সংঘর্ষের পর অসুস্থ হয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
যশোরের মনিরামপুর উপজেলা সদরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে হরতাল চলাকালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর অসুস্থ হয়ে এক পুলিশ কনস্টেবল মারা গেছেন। ওই সংঘর্ষে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে শিবিরের চার কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মৃত পুলিশ কনস্টেবলের নাম জহিরুল হক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত-শিবিরের এক থেকে দেড় শ নেতা-কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে মনিরামপুর থানার মোড় থেকে কলেজ পর্যন্ত এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে ছয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশের ওপর হরতালের সমর্থনকারীরা হামলা চালান। পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে।
প্রথম আলো ডটকমকে দেওয়া মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আজম খানের ভাষ্য, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কাচের বোতল ও ইটের টুকরো ছোড়েন। একই সঙ্গে গুলতি দিয়ে মার্বেল ছোড়েন তাঁরা। ওই হামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। দুই ঘণ্টা সংঘর্ষের পর আটটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
শিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর থানায় ফেরার পরে জহিরুল হক নামের এক কনস্টেবল বুকে ব্যথা অনুভব করলে প্রথমে তাঁকে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে তাঁকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা হাসান মাহমুদের ভাষ্য, হাসপাতালে আনার পথেই জহিরুল হকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাঁ চোখের নিচে একটি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে চিকিৎসক জানান।
বেলা ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই কনস্টেবলের লাশের ময়নাতদন্ত চলছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।








২০১৩.০১.৩১ ১১:৫৮sirajul islam
২০১৩.০১.৩১ ১২:০৩Enos Hembrom
২০১৩.০১.৩১ ১২:২১ALAMIN(EAST JURAIN)
২০১৩.০১.৩১ ১২:৪২Ashik
২০১৩.০১.৩১ ১৩:১৪Kawsar
২০১৩.০১.৩১ ১৩:৪৬
২০১৩.০১.৩১ ১৪:০২Riaz
২০১৩.০১.৩১ ১৫:৫১Md. Delowar Hossain
২০১৩.০১.৩১ ১৬:১০Ibrahim
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৫০