ঢাকা-চট্টগ্রামে আগুন ও ভাঙচুর, আটক ২২ (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ৩৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • পল্টন মোড়ে বেশ কিছু যানবাহনে ভাঙচুর চালান হরতালের সমর্থনকারীরা।

    পল্টন মোড়ে বেশ কিছু যানবাহনে ভাঙচুর চালান হরতালের সমর্থনকারীরা।

    ছবি: মনিরুল আলম

  • জামায়াতের হরতাল চলাকালে সকালে রাজধানীর মালিবাগ রেলক্রসিং এলাকায় দলীয় ব্যানার নিয়ে মিছিল ক

    জামায়াতের হরতাল চলাকালে সকালে রাজধানীর মালিবাগ রেলক্রসিং এলাকায় দলীয় ব্যানার নিয়ে মিছিল করেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা।

    ছবি: মনিরুল আলম

  • তোপখানা রোডে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন লাগানো ও গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ বেশ

    তোপখানা রোডে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন লাগানো ও গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে।

    ছবি: মনিরুল আলম

  • রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা। ছবিটি রাজধানীর সার্ক ফোয়ারা থেকে তোলা।

    রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা। ছবিটি রাজধানীর সার্ক ফোয়ারা থেকে তোলা।

    ছবি: মনিরুল আলম

রাজধানী ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস হরতাল পালন করেছে জামায়াতে ইসলামী। চট্টগ্রামে গাড়িতে আগুন লাগানো ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে হরতাল চলাকালে জামায়াত-শিবিরের ২২ জন কর্মীকে আটক করা হয়।
আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যমতে, হরতাল চলাকালে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। হরতাল চলাকালে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও র্যাবের ১২ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়।
গতকাল বুধবার ঢাকায় সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে আজকের হরতালের ডাক দেয়। সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকলেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বেলা দুইটা পর্যন্ত হরতাল পালিত হয়।

মিছিল-পিকেটিং

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর থেকে যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন স্থানে তত্পর ছিলেন জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে শনির আখড়ার বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়কে কয়েকটি গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালায় হরতাল পালনকারীরা। এ সময় পুলিশ ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যান। এ ছাড়া কাঁচপুর এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে হরতালকারীরা। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্বরোডে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিংয়ের চেষ্টা করেন জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা।
সকাল সাতটার দিকে আজিমপুর এলাকায় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা একটি মিছিল বের করে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করেন। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশ তিনজনকে আটক করে।

কল্যাণপুরে জামায়াতে ইসলামীর সাংসদ ও ঢাকা মহানগর কমিটির নায়েবে আমির হামিদুর রহমানের আযাদের নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল হয়।
সকাল নয়টার পর ফার্মগেট এলাকায় শিবিরের আট-নয়জন একটি ঝটিকা মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং একজনকে আটক করে।
তবে মতিঝিলে আজ হরতালবিরোধী মিছিল করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড শ্রমিক লীগ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শ্রমিক-কর্মচারীরা।

বাসে আগুন ও ভাঙচুর

সকাল আটটায় মিরপুরে যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় হরতালের সমর্থনকারীরা। এ ছাড়া তারা ওই এলাকায় দুটি বাসও ভাঙচুর করে।
সকাল আটটার দিকে মিরপুর অরিজিনাল ১০ নম্বরের গোরস্তানের পাশে বিহারি ক্যাম্প থেকে ১০-১৫ জন যুবক প্রধান সড়কে হারতালের সমর্থনে টায়ারে আগুন জ্বালান ও দুটি বাস ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে হরতালের সমর্থনকারীরা সময় নিয়ন্ত্রণ পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নেভায়। ওই বাসের চালক বাবুল মিয়া আহত হন। তবে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
বাসের চালক বাবুল মিয়া প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, তাঁর হাতে লাঠির আঘাত লেগেছে। হরতালের সমর্থনকারীরা বাসের সামনের কাচ ভেঙে দিয়েছে।
এ ঘটনার পর সকাল নয়টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হরতালবিরোধী মিছিল বের করেন।
মিরপুর থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) রকিব উদ্দিন জানান, আজ সকাল পৌনে সাতটার দিকে মিরপুরের কাজিপাড়ায় হরতালের সমর্থকেরা মিছিল বের করার চেষ্টা করে। সেখান থেকে পুলিশ চারজনকে আটক করে।
অন্যদিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সানারপাড় এলাকায় সকাল সাতটার দিকে পণ্যবাহী একটি ট্রাকে, জুরাইনে একটি লেগুনায়, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে চাংপাই রেস্তোরাঁর সামনে একটি লেগুনায় আগুন ও বাড্ডায় একটি বাস ভাঙচুর করে হরতালের সমর্থনকারীরা।
হরতাল শেষে ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়, হরতালের সময় ঢাকায় একটি গাড়িতে আগুন ও দুটি যানবাহন ভাঙচুর করেন শিবিরকর্মীরা।


