• হোম
  • সারা দেশ
  •   দেশের সব সম্ভাবনা পচিয়ে দিয়েছে দুই দল: ড. কামাল

দেশের সব সম্ভাবনা পচিয়ে দিয়েছে দুই দল: ড. কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-১২-২০১২

  • ৩৯ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল জাতীয় ঐক্যের ডাক অনুষ্ঠানে বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল জাতীয় ঐক্যের ডাক অনুষ্ঠানে বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন

ছবি: প্রথম আলো

গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘দেশের সব সম্ভাবনাকে পচিয়ে দিয়েছে দুই দল। তাই মানুষকে বোঝাতে হবে, ক্ষমতা তাদের। ক্ষমতা দুই দলের কাছে ইজারা দেওয়া হয়নি।’
গণফোরাম ও বিকল্পধারা বাংলাদেশ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা ও জাতীয় ঐক্যের ডাক অনুষ্ঠানে ড. কামাল এসব কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি আবদুর রউফ।
ড. কামাল বলেন, ‘সব মানুষের মধ্যে কিছু লোভ আছে। কিন্তু সীমাহীন লোভ অন্যকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়। তাই যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তাঁদের বিনীতভাবে বলছি, আত্মসমালোচনা করুন, দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার রাজনীতি পরিহার করুন।’
বিকল্পধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্বজিৎকে বিএনপির কর্মী ভেবে হত্যা করা হয়েছে। তার মানে কি বিএনপির কর্মী হলে যাকে-তাকে হত্যা করা যাবে? কে এই শিক্ষা দিয়েছে! আমাদের সমাজে এ শিক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি আরও বলেন, বিশ্বজিৎ হত্যার প্রথম পর্বের বিচার ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। জনগণ সরকারকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে।
বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য জাতীয় ঐক্যের দরকার। আমরা কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই।’
বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান বলেন, বর্তমান সরকারের জন্ম হয়েছে এক-এগারোর ঘটনা থেকে। কিন্তু এ থেকে তারা কোনো শিক্ষা নেয়নি। উল্টো ক্ষমতা দখল করার ষড়যন্ত্র করছে।
রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যেখানে নিরীহ বিশ্বজিৎকে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যা করা হয়, সেখানে বিজয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। যেখানে মানুষ মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে কাঁদতে দেখা যায়, সেখানে বিশ্বজিৎ মারা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ-বিএনপির একজন নেতাকেও কি কাঁদতে বা অনুশোচনা করতে দেখা গেছে?’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি এমন নেতৃত্ব ও নেত্রী থেকে মুক্তি চাই। উত্তরাধিকারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আমি জীবন দিতে পারব না।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিকল্পধারার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণফোরামের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. শাসুদ্দোহা, সুব্রত রায় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন, মো. ইউসুফ, আ অ ম শফিক উল্লাহ, শাহ আহমেদ, আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Md Nazrul

Md Nazrul

২০১২.১২.১৯ ০৩:৫৪
You got one vote from me. Go ahead, we need leader like you guys. Make sure you got candidate for every seats. Change is coming. It's just a matter of time that inheritance politics coming to an end soon.

MD. Rokon Uddin Emu

MD. Rokon Uddin Emu

২০১২.১২.১৯ ০৪:২১
"সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ" শব্দটি এখনো অভিধানেই রয়ে গেছে।এখন জাদুঘরে যাওরার অপেক্ষায়।

Sayeed Babu

Sayeed Babu

২০১২.১২.১৯ ০৪:৩৩
Dr. Kamal is right. These two parties are the root of all evils in Bangladesh. Voters of Bangladesh should teach them a leason.

Mukul

Mukul

২০১২.১২.১৯ ০৪:৪৯
Dear Manna, You are suffering pain from not to get position in AL CEC or in the govt. But your current position in society is due to your affiliation with AL and lateral entry into committee due AL chief. i am sure you would more than loyal if you were given at least a party CEC membership. Please think about your former BSD colleagues!

