পাক-ভারত সীমান্তে পাখি শিকারের ধুম
ভারতের রাজস্থানের জয়সালমির-বিকানির জেলাসংলগ্ন আন্তর্জাতিক সীমান্তের পাকিস্তান অংশে আরব দেশগুলোর রাজপরিবারের সদস্যরা প্রশিক্ষিত বাজপাখি ও বন্দুক দিয়ে গণহারে অতিথি পাখি নিধন করছেন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতিবাদ সত্ত্বেও ওই এলাকায় পাখি শিকারে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটছে বলে ‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
শীতকালে বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে পাকিস্তানের মরু এলাকায় হাজার হাজার অতিথি পাখি আসে। আর এই পাখি শিকার করার জন্য আরব দেশগুলোর রাজপরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় তাঁবু টানিয়েছেন।
সূত্র জানিয়েছে, আরব দেশগুলোর রাজপরিবারের সদস্যরা পাখি শিকারের জন্য লাখ লাখ ডলারের বিনিময়ে পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে অনুমতিপত্র নিয়েছেন। তাঁরা বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত বাজপাখি ও বন্দুক দিয়ে পাখি শিকার করছেন।
২০১২-১৩ সালে পাখি শিকারের জন্য মোট ১২টি অনুমতিপত্র দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এই অনুমতিপত্রের আওতায় ৮১৫টি প্রশিক্ষিত বাজপাখি অতিথি পাখি শিকার করছে। পাক-ভারত সীমান্ত ও পাকিস্তানের মরু অঞ্চলে সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের রাজপরিবারের সদস্যরা পাখি শিকার করছেন বলে জানা গেছে। প্রতিটি অনুমতিপত্রের বিপরীতে ১০০টি পাখি শিকারের বৈধতা দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সীমান্তে কোনো ধরনের গোলাগুলির নিয়ম না থাকলেও ভারতের জয়সালমির-বিকানির সীমান্তের পাকিস্তান অংশে পাখি শিকারের জন্য প্রায়ই গুলির ঘটনা ঘটছে। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জারসের কাছে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
গত মাসে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ডিআইজি পর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি তুলে ধরেছে বিএসএফ। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও পাখি শিকারে আন্তর্জাতিক সীমান্তে গুলির ঘটনা ঘটেই চলছে বলে অভিযোগ করেছে ভারত।







mohammad nuruzzaman
২০১২.১২.১৯ ১২:৪২Imteaz
২০১২.১২.১৯ ১২:৪৪Anjan Baidya
২০১২.১২.১৯ ১৩:৪২A.D.M.Shafi
২০১২.১২.১৯ ১৪:০৯mohammad nuruzzaman
২০১২.১২.১৯ ১৫:০০Rana
২০১২.১২.১৯ ১৫:২৯Jewel
২০১২.১২.১৯ ১৮:৩৮------------শীত আসার সঙ্গে সঙ্গেই সাইবেরিয়া টাইপের শীতপ্রধান দেশগুলো থেকে হাজার হাজার পাখি বর্ডার পার হয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। এদের কোনো পাসপোর্ট বা ভিসা লাগে না। বাংলাদেশ অত্যন্ত অতিথিপরায়ণ দেশ। এই স্বার্থান্বেষী সুবিধাভোগী পাখিগুলোকে আমরা অতিথি পাখি হিসেবে অবহিত করে থাকি। নিজেদের সমস্যায় দিনের পর দিন তারা আমাদের দেশে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। আমাদের দেশের মাছ-পানি খাচ্ছে। শীত শেষে আবার চলেও যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের পাখ...িরা আজ পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ পায়নি। গ্রীষ্মপ্রধান দেশের পাখিদের শীতপ্রধান দেশ দেখার ইচ্ছে হতেই পারে। কিন্তু আমাদের দেশের পাখিরা সে সুযোগ পায় না। যা খুবই হতাশাজনক। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারলেও এই বিদেশি পাখিদের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর দিকে নজর দিচ্ছে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
Chowdhury M.A.hamid
২০১২.১২.১৯ ১৮:৩৯a.albasit
২০১২.১২.১৯ ১৮:৫২Sadiq
২০১২.১২.১৯ ২০:২০