ককটেল বিস্ফোরণ

বাংলামোটরে ছয়টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় হরতালকারীরা। এ সময় পুলিশ দুজনকে আটক করে।

চট্টগ্রাম

আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার এলাকায় একটি টেম্পোতে আগুন ধরিয়ে দেয় হরতালের সমর্থনকারীরা। এ ছাড়া নগরের মাইলের মাথা এলাকায় একই সময়ে একটি হিউম্যান হলারে আগুন লাগায় তারা। এ ঘটনায় নগর থেকে অন্তত পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। লালদীঘির পাড় এলাকায় সকালে একটি টেম্পোতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়া নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে তিন-চারটি গাড়ি ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে।
নগর পুলিশের কোতোয়ালি অঞ্চলের সহকারী কমিশনার আবদুল মান্নান সকালে দুটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হরতালের সমর্থনকারীরা একটি কাভার্ড ভ্যানসহ দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানা গেছে।

ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার গাড়ি

হরতালের কারণে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে অন্য দিনের তুলনায় যানচলাচল ছিল কম। তবে এসব সড়কে রিকশা চলাচলে আজ কোনো বাধা ছিল না। রাজধানী থেকে দূরপাল্লার কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি। মতিঝিলের দিলকুশা ব্যাংকপাড়া এলাকায় সড়কের দুই পাশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ফটক বন্ধ থাকতে দেখা যায়। তবে বিকল্প পথে গ্রাহকেরা লেনদেন সারেন বলে জানা গেছে।

মূলত, যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ, আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জামায়াত আন্দোলন করে আসছে। গত ৩ ডিসেম্বর বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে সমাবেশ করতে না দেওয়ায় ৪ ডিসেম্বর একবার হরতাল ডেকেছিল দলটি। ওই হরতালে মাঝরাতে ঘোষণা দিয়ে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছিল বিএনপি। আর আজকের হরতালে গতকাল সন্ধ্যারাতেই নিজেদের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়ে দেয় দলটি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১৩.০১.৩১ ১০:০৬
জামায়াতকে কিছু পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যে সমাবেশ করার অনুমতি দিলে অকারণে এই হরতাল হত না, জনগনের ট্যাকের অতিরিক্ত টাকা খরচ হত না, মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হত না। সরকারের আনাড়ীপনাই এর জন্য দায়ী ।

Russell

Russell

২০১৩.০১.৩১ ১০:১৭
৭১ এর ধর্ষক ও গনহত্যাকরীদের শাস্তি দিতে যত দেরী হবে তত বেশী এরা বিএনপির মদদে হিংস্্রতা ছড়াবে।

sabnoor

sabnoor

২০১৩.০১.৩১ ১০:২১
Jamat is nothing without BNP. BNP are fully responcible for this anarckism, destraction of peoples property and life.

j alam

j alam

২০১৩.০১.৩১ ১০:৫৮
সরকার বিরদি দলকে বাদ্য করতেছে হরতাল দেওয়ার জন্য , দয়া করে সরকার মহাদয় স;লাফে বসুন অনুরোধ করি ,দেশ বাছান মানুষ বাছান নিজেও বাছুন
২০১৩.০১.৩১ ১১:১৭
৭১ এর দোহায় দিয়ে আর কতদিন... ? ২০১৩ তে ভালোভাবে বাচতে দিন।..
২০১৩.০১.৩১ ১১:১৮
জামায়াতকে কিছু পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যে সমাবেশ করার অনুমতি দিলে অকারণে এই হরতাল হত না, জনগনের ট্যাকের অতিরিক্ত টাকা খরচ হত না, মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হত না। সরকারের আনাড়ীপনাই এর জন্য দায়ী ।

২০১৩.০১.৩১ ১১:৩১
এ পর্যন্ত মনে হয় কয়েক হাজার জামাত জামাত শিবির কর্মী গ্রেপ্তার করা হয়েছে । এত গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করেও দমানো গেল না। আর যাবে বলে মনে হয় না।

২০১৩.০১.৩১ ১১:৪২
jamat-shibir should not get any rights to be in Bangladesh. They can Leave Bangladesh. they just want to make Bangladesh as pakistan. We should awake now and stop this criminal. We should get all together to BAN jamat-Shibir in our country.
২০১৩.০১.৩১ ১১:৪৭
বিএনপি সমর্থন দিয়ে ভালই করেছে। কারণ ট্রাইবুনাল নামে সরকারী নেতারাই তো বিচারের রায় ঘোষণা করে দিচ্ছে। ওদের বিচার করবে কে?

