শিরোনাম:

প্রথম আলো মাদকবিরোধী আন্দোলনের কার্যক্রম

| তারিখ: ১৬-০৩-২০১০

  • ৫ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

সর্বনাশা নেশার চোরাস্রোতে তলিয়ে যেতে বসেছে আমাদের তরুণ সমাজ। মাদকাসক্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিন্তিত হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা, কিন্তু সমাধানের রাস্তা খুঁজে পাচ্ছেন না। মাদক পাচার এবং মাদকাসক্তির হার কমানোর জন্য সীমিত আকারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সরকার। সরকারকে সম্ভাব্য সব রকমের সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘ। তবে এ পাপের আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য আজ জরুরি হয়ে পড়েছে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ, মাদকের বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি।

হাত ঘড়িটা যেদিন খোয়া গেল, সেদিন বাসার কাজের লোককে প্রথম সন্দেহ করেছিলেন ফললুর রহমান সাহেব। কিন্তু কাজের লোককে বিদায়করার পরও যখন পকেট থেকে টাকা গেল তখন আর বুঝতে বাকি থাকল না, এটা তার কলেজপড়ুয়া ছেলে ফয়েজেরই কীর্তি। প্রথমে ছেলেকে বকলেন, শাসন করলেন, তারপর বোঝালেন। ছেলের হাত খরচ বাড়িয়েদিলেন। কিন্তু কাজ হলো না কিছুতেই।ঘরের নানা মূল্যবান সামগ্রী হাওয়া হয়েযেতে লাগল কিছুদিন পরপর।এর মধ্যে ফয়েজের মা জানালো ছেলের আচার-আচরণ বেশ কিছুদিন ধরে তার কাছে অস্বাভাবিক ঠেকছে।ঘুম কম, সব সময়কেমন অস্থির অস্থির ভাব। এই হয়তো চরম উত্ফুল্ল, আবার কিছুক্ষণপর কেমন অর্ধমৃতের মতো শুয়ে থাকে। কী যেন হয়েছে ছেলের? ফয়েজের বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আলাপ করেও কোনো সূত্র পেলেন না। তাদের ভাবগতিও তার বিশেষ সুবিধার মনে হলো না। পরে এক ডাক্তার বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিভিন্ন লক্ষণমিলিয়ে নিশ্চিত হলেন তার ছেলেএখন মাদকাসক্ত। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল মধ্যবিত্ত সংসারের কর্তা ফজলুর রহমানের।

যে কথা তিনি কখনো স্বপ্নেও কল্পনা করেননি সেই নেশার খপ্পরে পড়েছে তার একমাত্র সন্তান।
প্রথম আলোর বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে মাদকবিরোধী আন্দোলন একটি অন্যতম। এটি এখন প্রথম আলো ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
মাদকবিরোধী আন্দোলন বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে প্রতি মাসে মাদক পরামর্শ সহায়তা, গোলটেবিল, শোভাযাত্রা, মানববন্ধন, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মাদকবিরোধী বন্ধুমেলা, কনসার্টসহ ২৬ জুন বিশ্ব মাদকমুক্ত দিবস উপলক্ষে সারা দেশে ব্যাপক আয়োজন।
প্রথম আলো মাদকবিরোধী আন্দোলনের স্লোগান ‘মাদককে না বলো’। অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত রিপোর্ট, ফিচার, বিজ্ঞাপন, সম্পাদকীয় ও চিঠিপত্র প্রকাশ করা হয়, যা মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

rehan Ahmed

rehan Ahmed

২০১০.০৭.০৬ ০৩:২৪
amr choto vi er bebohar dekhe amar sondeho hosse se hoytoba madok ashokto!
ebepar e sahajjer jnne ami kothae jogajog korte pari?

miah

miah

২০১০.১০.১৯ ০১:২৯
মাদকাশক্ত দেশে মহামারি আকার দারন করেছে।প্রসাশন যেন নিরব।আইন যেন বন্দি হয়ে আছে দুরনিতি আর কতিত রাজনিতির কাছে।মানুশ নিরুপায়।সরকার সুদু বদলায়, কিন্তু বদলায় না দুরনিতি আর সমাজ দংশ করার হাতিয়ার কতিত রাজনিতি।

Efty Sarkar

Efty Sarkar

২০১১.০৪.১৬ ১৬:০৮
Government should be very strict about drug because it is destroying our nation...About drug there should be no sacrifice...

Mohammad Mujibur Rahman

Mohammad Mujibur Rahman

২০১১.০৬.২১ ১০:৩৩
@ Mr. Rehan Ahmed: I hope this link will be helpful for u. http://www.crea-society.org/. U better contact with them.

MD. RAKIB UDDIN MAZUMDER

MD. RAKIB UDDIN MAZUMDER

২০১১.১০.৩১ ০৮:০৫
প্রথম আলোকে ধন্যবাদ। দেশ এবং জাতিকে তার ব্যধি সম্পর্কে সজাগ করার জন্য। আমি মনে করি প্রত্যেকটা মিডিয়া এরকম জোরালো ভূমিকা নেয়া উচিত। একটা জাতিকে ধংস হবার একটা বড় মরণাস্ত্র হলো এই মাদক। তারপরও কেন এত বড় সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হচ্ছেনা? কারন হিসাবে বলা যায়, আমাদের সদিচ্ছার বড় অভাব। আর এ অভাব দেখা দিয়েছেদেশ পরিচালনার কর্নধার রাজনীবিদদের মধ্যে । তাই এ জাতি মাদকের ছোবল থেকে মুক্ত হচ্ছেনা। ওনারা মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে রাজি। কিন্তু মাদক মুক্ত হচ্ছে কিনা তা সঠিকভাবে তদারকি করতে রাজি নন। তাই প্রথম আলোকে বিশেষ ভূমিকা নিতে হচ্ছে। আমাদের সরকারকে অবশ্যই এ ব্যপারে আরো শক্ত ভূমিকা রাখা উচিত। মাদক অপরাধিকে দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় প্রকাশ্যে শাস্তি দেয়া উচিত। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মিডিয়াতে মাদক বিরুধী বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রতিবেদনের তথ্য ও ভিডিও চিত্র প্রকাশ করা উচিত। আমাদের জাতীয় সংসদে নিয়মিত আলোচনা থাকা উচিত বলে মনে করি। -- ধন্যবাদ।