ঐতিহ্য

আমার সোনার বাংলা

রেনাটা লক-ডেসালিয়েন | তারিখ: ২৫-১১-২০১২

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • একুশে বইমেলায় আমি হাজারো বইপ্রেমী মানুষের আনাগোনা দেখেছি

    একুশে বইমেলায় আমি হাজারো বইপ্রেমী মানুষের আনাগোনা দেখেছি

    ছবি: মনিরুল আলম

  • রেনাটা লক-ডেসালিয়েন

    রেনাটা লক-ডেসালিয়েন

অন্য বহু দেশের মতো বাংলাদেশেরও সমস্যা কম নয়। কিন্তু সব ছাপিয়ে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আর ইতিহাস এ দেশের মানুষকে করে তুলেছে সুকুমার ও আশাবাদী। সৃষ্টিশীল এই জাতির অন্তর্লোক মেলে ধরেছেন চীনে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রেনাটা লক-ডেসালিয়েন।

বাংলাদেশে আমি প্রায় পাঁচ বছর (২০০৫-২০১০) ধরে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। এ সময় অনেক বাংলাদেশি আমার কাছে জানতে চেয়েছেন, আমি তাঁদের দেশকে এত পছন্দ করি কেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে আমার ইতিবাচক মনোভাব নিয়েও তাঁদের আগ্রহের কমতি ছিল না। বিপুল জনসংখ্যা ও দারিদ্র্য যে দেশটির উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যে দেশটির সীমিত সম্পদ প্রায়ই মানুষের মধ্যে হানাহানির জন্ম দেয়, মাঝেমধ্যেই যে দেশের উপকূলীয় এলাকা প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ধ্বংসের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়, এমন একটি দেশকে নিয়ে আমার ইতিবাচক মনোভাব প্রায়ই আমার পরিচিত বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিত।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষই তাদের আনন্দময় ছেলেবেলা নিয়ে খুবই স্মৃতিকাতর। তাদের দেশপ্রেমের অনেকটাই গড়ে উঠেছে ছেলেবেলার আনন্দের স্মৃতিকে সঙ্গী করে। তাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ যে ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সেটা তারা অনেক ছেলেবেলা থেকেই জেনে এসেছে। আর এটি তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জন্ম নেওয়ার অন্যতম কারণ। কিন্তু আমার মতো একজন বিদেশি নাগরিকের তাদের দেশকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ও ভালোবাসা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করত।
প্রথম আলোকে ধন্যবাদ যে তাঁরা আমাকে বাংলাদেশের প্রতি আমার ভালোবাসার ব্যাখ্যা দেওয়ার একটা সুযোগ করে দিয়েছেন।
আমার কাছে মনে হয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাপারে অনেক বাংলাদেশিই খুব নির্মম মনোভাব পোষণ করে থাকেন। আমি অনেক সময়ই তাঁদের বলতে বাধ্য হয়েছি যে, দেশ সম্পর্কে তাঁদের এই মনোভাব ঠিক নয়। আমি তাঁদের বলেছি, বাংলাদেশের এমন অনেক কিছু আছে, যা দেশটিকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দারিদ্র্য দূরীকরণের আশাব্যঞ্জক হার, শিক্ষা, বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত সাফল্যসহ অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ চলছে সঠিক পথেই। আমার কাছে মনে হয়েছে, বাংলাদেশকে নিয়ে এ দেশটির মানুষের এই হতাশার মূল কারণ রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অতিমাত্রার আগ্রহ। পৃথিবীতে এমন আর একটি দেশও কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে একজন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে সমাজের উঁচুস্তরের ব্যক্তি পর্যন্ত প্রায় সবাই জাতীয় রাজনীতির খুঁটিনাটি নিয়ে অবলীলায় কথা বলে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
বাংলাদেশে বসবাসকালে আমিও দেশটির জাতীয় রাজনীতির উত্থান-পতনের বিভিন্ন দিক নিয়ে যথেষ্ট সময় ব্যয় করেছি। কিন্তু রাজনীতির ব্যাপার-স্যাপার কখনোই বাংলাদেশ সম্পর্কে আমার ইতিবাচক মনোভাব নষ্ট করে দেয়নি। কেবল আমি নই, নিজের দেশ নিয়ে প্রচণ্ড সমালোচনামুখর অনেক বাংলাদেশিও তাদের নিজের দেশের সম্ভাবনা নিয়ে সাধারণভাবে ইতিবাচক। বাংলাদেশ সম্পর্কে এ রকম একেবারে হুবহু মনোভাব আমি লক্ষ করেছি কূটনীতিক মহলেও। আমার মনে আছে, একজন কূটনীতিক একবার আমাকে বলেছিলেন যে, তিনি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাংলাদেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে দারুণ আশাবাদী থাকতেন। দুপুরের পর সর্বশেষ ঘটনাবলির কারণে সেই আশা একটু একটু করে কমতে থাকত। রাতের বেলা তাঁর সকালের সেই আশা পরিণত হতো চূড়ান্ত হতাশায়। তিনি আবার রাতে বিছানায় যেতেন নতুন দিনের নতুন কোনো আশাবাদকে সঙ্গে নিয়ে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন সুদৃঢ় আশাবাদের ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করতে গেলে বলতে হয়, বাংলাদেশের অনেক ইতিবাচক অর্জনের কাছে দেশটির ব্যাপক আকারের জাতীয় সমস্যাগুলো পেছনে পড়ে যায়। এটিই সমগ্র বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি। আর এটিই হচ্ছে সেই জিনিস যেটি দিয়ে বাংলাদেশ অনেক বিদেশির মন কেড়ে নেয়।
দেশটির অজস্র সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও বাধা-বিপত্তির মুখেও বাংলাদেশের এই চমৎকার হূদয় সব সময়ই দারুণ উজ্জ্বল। এই হূদয়টিই এ দেশের মানুষকে সব প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। বাংলাদেশের এই উন্মুখ হূদয় বহু বছর ধরে বিভিন্ন প্রভাব ও বৈশিষ্ট্যের ভেতর দিয়ে একটা স্বকীয়তা অর্জন করেছে।
সমস্ত চ্যালেঞ্জ ও সমস্যার মধ্যেও বাংলাদেশের মহৎ ও সুন্দর আত্মাটিকে ঝলকে উঠতে দেখা যায়; হয়ে ওঠে অনুপ্রেরণার উৎস। এ দেশের হূদয় সম্পর্কে বলতে গেলে উদাহরণ হিসেবে টেনে আনতে হয় এ দেশের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে চলা তিনটি বিশাল নদী পদ্মা, মেঘনা, যমুনা এবং এদের শাখা-প্রশাখার কথা। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে এঁকেবেঁকে বয়ে গিয়ে সমুদ্রে ঝাপিয়ে পড়া এই নদীগুলোই বাংলাদেশকে দিয়েছে এর বর্ণিল সৌন্দর্য। এই নদীগুলোই বাংলাদেশের মানুষের চরিত্রের ঔজ্জ্বল্য, নমনীয়তা ও সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটিয়েছে। এই নদীগুলোই বাংলাদেশের মানুষকে অবিচলতার সঙ্গে তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর শক্তি জুগিয়ে যায় অবিরত।
বাংলাদেশের এই সুকুমার আত্মাটি অতীতে বৃহত্তর চারটি ধর্মবিশ্বাসকে আকৃষ্ট করেছে, যাদের শেকড় এ দেশের মাটির গভীরে প্রবেশ করেছে। এই চারটি ধর্মবিশ্বাসের অনুসারীরা এ দেশের মাটিকে আপন করে নিয়ে বসবাস শুরু করেছেন সম্প্রীতির সঙ্গে। এই চারটি ধর্মবিশ্বাস মিলিতভাবে এ দেশের মানুষের মধ্যে মিশ্রণ ঘটিয়েছে নিজের বিশ্বাসের প্রতি আস্থা ও আধ্যাত্মিকতাকে। উৎসাহব্যঞ্জকভাবে এ দেশে বিভিন্ন সংস্কৃতির চমৎকার মিশেল ঘটেছে। এই সাংস্কৃতিক মিশেল এ দেশের মাটিতে জন্ম দিয়েছে দারুণ সব কবি, শিল্পী ও গুণীজনের—যাঁদের কাজ নিপুণ সূক্ষ্মতা ও চিন্তাশীলতার গভীরতাকে প্রকাশ করে গেছে। এই কবিরা, এই শিল্পীরা, এই গুণীজনেরাই এই মাটির প্রত্যেক সন্তানের মধ্যে সৃজনশীলতার সৌরভ ঢেলে দিয়েছেন। আমি সব সময়ই বলি, একজন বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে যে কেউই কবিত্বের গুণাবলি আবিষ্কার করতে পারবেন। মনে হয় প্রতিটি বাংলাদেশিরই মধ্যে যেন সুপ্ত রয়েছে সহজাত প্রতিভা।
এই ব্যাপারটি আমি বাংলাদেশে অবস্থানের সময় বরাবরই লক্ষ করেছি। আমি বাংলাদেশে আমার গাড়িচালককে অপেক্ষা করার সময় কবিতা লিখতে দেখেছি। দরিদ্র শিশুদের জন্য সংগীত বিদ্যায়তন ‘সুরের ধারা’ আয়োজিত প্রতিযোগিতায় আমি দেখেছি বস্তির সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা কোনো পূর্ব অনুশীলন ও প্রস্তুতি ছাড়াই নিজেদের প্রতিভার পরিপূর্ণ ব্যবহার করছে। সংগীতটা আসলে আছে বাংলাদেশের মানুষের রক্তের মধ্যেই। আমার মনে পড়ে বাংলাদেশে অবস্থানকালে অজস্র সংগীতসন্ধ্যায় আমার উপভোগ্য সময়ের কথা। ওই সময়টা রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি এবং এসরাজ ও বাঁশির সুরে মোহনীয় হয়ে উঠত।
একুশে বইমেলায় গিয়ে আমি অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করেছি, একটি বইমেলা কী করে বাংলা ভাষায় রচিত বই কেনার উৎসবে পরিণত হতে পারে। এই বইমেলায় আমি হাজারো বইপ্রেমী মানুষের আনাগোনা দেখেছি, যাঁরা পড়তে ভালোবাসেন, জ্ঞান অর্জনের ক্ষুধা যাঁদের তাড়া করে বেড়ায় প্রতিনিয়ত। এদের অনেকেই আবার লেখালেখির সঙ্গে জড়িত। কোনো কিছু সৃষ্টির নেশাই তাঁদের টেনে নিয়ে আসে এই বইমেলায়।
আমি বাংলাদেশে দেখেছি, কীভাবে মানুষ পয়লা বৈশাখের উৎসবে মেতে ওঠে বর্ষবরণের আনন্দে। উৎসবের কেন্দ্রস্থল রমনা পার্ক থেকে শুরু করে গোটা দেশ সেদিন নববর্ষের বর্ণচ্ছটায় রঙিন হয়ে ওঠে। একের পর এক গান, বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন, উৎসবমুখর মানুষের মিছিল ফুটিয়ে তোলে আনন্দময় এক সৌন্দর্য। সারা পৃথিবীতে এমন আনন্দময় দৃশ্য দ্বিতীয় কোথাও খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন।
এই চমৎকার জাতীয় সত্তা উঁচু নৈতিকতা ও দৃঢ় মনোবলের অসংখ্য নারী ও পুরুষের জন্ম দিয়েছে। এই ব্যাপারটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে অসংখ্য প্রতিকূলতার মধ্যেও তাদের দেশ ও ভাষার জন্য লড়াই করতে সাহস জুগিয়েছে। এই জাতীয় সত্তাই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে জন্ম দিয়েছে অজস্র বীরের। এই বীরেরা বাংলাদেশে অপরিসীম শ্রদ্ধার পাত্র। আবার নাম না জানা অনেক বীরই মিশে গেছেন সাধারণ্যে; চলে গেছেন সাধারণ মানুষের কাতারে। অনেকটা চুপিসারে ও ব্যক্তিগতভাবেই তাঁরা অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের জাতীয় প্রয়োজনে।
আমি কিন্তু সব সময়ই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন মনোবল ও ভয়হীনতার প্রতিচ্ছবি দেখেছি। বাংলাদেশে একজন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের উঁচুস্তরের মানুষদের মধ্যে আমি এই ব্যাপারটি লক্ষ করেছি। অনুভব করেছি, বাংলাদেশে একটি দৃঢ়চেতা মানসিকতার আধুনিক মননের সুশীল সমাজের উপস্থিতি।
বাংলাদেশের জাতীয় সত্তা বাংলাদেশিদের মধ্যে জন্ম দিয়েছে এক আনন্দময় সপ্রতিভতার। জন্ম দিয়েছে যেকোনো মতামতের ব্যাপারে এক স্বাস্থ্যকর বিরোধিতা এবং বিতর্কের প্রতি অনুরাগ। আমার সব সময়ই মনে হয়েছে, গণতন্ত্রের জন্ম যদি নির্দিষ্ট কোনো দেশের জন্য হয়ে থাকে, তাহলে সেটি অবশ্যই বাংলাদেশ। যেকোনো ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্বার্থে বাংলাদেশে সবকিছুই আদর্শিক। আমার সব সময়ই মনে হয়েছে প্রশ্ন করা, চ্যালেঞ্জ করা ও অন্যায়কে বিদ্রূপের দৃষ্টিতে দেখার মতো বাংলাদেশের মানুষের মজ্জাগত এই ব্যাপারগুলো কি মানুষের অতি প্রয়োজনীয় গুণাবলি হওয়ার বিষয় নয়?
বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় সত্তার এই প্রশংসার অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিদিনকার অজস্র সমস্যা সবার চোখ এড়িয়ে যাওয়ার মতো বিষয়। এই প্রশংসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই, অবিচার ও নিরাপত্তাহীনতাও কারও চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা নয়। তবে বাংলাদেশের বিশেষ এই সত্তাটি তুলে ধরার মধ্য দিয়ে এর ভেতরকার স্পন্দমান রোমাঞ্চ ও সৌন্দর্যকে অনুভব করা যায়। এর মাধ্যমে দেশটির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী হওয়া যায়।
যারা বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সন্দিহান তাদের উচিত হবে বাংলাদেশের একটি স্কুলের শ্রেণীকক্ষে গিয়ে কিছু সময় কাটিয়ে আসা। সেখানে আপনি শিশুদের চোখের দিকে তাকিয়ে যে উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা লক্ষ করবেন, সেটাই আসলে বাংলাদেশের সত্যিকারের সম্পদ। এ কথা সত্য বটে যে এই শিশুগুলো খুব দ্রুতই জীবন সংগ্রামের অংশ হয়ে উঠবে। আবার খুব তাড়াতাড়িই এরা অভ্যস্ত হয়ে উঠবে ওই কঠিন সংগ্রামের ব্যাপারে। তাদের মধ্যে জীবনসংগ্রামে অভ্যস্ত হয়ে ওঠার যে প্রকৃতিপ্রদত্ত ক্ষমতা আছে, কঠিন জীবনাচরণ সেটাকেই গড়ে তুলবে রত্নসম্ভার হিসেবে। এদের মধ্য থেকেই হয়তো বাংলাদেশ একদিন পেয়ে যাবে তার সত্যিকারের পথপ্রদর্শককে।
সবশেষে প্রথম আলোকে অভিনন্দন জানাই তার চতুর্দশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে। প্রথম আলোর ‘বদলে যাও, বদলে দাও’ প্রচারণা, গণিত অলিম্পিয়াড, ভাষা প্রতিযোগ ও অ্যাসিডদগ্ধদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ মাতৃভূমি বাংলাদেশের প্রতি তার শ্রদ্ধার্ঘ্যের চেয়েও বেশি কিছু।
ইংরেজি থেকে অনূদিত
রেনাটা লক-ডেসালিয়েন, কানাডা

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন