২টি বিশেষ সাক্ষাৎকার
বাবা আমাকে একা চলতে শিখিয়েছেন
সেলিনা হায়াৎ আইভী।
ছবি: পাপ্পু ভট্টাচার্য্য
দেশের কোনো সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রথম নারী মেয়র, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাহীদ রেজা নূর
শৈশব নিয়েই কথা শুরু হোক। কেমন ছিলেন আপনি?
ডানপিটে ছিলাম। দুষ্টু। দাঁড়িয়াবান্ধা খেলতাম খুব। আমাদের এখানে ‘দাইরা’ বলে। আমাদের মহল্লায় এমন কোনো গাছ নেই, যেটায় আমি না উঠেছি। আমাদের বাড়ির আশপাশে অনেক পুকুর ছিল, কলাগাছের ভেলায় করে ভেসে বেড়ানো, সেই পুকুরে সাঁতার শেখা—সবই আমি করেছি। তবে স্কুল ফাঁকি দিতাম না। স্কুলের ফাঁকে ফাঁকে সবার সঙ্গে মেশা—এটা আমার নেশা ছিল ছোটবেলা থেকেই। খেলাধুলার পাশাপাশি আমি অনেক মানুষের বাড়িঘরের কাজও করে দিতাম। গ্রামে অনেক মাটির ঘর ছিল। আমি সেসব ঘর মাটি দিয়ে লেপতাম। কেউ কাজ করছে, তাকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, দাও, আমি একটু করি। মাটি দিয়ে অনেক সময় চুলা বানিয়ে দিতাম। কেউ বেলুন দিয়ে রুটি বানাচ্ছে, আমি গিয়ে রুটি বানিয়ে দিতাম, মসলা বেটে দিতাম। এর কারণ হলো, বাড়িতে আমাকে কাজের দিকে ভিড়তে দেওয়া হতো না, বাড়ি সব সময়ই লোকে-লোকারণ্য থাকত। মা সব সময় ব্যস্ত থাকতেন বাড়িতে আসা মেহমানদের আতিথেয়তা নিয়ে। তাই সুযোগ পেলেই পড়শিদের বাড়িতে গিয়ে কাজ করে আনন্দ পেতাম। বাড়ি থেকে প্রচুর চাল-ডাল চুরি করে নিয়ে মানুষকে দিতাম।
মা টের পেতেন না?
আমাদের অনেক ধানি জমি ছিল। আমার দাদা কৃষক ছিলেন। কৃষক পরিবারেই আমার বেড়ে ওঠা। ঘরে প্রচুর ধান আসত। ধান শুকাতাম। মাকে না বলেই ধান বা চাল দিয়ে দিতাম গরিবদের জন্য। দেখা গেল, দুধ জ্বাল দিয়ে মা বিকেলে একটু বিশ্রাম নিতে গেছেন, আমি হয়তো গ্লাস ভরে দুধ আরেকজনকে দিয়ে দিচ্ছি।
এ জন্য মার খাননি?
খাইনি আবার! এ জন্য মায়ের হাতে মার খেয়েছি। মা বলতেন, ‘তুমি এভাবে কেন দিচ্ছ? আমি তো মানুষদের সাহায্য করি।’ আমি বলতাম, ‘তুমি করো জানি, কিন্তু আমি যাদের সাহায্য করছি, তুমি তো তাদের সাহায্য করো না।’ আমি আবার বেশিক্ষণ এসব গোপন রাখতে পারতাম না। মাকে বলে দিতাম। আমি ধনী-দরিদ্র সবার সঙ্গে মিশেছি। আব্বা কোনো দিন আমাকে বাধা দেননি।
আপনার বাবা আলী আহম্মদ চুনকা খুব জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। আপনাদের বাড়িতে সব সময়ই মানুষের আনাগোনা ছিল। এ সময় পড়াশোনা চালিয়ে গেলেন কীভাবে?
আমাদের বাড়িতে ছিল টিনের তিন-চারটা ঘর। সব ঘরেই দেখা যেত, মানুষ বসে আছেন আব্বার সঙ্গে কথা বলার জন্য। আমি হয়তো সন্ধ্যায় পড়তে বসব। দেখা যেত, পড়ার জায়গা নেই। আমার রাগ হতো। আব্বাকে বলতাম। আব্বা কাছে টেনে নিয়ে নিচু স্বরে বলতেন, ‘আর একটু অপেক্ষা করো। এখনই এরা চলে যাবে। রাগ কোরো না। একটু ম্যানেজ করো।’ এই ম্যানেজ করতে করতেই দেখা যেত রাত ১০-১১টা বেজে গেছে। এভাবেই বড় হয়েছি। যখন ফোর-ফাইভে পড়ি, তখন থেকেই আব্বা আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। আমরা বলতাম চাচার চায়ের দোকান। সেখানে সালিস-বিচার করতেন। আমাকে একটা কাঁচাগোল্লা দিত, আমি বসে বসে ওটা খেতাম। আব্বা রং চা খেতেন। আমি আলাপ শুনতাম। আবার টর্নেডো বা ঘূর্ণিঝড় হলে আমি আব্বার সঙ্গে সে সব এলাকায় যেতাম। এভাবেই আমার বেড়ে ওঠা। আমি যখন ক্লাস এইটে বৃত্তি পেলাম, তখন আব্বা ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। বাড়িতে আমার কোনো শিক্ষক ছিলেন না। ব্যাচে পড়তাম। বাড়িতে শিক্ষকের কাছে পড়ানোর সংগতি ছিল আব্বার। কিন্তু আমার বন্ধুরা সবাই ব্যাচে পড়ত বলে আমিও ব্যাচে পড়তাম। আব্বাকে অনেকেই বলতেন, ‘তুমি চেয়ারম্যান, তোমার মেয়ে একা একা ব্যাচে পড়তে যাচ্ছে।’ আব্বা হেসে বলতেন, ‘আমি ওকে একা বেড়ে উঠতে দিচ্ছি, যেন জীবনে কোথাও কখনো না ঠেকে। কখনো যদি একা হয়ে যায়, একাই যেন পথ চলতে পারে।’ খুব সাহস দিতেন আব্বা। সেবা করার ইচ্ছেটা জেগেছিল পারিবারিক পরিবেশ থেকেই।
আপনার বাবা মারা যাওয়ার পর কি পাল্টে গেল জীবন?
এইচএসসি পাস করার আগেই আব্বা মারা গেলেন (২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৪)। আব্বা মারা যাওয়ার পর একটু হতাশায় পড়লাম। এইচএসসি পাস করার পর জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। কিন্তু আমার ছিল ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা। পরবর্তী সময়ে বৃত্তি নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে চলে গেলাম। সে সময় সহযোগিতা করেছিলেন প্রয়াত অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সাজেদা চৌধুরী।
আপা, আপনার সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের কিয়েভে। সেখানে ১৯৮৭ সালের শীতকালে সারা সোভিয়েত ইউনিয়নের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সম্মেলন হয়েছিল। তখন কিন্তু আপনাকে ডানপিটে বা চঞ্চল মনে হয়নি...
না। আমি সব সময়ই চঞ্চল ছিলাম। সম্মেলনে অনেক বেশি লোক আসত বলে হয়তো একটু চুপচাপ থাকতাম। আমি কিন্তু রান্না করতে পছন্দ করতাম। ভর্তা-সবজি-মাছ-মাংস—সবই রান্না করি। ওদেসাতে থাকার সময়ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এসে বলত, আইভী, ঘরে খাবার আছে? আবার ঘরে রান্না থাকতই। বিদেশিরাও আমার ৫৫২ নম্বর রুমে এসে খেয়ে যেত।
ওদেসায় ঘটে যাওয়া এমন কোনো ঘটনার কথা কি বলবেন, যাতে দেশের প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন?
একটা ঘটনা বলি। মেডিকেলে আমাদের ছিল ২০ জন করে একেকটা গ্রুপ। আমার গ্রুপে লাতিন আমেরিকান, অ্যারাবিয়ান, আফ্রিকানরা ছিল। কঙ্গোর এতাবেল নামের একটি ছেলে একদিন বাংলাদেশের ছাত্র সুপ্রিয়কে গালাগাল করছিল। এ সময় বাংলাদেশ নিয়েও বাজে কথা বলেছিল ও। আমি তখন তিন বেঞ্চ ডিঙিয়ে এসে প্রতিবাদ করেছিলাম। এতাবেল হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল—ঝগড়া হচ্ছে সুপ্রিয়র সঙ্গে, আইভী কেন তেড়ে আসছে। পরে ঘটনাটা অনেক দূর গড়ায়। এতাবেলকে আমাদের মেডিকেল থেকে বের করে দেওয়া হয়, অন্য এক শহরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ বিষয়টা কী, সেটা বিদেশে গেলে বেশি বোঝা যায়।
ওদেসা থেকে ফিরে ঢাকার মিটফোর্ডে ইন্টার্নি করলেন, কাজ করলেন কিছুদিন, তারপর চলে গেলেন নিউজিল্যান্ডে। সেই পর্যায়টা কেমন কেটেছে?
