শনিবার জেলায় জামায়াতের হরতাল
বগুড়ায় নিহত দুজনকেই কর্মী দাবি ছাত্রলীগ-শিবিরের
-
বগুড়া শহরের সাতমাথায় জামায়াত-শিবিরের মিছিল। আজকের হরতালে বগুড়া ছিল উত্তপ্ত।
ছবি: প্রথম আলো
-
সাতমাথা এলাকায় পুলিশের তৎপরতা।
ছবিঃ প্রথম আলো
বগুড়া শহরে আজ বৃহস্পতিবারের হরতাল চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের মধ্যে ওই সংঘর্ষ হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। নিহত দুজনকেই নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির। ঘটনার প্রতিবাদে আগামী শনিবার বগুড়ায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে জামায়াত। শহর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাজেদুর রহমান এ কথা জানিয়েছেন।
নিহত দুজন হলেন, মিজানুর রহমান (২৮) ও আবু রুহানী (২০)। নিহত আবু রুহানীর পরিবার জানিয়েছে, তিনি সরকারি আজিজুল হক কলেজে ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মোজাম্মেল হক জানান, নিহত মিজানুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। তাঁর বাড়ি কুমিল্লায়। তিনি বগুড়ার সাবগ্রামে হ্যাচারির ব্যবসা করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, আজ বেলা একটার দিকে শহরের সাবগ্রাম এলাকার দ্বিতীয় বাইপাসে পিকেটিং করার সময় শিবিরকর্মীদের ধাওয়া দেয় ছাত্রলীগ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। ঘটনার সময় মিজানুর রহমান রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন।
ছাত্রলীগের বগুড়া জেলা সভাপতি আলীম আল রাজী দাবি করেছেন, ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে মিজানুরকে হত্যা করেন শিবিরের কর্মীরা। তবে বগুড়া জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও আন্দোলন সম্পাদক মিজানুর রহমান দাবি করেছেন, নিহত মিজানুর রহমান তাঁদের কর্মী। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শিবিরকর্মীরা পালিয়ে যান। মিজানুরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম জানান, এর আগে দুপুর ১২টার দিকে শহরের ফুলবাড়ী মহিলা কলেজের সামনে ছাত্রলীগের সঙ্গে শিবিরকর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় আবু রুহানী (২০) নিহত হন। শিবির দাবি করেছে, ছাত্রলীগের কর্মীদের ছুরিকাঘাতে রুহানীর মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্রলীগ কোনো মন্তব্য করেনি।
পরে বিকেল চারটার দিকে শহরের সাতমাথা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসপি বলেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে।







Rohul Amin Faisal
২০১৩.০১.৩১ ১৬:১১Tutul
২০১৩.০১.৩১ ১৬:১১imran
২০১৩.০১.৩১ ১৬:১৪abdulhaque
২০১৩.০১.৩১ ১৬:১৬সংঘর্ষে মারা যায়নি।
Shobuz Khan
২০১৩.০১.৩১ ১৬:২১Rohul Amin Sarkar Faisal
২০১৩.০১.৩১ ১৬:২৪Abir BD
২০১৩.০১.৩১ ১৬:২৪But question is- why the innocents like Bishwajit/Rabbi/Ruhani will die ??
Andalib Ansari
২০১৩.০১.৩১ ১৬:৩১Khawar
২০১৩.০১.৩১ ১৬:৪১Hossain Ahamed
২০১৩.০১.৩১ ১৭:০৪Tawhid
২০১৩.০১.৩১ ১৭:০৪আসিতেছে শুভ দিন,দিনে দিনে শুধু বাড়িয়েছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ
Sharif Ahmad
২০১৩.০১.৩১ ১৮:২৮Farhan Fardin
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৩০M. Mondle
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৩৩sumon alam
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৩৮Md ratan mia
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৪৭
২০১৩.০১.৩১ ১৮:৫১আবেশ আবদুল্লাহ
২০১৩.০১.৩১ ১৯:০২
২০১৩.০১.৩১ ১৯:০৫specially chatroleague..
sumon kaiser
২০১৩.০১.৩১ ১৯:০৯আর পুলিশ তো শিবির চেনে না, চেনে বামপন্হী নেতাকর্মীদের। শিক্ষকদের। ফলে দিনে দিনে শিবিরের হাতে মার খাওয়ার নাটক বাড়ছে তো বাড়ছে। স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের শিবির প্রীতিও কম না।
এ বিএনপি’রও উচিত জামাতি সংশ্রব পরিত্যাগ করা। তাতে বিএনপি’র মর্যাদা বাড়বে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধের ইস্যুতে যারা এক হবে তারাই লাভবান হবে। উপকৃত হবে বাংলাদেশ।
Mofizul Islam
২০১৩.০১.৩১ ১৯:২৯Md.Shakirul Islam Bhuiyan
২০১৩.০১.৩১ ১৯:৩৫azad ak
২০১৩.০১.৩১ ১৯:৪৭Rabiul Hasan
২০১৩.০১.৩১ ১৯:৪৮emon
২০১৩.০১.৩১ ১৯:৪৮MOHAMMED AMZAD HOSSAIN SIKDER
২০১৩.০১.৩১ ১৯:৪৮Md Ariful Islam
২০১৩.০১.৩১ ২০:০২salim sarker shuvo
২০১৩.০১.৩১ ২০:১৬
২০১৩.০১.৩১ ২০:১৭Bright Bangladesh ( Safil Uddin Bhuiyan)
২০১৩.০১.৩১ ২০:২৩M A Ghani Sarker
২০১৩.০১.৩১ ২০:৪১Taslima Akter
২০১৩.০১.৩১ ২১:০৮Fahima
২০১৩.০১.৩১ ২১:১৪vAgAbOnD
২০১৩.০১.৩১ ২১:৫০vAgAbOnD
২০১৩.০১.৩১ ২১:৫১Akter Hossain
২০১৩.০১.৩১ ২২:০৩syed tofael hussain
২০১৩.০১.৩১ ২২:১৯M. Wazir Hossain
২০১৩.০১.৩১ ২২:৩৯