Md. Imam Hossain

Md. Imam Hossain

২০১৩.০১.৩১ ১১:৫০
৭১ এর ধর্ষক ও গনহত্যাকরীদের শাস্তি দিতে যত দেরী হবে তত বেশী এরা বিএনপির মদদে হিংস্্রতা ছড়াবে, জামােয়ত, িশ িবর।

Monowar Hossain Anik

Monowar Hossain Anik

২০১৩.০১.৩১ ১১:৫৪
হরতাল সফল হোক এ কামনা করছি

২০১৩.০১.৩১ ১১:৫৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছিলেন গনধোলাই দিয়ে শিবির-জামায়াতকে পুলিশে দিতে। আবেদনে সাড়া পাওয়া গেল না। খোলনাতে পুলিশি প্রহরায় জামায়াত-শিবিরের মিছিল। রাজপথে ছাত্রলীগে অনুপস্থিতি। বিভিন্ন জেলায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা। সব মিলে মনে হচ্ছে ঝড় উল্টা প্রবাহিত হচ্ছে। জামায়াত-শিবির কি শেষ পর্যন্ত আওয়ামী বিরোধী প্লাটফর্ম হবে !!! বামরা আওয়ামী উচ্ছিষ্ট খেয়ে করছেটা কী ??

joynul abedin

joynul abedin

২০১৩.০১.৩১ ১২:০২
জামায়াতকে তার অধিকার পালন করতে দিলে আজ এই অবস্থার সৃষ্টি হত না। সরকারের ভূলের কারণে দেশ কোথায় যায় বলা যায় না।

Mohammad Siam Hossain Khan

Mohammad Siam Hossain Khan

২০১৩.০১.৩১ ১২:১৭
৭১ এর ধর্ষক ও গনহত্যাকরীদের শাস্তি দিতে যত দেরী হবে তত বেশী এরা বিএনপির মদদে হিংস্্রতা ছড়াবে।
২০১৩.০১.৩১ ১২:১৭
গত কাল আমার বোন অফিস থেকে ফিরছিল মগবাজার ওয়্যারলেসে আসতেই বাসে আগুন দেয় হরতাল সমর্থকরা । অনেক কষ্টে আমার বোন প্রানে বেঁচে আসছে। কেন এই হরতাল ?? সরকার কেন জামাত কে গুলি করে মেরে ফেলে না।

Md. Mobarock Hossain

Md. Mobarock Hossain

২০১৩.০১.৩১ ১২:১৮
How much we will tolerate it. They should be banned. Politics in the name religion will work no more. We should take a bold step to save our country from this type of stigma.
২০১৩.০১.৩১ ১২:২৩
জামাত ইসলাম রাজাকার এই মূহতে বাংলা ছার । গোলাম আজম সাইদী বাংলার ইহদী.

২০১৩.০১.৩১ ১২:৩২
এই বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগের স্হান নাই। সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের স্হান আরেক সন্ত্রাসী দেশ ভারতের কাছে। তাদের উচিত বাংলার মাটি ত্যাগ করে ইন্ডিয়ার মাটিতে চলে যাওয়া।

sohel chowdhury

sohel chowdhury

২০১৩.০১.৩১ ১২:৪৩
আজকে রাজশাহীর হরতাল থেকে পুলিশ ও সরকার শিক্ষা নেয়া উচিৎ, পুলিশ অনুমতি দিলে রাজশাহীতে জামাত শিবির মিছিল ও বিক্ষোভ করে তাদের প্রোগ্রাম শেষ করে, কোন অপ্রতিকর ঘঠনা ঘটে নাই। সুতারাং যদি সরকার ঢাকাতে বিক্ষোভ করার অনুমতি দিতো তাহলে এই হরতাল হতো না। এই হরতালের জন্য সরকারই দায়ী।

বাবুল করিম

বাবুল করিম

২০১৩.০১.৩১ ১৩:০৩
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় কী পাত্তা দিলনা ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা- শিবিরের ভয়ে মাঠ থেকে পালাল? বিএনপির হরতালেতো দেখি তারা বীরদর্পে মাঠে দাবিয়ে বেড়ায়- এসব মহান বীর(!!!) পুরুষরা আজ কোথায়?

২০১৩.০১.৩১ ১৩:১১
৫ বছরের জনন সামরিক সাসন চাই , আজ বেরামমন বারিয়ায় ডাকাতরা রেলগাড়ি থেকে ৪ জনকে ফেলেদিয়ে হৎা করল। হয়ার আর উই লিভ ইন !!!

Sujay Halder

Sujay Halder

২০১৩.০১.৩১ ১৩:১৪
১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তি সংগ্রামের বিরুদ্ধাচারন যারা করেছিল, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে চেয়েছিল তারা ৪২ বছর পর আমার স্বাধীন দেশের মাটিতে হরতাল আহবান করে.., বিএনপি নৈতিক সমর্থন জানায়। লজ্জা লাগে ভাবতে, আমরা স্বাধীন দেশে বসবাস করছি কি না? বিএনপি বা আওয়ামীলীগের ত্যাগী, দেশপ্রেমিক নেতাদের কি লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা এই দেশের প্রতি কোন কর্তব্য নেই...