১৯৯২ সালে রাশিয়া থেকে দেশে চলে আসি। নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত হই। কিন্তু সে সময় দলীয় কোন্দল এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে পরিবেশটা আমার ভালো লাগত না। তখন আমি নিউজিল্যান্ডে চলে যাই। সেখানেই আমার বিয়ে হয়। কিন্তু দেশে আসার জন্য মনটা সব সময়ই ব্যাকুল থাকত। প্রতি গ্রীষ্মে দেশে আসতাম। ২০০৩ সালে ছয় মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে এসে দেশে নির্বাচন করলাম। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই শুরু হলো আমার অন্য রকম জীবন।
আপনাকে তো অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কীভাবে তা পাড়ি দিলেন?
প্রতিবন্ধকতা ছিল জীবনের সব ধাপেই। যখন পড়াশোনার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নে যেতে চাইছি, তখন মা রাজি, বাড়ির সবাই রাজি কিন্তু আশপাশের মানুষেরা বলছে, মেয়ে হয়ে কেন বিদেশে পড়তে যাবে। বাবা নেই, ওর দেশে থাকাই ভালো ইত্যাদি ইত্যাদি। মা বললেন, ‘আমার মেয়ে যাবে।’ সোভিয়েত ইউনিয়নেও কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল। দলাদলি ছিল বাঙালিদের মধ্যেও। এখন সেসব কথা বলা ঠিক হবে না।
২০০৩ সালের নির্বাচনে বাবার ইতিবাচক রাজনীতি তো একটু হলেও কাজ করেছিল?
আব্বার নামের কারণে চলে আসতে পেরেছি, তা-ও কিন্তু নয়। আমি যখন মেয়র হই ২০০৩ সালে, তখন চারজন ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী। পাস করার এক বছরের মধ্যেই এল অনাস্থা। কাউন্সিলরদের দিক থেকে যতটা নয়, তার চেয়ে বেশি এটা ছিল রাজনৈতিক। সেই দলে বিএনপির লোক যেমন ছিলেন, আমার দলের লোকেরাও ছিলেন। অনাস্থার মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়েছে একা। যেদিন এই খবর পত্রিকায় বের হলো, তখন নেত্রী ছিলেন আমেরিকায়। তিনি ফোন করে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী ব্যাপার, কী হলো এক বছরের মাথায়?’ আমি বলেছিলাম, আপনি চিন্তা করবেন না, সব ঠিক হয়ে যাবে। তারপর ছয় মাস আমি একা চালিয়েছি, ডানে-বাঁয়ে অনেকেই ছিল না। অনেকেই মনে করেছে, জোট সরকার ক্ষমতায়। এবার আর আইভীর রক্ষা নেই। পাস করেছে ঠিকই, কিন্তু চালাতে পারবে না। প্রতিদিন স্থানীয় পত্রিকায় যে শিরোনাম হতো, ভাবতে পারবেন না। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে একা হয়ে গেলাম। বাইরে যখন ছিলাম, ‘স্যরি’, ‘ধন্যবাদ’ বলার অভ্যাস ছিল। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম, এই কথাগুলো মানুষ দুর্বলতা বলে মনে করে। ১৭ বছর বিদেশে থেকে যা না শিখেছি, তা ওই এক ধাক্কায় শিখে ফেলেছি। যাঁরা অনাস্থা এনেছিলেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য করতে গিয়ে মৌলবাদীদের কাছ থেকে বাধা পেয়েছি। মৌলবাদীরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। ওই সময় আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট। এ রকম অনেক ঘটনা আছে। প্রতিটা ক্ষেত্রেই ধাপে ধাপে