‘তাজা ফুলে সাজাই প্রতিটি ঘর’

গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী | তারিখ: ২৮-০৮-২০১১

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

‘সারা বছর কাজের চাপ থাকে। বিশেষ করে রমজান মাসে। তবুও ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে হয়। মনে হয় আরেকটু বিশ্রাম যদি নেওয়া যেত। নিয়মিত আমি ফুল দিয়ে ঘর সাজিয়ে থাকি। ব্যতিক্রম হয় না ঈদের দিনেও। ভোরে তাজা ফুল দিয়ে নানাভাবে প্রতিটি ঘর সাজাই। খুব ভালো লাগে এই কাজটা করতে।’ বললেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাডকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী।
সকালের দিকে সাধারণত তাঁতের শাড়ি পরেন গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী। জানালেন, জমকালো কোনো পোশাক পছন্দ করেন না তিনি। ‘সাদামাটা এবং হালকা কাজের শাড়িই ভালো লাগে। জামদানি, আদিবাসী ধাঁচের শাড়ি, মণিপুরি শাড়িই পরা হয়। হালকা ধরনের সাজ পছন্দ করি। আর সবকিছু মিলিয়ে পরি আমি। মিলটা পুরোপুরি হতে হবে। এ জন্য আমার বন্ধুরা মজা করে বলত, “মিস ম্যাচ”। খুব দামি পোশাক, গয়না বা অন্যান্য অনুষঙ্গ ব্যবহার করি না। এমনও হয়েছে, শাড়ির সঙ্গে কানের দুলের রং মিলছে না। তখন নিজে একটু সৃজনশীল হওয়ার চেষ্টা করি। নানা রঙের বোর্ডপিন কিনে আনি। সেসব একটু ঘষে-মেজে কানে পরে ফেলি। এবার ঈদে আমার মা সুতির জামদানি, ছেলের বউ এবং আমার স্বামী দিয়েছেন সিল্কের শাড়ি। এর কোনো একটা শাড়ি সকালে, কোনোটা রাতে পরব। রান্নার তদারকি করব। আত্মীয়স্বজন ও অন্যান্য অতিথি আপ্যায়ন-পর্ব সেরে আমার মায়ের বাসায় যাব। স্বামী, ছেলে, মেয়ে, ছেলের বউ এবং নাতিকে নিয়ে বেড়াতে যাব। দুপুরের খাবার সেখানেই খাব। এরপর আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে বের হব। বাসায় ফিরে আবার বিশ্রাম। এভাবেই কাটে ঈদের দিন।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন