সংঘর্ষের পর অসুস্থ হয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

যশোর অফিস | তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ১২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা সদরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে হরতাল চলাকালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর অসুস্থ হয়ে এক পুলিশ কনস্টেবল মারা গেছেন। ওই সংঘর্ষে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে শিবিরের চার কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মৃত পুলিশ কনস্টেবলের নাম জহিরুল হক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত-শিবিরের এক থেকে দেড় শ নেতা-কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে মনিরামপুর থানার মোড় থেকে কলেজ পর্যন্ত এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে ছয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশের ওপর হরতালের সমর্থনকারীরা হামলা চালান। পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে।
প্রথম আলো ডটকমকে দেওয়া মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আজম খানের ভাষ্য, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কাচের বোতল ও ইটের টুকরো ছোড়েন। একই সঙ্গে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছোড়েন তাঁরা। ওই হামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। দুই ঘণ্টা সংঘর্ষের পর আটটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
শিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর থানায় ফেরার পরে জহিরুল হক নামের এক কনস্টেবল বুকে ব্যথা অনুভব করলে প্রথমে তাঁকে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে তাঁকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা হাসান মাহমুদের ভাষ্য, হাসপাতালে আনার পথেই জহিরুল হকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাঁ চোখের নিচে একটি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে চিকিৎসক জানান।
বেলা ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই কনস্টেবলের লাশের ময়নাতদন্ত চলছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

২০১৩.০১.৩১ ১১:৫৮
পুলিশের এই কনস্টেবলের মনে হয় হারটে সমস্যা ছিল। এই ধরনের লোকদেরকে ফিলড ডিউটিতে পাঠানো একেবারেই অনুচিত। সমভবট উনি বয়সকও ছিলেন। আসলে বুজতে পারছিনা, কার অন্যায়ের / পাপের কারনে আমরা সাধারন জনগন এই কষট পাচিছ।

sirajul islam

sirajul islam

২০১৩.০১.৩১ ১২:০৩
Jamat-Shibir should be stopped at any cost. Government should help the dead police constable's family.

Enos Hembrom

Enos Hembrom

২০১৩.০১.৩১ ১২:২১
বেচারা পুলিশ মার খায় !!!!!!!!!!!!!!!!!!!

ALAMIN(EAST JURAIN)

ALAMIN(EAST JURAIN)

২০১৩.০১.৩১ ১২:৪২
ইস খুবই দুঃখের সাথে বলছি নিহত ব্যক্তিটি যদি পুলিস না হয়ে সাধারন জনগণ হতেন তাহলে সরকার বলত আমার কর্মীকে মেরে ফেলা হয়েছে,আবার বিরোধী দল বলত আমাদের কর্মীকে মেরে ফেলা হয়েছে এবং আরও কত কি!সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ঠ ধ্বংসের এই মারণাস্ত্র হরতাল কি আমাদের রাজনিতিক দলগুলি একত্রে বন্ধ করে দিতে পারেন না।প্রত্যেক সরকারই কত কিছু করেন তো এটা কেন করতে পারে না।তবে উত্তর একটা আছে আর সেটা হল ডাক্তার আর মেডিসিন তৈরির মালিক যদি একই ব্যাক্তি হন তাহলে তো রোগীর অবস্থ্যা যেটা হয় আর সেটাই আমাদের বেলায় এখানে হচ্ছে।
২০১৩.০১.৩১ ১২:৪৬
যারা এভাবে তান্ডব চালিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত করছে তাদের মনুষ্যত্ব দেখানোর প্রয়োজন নেই। এদেরকে গনধোলাই দিয়ে শায়েস্তা করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের জন্য এখনও দেশের মধ্যে রাজাকাররা তান্ডব চালায়, এ লজ্জা কোথায় রাখি!

Ashik

Ashik

২০১৩.০১.৩১ ১৩:১৪
যখন ৭ রাউন্ড গুলি ছুঁড়েছিল পুলিশ তখন মনে ছিল না । আবাবিলের ইটের আঘাতে কি হতে পারে । এটাই আল্লাহ্‌র বিচার । হাতে নাতে । আল্লাহ্‌ মহান

Kawsar

Kawsar

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৪৬
নিজেদের বাচাতে কেন পুলিস গুলি করচেননা ?

২০১৩.০১.৩১ ১৪:০২
রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ বাহিনী দিয়ে বিরোধীদল দমনের চেষ্টা করছে সরকার। পুলিশকে এভাবে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে সরকার ও পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের কিছু সুবিধাভোগী কর্মকর্তা লাভবান হলেও বিনালাভে মার খাচ্ছেন কনস্টেবলরা
২০১৩.০১.৩১ ১৫:২২
somebody in the jail and somebody on the road! what a crash! actually country is going towards civil war. we whose are common people, now in deep trouble.

Riaz

Riaz

২০১৩.০১.৩১ ১৫:৫১
গুলতি দিয়ে মার্বেল ছোড়েন তাঁরা। ওই হামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন :-P

Md. Delowar Hossain

Md. Delowar Hossain

২০১৩.০১.৩১ ১৬:১০
আসলে ঘটনাটা কি ঘটেছে তা নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই বুঝা যাবে ।

Ibrahim

Ibrahim

২০১৩.০১.৩১ ১৮:৫০
পুলিশ মারা যাবার সাথে সাথেই ডাক্তার রিপোর্টে বলে দিল তার চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন ছিল। অথচ, বিশ্বজিতের সারা শরীর চাপাতি দিয়ে ফালি ফালি করে দেওয়ার পরেও ডাক্তারের রিপোর্টে একটি দাগও এলো না। এই হল দেশের অবস্থা।