‘ঈদের পরদিনই বেশি মজার’
ঈদের দিন সকালে গোসল সেরে নিয়ে পাঞ্জাবি পরবেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। ‘সাধারণত এক পাঞ্জাবিতেই সারা দিন পার হয়ে যায়। তবে মাঝেমধ্যে দুপুরের পর বাইরে গেলে পাঞ্জাবিটা পাল্টে নিই। ঈদের সকালে ডিমভাজি দিয়ে পরোটা খাই বেশ আরাম করে’, বলছিলেন আনিসুজ্জামান। পাঞ্জাবিতে পছন্দ সাদা বা ঘিয়ে রং। এবারও তেমনি পাঞ্জাবি উপহার পেয়েছেন বোনের মেয়ে (ভাগনি), নাতনির কাছ থেকে। সেগুলোই পরবেন ঈদের দিন। ঈদে সারা দিন বাড়িতেই কাটে। আত্মীয়রা অনেকে দেখা করতে আসেন। তবে দিনের একটা সময় কাটে ঈদসংখ্যা ম্যাগাজিন বা বিশেষ লেখা পড়ে। দুপুরে খাবারের তালিকায় থাকে পোলাও আর গরু বা মুরগির মাংস। রাতে সাদা ভাত আর মাংস খেতেই পছন্দ করেন।
আনিসুজ্জামানের কাছে অবশ্য ঈদের দিনের চেয়ে ঈদের পরের দিনই বেশি মজার। কারণ সেদিন মেয়েরা আসে আর ছেলে তো বাসাতেই থাকে। আরও অনেকেই আসেন বেড়াতে। সারা দিন বাড়িতে উৎসবের ছোঁয়া লেগে থাকে। মজা করে জানালেন, ‘ছোটবেলায় ঈদ শুরু হতো চাঁদ দেখার পর থেকে। ঈদের দিনে তো বন্ধুদের সঙ্গে এ বাড়ি-ও বাড়ি খেয়ে পেট ভরে বাসায় ফিরতাম। শেষে বাসায় এসে মনটাই যেত খারাপ হয়ে, কারণ বাড়িতে রান্না করা খাবারের কিছুই যে আর খেতে পারছি না তখন।’ যখন নিজে গাড়ি চালাতেন তখন বেশ ঘোরা হতো ঈদে। তবে এখন চালক যেহেতু ঈদের ছুটিতে বাড়ি যায়, তাই ছেলের সঙ্গে মাঝেমধ্যে গাড়িতে আত্মীয়বাড়ি যান বলে জানালেন। এই তো এভাবেই কেটে যায় আনিসুজ্জামানের ঈদ উৎসব।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