Muzibur rahman

Muzibur rahman

২০১২.১২.১৯ ০৫:৫৬
Politics are not in control under politicians. This has gone under mafia DONs.

ivan rahman

ivan rahman

২০১২.১২.১৯ ০৬:১১
রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যেখানে নিরীহ বিশ্বজিৎকে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যা করা হয়, সেখানে বিজয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। যেখানে মানুষ মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে কাঁদতে দেখা যায়, সেখানে বিশ্বজিৎ মারা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ-বিএনপির একজন নেতাকেও কি কাঁদতে বা অনুশোচনা করতে দেখা গেছে?’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি এমন নেতৃত্ব ও নেত্রী থেকে মুক্তি চাই। উত্তরাধিকারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আমি জীবন দিতে পারব না।’

Samara

Samara

২০১২.১২.১৯ ০৬:৫২
জাতির প্রতি আপনাদের একটা দায়িত্ব আছে, আপনারা সভা সমাবেশে এসব কথা না বলে সরাসরি রাজনীতির মাঠে নেমে পড়েন, আমরা আমাদের ক্ষমতা অনুযায়ী আপনাদের সমর্থন দেব। আমরা দুই নেত্রী ও তাদের দূর্নীতিবাজ দলীয়কর্মীদের কান্ডকারখানায় অতিষ্ঠ।

syed

syed

২০১২.১২.১৯ ০৬:৫৯
Please call for only one thing "We do not want term for PM for more than two term and change constitution". All problem of Bangladesh in politics will be solved.

Md. sadiq

Md. sadiq

২০১২.১২.১৯ ০৭:১১
Actually country divided towards two families.

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.১২.১৯ ০৮:১৮
আসলে সবাই বেশি কথা বলে। কথা কম বলে যদি কাজ বেশি করা হত তাহলেই চলতো।

MD FARUK KHAN

MD FARUK KHAN

২০১২.১২.১৯ ০৮:২২
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৯৯৫ সালের বিজয়ের মাসে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে টানা ৭২ ঘণ্টা হরতালসহ মোট চার দিন হরতাল, বিক্ষোভ মিছিল, মশাল মিছিল এবং রাজপথ, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধ করেছিল আওয়ামীলিগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দাবি করে, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি হয়েছে আর এই কারণে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াতে মানুষ হত্যার মত শক্তির মহড়া দেখিয়েছে যে কারনে ৯ ডিসেম্বর সকালে পথচারী ও দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎকে পিটিয়ে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।তার মানে বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ছাদ থেকে ধরে ধরে ছাত্রদের ফেলে দেয়া,সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আবাসিক হল পুড়িয়ে ফেলা সহ মানুষ খুন,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ধর্ষণ, আর গুম করতে পারলেই তারা আওয়ামীলিগের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রহণ যোগ্যতা পাবে আর তারাই পরবর্তীতে আওয়ামীলিগের নেতা আর কেন্দ্রীয় কমিটির নীতি নিদ্ধIরক হিসাবে নিয়োগ পাবে।বাহ,বাহ,বাহ কি অমায়ীক পদ্ধতী।আর ত্রগুলো ঢাকার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির নীতি নিদ্ধIরকরা মিাডিয়Iর সামনে প্রকাশ্যে মিথ্যiচার আর আবুল তাবুল বকছেন।সরকার জনগনকে এত বোকা ভাবে । এরা নিজেরা জঙ্গিবাদের মত দিনে দুপুরে মানুষ হত্যা করে রাষ্ট্রদ্রোহের মত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, খুন, গুম, হত্যা সহ আরো হাজারো স্বাধীনতা বিরোধি অপরাধ করছে যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছবি ও ভিডিওচিত্র প্রচারিত হচ্ছে । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আর রাষ্ট্রপতির নির্দেশে দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একের পর এক মুক্তি দিয়ে জনগনকে ভীত ও জিমমি করে পুনরায় ক্ষমতায় আসার একটI পায়তারা করছে যা একটি দল ও জাতির জন্ন লজ্জ্যা জনক ও বিনাস হওয়ার সহজ পথ।আওয়ামীলিগ নাকি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি !ভাবতে অবাক লাগে।স্বাধীনতার কথা বেচে বেচে দেশের জনগনকে পরাধীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।জনগনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে সত্য তুলে ধরুন ও নিজ নিজ দলের আত্বসমালচনা করে দেশ ও দেশের জনগণকে বিশ্বের দরবারে উন্নতি ও সম্মানিত করার চেষ্টা করুন। নতুবা ইতিহাসের আস্তা খুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।

