কারও কাছে হাত পেতে সবক শুনতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার বারবার অন্যের কাছে ধার চেয়ে দাতাদের ‘সবক’ শুনতে রাজি নয়। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনকারী বাংলাদেশ অর্থনৈতিক যুদ্ধেও বিজয় অর্জন করতে পারবে। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৫৪তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্র্রধানমন্ত্রী এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বারবার অন্যের কাছে হাত পাততে চাই না। অন্যের কাছে ধার নেব, আর তাদের সবক শুনতে হবে—এ অবস্থা চাই না। মুক্তিযুদ্ধে যদি বিজয় অর্জন করতে পারি, অর্থনৈতিক যুদ্ধে কেন বিজয় অর্জন করতে পারব না? আমাদের একটাই শত্রু—দারিদ্র্য।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের যে প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ আছে, তা ব্যবহার করেই এগিয়ে যেতে হবে।’
আইইবির সম্মেলন উদ্বোধনের পর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া কলেজ মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে জাতির কাছে ওয়াদা করেছিলাম, বিজয়ী হলে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করব। ইতিমধ্যে একজনের বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ইনশা আল্লাহ অন্যদের বিচারের রায়ও শিগগির ঘোষণা হবে। বাংলাদেশকে আমরা রাহুমুক্ত করব।’
সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেত্রী এত টাকার দুর্নীতি করেছেন যে তাঁকে জরিমানা দিয়ে সেই টাকা সাদা করতে হয়েছে। তাঁর ছেলেরা টাকা পাচার করেছেন। আমেরিকা ও সিঙ্গাপুরে তা ধরা পড়েছে। আমরা সেই টাকা ফেরত এনেছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির দুই গুণ, সন্ত্রাস এবং মানুষ খুন।’ সোয়া চারটা থেকে পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত বক্তব্য দেন তিনি। সমাবেশে বক্তব্য দেন পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং সিদ্দিকী, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং স্থানীয় সাংসদ মো. হাছান মাহমুদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মো. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সাংসদ নুরুল ইসলাম বিএসসি, বীর বাহাদুর প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গুনিয়া পৌর মেয়র খলিলুর রহমান চৌধুরী।
এর আগে দুপুরে আইইবির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য দেন আইইবির সভাপতি মো. নূরুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সবুর, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সভাপতি মোহাম্মদ হারুন ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্যসচিব এম এ রশীদ। ওই অনুষ্ঠানে ৩১ জন প্রকৌশলীকে পিইঞ্জ (প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার) সনদ ও ৭০ জনকে এএমআইই সনদ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলন উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী অনলাইনে আইবি ভবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যান। সেখানে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী অনলাইনের মাধ্যমে ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজ, ফৌজদারহাট ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের উদ্বোধন এবং বেসরকারি চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ৮৫০ শয্যার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।







Ahmadul
২০১৩.০১.২৭ ০৩:২৮Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১৩.০১.২৭ ০৬:২৫
২০১৩.০১.২৭ ০৮:০২zahid
২০১৩.০১.২৭ ০৮:০৭ABDUL MAJID QUAZI
২০১৩.০১.২৭ ০৮:৩৪Golam Wadud
২০১৩.০১.২৭ ০৮:৩৪প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির দুই গুণ, সন্ত্রাস এবং মানুষ খুন।’ ............. একথাটা কার জন্য বেশী প্রজোয্য তা দেশবাশী খুব ভালই জানে।
Salekin
২০১৩.০১.২৭ ০৮:৪৪Aminul Islam
২০১৩.০১.২৭ ০৯:২০Rotarian MD.Lokman Hossain Raju
২০১৩.০১.২৭ ০৯:৩২riaz
২০১৩.০১.২৭ ১০:২৮Younos
২০১৩.০১.২৭ ১১:১১tahmidul islam
২০১৩.০১.২৭ ১১:৩৬Rimi
২০১৩.০১.২৭ ১৩:১২মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: আপনারা বিগত ৪ বছরে যে কত গুণ অর্জন করেছেন তা কিন্তু এদেশের সাধারণ জনগণ ভালোভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছে।
Md.Ibrahim
২০১৩.০১.২৭ ১৫:০১এতই যদি পারেন তাহলে বিশ্বব্যাংকের কাছে এত দরনা দিচ্ছেন কেন.?
আওয়ামী লীগ সরকার যে পদ্মাসেতু করতে পারবেনা তা নিশ্চিত করেই বলা যায়..!!!
MD. ABU SAYEM
২০১৩.০১.২৭ ১৫:৪৬AKTER MAMUN
২০১৩.০১.২৭ ১৫:৪৯sumon
২০১৩.০১.২৭ ১৬:২৪মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #
২০১৩.০১.২৭ ১৬:৫০দেশের জনগণ বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতিয়ে সরকার গঠনের জন্য পাঠিয়েছিল মহাজোটকে, শুধু কথার ফুলঝুরি ছোটাবার জন্য নয়, অতীতের পচা-গলা ক্লেদ দূরীভূত করে সাফসুতরো করে দেশকে সম্মূখপানে এগিয়ে নেয়ার জন্য। কিন্তু সরকারের চার বছরের মাথায় আমরা কি দেখছি ? সব সেক্টরেই সরকার ফ্লপ ; দ্রব্যমূল্য লাগাম-ছাড়া, আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি, সকল সেক্টরে দলীয়করণের ছড়িয়ে পড়া ব্যপক বিষবাষ্প, দুর্নীতির গড্ডালিকা-প্রবাহ ; ইতিবাচক তেমন কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
তাইতো বলি, অহেতুক অতীত নিয়ে কপচিয়ে জনমানুষকে বিভ্রান্ত করার বৃথা চেষ্টা না করে, বরং বাকী যে-কটা দিন আছে, তা কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কার্যকর উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালান, তাতে কিছুটা লাভ হ'লেও হতে পারে।
Sohel Rahman
২০১৩.০১.২৭ ১৬:৫৬Do you know against which project 196 core USA dollar was cancelled ? We haven't heard a ward against those projects. This type of cancellation occurred against Singapore , China, India, France , and lots of country. But there was not such roar . My question is, In the whole world there isn't any good economist better than USA? Why none of them come from other than America?
Please cite a country name which gets out of the grip of poverty with the assistance of World Bank Group?
I can quote a lot of country name which misery was increased by the World Bank Group by bounding them to apply wrong principle of world bank group . Some of the countries are South Korea, Malaysia, Argentina, Brazil , etc...
When our people will be neutral ?
saad
২০১৩.০১.২৭ ১৭:৫৮Farhan Fardin
২০১৩.০১.২৭ ১৯:১৫কেয়ার টেকার সরকার দেন এবং তার পর ইলেকশন হবে, তাতে আপনিও জয় লাভ করার পসিবিলিটি এখন আছে..
Shaheen Parvez
২০১৩.০১.২৭ ১৯:৫১মাসউদুল গনি (শাহরাস্তি, চাঁদপুর)
২০১৩.০১.২৭ ২০:৪০Faruk Alam
২০১৩.০১.২৭ ২১:৩২Babu
২০১৩.০১.২৭ ২১:৩৫MASUDUR RAHMAN
২০১৩.০১.২৭ ২২:১৩sohag
২০১৩.০১.২৭ ২২:১৫