আসতে হয়েছে। একটা কথা বলি, একজন নারীকে, তিনি যত শিক্ষিতই হোন না কেন, মা-বাবার যতই পরিচিতি থাকুন না কেন, রাজনীতি করতে হলে ধাপে ধাপে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। পারিবারিকভাবেও অনেক সময় প্রতিবন্ধকতা আসে। কিছু কিছু সময় পরিবারের লোকজনও বুঝতে চায় না, তুমি সঠিক অবস্থানে আছ কি না। এ রকম ঘটনা আমার জীবনে অনেকবার ঘটেছে। সে সময় নিজের দৃঢ়তা আর মনোবলের ওপরই নির্ভর করতে হয়। বাইরে যতটা সহজ, আমাদের দেশে ততটা সহজ নয়।
আরেকটা কথা বলি, চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময় আব্বার সঙ্গে অনেক কাছের লোক বেইমানি করেছিলেন। তাই রাজনীতির প্রতি আমার একটা অনীহাও ছিল। কিন্তু আমি মনে করি, রাজনীতি অনেক ভালো, যদি রাজনীতির মতো রাজনীতি করা যায়। এ রকম সরাসরি জনগণের সেবা করার মতো উত্তম মাধ্যম আর নেই। কিন্তু রাজনীতিটাকে কলুষিত করে ফেলা হয়েছে বলেই রাজনীতির প্রতি মানুষের অনীহা। মানুষের সেবা করব—এই মনোভাব থাকলে রাজনীতির মতো এত সরাসরি পথ আর একটিও নেই।
সন্তানদের কি সময় দিতে পারেন?
একজন আদর্শ মা যেভাবে সময় দেন, সেভাবে হয়তো দিতে পারি না। ওরা সেটা মেনে নিয়েছে। বড় ছেলে নিউজিল্যান্ডেই বড় হয়েছে। ও আসলে মায়ের আদর থেকে বঞ্চিতই ছিল। ছোটটাকে ছয় মাস বয়সে নিয়ে এসেছিলাম। ও বাবার আদর থেকে বঞ্চিত। আমার মা মমতাজ বেগমই ওদের দেখেশুনে রাখেন। বাচ্চাদের প্রতি দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারি না বলে খারাপ লাগে। তবে চেষ্টা করি, যখন ওরা স্কুলে যায়, ওদের রেডি করে টিফিন দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে সিটি করপোরেশনে আসি। সন্ধ্যায় ওদের খোঁজ নিই, লেখাপড়া করছে কি না। তারপর আবার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ওপরে আসি ১০টার দিকে। বড় বাচ্চা নিজের মতোই পড়াশোনা করে রাখে। ওর বয়স ১৩। ছোটটা আমার জন্য বসে থাকে পড়া দেখিয়ে দেওয়ার জন্য। ওর এখন নয় বছর বয়স। ক্লাস টেস্ট থাকলে আমাকে পড়া না দেখিয়ে ছাড়বে না। অনেক সময় ওরা বড় মানুষের মতো কথা বলে। রাগ করলে বলে, ‘তুমি কেন মেয়র হলে?’ আবার অন্য সময় বলে, ‘থাক থাক, সব ঠিক আছে। তুমি তো জনসেবা করছ।’ এবার নির্বাচনের একপর্যায়ে আমি ছেলেদের বলেছিলাম, ‘বাবারা, চলো, আমরা নিউজিল্যান্ডে চলে যাই।’ ওরা বলে, ‘না না, তুমি কীভাবে যাবে? তুমি চলে গেলে কী হবে নারায়ণগঞ্জের? আমরা সুখী। আমরা তোমাকে আর বলব না চলে যাওয়ার জন্য।’ আমার মন ভরে গিয়েছিল। আমার মনে হতো, ওরা বিদেশে চলে যেতে চায়, দেশে থাকতে চায় না। এই নিয়ে আমার মনে অনেক কষ্ট ছিল। কিন্তু দেখলাম, একটা মৌলিক জায়গায় ওদের দেশের প্রতি ভালোবাসা আছে। আমি মা হিসেবে হয়তো ওদের খুব বেশি সময় দিতে পারিনি, কিন্তু আবার ভাবি, আমার কারণে দেশের মানুষের একটু হলেও উপকার তো হচ্ছে, এটার একটা পূর্ণতা আছে। তবে ডাক্তারি করতে পারি না, তা নিয়ে একটু মন খারাপ হয়ই।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






