কর্মসংস্থান

চাকরি খুঁজো না, চাকরি দাও

মুনির হাসান | তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ২৬ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মালয়েশিয়ায় পামবাগানে শ্রমিক যেতে পারবেন বাংলাদেশ থেকে। প্রতি মাসে বেতন বাংলাদেশি টাকায় ২৫ হাজার। ৩০ হাজার কর্মীর জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ১৫ লাখ কর্মপ্রত্যাশী। এর আগে গত বছরে চার হাজার ৬০০ সরকারি চাকরির জন্য বিসিএস পরীক্ষার আবেদন করেছেন মাত্র এক লাখ ৯১ হাজার চাকরিপ্রত্যাশী। উভয় ক্ষেত্রে সাফল্যের দেখা পাবেন খুবই কমসংখ্যক প্রাথী। অবশিষ্ট প্রার্থীদের হয় পরের বারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, নতুবা বেকারত্বের ঘানি টেনে নিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশে এখন বেকার বা ছদ্মবেকারের সংখ্যা নেহাত কম নয়। এর চেয়ে জরুরি হলো, বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ১৫ লাখ কর্মপ্রত্যাশী কর্মবাজারে আসেন। আমরা শুনেছি, সরকারি আর আধা সরকারি মিলে আমাদের মোট চাকরির সংখ্যাই নাকি ১৫ লাখ! ইচ্ছা করলেই সরকার এই পদের সংখ্যা কয়েক শ গুণ বাড়াতে পারবে না। তাহলে ২০-২১ সালে আমরা যে পরিবারপ্রতি কমপক্ষে একজনের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছি, সেটি কীভাবে পূরণ হবে? নাকি এটি সোনার হরিণই থেকে যাবে?
আমাদের দেশে আমরা কি বড় আকারের শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে পারব দ্রুত গতিতে, কাঙ্ক্ষিত গতিতে; বলা মুশকিল। তবে, বড় আকারের বেসরকারি সংস্থাও কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের কর্মসংস্থানের চূড়ান্ত সমাধান নয়। যেমন: আজ প্রায় ৬০ বছর ধরে ওষুধ, আবাস ও হাসপাতালশিল্পে কাজ করছে, এমন একটি শিল্প-পরিবার এ পর্যন্ত ৪৫ হাজার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল কোম্পানিতে কর্মীর সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি নয়। সাধারণভাবে বলা যায়, প্রচলিত পদ্ধতিতে আমাদের কর্মসংস্থান সমস্যার সমাধান নেই।
অন্যদিকে, কয়েক বছর ধরে আমরা একটি বিশেষ ঘটনা প্রত্যক্ষ করছি ইন্টারনেটের বদৌলতে। একটি কম্পিউটার আর একটি ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই এখন একজন শিক্ষিত ব্যক্তি নিজেই স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন। তাঁদের মধ্যে যাঁরা একটু তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন, তাঁরা তো অনেকখানি এগিয়ে যেতে পারেন। বাংলাদেশের লাখ খানেক তরুণ-তরুণী এখন ইন্টারনেটে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য চেষ্টা করছেন। বছর চারেক আগে, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক থেকে আমরা যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে এই পেশার পক্ষে প্রচারণা চালাতে শুরু করি, তখন হাতেগোনা কয়েকজন তরুণ এই ডলার-রাজ্যের খোঁজ রাখতেন। এখন জানলাম, এই মুহূর্তে ইন্টারনেটের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস এডেস্ক ডট কমে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশের কর্মী রেজিস্ট্রেশন করেছেন; যদিও সবাই এখনো সেভাবে কাজ পাচ্ছেন না। তবে, একটি খুবই রক্ষণশীল হিসাব। ২০১২ সালেই আমাদের এই তরুণ কর্মী বাহিনী প্রতিদিন এক কোটি ডলার আয় করেছেন! ইন্টারনেট যে কেবল স্বতন্ত্র উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে তা নয়, এটি প্রায় সবার জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
কাজে কেবল স্বতন্ত্র ও মুক্ত উদ্যোক্তা নয়, সুযোগ এসেছে দেশে উদ্যোক্তাদের জন্য উদ্যোক্তাবান্ধব একটি পরিবেশ সৃষ্টি করার। আর এ ক্ষেত্রে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এভাবে যাঁরা নিজেদের বৈশ্বিক গ্রামের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবেন, তাঁরা কখনোই ‘চাকরি জাতীয়করণের জন্য পুলিশের সঙ্গে লাঠালাঠি করতে যাবেন না’।
