দিল্লির ধর্ষক বলল, আমাকে ফাঁসি দিন
দিল্লিতে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় আটক শরীরচর্চা প্রশিক্ষক বিনয় শর্মাকে আজ বুধবার আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করেন এবং বলেন, ‘আমি মারাত্মক অপরাধ করেছি। আমি ছেলেটিকে মারধর করেছি। আমার ফাঁসি হওয়া উচিত।’
ধর্ষণের ঘটনায় আজ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলেন—মুকেশ, পবন ও বিনয়। সাকেট আদালতে হাজির করা হলে বিনয় শর্মা এবং ফলবিক্রেতা পবন গুপ্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, আরেক অভিযুক্ত ও এই মামলার প্রধান আসামি রাম সিংয়ের ভাই মুকেশ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আদালত পবন ও বিনয়কে চারদিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর এবং মুকেশকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে ১৪ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আরেক আসামি অক্ষয় ঠাকুরকে আজ বিহারের আওরঙ্গাবাদ থেকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। অক্ষয়কে দিল্লিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানায়, আটক করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী ও তাঁর ছেলেবন্ধুর ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, এই মামলার প্রধান আসামি ও বাসচালক রাম সিংকে গ্রেপ্তার করে গতকাল মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে পাঁচ দিনের জন্য কারাগারে নিয়েছে পুলিশ। দিল্লির একটি আদালত এ নির্দেশ দেন। তবে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এখন পর্যন্ত এ মামলায় অভিযুক্ত ছয় জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দিল্লিতে প্যারামেডিক্যাল শিক্ষার্থীর গণধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ ও জঘন্য বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনি এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্দকে নির্দেশ দিয়েছেন। আজ বুধবার দেশটির নারী সাংসদদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে চলচ্চিত্র দেখে বাসে করে বাসায় ফেরার পথে ২৩ বছর বয়সী প্যারামেডিকেলের এক শিক্ষার্থী ও তাঁর প্রকৌশলী ছেলেবন্ধু দুর্বৃত্তদের আক্রমণের শিকার হন। এসময় বাসচালক রাম সিং ও তাঁর সাথিরা ছেলেবন্ধুর মাথায় একটি লোহার রড দিয়ে সজোরে আঘাত করে এবং পেটাতে শুরু করে। নারীটি ছেলেটিকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে, দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপরও হামলা চালায়। জোরে জোরে পেটে এবং মুখমণ্ডলে আঘাত করে। দুজনকে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় মুকেশ গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তারা নারীটিকে বাসের পেছনের আসনে টেনে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। এরপর তাঁরা মহিপালপুর উড়াল সড়কের ওপরে গিয়ে অচেতন নারী ও তাঁর বন্ধুকে সামনের দরজা দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেয়।
এ ঘটনার পরের দিন দিল্লি পুলিশের দ্রুত তত্পরতার ফলে ধর্ষকদের চিহ্নিত করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।







Monu
২০১২.১২.১৯ ২০:১০Kamaluddin Ahmed
২০১২.১২.১৯ ২০:২৩Md.Monirul Islam
২০১২.১২.১৯ ২০:২৭Dr. Moazzem Hossain Nilu
২০১২.১২.১৯ ২০:৩৩সজীব মোহন্ত
২০১২.১২.১৯ ২০:৪৫shawkat Ali
২০১২.১২.১৯ ২১:২৭Tanvir
২০১২.১২.১৯ ২২:৪৯Md. Nazrul Islam
২০১২.১২.১৯ ২২:৫৩