Tasnim

Tasnim

২০১৩.০১.৩১ ১৩:২০
বিএনপি ও জামায়াত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিরোধী। এদের অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা দরকার। এই নরপশুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

raheb

raheb

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৩১
আওয়ামিলীগ তো ক্ষমতায় বসে খুব ভাবে আছে ...।
পুলিশের কড়া নিরাপত্তা মধ্যে সমাবেশ করার অনুমতি দিলে আজ এই হরতাল হত না ।
আওয়ামিলীগের তো কোন সমস্যা নাই , ওরা আরামে বাসায় বসে থাকবে অথবা
আগে পিছে পুলিশ নিয়ে ঘুরবে , কিন্তু আমাদের নিরাপত্তা কে দিবে ??????

ওরা সমাবেশ করে কি করে ফেলত , আওয়ামিলীগ জনগনের জানমালের চিন্তা যদি আসলেই করতো,
তাহলে আজ এই হরতাল হত না ।
ক্ষমতা দেখিয়ে সমাবেশ করতে দিল না ......। আর ওরা তার চেয়ে বড়টা করল ,আটকাতে তো পারল না ।
ক্ষতি হল কার জনগনের । এই শেষ সময়ে জনগনের চিন্তা করা উচিৎ আওয়ামীলিগের

Mrinal Kanti Deb

Mrinal Kanti Deb

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৩৯
Its difficult to understand the role of law & order safety battalion!!! It seems they r too flexible to the situation whts going on. Home minister's roar does't refelct to control the violence.

Md. Bazlur Rahman

Md. Bazlur Rahman

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৫৬
আজকে রাজশাহীর হরতাল থেকে পুলিশ ও সরকার শিক্ষা নেয়া উচিৎ, পুলিশ অনুমতি দিলে রাজশাহীতে জামাত শিবির মিছিল ও বিক্ষোভ করে তাদের প্রোগ্রাম শেষ করে, কোন অপ্রতিকর ঘঠনা ঘটে নাই। সুতারাং যদি সরকার ঢাকাতে বিক্ষোভ করার অনুমতি দিতো তাহলে এই হরতাল হতো না। এই হরতালের জন্য সরকারই দায়ী।

Amit

Amit

২০১৩.০১.৩১ ১৪:০৬
জামাত শিবির কে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা দরকার।

M.A.H. Tofail Mahmud

M.A.H. Tofail Mahmud

২০১৩.০১.৩১ ১৪:৫৪
as a patriot of Pakistan why the Jamat shibir people are not settle them there?

Tutul

Tutul

২০১৩.০১.৩১ ১৫:০৮
What is difference between Charta Ligue & Shibir - 16 core people demand to band both

Tutul

Tutul

২০১৩.০১.৩১ ১৫:০৯
ধর্ষক ও গনহত্যাকরী ছাত্রলীগে ও জামায়াত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিরোধী। এদের অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা দরকার। এই নরপশুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

Ripon Chowdhury

Ripon Chowdhury

২০১৩.০১.৩১ ১৫:১২
সরকার সমাবেশের অনুমতি দিয় দেখতে পারতো তারা শান্তিপূর্ন সমাবেশ করে কিনা, তাহলে হরতালের নামে এ ক্ষতি দেশের হত না। গনতান্ত্রিক চর্চার পথ রুদ্ধ হলে পেশীবাদের উদ্ভব হতে বাধ্য।

Prodip

Prodip

২০১৩.০১.৩১ ১৫:২৩
এদিকে জামাত শিবিরকে তান্ডব চালানোর সমর্থন দিয়ে ,কেগম খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন পোষ্ট এ মার্কিন সরকারের কাছে অাবেদন জানিয়ে চিটি ছাপিয়েছেন ,তাদের অনুগ্রহ পাবার অাশায় । ড: ইউনূসের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে তাতে বেগম খালেদা জিয়ার সমবেদনা প্রকাশ পেয়েছে যাতে পদ্মা সেতুতো দূরের কথা , সরকারকেই যেন কুপোকাত করে দেয় তার অাবেদন তিনি জানিয়েছেন ।

Md. Abul Hasan

Md. Abul Hasan

২০১৩.০১.৩১ ১৫:৩৮
বি এন পি কে একটা কথাই বলব আপনারা জামায়াত ত্যাগ করুন জনগন আপনাদের পাসে থাকবে।
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৩৯
ওই হরতালে মাঝরাতে ঘোষণা দিয়ে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছিল বিএনপি ।