তবে, যেভাবেই আমরা বলি না কেন, আমাদের সমাজ এখনো উদ্যোক্তাদের ভালো চোখে দেখে না। অনেকেই মনে করেন, মুনাফা খারাপ। ব্যবসায়ী মাত্রই অসৎ এবং অবৈধভাবে টাকা আয় করেন। আমরা বিল গেটস বা ওয়ারেন বাফেটের গল্প করতে ভালোবাসি, কিন্তু ব্যবসায়ী উদ্যোক্তার সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সময় ইতস্তত করি। বিয়ের বাজারে উদ্যোক্তার নিজের চেয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দর ভালো।
আমাদের দেশে উদ্যোক্তা হওয়ার সংস্কৃতি যে গড়ে ওঠেনি, তার একটা কারণ হলো ঔপনিবেশিক শিক্ষা। এই শিক্ষা আমাদের কেরানি বানাতে চেয়েছে এবং সফল হয়েছে। ফলে আমাদের সবার ধ্যানজ্ঞান থাকে চাকরি নামের সোনার হরিণ। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিলেবাস তৈরির সময়ও চাকরির ব্যাপারটি মাথায় রাখা হয়।
আবার উদ্যোক্তাদের মধ্যে সফল হওয়ার আকাঙ্ক্ষাও রয়েছে দারুণভাবে। আমেরিকার তথ্যপ্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের তীর্থ সিলিকন ভ্যালির সাধারণ প্রতীতি হলো, একটি গুগল পাওয়ার জন্য কমপক্ষে আড়াই হাজার চেষ্টা করতে হয়। আমেরিকার প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ নিয়ে কোর্স করানো হয় এবং সেখানকার পড়াশোনাও বেশ ব্যতিক্রমী। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করার পর সবাই নিজে একটা কিছু করার চেষ্টা করেন। কয়েকবার ফেল করার পর তাঁরা চাকরি করতে যান। এসব কারণে সেই দেশে উদ্যোক্তাবান্ধব একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ইসরায়েলেও একই রকম ব্যাপার। ইসরায়েলকে তো বলা হয় স্টার্টআপ নেশন!
আমাদের এখন দরকার দেশে আত্মকর্মসংস্থানের একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা। কাজটা সহজ হবে না, তবে সেটি মোটেই অসম্ভব নয়।
আমরা যদি আমাদের তরুণদের সুযোগ করে দিতে পারি, তাহলে অনেকখানি এগিয়ে যেতে পারব। তাঁদের ব্যবসা শেখার সুযোগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পরিচর্যাকেন্দ্র গড়ে তার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের জন্য নানা আয়োজনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে; সেই সঙ্গে দরকার তাঁদের অর্থায়নের ব্যবস্থা নেওয়া।
আমরা নানা খাতে প্রতিবছরই হাজার কোটি টাকা নষ্ট আর অপচয় করি। আগামী অর্থবছরে, অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করব মাত্র ১০ কোটি টাকা এ খাতে দেওয়ার জন্য। এই ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে এক হাজার দলকে, যার প্রতিটিতে তিনজন করে সদস্য থাকবেন। তাঁরা তাঁদের আইডিয়া বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবেন। সরকার ইচ্ছে করলে তদারকির ব্যবস্থা করবে; না করলেও চলবে।
এই দলগুলোর কোনোটি আইটি প্রতিষ্ঠান করবে, কেউ কেউ কাজ করবে কৃষি-বাণিজ্য নিয়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলার জন্য নতুন কিছু বের করার চেষ্টা করবেন অনেকে সদস্য। আবার অনেকে মুক্ত পেশাজীবী হবেন। মাত্র ১০ মাসেই এই তিন হাজার উদ্যোক্তা সারা দেশের তরুণদের জন্য অনেক অনুকরণীয় উদাহরণ সৃষ্টি করবেন। তাঁদের দেখানো পথে যাঁরা হাঁটবেন, তাঁদের জন্য সরকারকে তখন কিছুই করতে হবে না।
এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, আমাদের যে ৩৩ লাখ লোক এখন শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন, তাঁদের একটি বড় অংশ আমাদের স্বপ্নবাজ তরুণদের পাশে দাঁড়াবেন, এনজেল ইনভেস্টর হবেন এবং তাঁদের কাঁধে হাত দিয়ে বলবেন, ‘চাকরি খুঁজো না, চাকরি দাও।’
মুনির হাসান: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Sanowr Hussain

Sanowr Hussain

২০১৩.০১.৩১ ০৭:৩২
What an excellent inspiring article. Every individual should try one’s best to do something for the society. Let’s forget our rubbish political ideology; be business minded, be a skilled international citizen, then we’ll see everyone smiling in our society.

fuad

fuad

২০১৩.০১.৩১ ০৭:৫৩
পড়ে ভাল লাগল । আশা করি একদিন আমাদের দেশে কাজ করার জন্য বাহিরের দেশের মানুষ লাইন ধরবে ভিসা নেয়ার জন্য

SANJOY SARKAR

SANJOY SARKAR

২০১৩.০১.৩১ ০৮:১০
মুনির হোসেন ভাই, আপনার সুন্দর লেখনির সাথে আমিও একমত। তবে সরকার যদি এবিষয়ে পদক্ষেপ নেন তাহলে আমাদের দেশের বেকার যুব সমাজ অবশ্যই আপনার লেখার মান রাখবে বলে আমি মনে করি। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সরকারকে এবিষয়ের প্রতি সুদৃষ্টি নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

Amity.duVietnam

Amity.duVietnam

২০১৩.০১.৩১ ০৮:২৬
wonderful and innovative writing. I also request govt. to allot 10 core take for this novel initiative... finally thanks for awesome writing!

arifur

arifur

২০১৩.০১.৩১ ০৮:৩০
Jobs are available in the market. Problem is, the number of people with quality is lower.

polash saha

polash saha

২০১৩.০১.৩১ ০৯:১৯
Bravo!!!

Jonathon

Jonathon

২০১৩.০১.৩১ ০৯:২২
আপনার সুন্দর েলখািটর জন্য ধন্যবাদ .
২০১৩.০১.৩১ ০৯:৫১
im fully agree with that....and, im also try to do something which help me be a self depend businessman..pray for me

S.M. Alimuzzaman

S.M. Alimuzzaman

২০১৩.০১.৩১ ১০:১৭
খুবই ভালো লাগলো। আমার নিজেরও ইচ্ছা হয় কিছু করতে করে দেখাতে। কিন্তু ঠিকানা খুজে পাইনা কোনো গাইড লাইনের। যারা শেখাবে উদ্যোক্তা হতে। সরকারী বা বেসরকারী একটি গাইডলাইন খুবই জরূরী।

Mohammed Arifur Rahman Chowdhury

Mohammed Arifur Rahman Chowdhury

২০১৩.০১.৩১ ১০:১৯
মানুষের কাজ না করে কি করব, আর অন্য মানুষ কে কাজ দিব কি করে? কাজ দিতে হলে কাজ সৃষ্টি করতে হবে, আমাদের দেশ এ কোনো কাজ সৃষ্টি করাটাই কঠিন।
কর্মক্ষেত্র তয়রি করতে আপনি আর্থিক (ব্যাঙ্ক ঋণ), সামাজিক (গ্রহণযোগ্যতা), প্রশাসনিক (নিরাপত্তা) সাহায্য পাবেন না, তো আপনি কর্মক্ষেত্র তয়রি করবেন কি করে?
তারপরও অনেকেই করে যাচ্ছেন তাদের সাধুবাদ জানাই।

Saifur Rahman

Saifur Rahman

২০১৩.০১.৩১ ১০:২৬
Good idea.Go ahead.

Bashir Uzzaman

Bashir Uzzaman

২০১৩.০১.৩১ ১০:২৬
Awesome writing. I'm trying to be an entrepreneur. But our poor mentality is main barrier of this. All parents want to see their child in a reputed firm as an employee. But I believe from our new generation it will be changed.

Hasan Mahmud

Hasan Mahmud

২০১৩.০১.৩১ ১০:৪৯
লেখাটা খুবই বাস্তব সম্মত ও সময় উপযোগী হয়েছে। আমার অনার্স শেষ হল মাত্র দু সম্পাহ আগে। মাস্টার্স ক্লাস শুরু করেছি পাশাপাশি নিজের শুরু উদ্যোগটিকে এগিয়ে নিতে কাজ করছি। কিন্তু এখনই পরিবার থেকে চাকুরি জন্য বলা হচ্ছে। তাই খুব মানষিক চাপে আছি। এমতা বস্থায় এ লেখাটি আমার জন্য খুবই প্রয়োজন।

Mehir Kumar Mondal

Mehir Kumar Mondal

২০১৩.০১.৩১ ১১:৪৩
ধন্যবাদ, মুনির স্যারকে। লেখাটা খুবই যৌক্তিক এবং যুগোপযোগী। আমারও ইচ্ছা করে এমন করতে, এমন হতে। আর তাই এখন একটি প্রতিষ্ঠানে আছি উদ্যোক্তা হিসেবে। আইটি উদ্যোক্তা হতে চাই ও আমার জেলার সবাইকে এর সাথে যুক্ত করতে চাই।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১৩.০১.৩১ ১২:১৩
আমাদের দেশে বসে আমরা যখন শুনি ২৫ হাজার টাকার চাকুরি তখন দিবা স্বপ্ন দেখতে থাকি। কিন্তু আমরা কখনও হিসাব করি না, ঐখানে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে খাওয়া থাক কত লাগবে, কত বাচবে মাবাপ ভাইবোনদের জন্য দেশে কত টাকা পাঠানোর জন্য থাকবে, তা তখন হিসাব করি না।

