ নানা হানাহানি-খুনোখুনি, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারী, কুইক রেন্টাল বিদ্যুতের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নয়ছয়, পদ্মাসেতুর দুর্নীতি, রেল মন্ত্রণালয়ের কালো বেড়ালের দুর্নীতি, ডেসটিনি ইত্যাদির মানুষ ঠকানো সংস্থার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যাবস্থা না নেয়া, হলমার্ক ইত্যাদি কোম্পানীর সরকারী ব্যাংকগুলো ডাকাতি ও তার সাথে সরকারের কারো কারো যুক্ত থাকা, গ্রামীণ ব্যাংককে গ্রাস-করণ, ড. ইউনুসসহ মানী ব্যক্তিদের অপমান, টক-শো-এ অংশগ্রহণকালী বুদ্ধিজীবীদের ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার, সর্বোপরি জনমানুষের ভোটাধিকার রক্ষার কথা বলে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সংবিধান সংশোধন করে তাদের প্রাণের দাবী `নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্ববধায়ক সরকার' প্রথা রহিত এবং নীল-নকসার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের ছক।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৯.২৩ ১০:৫৬
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনটা কবে হবে ? জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ? না পরে ?

s rahman

s rahman

২০১২.০৯.২৩ ১১:০১
ক্ষমতাসীনরা যদি নির্বাচন নিয়ে চালাকি করে, বিএনপিকে যদি চতুরতার সাথে নির্বাচনের বাইরে রাখে এবং দাঙ্গাহাঙ্গামা ইত্যাদি বাঁধে এবং এর মাঝখান থেকে যদি ‘৫৭’-পরিবারের কেউ ক্ষমতা কুক্ষিগত করে, তবে ১ নম্বরসহ বাকিরা নিশ্চিহ্ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

Akas

Akas

২০১২.০৯.২৩ ১১:০৪
সরকার পেছনের দরজা দিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় আসতে মরিয়া..

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১২.০৯.২৩ ১১:১৪
Start another poppet show , AL govt think all people are fool.only they are clever.but fur difference between their thinking and reality.

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৯.২৩ ১১:১৭
আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর এমন অবস্থা যে, যে দল রাষ্ট্র-ক্ষমতায় আসীন থাকে, তারা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এমনভাবে সম্পাদন করে যে, তা `জনমূখী' না হয়ে `ব্যক্তিমূখী' বা `দলমূখী' হয়ে পড়ে এবং জনগণ তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় ; আর তারই ফলশ্রুতিতে তাদের জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকে, তখন `দাড়ি-পাল্লা'-র নিয়মে (অর্থাৎ `দাড়ি'-র একদিকের পাল্লা উপরে উঠে গেলে অপরদিকের পাল্লা অবধারিতভাবে নীচের দিকে নেমে যায়) বিরোধী রাজনৈতিক দলের দিকে গণমানুষ ঝুকে পড়ে, এখানে যে theme-টা কাজ করে তা হ'ল, বিরোধী দল কবে কি করেছে, তা ভাবার চেয়ে জনগণ বর্তমান সরকার কি করছে-এটাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার নিজের কৃতকর্মের জন্যই (জনগণকে সবচেয়ে যা বেশী প্রভাবিত করে, সেই দ্রব্যমূল্য ও বিভিন্ন সেবা-মূল্যের উর্ধগতি এবং আইন-শৃঙ্খলার চরম অধঃগতি, আর সেই সাথে সাগর-রুনি হত্যা, ইলিয়াস আলী গুম ইত্যাদির কূল-কিনারা করতে না পারা, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারী, কুইক রেন্টাল বিদ্যুতের নামে নয়ছয়, পদ্মাসেতুর দুর্নীতি, রেল মন্ত্রণালয়ের কালো বেড়ালের দুর্নীতি, ডেসটিনি ইত্যাদির মানুষ ঠকানো, সর্বশেষ হলমার্ক ইত্যাদি কোম্পানীর সরকারী ব্যাংগুলো ডাকাতি ও তার সাথে সরকারের কারো কারো যুক্ত থাকা, ড. ইউনুসসহ মানী ব্যক্তিদের অপমান ইত্যাদি মোটা দাগের অঘটন) ডুবতে বসেছে, সাধারণ মানুষ তো বিরুদ্ধে গেছেই, আমার জানামতে, অনেক বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন আওয়ামী লীগ সমর্থকও মানসিকভাবে সমর্থন প্রত্যাহার করে বসে আছে ; তবে এ-ক্ষেত্রে বিএনপি বা অন্য কোন দলের তেমন কোন কারিশমা নেই। এখন `আগাম নির্বাচন' বা `বাসী নির্বাচন' যা-কিছুই তারা করুক না কেন, তাতে জনগণের স্বাভাবিক নিরপেক্ষ ভোট প্রয়োগে, জোটবদ্ধভাবে হোক বা এককভাবে হোক, আওয়ামী লীগের পরবর্তী বারে রাষ্ট্র-ক্ষমতায় আসার আর কোন সুযোগ দেখছি না, বরং ভরাডুবি হওয়ার আশঙ্কাই প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে।
পাতানো নির্বাচনের যে ছক তারা একেছে, তা বাস্তবায়ন করতে পারলে, তা ভিন্ন কথা, তবে আমাদের আমজনতার বিচারে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে হয়ত তারা ক্ষমতা আকড়ে কিছুদিন ধরে রাখতে পারে, কিন্তু আখেরে তারা আরো বেশী বেশী ডুববে।

Mridul Raihan

Mridul Raihan

২০১২.০৯.২৩ ১১:৪৪
সরকার প্রমান করল ক্ষমতায় থাকাই তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য, দেশ বা জনগন নিয়ে তাদের কোনই মাথাব্যাথা নাই। আবারো হলমার্ক, শেয়ারবাজার, পদ্মাসেতু ইত্যাদির মতো মুখরোচক খাবারের ব্যবস্থা যাতে তাড়াতাড়ি করা যায়।

২০১২.০৯.২৩ ১১:৫৭
টিপু ভাই ‍আপনার কথাটা ঘুরিয়ে বললে বলা যায় পালানোর পথ খুঁজছে সরকার, কিন্তু পালানোর পথ নাই....!!!

২০১২.০৯.২৩ ১২:০৪
সরকার ভুল পথে হাঁটছে

ayub

ayub

২০১২.০৯.২৩ ১২:১৩
Useless article.......only lost of time.

Md Ejabul Haque

Md Ejabul Haque

২০১২.০৯.২৩ ১২:২৬
খুব ভাল চিন্তা /..।

Md. Luthfur Rahman

Md. Luthfur Rahman

২০১২.০৯.২৩ ১২:৫২
আগাম নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা থেকে এক বৎসর কার্টেল করবেন কেন? শাড়ির আশায় তেনা ছিড়তে চান? লাভ হবে না। মনে মনে আত্মতৃপ্তি বোধ করছেন এই ভেবে যে, রাস্তায় রাস্তায় ভিজিএফ-এর চাল ট্রাকের উপর রেখে অপেক্ষা করে বিক্রেতা, ক্রেতা নেই সবাই সুখী হয়ে গেছে! মানুষ কী শুধু চাল খেয়ে বাঁচে? আপানারা ক্ষমতায় আসার সময় একটা হুইল সাবান, একটা লাক্স সাবান, লবণের কেজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম কত ছিল আর এখন কততে গিয়ে দাঁড়িয়েছে-খবর রাখেন। পরিধেয়, বাসা ভাড়াসহ মানুষের প্রাত্যহিক খরচ কত গুণ হয়েছে? বিদ্যুতের দাম কতবার বাড়িয়েছেন? তেল-গ্যাসের দাম কোথায় নিয়ে যেতে চাচ্ছেন? আপনাদের শাসনামলে কত মানুষ খুন, গুম, ধর্ষণ, রাহাজানির শিকার হয়েছেন খবর রাখেন? ব্রিজের উপর থেকে প্রতি রাতে নদীতে কতটি লাশ ফেলা হয় তথ্য আছে? আপনারা যেখানে বাস করেন সেখানে এক সেকেন্ডের জন্যও বিদ্যুৎ লুকায় না, হাইজ্যাকার-ছিনতাইকারী প্রবেশ করে না, চৈত্রের তাপদাহ গায়ে লাগে না, দ্রব্যের মূল্য-অমূল্য সবই আপনাদের কাছে সমান। কারণ এসবের জন্য আপনাদেরকে বাজারে যেতে হয় না। এটাতো কর্মচারীদের কাজ। দয়া করে একবার বাজারে যান ক্রেতাবেশে, জেনে আসুন মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা তারপর আগাম নির্বাচন করে পুনরায় মসনদ দখল করেন-কাঙালের কোনো আবদার থাকবে না!!!

Ripon Paul Sku

Ripon Paul Sku

২০১২.০৯.২৩ ১২:৫৭
আগাম নির্বাচন সমস্যা না। সমস্যা হল সকল দলের সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান।

Faisal

Faisal

২০১২.০৯.২৩ ১৩:০৪
আগাম নির্বাচন? প্রশ্নই ওঠে না! কারন, এখন সবাই আখের গোছাতে ব্যাসত।
বিএনপি এখন নির্জীব, নিষ্ক্রিয় বটে, কিন্তু মহাজোটের এতোটা আত্মবিশ্বাস নেই যে, তাদের অধীনে আগাম নির্বাচন হবে আর জনগণ সদলবলে তাদের ভোট দেবে।তাহলে ডিসিসি নির্বাচন দিয়ে তারা অনেক আগেই ঢাকার রাজনৈতিক ময়দান নিজেদের কবজা করে নিত।

T Alahee

T Alahee

২০১২.০৯.২৩ ১৩:১৬
জনমতকে এড়ানোর জন্য নানারকম তালবাহানা দেখতে পাচছি। এমনকি এরশাদের মুখে নির্বাচন না হওয়ার কথাও শুনা যাচ্চে। এসব করে কোন লাভ নাই। মুক্ত পরিবেশে জনগনের মুখোমুখি হতেই হবে, জনগন না চাইলে যতই ধানাইপানাই করা হোক না কেন বাংলাদেশে টিকে থাকা সমভব নয়। আর জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে না- এটা বাংলাদেশে কলপনারও বাইরে।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৯.২৩ ১৩:১৬
আবার আসিবো ফিরে ,
আগাম নির্বাচন করে,
হয়তো গণতন্ত্রের আলখেল্লা পরে নয় ,
পুরাদস্তুর স্বৈরশাসকের বেশে !

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.০৯.২৩ ১৩:২৪
পুনরায় ক্ষমতায় আসার জন্য সরকার যত চালাকি করে যাচ্চে তার সামান্য উননয়ন মুলক কাজ যদি করত এত দিনে, জনগনই আবার তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিত।লুটপাট , দলিয়করন এর Record করে আবার ক্ষমতায় আসার যত বুদ্দি করুক জনগন যা চাইবে তাই হবে।

Ripon Paul Sku

Ripon Paul Sku

২০১২.০৯.২৩ ১৩:৩২
আগাম নির্বাচন সমস্যা না। সমস্যা হল সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা

Raihan

Raihan

২০১২.০৯.২৩ ১৩:৫৪
Rumor of early election or later will not germinate any sweet flavour for present government because they totally failed to handle some major and vulnerable issues like share market scam, Sagor-Runi's killings, force disappearance, railway's employees recruitment scam, UniPay2U scam, Destiny scam, Padma Bridge bribe scam and latest illegal loan approval of Hall Mark group. Mishandling of these social and money market scams made a deep wound in people's mind.
২০১২.০৯.২৩ ১৫:৪০
আগাম নির্বাচন কেন হবে ?

Nahian Salehin

Nahian Salehin

২০১২.০৯.২৩ ১৬:৫৪
আগাম নির্বাচনে নৌকা আগাম ডুববে, তা ছাড়া আর কি !!

tushar

tushar

২০১২.০৯.২৩ ১৯:৩২
পদমা বিরিজ সময় মত না বানাইতে পারার কারনে আগেই ইলেকশান দেয়া লাগত।