muhammadullah

muhammadullah

২০১২.১২.১৯ ০৮:২৪
জনগন তো আপনাদের প্রতি তাকিয়ে ছিল, কিন্তু সংকটময় মূহুর্তে আপনারা জনগনকে কাংখিত একটি দল উপহার দিলেন না।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.১২.১৯ ০৮:২৪
আমার মতে, যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠ নির্বাচন হবে বলছেন তারা এক ধরণের মিথ্যা রাজনৈতিক মানবতা দেখাচ্ছেন। এটা রাজনৈতিক মানবতা। কিন্তু এটা ন্যায়ের রাজনীতি না।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.১২.১৯ ০৮:৩৩
সামন্ত প্রথায় অভ্যস্ত বাংগালি জাতি [যার রক্তে মিশে আছে অভ্যাস যা আজও পরিত্যাগ করতে পারেনি ] জানিনা কবে এই অভ্যাস থেকে পরিত্রান পাবে। সাধারন জনগনের কথা বাদ দিলেও যে সব নেতা দু দলে বর্তমান তারা ও রক্তের ধারা থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন মন মানসিকতার বিকাশ ঘটাতে পারেন নি। তাই পরিবারতন্ত্রকে কুর্নিশ করে যাচ্ছেন ।

২০১২.১২.১৯ ০৯:০৩
স্যার আপনারা ১০০% রাইট। বাট, এই দুইদল জনগ নের চরিত্র নষ্ট করে ফেলেছ। সন্ত্রাসি লালন পালন, টেন্ডারবাজি, দলীয়করন এক কথায় যতরকম অপকরম আছে তা এই দুইদল জনগনের মধ্যে বিলি করে দিয়েছে। শিখিয়ে দিয়েছে কি ভাবে ২নং পথে আয় করা যায়। সন্ত্রাসি করেও নিরাপদে থাকা যায়। দুরনীতির বিষবাষ্প ছড়িয়ে সবোত্র। জন গ ন কে আপনারা আর বোঝাতে পারবেন না। কারন মানুষের বিবেককে এরা মেরে ফেলেছে। আহা আমার সোনার বাংলা!!!!!!!! তোর জন্য এখন কেবল করুনাই হয়।
২০১২.১২.১৯ ০৯:৫৩
যেখানে নিরীহ বিশ্বজিৎকে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যা করা হয়, সেখানে বিজয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। যেখানে মানুষ মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে কাঁদতে দেখা যায়, সেখানে বিশ্বজিৎ মারা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ-বিএনপির একজন নেতাকেও কি কাঁদতে বা অনুশোচনা করতে দেখা গেছে?

FM Shiplo

FM Shiplo

২০১২.১২.১৯ ১০:০৪
100 % agree with Dr. Kamal. People did not give to Power as lease to two parties. Please sir we need change. In this situation you may take responsibility to save people to save country.

Inspiration

Inspiration

২০১২.১২.১৯ ১০:২৭
আমরা কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই.।
এবং নতুন কোন দল দেখতে চাই আগামি নির্বাচনএ....আপনি এগিয়ে চলেন ডঃকামাল

Dr M Mohsin

Dr M Mohsin

২০১২.১২.১৯ ১০:৪১
This is true that two big parties are working like as MAFIA – I think Dr B Chowdhury, Dr Kamal, Mahmudur Rahman Manna are also responsible for this current situation. All of you missed opportunities when your party was in power . Now all of you are too old and talking too much – if you really love the country you should come together and register a new party and convince likeminded people to work with you. Otherwise your speech will attract to TV talk show and news paper only.

Ataur Rahman

Ataur Rahman

২০১২.১২.১৯ ১১:২২
Any how i will give you one vote, You have lack of vote.

