একটি আশীর্বাদ
রংপুরে কম্বল পেয়ে খুশিতে আত্মহারা এক বৃদ্ধা
ছবি: মঈনুল ইসলাম
কত বছর তাঁর বয়স, তিনি নিজেও জানেন না। মা-বাবা শখ করে নাম রেখেছিলেন নূরজাহান। তিনি জাহানের নূর হতে পারেননি, বরং চোখের নূর হারিয়ে অন্ধপ্রায়। ভীষণ পাওয়ারের একটি চশমা তাঁর চোখে। বসেছিলেন আরও কয়েকজন ভিক্ষুকের সঙ্গে পথের ধারে। ভীষণ ঠান্ডা! ভিক্ষুকদের গায়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া কম্বল। তাঁর গায়ে একটি শাড়ি চার ভাঁজ করে দেওয়া। কেউ তাঁকে একটি গরম কাপড় দেয়নি। তিনি চাইতে পারেন না। অন্যদের সঙ্গে শুধু বসে থাকেন মাথা নিচু করে। তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো তাঁর কোনো কম্বল আছে কি না তখন তাঁর চোখের কোণে পানি জমে উঠল। সেই পানির ফোঁটা আরও বড় হয়ে ধরা পড়ল। আমি তাঁকে সঙ্গে নিয়ে একটা কম্বল কিনে দিলাম। এবার আর এক বিন্দু নয়, পানির ধারা থোবড়ানো গাল বেয়ে নামতে লাগল। চোখের পানি মুছে সেই হাত তিনি মাথায় রাখলেন। এর চেয়ে বড় আশীর্বাদ আর কীই-বা হতে পারে?
রাজশাহী বন্ধুসভা।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন







সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন