গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, ট্রেনের ধাক্কায় ছাত্র নিহত
রাজধানীর দক্ষিণখানে মোছাম্মৎ মিনা (২৬) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে বাসা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী আবদুল হাফিজ পলাতক।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় তাহেদুল হক (২০) নামের এক ছাত্র মারা গেছেন। তিনি ফার্মগেট এলাকার আইডিয়াল কমার্স কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে দক্ষিণখানের সায়েদাবাদের একটি বাড়ির চারতলা থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মেঝেতে পড়ে ছিল। সারা শরীরে ছিল আঘাতের চিহ্ন। লাশ পচে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে অন্তত দুদিন আগে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
এসআই বলেন, এক বছর আগে মিনা ও আবদুল হাফিজ স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আক্তারুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ওই বাসার চারতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। আক্তারুজ্জামান ওই বাসায় একা থাকতেন। মিনা ও হাফিজের কক্ষটি কয়েক দিন ধরে বন্ধ থাকায় এবং দুর্গন্ধ পাওয়ায় আক্তারুজ্জামান পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে বিকল্প চাবি দিয়ে দরজা খুলে লাশ উদ্ধার করে। আবদুল হাফিজকে পাওয়া যায়নি। আক্তারুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মিনার গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হলেও তাঁর কোনো স্বজনের খোঁজ মেলেনি। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, গতকাল বেলা একটার দিকে তেজগাঁওয়ের তেজকুনিপাড়ার ফকিরনি বাজার এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় তাহেদুল হক মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা সাংবাদিকদের জানান, বাজারসংলগ্ন রেললাইন ঘেঁষে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন তাহেদুল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি ট্রেন তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাহেদুলের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে। বাবা মফিজুল হক।
কমলাপুর রেলওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।







Ibrahim
২০১২.১২.১৯ ১৭:৪৬