রাঙামাটিতে হেডম্যান সম্মেলন
‘আমরা যখন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম, তখন সরকারের পক্ষ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান রাজা, হেডম্যান ও কার্বারির পদ বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতার নিরিখে এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব অনুধাবন করে পার্বত্য চুক্তিতে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম।’ গতকাল শনিবার রাঙামাটিতে দুই দিনব্যাপী আয়োজিত হেডম্যান সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা এ তথ্য প্রকাশ করেন।
সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সভাপতি রাংলাই ম্রোর সভাপতিত্বে রাঙামাটি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সমেঞ্চলন অনুষ্ঠিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে ‘অথর্ব’ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করে সন্তু লারমা বলেন, দেশ স্বাধীনের ৪২ বছর, পার্বত্য চুক্তির ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো সেনা কর্তৃত্ব রয়ে গেছে।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুণ কান্তি ঘোষ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বৃষকেতু চাকমা, ইউএনডিপির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পের (সিএইচটিডিএফ) প্রধান বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রবার্ট স্টলমেন, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা ও সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, এএলআরডি, ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ ও আইএলওর সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রামের হেডম্যানদের সমন্বয়কারী সংগঠন সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






