শিরোনাম:

পোশাক কারখানায় আগুন

এবার প্রাণ গেল সাত নারী শ্রমিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৭-০১-২০১৩

  • ২৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • মোহাম্মদপুরের স্মার্ট এক্সপোর্ট লিমিটেড পোশাক কারখানায় গতকাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শ্রমিক

    মোহাম্মদপুরের স্মার্ট এক্সপোর্ট লিমিটেড পোশাক কারখানায় গতকাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শ্রমিক নাসিমার পাশে বোন আরজুর আহাজারি। তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এক স্বজন। ছবিটি গতকাল সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বারান্দা থেকে তোলা ছবি

    প্রথম আলো

  • মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে স্মার্ট গার্মেন্টসে গতকাল আগুন লাগে

    মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে স্মার্ট গার্মেন্টসে গতকাল আগুন লাগে

    ছবি: প্রথম আলো

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের পাশে স্মার্ট এক্সপোর্ট লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানায় গতকাল শনিবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাত নারী শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত শ্রমিকদের মধ্যে ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রমিকেরা অভিযোগ করেন, জরুরি বহির্গমন সিঁড়ির ফটকে তালা লাগানো থাকায় তাঁরা বের হতে পারেননি। চিকিৎসকেরা বলেছেন, ধোঁয়ায় আক্রান্ত হয়ে শ্রমিকেরা শ্বাসরোধে মারা গেছেন।
নিহতদের পরিচয়: নিহত শ্রমিকেরা হলেন: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলার নাসিমা খাতুন (১৭); সাছরার নাসিমা বেগম (২৮), বাতেনবাড়ির জোছনা আক্তার (২০) ও একই জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চরকুল্লির লাইজু আক্তার (১৭)। ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার কানুদাসকাঠির রাজিয়া আক্তার (১৬) ও মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকার উত্তরপাড়ার কোহিনূর আক্তার (১৬)। অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এসব পোশাকশ্রমিক মোহাম্মদ-পুর এলাকার বিভিন্ন বস্তিতে থাকতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গতকাল বেলা পৌনে তিনটার দিকে স্মার্ট এক্সপোর্ট লিমিটেডের দোতলার পেছনে কাটিং বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। দ্বিতীয় তলায় কাচের গ্লাস লাগানো থাকায় ওই তলা ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকেরা তড়িঘড়ি করে অপ্রশস্ত সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে গিয়ে অন্য শ্রমিকদের পায়ের চাপায় পিষ্ট হন। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রায়েরবাজারে সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বিকেল চারটার দিকে আগুন নিভিয়ে ফেলে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুনে পোশাক কারখানার সব যন্ত্র ও কাপড় পুড়ে গেছে।
সিকদার মেডিকেলের সহকারী অধ্যাপক অঞ্জন লাল ঘোষ প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচজনকে মৃত অবস্থায় এই হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁরা ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে দু-তিনজনের মুখমণ্ডলে আগুনের তাপ লাগার চিহ্ন ছিল। পুলিশ জানায়, লাইজু নামের একজনের লাশ স্বজনেরা বাসায় নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্মার্ট পোশাক কারখানার শ্রমিক মিজানুর রহমান জানান, এই পোশাক কারখানায় তিন পালায় কাজ চলে। দুপুর ও সন্ধ্যার পালায় ২৫০ জনের মতো শ্রমিক কাজ করছিলেন। বেলা পৌনে তিনটার দিকে দোতলার পেছনের দিকে কার্টিং বিভাগে আগুন জ্বলতে দেখে শ্রমিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁরা চিৎকার করে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। এত মানুষ একসঙ্গে একটি সিঁড়ি ব্যবহার করে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পিষ্ট হন। এরই মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, সিঁড়ি দিয়ে নামতে না পেরে তিনি বারান্দা ধরে ঝুলে নিচে লাফিয়ে পড়ে প্রাণে বাঁচেন।
আরেক শ্রমিক রওশন আরা বলেন, জরুরি বহির্গমন সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে দেখেন, সেটির ফটক বন্ধ। এ সময় ধোঁয়ায় তাঁর দম বন্ধ হয়ে আসছিল। এরপর তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে দৌড়ে অন্য সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁর আর কিছু মনে নেই।
অভিযান পরিচালনাকারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আবদুল হালিম প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, সিগারেটের জ্বলন্ত অবশিষ্ট অংশ থেকে কিংবা বিদ্যুতের তারের ছিদ্র থেকে ঝুটে আগুন ধরেছিল।
আবদুল হালিম বলেন, আগে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলেও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছে বেলা পৌনে তিনটায়। কারখানা কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসে খবর না দিয়ে কর্মীদের দিয়ে আগুন ধরে যাওয়া ঝুট ও কাপড় সরানোর চেষ্টা করে। এতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেছেন। এ সময় শ্রমিক কিংবা পোশাক কারখানার কাউকে পাননি। তিনি বলেন, কারাখানাটিতে অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
গতকাল বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকেরা পোশাক কারখানার সামনে জড়ো হয়ে নিহত সহকর্মীদের জন্য আহাজারি করছেন। এ সময় পোশাক কারখানাটি থেকে পোড়া গন্ধ বের হচ্ছিল। কারখানার নিচতলায় বেকারি ও কয়েকটি গাড়ি মেরামতের প্রতিষ্ঠান অক্ষত ছিল।
হাসপাতালের দৃশ্য: গতকাল বিকেলে রায়েরবাজারের সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বারান্দায় দেখা যায়, এক সারিতে পাঁচটি লাশ চাদরে ঢাকা। লাশের ওপর স্বজনেরা আছড়ে পড়ে বিলাপ করছেন। তাঁরা বলেন, তাঁরাই ছিলেন সংসারের উপার্জনক্ষম। তাঁরা লাশের ময়নাতদন্ত করাতে চান না।
নাসিমা বেগমের পাশে বিলাপ করছিলেন তাঁর স্বামী মো. শফিক। তিনি বলেন, ‘সকাল সাতটায় দুইজনে একসঙ্গে বাইর অইছি। সকালে নাসির সঙ্গে মোবাইলে কথা অইছিল। তখন তারে বলছিলাম, ঠিক সময়মতো আইসো। কিন্তু এহন আমি ছোট্ট দুইটা মাইয়া-পোলারে নিয়া কেমনে বাঁচুম।’
বিকেলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক পোশাকশ্রমিকদের মৃত্যুর খবরে সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। মৃত ব্যক্তিদের ব্যাপারে সরকার এবং স্থানীয় সাংসদ হিসেবে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। প্রতিমন্ত্রী পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরকে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। রাতে নিহত শ্রমিকদের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে সাতটি লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আহত শ্রমিকদের একজন ঢাকা মেডিকেল ও পাঁচজন সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপতালে চিকিৎসাধীন। সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই নারী শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এর আগে গত বছরের ২৪ নভেম্বর ঢাকার উপকণ্ঠে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরীন ফ্যাশনস লিমিটেডে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১২ শ্রমিক দগ্ধ হয়ে মারা যান।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Rezwanul Haque

