দেশের সব সম্ভাবনা পচিয়ে দিয়েছে দুই দল: ড. কামাল
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল জাতীয় ঐক্যের ডাক অনুষ্ঠানে বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন
ছবি: প্রথম আলো
গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘দেশের সব সম্ভাবনাকে পচিয়ে দিয়েছে দুই দল। তাই মানুষকে বোঝাতে হবে, ক্ষমতা তাদের। ক্ষমতা দুই দলের কাছে ইজারা দেওয়া হয়নি।’
গণফোরাম ও বিকল্পধারা বাংলাদেশ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা ও জাতীয় ঐক্যের ডাক অনুষ্ঠানে ড. কামাল এসব কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি আবদুর রউফ।
ড. কামাল বলেন, ‘সব মানুষের মধ্যে কিছু লোভ আছে। কিন্তু সীমাহীন লোভ অন্যকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়। তাই যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তাঁদের বিনীতভাবে বলছি, আত্মসমালোচনা করুন, দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার রাজনীতি পরিহার করুন।’
বিকল্পধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্বজিৎকে বিএনপির কর্মী ভেবে হত্যা করা হয়েছে। তার মানে কি বিএনপির কর্মী হলে যাকে-তাকে হত্যা করা যাবে? কে এই শিক্ষা দিয়েছে! আমাদের সমাজে এ শিক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি আরও বলেন, বিশ্বজিৎ হত্যার প্রথম পর্বের বিচার ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। জনগণ সরকারকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে।
বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য জাতীয় ঐক্যের দরকার। আমরা কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই।’
বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান বলেন, বর্তমান সরকারের জন্ম হয়েছে এক-এগারোর ঘটনা থেকে। কিন্তু এ থেকে তারা কোনো শিক্ষা নেয়নি। উল্টো ক্ষমতা দখল করার ষড়যন্ত্র করছে।
রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যেখানে নিরীহ বিশ্বজিৎকে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যা করা হয়, সেখানে বিজয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। যেখানে মানুষ মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে কাঁদতে দেখা যায়, সেখানে বিশ্বজিৎ মারা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ-বিএনপির একজন নেতাকেও কি কাঁদতে বা অনুশোচনা করতে দেখা গেছে?’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি এমন নেতৃত্ব ও নেত্রী থেকে মুক্তি চাই। উত্তরাধিকারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আমি জীবন দিতে পারব না।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিকল্পধারার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণফোরামের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. শাসুদ্দোহা, সুব্রত রায় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন, মো. ইউসুফ, আ অ ম শফিক উল্লাহ, শাহ আহমেদ, আসাদুজ্জামান প্রমুখ।







Md Nazrul
২০১২.১২.১৯ ০৩:৫৪MD. Rokon Uddin Emu
২০১২.১২.১৯ ০৪:২১Sayeed Babu
২০১২.১২.১৯ ০৪:৩৩Mukul
২০১২.১২.১৯ ০৪:৪৯Muzibur rahman
২০১২.১২.১৯ ০৫:৫৬ivan rahman
২০১২.১২.১৯ ০৬:১১Samara
২০১২.১২.১৯ ০৬:৫২syed
২০১২.১২.১৯ ০৬:৫৯Md. sadiq
২০১২.১২.১৯ ০৭:১১Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.১৯ ০৮:১৮MD FARUK KHAN
২০১২.১২.১৯ ০৮:২২muhammadullah
২০১২.১২.১৯ ০৮:২৪Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.১৯ ০৮:২৪ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.১২.১৯ ০৮:৩৩
২০১২.১২.১৯ ০৯:০৩FM Shiplo
২০১২.১২.১৯ ১০:০৪Inspiration
২০১২.১২.১৯ ১০:২৭এবং নতুন কোন দল দেখতে চাই আগামি নির্বাচনএ....আপনি এগিয়ে চলেন ডঃকামাল
Dr M Mohsin
২০১২.১২.১৯ ১০:৪১Ataur Rahman
২০১২.১২.১৯ ১১:২২Moniruzzaman
২০১২.১২.১৯ ১১:২৪সত্যিই কি তাই?? আপনি কিংবা বদরুদ্দোজা সাহেব দুজনই তো দুটো প্রধান দলের প্রথম সারির কাণ্ডারি ছিলেন। দল পচে গেছে ভেবে দল ত্যাগ করেছেন- কিন্তু জনগণ কি পেয়েছে আপনাদের কাছ থেকে?? ফ্রাংকেনস্তাইন তৈরি করে জনগণকে তার মুখে ঠেলে দিয়ে ভেগে পরেছেন। বদরুদ্দোজা সাহেবকে জিজ্ঞাসা করুন বলবেন উনিই বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা অথচ কি আদর্শে, লক্ষে দল গঠন করেছিলেন আর কি কারণে ত্যাগ করলেন তা কিন্তু পরিস্কার করলেন না। কামাল সাহেব বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে কাছের সহচর ছিলেন, কিভাবে ইতিহাস পাল্টে গেল, দল বেহাত হয়ে গেল উনি তা বলেনা। যা বলেন তাতে নিজের ডোল নিজে পেটানোর মতো দশা হবে, সমর্থন আসবেনা। আগে নিজের অবস্থান পরিস্কার করুন তারপর দেখা যাবে।
আর এখন সরকার শুধু তত্ববধায়ক দানবটিকে পরিহার করতে পারলে আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ উন্নতি করতে বেশী সময় লাগবে না। দয়া করে সমর্থন দিন। সাহার্য্য,সহযোগিতা দিন।
আর আপনারা ক্ষমতায় যাবার ধান্দা বাদ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করুন।
Mrinal Kanti Deb
২০১২.১২.১৯ ১১:২৬আলী আহাম্মেদ ( সুমন )
২০১২.১২.১৯ ১২:০৯Rohan Issan
২০১২.১২.১৯ ১২:১১দেলোয়ার হোসেন
২০১২.১২.১৯ ১২:১৪আপদ-বিপদের কবল থেকে আমাদের উদ্ধার করুন, দুর্নীতিবাজদের খপ্পর থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচান',প্লীজ ।
Abul Hossain
২০১২.১২.১৯ ১৩:১৪Ivan Hussain
২০১২.১২.১৯ ১৩:৪১Saifur Rahman
২০১২.১২.১৯ ১৩:৫৫shaheen
২০১২.১২.১৯ ১৫:২৫Mohon Khan
২০১২.১২.১৯ ১৫:৩৬Osman Shekh
২০১২.১২.১৯ ১৬:৪৯Zahirul Bhuiyan
২০১২.১২.১৯ ১৭:৪২Ehsan
২০১২.১২.১৯ ১৭:৫৫sotyo droshta
২০১২.১২.১৯ ১৮:৪৫Anwarul Haque
২০১২.১২.১৯ ১৯:০১