Moniruzzaman

Moniruzzaman

২০১২.১২.১৯ ১১:২৪
দেশের সব সম্ভাবনা পচিয়ে দিয়েছে দুই দল: ড. কামাল
সত্যিই কি তাই?? আপনি কিংবা বদরুদ্দোজা সাহেব দুজনই তো দুটো প্রধান দলের প্রথম সারির কাণ্ডারি ছিলেন। দল পচে গেছে ভেবে দল ত্যাগ করেছেন- কিন্তু জনগণ কি পেয়েছে আপনাদের কাছ থেকে?? ফ্রাংকেনস্তাইন তৈরি করে জনগণকে তার মুখে ঠেলে দিয়ে ভেগে পরেছেন। বদরুদ্দোজা সাহেবকে জিজ্ঞাসা করুন বলবেন উনিই বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা অথচ কি আদর্শে, লক্ষে দল গঠন করেছিলেন আর কি কারণে ত্যাগ করলেন তা কিন্তু পরিস্কার করলেন না। কামাল সাহেব বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে কাছের সহচর ছিলেন, কিভাবে ইতিহাস পাল্টে গেল, দল বেহাত হয়ে গেল উনি তা বলেনা। যা বলেন তাতে নিজের ডোল নিজে পেটানোর মতো দশা হবে, সমর্থন আসবেনা। আগে নিজের অবস্থান পরিস্কার করুন তারপর দেখা যাবে।
২০১২.১২.১৯ ১১:২৫
আপনার(ড.কামাল/বি-চৌধুরীর), কথা শুনে মনে হয় দেশে এত এত সমষ্যার জন্য এখন নিজে ঠান্ডা মাথায় ক্ষমতায় যাবার রাস্তা খুজছেন। আপনি দুটি দলকে দায়ি করেছেন। কিন্তু স্বীকার করেন নি, এই-দু-দল দেশ শাসন করেছে, ৯০ সালের পর হতে-বর্তমান পর্যন্ত। বলা বাহুল্য এই ২২ বছরেই দেশে গনতন্ত্রের প্রথমিক পর্ব পাড় করেছে, যদিও এখন নতুন একটি দানবের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ সেটি হচ্ছে তত্ববধায়ক দানব। যা হোক, আমি সে দিকে যাব না। আসি মুল কথায় ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ এই দশ বছর ছিল এরশাদ সরকার তার মানে সামরিক শাসন। তখন কিন্তু দেশে না হয়েছে কোন উন্নয়ন কাজ না হয়েছে, গনতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলা। তার আগে ১০বছর যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশের পুনর্বাসন জনিত ঘটনা গুলো ঘটেছে, যেমন হত্যা, নির্যাতন, ক্ষমতাদখল কিন্তু আপনি কিংবা আপনার সে দিকে পা দিলেন না ঠান্ডা মাথায় ক্ষমতায় যাবার জন্য রাস্তা খুজছেন। সে জন্য আপনাকে তিরস্কার।

আর এখন সরকার শুধু তত্ববধায়ক দানবটিকে পরিহার করতে পারলে আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ উন্নতি করতে বেশী সময় লাগবে না। দয়া করে সমর্থন দিন। সাহার্য্য,সহযোগিতা দিন।
২০১২.১২.১৯ ১১:২৬
তত্ববধায়ক সরকার পদ্ধতি চালু হয়েছে ৯০সালে তার মানে আজ থেকে ২২বছর আগে। কিন্তু এই ২২বছরেও এটি কোন সঠিক পদ্ধতি বলে প্রমানি হয়নি সুতরাং এটিকে আরো ১০ অথবা ১৫বছর চালু রাখা মানে প্রতি পাচ বছর অন্তর অন্তর যে ভয়ঙ্কর অরাজকতা শুরু হয় তা চালু রাখা। তাই এই পদ্ধতি বিলুপ্তি হওয়া উচিৎ এবং এখনই। সুতরাং ‍নির্বাচন কমিশন শক্তিশালি করতে আন্দোলন করুন। দাবি দাওয়া থাকলে তা উত্থাপন করুন। আমরা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমেই আমাদের সন্তানদের জন্য একটি স্থীতিশীল দেশ উপহার দিতে চাই। যা পরবর্তীতে চালু থাককে অনন্তকাল….

আর আপনারা ক্ষমতায় যাবার ধান্দা বাদ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করুন।

Mrinal Kanti Deb

Mrinal Kanti Deb

২০১২.১২.১৯ ১১:২৬
I am not seeing any possibility other than this two party.

আলী আহাম্মেদ ( সুমন )

আলী আহাম্মেদ ( সুমন )

২০১২.১২.১৯ ১২:০৯
আপনারা এগিয়ে আসুন। আপনারা তৃতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন । সব গুলো আসনে প্রার্থী ঠিক করুন । দশ জন বার জন নিয়ে কিছুই হবে না । দল বড় করার চেষ্টা করুন । জনগণ আপনাদেরই ভোট দিবে ।

Rohan Issan

Rohan Issan

২০১২.১২.১৯ ১২:১১
আমরা এই দুই দল থেকে মুক্তি চাই, আপনারা নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসুন আমরা তরুন সমাজ আপনাদর সাথে আছি৤

দেলোয়ার হোসেন

দেলোয়ার হোসেন

২০১২.১২.১৯ ১২:১৪
আপনাদের ভাল লাগে !কিন্তু ''জেনেশুনে বিষ পানের মত'' ''আপদ''আর ''বিপদ''কে ডেকে আনি ভোট দিয়ে !
আপদ-বিপদের কবল থেকে আমাদের উদ্ধার করুন, দুর্নীতিবাজদের খপ্পর থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচান',প্লীজ ।

Abul Hossain

Abul Hossain

২০১২.১২.১৯ ১৩:১৪
জাতি আপনাদের কাছে কিছু আশা করে আপনারা রাস্তাই এসে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে আন্দোলন করেন জন সমর্থন পাবেন। কারন মানুষ এখন দুই দলের প্রতি বিরক্ত।

Ivan Hussain

Ivan Hussain

২০১২.১২.১৯ ১৩:৪১
আপনারা কি করছেন? ভালো মানুষ সেজে থেকে সভা সেমিনার আর বিদেশ ভ্রমন ছাড়া দেশের জন্য তো কিছু করতে পারেন নি।
২০১২.১২.১৯ ১৩:৪৪
‘সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্বজিৎকে বিএনপির কর্মী ভেবে হত্যা করা হয়েছে। তার মানে কি বিএনপির কর্মী হলে যাকে-তাকে হত্যা করা যাবে? কে এই শিক্ষা দিয়েছে!বাহ কি সুন্দুর কথা শুনালেন মাননীয় মত্রি মহোদয়। যেখানে মানুষ মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে কাঁদতে দেখা যায়, সেখানে বিশ্বজিৎ মারা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ-বিএনপির একজন নেতাকেও কি কাঁদতে বা অনুশোচনা করতে দেখা গেছে।

Saifur Rahman

Saifur Rahman

২০১২.১২.১৯ ১৩:৫৫
I want to join with you. But how?

shaheen

shaheen

২০১২.১২.১৯ ১৫:২৫
I am agree with dr. kamal

Mohon Khan

Mohon Khan

২০১২.১২.১৯ ১৫:৩৬
I want to join with you. But how?
২০১২.১২.১৯ ১৫:৫৯
Go ahead.

Osman Shekh

Osman Shekh

২০১২.১২.১৯ ১৬:৪৯
Thats true, We have out from family politics.

Zahirul Bhuiyan

Zahirul Bhuiyan

২০১২.১২.১৯ ১৭:৪২
Well whatever Dr. Kamal said is true, I really do agree with him, but my question is- if he thinks he's popular than why he hasn't elected least for a once in Bangladesh Parliament ? shame isn't for Dr. Kamal ?

Ehsan

Ehsan

২০১২.১২.১৯ ১৭:৫৫
I hate this two party, who r in politics for business only. We need leader like Mr. Kamal. Pls go ahead.

sotyo droshta

sotyo droshta

২০১২.১২.১৯ ১৮:৪৫
কবে যে আমরা মুক্তি পাব ?

Anwarul Haque

Anwarul Haque

২০১২.১২.১৯ ১৯:০১
সব সমভভর দেশ বাংলাদেশ !!!!!!!!! মানুশকে হতাশা না দিায়া আশা দেন,