৩ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু
পরীক্ষার্থী কমেছে, ঝরে গেছে এক লাখ ৮৬ হাজার
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের চেয়ে সোয়া এক লাখ কমেছে। এ ছাড়া নিবন্ধন করেও এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৩ জন শিক্ষার্থী ঝরে গেছে। দুই বছর আগে নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে তারা নিবন্ধন করেও পরীক্ষা দিচ্ছে না।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুরু হচ্ছে এই পরীক্ষা। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই তিন পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ তিন হাজার ২০৩ জন। গতবার এই সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ২০ হাজার ৫৭ জন। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে এবার এক লাখ ১৬ হাজার ৮৫৪ জন পরীক্ষার্থী কমেছে।
পরীক্ষার্থী কমে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার যারা এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, তারা ২০১০ সালে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এসেছে। এর আগে অষ্টম শ্রেণী অধ্যয়ন করা প্রায় সব শিক্ষার্থীই আগে নবম শ্রেণীতে ভর্তির সুযোগ নিত। এতে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যাটা বেশি হতো।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার্থী নয় লাখ ৮৯ হাজার ৮১৭ জন। দাখিলে দুই লাখ ২৫ হাজার ২৬ জন ও এসএসসি ভোকেশনালে ৮৮ হাজার ৩৬০ জন। ১০ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রসংখ্যা ছয় লাখ ৬৮ হাজার ২৬৮ জন এবং ছাত্রীসংখ্যা ছয় লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৫ জন।
ঝরে পড়ার চিত্র: সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১০ বোর্ডে দুই বছর আগে (২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ) নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করে ১২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯৯ জন। এর মধ্যে থেকে এবার পরীক্ষা দিচ্ছে ১০ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৬ জন। ঝরে গেছে এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৩ জন। তবে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলে মোট পরীক্ষার্থী আরও বেশি।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, ঝরে পড়ার হার আগের চেয়ে কমছে। ২০০৯ সালে এই স্তরে ঝরে পড়ার হার ছিল ৪৮ শতাংশ, পরের বছর এই হার হয় ৩৬ শতাংশ, ২০১১ সালে ছিল ২২ শতাংশ। আর এবার এই হার হলো ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুন নূর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুস সালাম হাওলদার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান প্রমুখ।







Md.Tanvir Nazim Chowdhury
২০১৩.০১.৩১ ১১:৩৭Mamun
২০১৩.০১.৩১ ১৪:২৪