Rezwanul Haque

২০১৩.০১.২৭ ০৪:৪৪
জরুরী নির্গমন ফটক বন্ধ! জরুরী নির্গমন ফটক বন্ধ!
অাহা !

S. M. Sakhawat Mahmud

S. M. Sakhawat Mahmud

২০১৩.০১.২৭ ০৪:৪৯
এরপর কারা ? এখন থেকেই প্রস্তুত হয়ে ব্যাংক হিসাব খোলা উচিত ক্ষতিপূরনের চেকটা জমা দেয়ার জন্য।আগে তো ক্ষতিপূরন বাবদ ছাগল দিত, এখন তবুও ভাল কিছু টাকা দেয় । আমরা অভাগাদের এর চেয়ে বেশি আশা কি।

shofiqur rahman

shofiqur rahman

২০১৩.০১.২৭ ০৬:১৭
আর কত কাল চলবে এই মুত্যুর মিছিল । মালিকরা কত তাড়াতাড়ি টাকা বানিয়ে বড় লোক হবে সেই ছিন্তায় ব্যস্ত কিন্তু শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা ছিন্তা করার সময় নেই । সরকারের মনে হয় তেমন মাথা ব্যথা নেই ।
২০১৩.০১.২৭ ০৬:১৮
Check the latest 'fire service inspection report' of the garments..'.Factory safety complience rules' then findout the violations,thus frame the charge sheet and give necessary punishments. I urge Prothom-Alo make a case study and report which covers the real cause of fire hazard in our garments.

Md.Ismail Hossain

Md.Ismail Hossain

২০১৩.০১.২৭ ০৭:২৯
again n again, it seems nobody cares about our labour, In fact our country leaders and garments owner did not take any plan or step to prevent fire events. one day our country people will cry when they think once upon a time we had good garments industry.

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১৩.০১.২৭ ০৭:৩২
আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনস-এর অগ্নিকান্ডের পরও আমাদের হুস হল না, তারপরও সরকার পারলো না কারখানা মালিকদের দ্বারা তাদের কারখানায় অগ্নি-নির্বাপন ব্যাবস্থা ও জরুরী নির্গমণ সিড়ি স্থাপন নিশ্চিত করতে, পারলো না সার্বক্ষণিকভাবে সিড়ির কলাপসিবল গেট উন্মুক্ত রাখা নিশ্চিত করতে। আবার সেই আগুন, আবার সেই মৃত্যু। কবে যে কারখানা মালিক আর সরকারের ভেতর হুস সৃষ্টি হবে !

zahid

zahid

২০১৩.০১.২৭ ০৮:১১
NOW IT IS A NORMAL MATTER IN BANGLADESH.IS THEIR ANY GOVERNMENT IN BANGLADESH TO HELP THESE POOR PEOPLE ?

আরিপ হোসেন

আরিপ হোসেন

২০১৩.০১.২৭ ০৯:০৫
আর কতকাল জরুরী নির্গমন ফটক বন্ধ থাকবে এগুলো কি দেখার কেউ নাই ?

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১৩.০১.২৭ ০৯:৩৫
শ্রমিকদের জীবন এমনই ভাই। অাপনারা যারা দূর থেকে দেখেন,অন লাইনে পত্রিকা পরে মন্তব্য করেন তারা বুঝবেন না জীবন এখানে কত নির্যাতিত !কত নিরুতসব,অার ভীষন্ন ! যতই অাফসোস করুন না কেন অদূর ভবিষ্যতে এ সমস্যার সমাধান নেই !
২০১৩.০১.২৭ ০৯:৫৩
সরকার তাজরিনের ঘটনার পর অনেক সচেতন হয়েছে নাকি কারন_- এইবার পুড়ে অঙ্গার হয়নাই এবং ১১২ জনও মারা যায় নি এবং কোন মালিকও ধরা হয়নি।

Arman

Arman

২০১৩.০১.২৭ ১০:৩০
আমরা খুব সংকিত,কিছু বিবেহীন মানুষের জন্য আমাদের এই গারমেন্টস ইন্ডাষটি না ধবংস হয়ে যায়।
২০১৩.০১.২৭ ১১:২৪
REALLY SAD.WE HAVE TO TAKE ALL NECESSARY STEPS TO STOP LIKE THIS VIOLENCE.EVERYBODY SHOULD REMEMBER THIS PROVERB '' PREVENTION IS BETTER THAN CURE ''.

FAKHRUL ISLAM ,GLOBAL WASHING, A SISTER CONCERN OF AZIM GROUP.

Sharif

Sharif

২০১৩.০১.২৭ ১১:৩০
সি সি ক্যামেরা থাকলে বুঝা যেত কি ভাবে আগুন লেগেছে ।

Taslima Akter

Taslima Akter

২০১৩.০১.২৭ ১১:৩৫
এদেশে সরকার আছে বলে মনে হয় না।

Tonmoy Rahman

Tonmoy Rahman

২০১৩.০১.২৭ ১১:৫০
এত দুরঘতনার পর অ গারমেন্তস মালিকরা সতরকো হচচে না কেন .. এদের কি মানবতা বলে কিসু আচে .....

Ameena Tarannum

Ameena Tarannum

২০১৩.০১.২৭ ১২:০৭
জরুরি বহির্গমন সিঁড়ির ফটকে তালা লাগানো থাকায় তাঁরা বের হতে পারেননি। ....হায় আমার দেশের অভাগা শ্রমিকেরা! !

২০১৩.০১.২৭ ১৩:৪২
হায় হাসিনা! হায় খালেদা! তোমরা বরই সৌভাগ্যবান! এই পুরা লোকগুলোর মা,বাবা অথবা ভাই বোনই আবার তোমাদের ভোট দেবে!