Tonmoy Rahman

Tonmoy Rahman

২০১৩.০১.৩১ ১২:২১
অত্যন্ত সুন্দর একটি আইডিয়া। কোনো সরকার যদি দলীয় স্বাথ, স্বজনপ্রীতি ও দূরনীতি মুক্তভাবে এই ছোট্ট উদ্দোগটি গ্রহন করে অন্তত ৩ বছর চালাতে পারে তাহলেই আমরা (এদেশের যুব সমাজ) এদেশকে সমৃদ্ধির পথে নেতৃত্ব দিতে তৈরী হয়ে যাব ........................

nirmal

nirmal

২০১৩.০১.৩১ ১২:৩৫
Excellent idea.But is it possible for everyone.

Md. Asadur Rahman, Chittagong

Md. Asadur Rahman, Chittagong

২০১৩.০১.৩১ ১৩:০১
Really nice, I completely agree with you, I am also a member of ODESK and trying to get the job as Software and Web design though I am job holder.

Md.Abdul Hye

Md.Abdul Hye

২০১৩.০১.৩১ ১৩:০৭
Excellent idea,govt should pick it and develop..............

Ahsan

Ahsan

২০১৩.০১.৩১ ১৩:২২
স্যার খুব ভালো লিখেছেন। আমরা তরুনরা এখন অনেকটা নির্জীব হয়ে গেছে। আমাদের মানসিকতায় দাস প্রথা ঢুকে গেছে। নিজেরা কিছু করতে ভয় পাই। খুজে বেড়াই সোনার হরিন চাকুরী। অথচ সম পরিমান শ্রম নিজে দিয়ে যদি একটি ছোট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি তাহরে তা দিয়ে আমার কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আরো ২/১ জনের কর্মসংস্থান হতে পারে। সরকারের উচিত তরুনদের উদোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক, কারিগরি সাপোর্ট দেয়া।

Shibly Amin

Shibly Amin

২০১৩.০১.৩১ ১৩:২৩
প্রথমেই লিখককে ধন্যবাদ। সুন্দর একটি লেখনির জন্য। ...সরকার এর আশায় থাকলে আমাদের দেশে কিছুই হবে না। এই দেশের রাজনীতি পচে র্দুগন্ধ হয়ে গেছে. আর এরাই আরো অনেক দিন দেশটাকে শুষতে থাকবে।
আমাদের সবার নিজ নিজ উদ্দোগেই এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে সামর্থ্যবানদের। আর তাহলেই একটু একটু করে চেন্জ আসবে।

Shibly Amin

Shibly Amin

২০১৩.০১.৩১ ১৩:২৫
[আপনার মন্তব্য বিবেচনার জন্য অপেক্ষমান এবং সকলের নিকট প্রদর্শিত নয়]...
হলে আর মন্তব্য করে লাভ কি?
আর কতদিন এমন চলবে?

Aminul Ahesan

Aminul Ahesan

২০১৩.০১.৩১ ১৫:৪৬
বিয়ের বাজারে উদ্যোক্তার নিজের চেয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দর ভালো। কারণ চাকুরীজীবীরা সাধারনত সুশৃংখল জীবন যাপন করে। অন্য দিকে অধিকাংশ উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী মুনাফার নেশায় সর্বদা বিভোর থাকে।

Ataur rahman

Ataur rahman

২০১৩.০১.৩১ ১৫:৪৮
ভালো একটা লেখা। আসলেই আমাদের মত তরুণদের স্বপ্ন দেখা উচিত নতুন কিছু করার , নিজে থেকে কিছু করবার ।

Faruk Alam

Faruk Alam

২০১৩.০১.৩১ ২০:০৬
সবার আগে দরকার সামাজিক দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তন। আর স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ। দেশে অনেক আগ্রহী তরুন রয়েছে যারা নিজে কিছু করতে চায়। কিন্তু সমাজ তাদের বরাবরই বাকা দৃষ্টিতে দেখে। তার যোগ্যতা খাটো করে দেখা হয়। ধারনাটা এমন চাকুরী পায়নি বলে্‌ই সে নিজে কিছু করতে চায়।

rubel

rubel

২০১৩.০১.৩১ ২৩:৩১
very good news........................