বিপিএলে মাতবে চট্টগ্রাম
প্রথম টেস্ট জয়ের সাক্ষী এই এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। তার পর হারিয়ে যাওয়া। ক্রিকেট-বিচ্যুত। শুধু আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত জাতীয় ক্রিকেটও উপেক্ষিত। ২০০৫ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নোঙর করেছে এই শহরের সাগরিকায় নির্মিত জহুর আহম্মদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সাত বছর পর আবার ক্রিকেটের বড় কোনো আসর ফিরছে পুরোনো স্টেডিয়ামে।
আগামীকাল স্মৃতি-জাগানিয়া এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে বসছে বিপিএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসর। আসরটির জন্য অনেকটা ফুটবল মাঠ হয়ে ওঠা পুরোনো এই স্টেডিয়ামের কর্তাদের কম ঘাম ঝরাতে হয়নি। ফুটবল-উপযোগী ফ্লাডলাইট দিয়ে তো ক্রিকেট হবে না। তাই খুলে আনতে হয়েছে সাগরিকা স্টেডিয়ামের লাইট। এ ছাড়া নানা সংস্কারকাজ তো রয়েছেই। সব আয়োজন শেষ বলেই জানালেন কর্মকর্তারা।
‘আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। সব দিক দিয়ে চট্টগ্রামের আসর যাতে সেরা হয়, সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ বললেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার (সিজেকেএস) সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন। এই আয়োজন সফল করেই তাঁরা ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। এই ইচ্ছাটিও ব্যক্ত করলেন তিনি। চট্টগ্রামের দল চিটাগং কিংস ও সিলেট রয়্যালসের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে চট্টগ্রামের বিপিএল পর্ব। ঢাকা ও খুলনায় দর্শক-খরায় ভুগতে থাকা বিপিএলকে প্রাণ দেওয়া চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য তাঁদের তৎপরতারও অভাব নেই। সিটি করপোরেশন তাদের পরিচালনাধীন স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ হাজার টিকিট কিনছে বলে জানা গেছে।
এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৩০ হাজার। কর্মকর্তারা আশাবাদী, চট্টগ্রামের মানুষ মাঠমুখী হবেই। দীর্ঘদিন পর এই স্টেডিয়ামে ক্রিকেট হচ্ছে, এটাও একটা বড় কারণ।
ইতিমধ্যে দলগুলো চট্টগ্রামে আসতে শুরু করেছে। গতকাল চিটাগং কিংসসহ আরও কয়েকটি দল চট্টগ্রামে পা রেখেছে। এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তাসংক্রান্ত সভাও হয়ে গেছে নগর পুলিশের। আজ থেকে স্টেডিয়ামপাড়ায় জ্বলে উঠবে বিয়েবাড়ির আলোকবাতি। স্টেডিয়ামের চারদিক সাজানো হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়।
গত বৃহস্পতিবার থেকে ছাড়া হয়েছে চট্টগ্রামে বিপিএলের ১০টি ম্যাচের টিকিট। টিকিটের দামও নাগালের মধ্যে—গ্যালারি ২০০ টাকা এবং ক্লাব হাউস এক হাজার টাকা। আর খেলা দেখতে গিয়ে পুরস্কার জেতার সম্ভবনাও রয়েছে।
প্রতিদিন সেরা মুখের জন্য রয়েছে বিশেষ পুরস্কার। এ ছাড়া ক্র্যাজি ফ্যান ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বের জন্যও আছে পৃথক পুরস্কার। আর দর্শকদের মধ্যে লটারি করে প্রতিদিন দেওয়া হবে একটি এলসিডি ওয়ালটন টেলিভিশন। তাহলে আর দেরি কেন! এখনই সংগ্রহ করুন আপনার টিকিট।
ইউসিবিএল ব্যাংকের ওআর নিজাম সড়ক, দামপাড়া ও কদমতলী শাখা ছাড়া সানমার ওশান সিটি, এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে পাওয়া যাচ্ছে বিপিএলের টিকিট।
পাঠকের মন্তব্য
সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন







NASIR
২০১৩.০১.২৭ ১২:৩২তাহলে আর দেরি কেন! এখনই সংগ্রহ করুন আপনার টিকিট।