Md.Abu Taher Siddique

Md.Abu Taher Siddique

২০১৩.০১.২৭ ১৪:৩৬
তাজরিন গারমেnts ের ১১১ জন মারা গেল তাতে আমরা কিসু শিখলামনা, নিরগমন ফতক বনধ থাক্ল আবার । কিন্তু দিললির কেস থেকে থিৈ শিখা নিলাম
২০১৩.০১.২৭ ১৪:৩৯
স্বাধীনতার পর প্রায়ই দেখা যেত পাটের গুদামগুলোতে আগুন জ্বলছে । একসময়ে জানা গিয়েছিল -এই আগুন লাগানোর রহস্যের স্বল্পমেয়াদী ফল খেয়েছিল সেই সময়ের চিহ্নিত কিছু সুবিধাবাদী মানুষ । আর চুড়ান্ত ফলাফল ছিল জুটমিলগুলোর গোরস্থানে গমণ । ৯০ এর দশক থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সাবধান করা হয়েছিল , কিছু মালিক যেমন ভুয়াভাবে গজিয়েছে , তেমনি কিছু গোপন গোয়েন্দা সংস্থার হাত প্রসারিত হচ্ছে এটি ধ্বংস করার জন্য । কেউ তখন কাংগালের কথা শোনেন নাই । একটু ভাল করে হিসেব করে মিলিয়ে দেখুন , সেই অংকটা মেলে কি না ?

Md. Nesar Uddin

Md. Nesar Uddin

২০১৩.০১.২৭ ১৪:৪৩
Stop genocide –the owner of garments.

Md. Mosadeqe Hasan Shikat

Md. Mosadeqe Hasan Shikat

২০১৩.০১.২৭ ১৫:৪৭
Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why . Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why . Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why . Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why Why .

Aminur Rahman,Khosru,Frankfurt/Germany

Aminur Rahman,Khosru,Frankfurt/Germany

২০১৩.০১.২৭ ১৭:৫৬
I feel sorry for the victims and pray to Almighty Allah for the piece of their soul.This is not the first occurrence of such fire in our garment Industry rather its a regular case.Few thousand labors had been victim of this kind of fire.This is happening one after other but government could not impose hard laws to our garment factories.Most of these fire time the emergency doors remained closed.The reason behind closing the emergency doors are as follows:
1.Most of the time the worker deny to do over time,in this case factory owners orders the security personals to close them under the same floor to compel them to do the over time .It mostly happens during time of delivery.
2.In some cases workers demand over time and want to protest against the factory owners to achieve a salary raise,in this situation,factory owners close them in a floor to avoid these trouble.
3.Thirdly if the factory owner finds any information about any kind of strike or trouble then they often keep the labors under lock and key.
4.During any emergency they close the main factory doors to avoid other trouble from out side like looting etc.This must happen other way around.The factory owner should ask the factory security personals to open the doors in emergency.The government should impose hard laws on the factories and should not forget the matter just forming a fact finding committee.The govt. should strongly find a long term solution of the these kinds fire and rescue possibilities if necessary calling the experts together or by forming a high level national committee consisting of all parties,govt officials,fire experts and also borrow know how from other countries.It is our bad luck during the time of visit of US Congressman when Bangladesh GSP facilities came under a big question mark,right at that moment such a fire in our Garment industry may a cause great problem to resolve GSP the matter with US administration.The home Minister an incapable person,who have started commenting foolish after taking over the office said why should we arrest the owner of the garment?I would like to ask to our Home Minster,Would like to arrest the victims dead bodies or the relative of the victim?Further I would like to add as a Home Ministry if he does not know to arrest then I think its very very high time for him to resign.

Rana

Rana

২০১৩.০১.২৭ ২০:৫৫
৭ + ১১০ + .. , শুধু সংখ্যাটাই বাড়ছে । যাদের উপর অর্থনীতি নির্ভর করছে তাদের নিরাপত্তা না দিতে পারলে অপেক্ষায় থাকুন যখন ইউরোপ-আমেরিকা order দেয়া বন্ধ করে দেবে ,,,

shusan

shusan

২০১৩.০১.২৭ ২২:৪০
২০১৩.০১.২৭ ১৪:৩৯
স্বাধীনতার পর প্রায়ই দেখা যেত পাটের গুদামগুলোতে আগুন জ্বলছে ।
এখন আর পাটের গুদামগুলোতে আগুন জ্বলে না। পাটকল গুলো এখন শেষ। শুরু হইসে
গারমেন্টস ধংশ।