স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধন্যবাদ
বাম দলগুলোর ব্যতিক্রমী হরতাল
সিপিবি ও বাসদের কর্মীরা গতকালের হরতালে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। নিজেদের উদ্দীপ্ত রাখতে তাঁরা রাজপথে খণ্ড খণ্ডভাবে জমায়েত হয়ে গণসংগীত পরিবেশন করেন। ছবিটি শাহবাগ এলাকা থেকে তোলা
প্রথম আলো
বাজছে ঢোল, গিটার। চার রাস্তার মাঝে গোল হয়ে বসে গলা ছেড়ে গান গাইছেন কয়েকজন তরুণ-তরুণী। এক পাশে থেমে থেমে চলছে বক্তৃতা।
বাম দলগুলোর ডাকা হরতালে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ের দৃশ্য ছিল এমনই। হরতালের কেন্দ্রস্থল পল্টন মোড়েও বক্তৃতার পাশাপাশি গণসংগীত পরিবেশিত হয়েছে। সারা দেশেই পুলিশের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে ব্যতিক্রমী এ হরতাল।
জামায়াতে ইসলামীসহ সাম্প্রদায়িক ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধ করা, দ্রুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আশুলিয়ায় তৈরি পোশাক কারখানায় আগুন লাগার ঘটনায় মালিকসহ দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি এবং জনজীবনের সংকট নিরসনের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) হরতালের ডাক দেয়। এ ছাড়া গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদসহ সাত দফা দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চাও হরতালের ডাক দেয়। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে: তাজরীন পোশাক কারখানায় শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা, রাষ্ট্র থেকে ধর্মকে আলাদা করা, অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিচার, সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং সুন্দরবন ধ্বংসের ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প’ বাতিল করা।
হরতালের মূল কেন্দ্রস্থল ছিল পল্টন মোড়। এখানেই সিপিবি, বাসদ ও বাম মোর্চার কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পল্টন মোড়ের দুই পাশে পৃথক মাইকে দুই জোটের নেতারা দিনভর বক্তব্য দেন। শাহবাগ মোড় ও সংলগ্ন এলাকায় ছিলেন প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীরা। পল্টন, প্রেসক্লাব, জিরো পয়েন্ট, দৈনিক বাংলা, বিজয়নগর, শাহবাগ, পরীবাগ এলাকায় দুপুর পর্যন্ত হরতালের সমর্থনে খণ্ড খণ্ড মিছিল হয়েছে। এ ছাড়া মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, জিগাতলা, কামরাঙ্গীরচর বেড়িবাঁধ, মালিবাগ, সদরঘাট, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও তেজগাঁও এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল হয়েছে। মিছিলকারীদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও দলীয় প্রতীকসংবলিত পতাকা।
সকাল থেকেই পল্টন আর শাহবাগমুখী সড়কগুলো বন্ধ করে দেয় পুলিশ। রাজধানীর বাংলামোটর, রূপসী বাংলা (সাবেক শেরাটন) মোড়, মৎস্য ভবন মোড়, প্রেসক্লাবের সামনে, বিজয়নগর, জিরো পয়েন্ট, দৈনিক বাংলা এলাকায় পুলিশ রাস্তার ওপর বাঁশ ফেলে, গাড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাংলামোটর মোড়ে দেখা যায়, কারওয়ান বাজার থেকে শাহবাগমুখী সড়কের ওপরে বাঁশ ফেলে রেখেছে পুলিশ। দুজন ট্রাফিক সদস্য ও একজন সার্জেন্ট যানবাহনগুলোকে নিউ ইস্কাটন রোডের দিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গামী অ্যাম্বুলেন্সও ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
বাংলামোটর মোড়ে শাহবাগগামী এক চিকিৎসককে রিকশা থেকে নামিয়ে দেয় পুলিশ। ওই চিকিৎসক বলেন, পুলিশ যানবাহনগুলোকে নিউ ইস্কাটন রোডের দিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু তিনি যাবেন বারডেম হাসপাতালে। বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পরও পুলিশ তাঁকে রিকশা থেকে নামিয়ে দিয়েছে। পুলিশের ভূমিকা দেখে তাঁর মতো অনেকেরই মনে হয়েছে, এই হরতালের প্রতি সরকার বা পুলিশের সমর্থন ছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধন্যবাদ: সারা দেশে শান্তিপূর্ণ হরতাল হওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর সিপিবি ও বাসদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। গতকাল সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রমনায় ইউবিএল ক্রসিংয়ে একটি লেগুনার কাচ ভাঙা ছাড়া সারা দেশে কোথাও বিশৃঙ্খলা হয়নি। এ জন্য তাদের কোথাও বাধা না দিয়ে পুলিশ বরং সহযোগিতা করেছে। বিশৃঙ্খল ও ধ্বংসাত্মক হরতাল পালনকারীদের এ হরতাল থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।
পল্টন এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশের সহকারী কমিশনার নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শান্তিপূর্ণ হওয়ায় পুলিশ হরতালের সমাবেশে কোনো বাধা দিচ্ছে না।
দুপুরের পর বাস চলেছে: গতকাল সকালের দিকে রাজধানীর রাস্তায় তেমন বাস দেখা না গেলেও দুপুরের পর বাস চলাচল করেছে। অন্য হরতালে বিআরটিসির বাস চললেও গতকাল দুপুর পর্যন্ত চলেনি। নগরজুড়ে কিছু রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও হিউম্যান হলার চলাচল করেছে। তবে অন্যান্য হরতালের তুলনায় গতকাল রাস্তায় মানুষ ছিল বেশি। এ কারণে বাসস্টপগুলোতে দিনভর ছিল বিপুল মানুষের ভিড়।
একটি বহুজাতিক বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা কাজী মকবুল হোসেন বলেন, সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে দেখেন, রাস্তা ফাঁকা। রিকশা-বাস কিছুই নেই। শেষে উত্তরা থেকে কিছুটা হেঁটে, কিছুটা রিকশায় বিমানবন্দর পর্যন্ত এসে একটি হিউম্যান হলারে আগারগাঁও পর্যন্ত এসেছেন।
একাধিক বাসকর্মী জানিয়েছেন, সরকার-সমর্থক শ্রমিক ও মালিকেরা গাড়ি বের করতে বাধা দিয়েছেন। স্থানীয় থানার পুলিশও গাড়ি বের করতে নিষেধ করেছে।
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, সাধারণ পরিবহনমালিকেরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ডাকা হরতালের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। এ কারণে তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন। সমিতির পক্ষ থেকেও কাউকে গাড়ি বের করতে জোর করা হয়নি।
প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা জানান, সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। যানবাহন-দোকানপাট বন্ধ ছিল। হরতাল পালনকারীদের সহযোগিতা করেছে পুলিশ। জামায়াত-শিবিরের কর্মী-সমর্থকেরা হরতালকারীদের ওপর যাতে হামলা করতে না পারে, সে জন্য কোথাও কোথাও সতর্ক পাহারায় ছিল পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলন: হরতাল শেষে বিকেলে পুরানা পল্টনে সিপিবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হরতাল সফল হয়েছে বলে দাবি করেন সংগঠনটির সভপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। এ সময় বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামানসহ দুই দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। হরতাল সফল করায় পরিবহন ও পোশাকশ্রমিকদেরও ধন্যবাদ জানানো হয়। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, মৌলবাদী দল, র্যাব ও পুলিশ বাধা দিলেও হরতাল সফল হয়েছে। র্যাব-পুলিশের হামলায় ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং ২০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এই দুই দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে: ২৮ ডিসেম্বর বেলা তিনটায় প্রেসক্লাবের সামনে মিছিল-সমাবেশ, ১ জানুয়ারি সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দিবস পালন, এ ছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচার, জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক দলগুলোর রাজনীতি নিষিদ্ধ, তেল-গ্যাসের দাম কমানোসহ বিভিন্ন দাবিতে ৩ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত জাগরণ কর্মসূচি। ওই পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ২৬টি জনসভা, ৫১টি সমাবেশ ও পথসভা করা হবে।
গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল সফল করার জন্য জনগণকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।







Babul Nokrek
২০১২.১২.১৯ ০৩:৫৫মোহাম্মাদ
২০১২.১২.১৯ ০৪:০০Mohammad Siam Hossain Khan
২০১২.১২.১৯ ০৪:০০sabbir
২০১২.১২.১৯ ০৭:৪৮বাবুল করিম
২০১২.১২.১৯ ০৮:৩৫Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.১৯ ০৮:৪১ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.১২.১৯ ০৮:৪৬রিপন ঘোষ
২০১২.১২.১৯ ০৮:৪৯MD FARUK KHAN
২০১২.১২.১৯ ০৮:৫৫S. A. Jahan
২০১২.১২.১৯ ০৯:২৯Abul
২০১২.১২.১৯ ১০:০০
২০১২.১২.১৯ ১০:০৪M Mafruhi Sattar
২০১২.১২.১৯ ১০:৩৬
২০১২.১২.১৯ ১০:৩৮পঙ্কজ নাথ Pankaj Nath
২০১২.১২.১৯ ১০:৪০কারণ বাম দলগুলো তৃতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার চেয়ে বড় কোনো দল বা ক্ষমতাসীনদের লেজুড়বৃত্তিই পছন্দ করে বেশি। এজন্য তারা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে বড় দলের মার্কায় ভর করে সংসদে যেতেও দ্বিধা করে না। মার্কসবাদীরা সরকারী দল এবং পুলিশের নজিরবিহীন ব্যবস্থাপনায় হরতাল করে। হায় বড় বিচিত্র এদের মতিগতি। অচিরেই আমরা হয়তো দেখবো মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ইনু-মেননদের বড় দলের মার্কা নিয়ে সংসদে যাবে।
Sultana
২০১২.১২.১৯ ১০:৪৪পঙ্কজ নাথ Pankaj Nath
২০১২.১২.১৯ ১০:৪৫Kamruzzaman
২০১২.১২.১৯ ১০:৫৩সকাল থেকেই পল্টন আর শাহবাগমুখী সড়কগুলো বন্ধ করে দেয় পুলিশ। রাজধানীর বাংলামোটর, রূপসী বাংলা (সাবেক শেরাটন) মোড়, মৎস্য ভবন মোড়, প্রেসক্লাবের সামনে, বিজয়নগর, জিরো পয়েন্ট, দৈনিক বাংলা এলাকায় পুলিশ রাস্তার ওপর বাঁশ ফেলে, গাড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাংলামোটর মোড়ে দেখা যায় কারওয়ান বাজার থেকে শাহবাগমুখী সড়কের ওপরে বাঁশ ফেলে রেখেছে পুলিশ। দুজন ট্রাফিক সদস্য ও একজন সার্জেন্ট যানবাহনগুলোকে নিউ ইস্কাটন রোডের দিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গামী অ্যাম্বুলেন্সও ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। বি.আর.টি.সি. বাসও রাস্তায় নামানো হয় নাই নিরাপত্তার কারণে। হায়রে দেশ !!

২০১২.১২.১৯ ১১:১১"বিচিত্র হরতাল : সরকারপন্থী বাম, পুলিশ ও বিআরটিসির যৌথ কর্মসূচি"
Reza Mohiuddin
২০১২.১২.১৯ ১১:৩৬friendly that they helped the picketers in restricting the vehicles on road. Hon'ble Minister for
Home was happy with the performance of the peaceful, non-violent picketers and the police.
We want to see this type of non-violent government backed hartals in future.
Ronju Khan
২০১২.১২.১৯ ১১:৩৯Md.Ibrahim
২০১২.১২.১৯ ১১:৪০Shah Paran
২০১২.১২.১৯ ১১:৫১শান্তি পূর্ণ হরতালের ফলাফলের অপেক্ষায় রইলাম।
Zakir Hossain
২০১২.১২.১৯ ১১:৫৪মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #
২০১২.১২.১৯ ১১:৫৮তা না হ'লে, যেখানে সরকারের তরফে হরতাল ঠেকানোর কথা সেখানে সে তাতে প্রচ্ছন্ন সমর্থন দেয় ?
তা না হ'লে, যেখানে পুলিশকে অন্যান্য হরতালে পিকেটারদের ঠেকাতে মারমুখী হতে দেখা গেছে, সেখানে এ-হরতালে হরতাল-ডাকা দলের পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায়, তার অভাব পূরণ করে, পুলিশই পিকেটারের ভূমিকা গ্রহণ করে ?
তা না হ'লে, যেখানে এ-যাবতকালের সকল হরতালে বিআরটিসির গাড়ী চললেও, একমাত্র কালকের হরতালেই ওগুলো হরতাল-বান্ধব ভূমিকা নিয়ে রাস্তায় নামা থেকে বিরত থেকেছে ?
তা না হ'লে, যেখানে অন্যান্য হরতালের বিরুদ্ধে সরকারের বাগযন্ত্র অবিরাম সচল থাকে, সেখানে ঐ হরতালেই কোন বিরুদ্ধবাদী কথা না বলে বিরত থাকে ?
তা না হ'লে, যেখানে সকল হরতালে দেশের ক্ষতি হওয়ায় অন্যান্য হরতালের বিরুদ্ধে এ-যাবতকালে সরকার নিন্দাই জানিয়েছে, সেখানে ঐ হরতালের জন্য ধন্যবাদ জানায় ?
সর্বশেষে বলা যায়- ঐ হরতালটা আসলে ছিল বামদলের ছদ্মাবরণে `সরকারী হরতাল', যা দেশের আমজনতা বেশ ভালভাবেই বুঝতে পেরেছে।
shahjahan
২০১২.১২.১৯ ১২:০১Md. Rabiul Islam
২০১২.১২.১৯ ১২:০২Hasnath
২০১২.১২.১৯ ১২:১৮Mohiuddin
২০১২.১২.১৯ ১২:৫৫বিশ্বজিত্ হত্যার পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বললেন, হত্যাকারীদের কয়েকজন বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে জড়িত। কয়েকজনের আত্মীয়স্বজন মাদরাসার অধ্যক্ষ। আমাদের প্রশ্ন ওলামা লীগের নেতারা কি হার্বার্ড বা অক্সফোর্ডের ছাত্র?
মখা আলমগীর ধন্যবাদ দিলেন হরতার সফল করার জন্য!!! কাকে??? অন্যদল হরতাল ডাকলে দা আর বটি মিছিল,কসাইর ছোরা মিছিল, চাপাতি মিছিল, অস্ত্র মিছিল, আওয়ামী পুলিশ লীগের টিয়ার গ্যাস আর লাঠিবাজির চমতকার মহড়া। পুলিশ লীগ দিয়ে পিকেটিং করে যানবাহন বন্ধকরে মানুষকে গাড়ী থেকে নামিয়ে দেয়া হল। কোথাও মোবাইলের সাথে হ্যান্ড মাইক লাগিয়ে হিন্দি গান চালিয়ে রাস্তা দখল করে পুলিশের পিকেটিং-যার জন্য ধন্যবাদ দিলেন মখা সাহেব তার জাতীয় পুলিশ লীগকে? এই বীজয়ের হরতাল নিষিদ্ধের মাসে ১২জন লোককে গিটার হাতে রাস্তায় বসিয়ে দিয়ে নাটক না করলেও চলত। ছাত্রলীগ হুমকি দিলো বাসমালিকদের বাস না নামানোর জন্য আর বিআরটিসি বাংলাদেশের হরতালের ইতিহাসে বিরল রেকর্ড সৃষ্টি করলো হরতালে সমর্থন দিয়ে। বাংলাদেশের মানুষ দেখলো আওয়ামী চরিত্র। এতদিন বিরোধী দলে যেয়ে না হয় হরতাল করে অঙ্গীকার ভঙ্গ করলো কিন্তু এই বিজয়ের মাসে? তাও আবার সরকারী দল হরতাল করে কি মারাত্মক ইতিহাসই না সৃষ্টি করলো। বিচিত্র আওয়ামী লীগ আর এর চাইতেও বিচিত্র আমাদের স্ব-রাস-টম-নত্রি-মখা আলমগীর সাহেব। হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ-------- যাক এই শীতের দিনে অন্তত একটু হাসালেন জাতিকে।
Rakib
২০১২.১২.১৯ ১৩:৩২Md. Mahbubur Rab
২০১২.১২.১৯ ১৩:৫২Morshedulislam
২০১২.১২.১৯ ১৬:৩৫নয়ন ১৭
২০১২.১২.১৯ ১৮:০৮Russell
২০১২.১২.১৯ ১৮:৪৩Khairul Basher
২০১২.১২.১৯ ১৯:০৭shawkat hossain
২০১২.১২.১৯ ২২:৩৮