গোরকঘাটা-জনতাবাজার সড়ক

৩০ মিটারের ভোগান্তি পুরো ২৭ কিলোমিটারে!

রুহুল বয়ান, মহেশখালী | তারিখ: ২৭-০১-২০১৩

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

গত বছরের জুলাই মাসে পাহাড়ি ঢলে মহেশখালীর গোরকঘাটা-জনতাবাজার সড়কের চালিয়াতলি এলাকায় আধা কিলোমিটার অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে প্রায় ৩০ মিটার অংশে এখন আর সড়কের চিহ্নই নেই। ওই অংশে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গাড়ি চলাচল করছে পাশের বিকল্প সড়ক দিয়ে। ফলে এই আধা কিলোমিটারের ভোগান্তি ছড়িয়ে পড়েছে ২৭ কিলোমিটারের পুরো সড়কে। অথচ ছয় মাস ধরে এ অবস্থা চললেও সড়ক মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন।
জানা যায়, মাতারবাড়ি, শাপলাপুর ও ধলঘাটা ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। এ সড়কপথে উপজেলা সদর ও চকরিয়ায় আসা-যাওয়া করেন স্থানীয় লোকজন।
উত্তর নলবিলা এলাকার বাসিন্দা ও কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুন্নবী বলেন, চালিয়াতলি এলাকার আধা কিলোমিটার সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আর কোনো পথ না থাকায় কষ্ট সয়ে চলাচল করছেন আশপাশের বাসিন্দারা। আমরা বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনের নজরে আনলেও এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের কালারমারছড়া ইউনিয়নের চালিয়াতলি এলাকার আধা কিলোমিটারজুড়ে খানাখন্দে ভরপুর। আর ৩০ মিটার অংশের বিকল্প সড়কের অবস্থাও খারাপ। এতে গাড়ি চলছে হেলেদুলে। অনেকে চালিয়াতলি এলাকায় এসে গাড়ি বদল করে আধা কিলোমিটার হেঁটে পার হচ্ছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, বিকল্প সড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে আটটি আটোরিকশা উল্টে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া প্রায় সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই আছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন না লোকজন। কারণ, ভাঙা অংশে ছিনতাই ও গাড়ি ডাকাতির আশঙ্কা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী মোশাররেফ হোসেন বলেন, ‘ভাঙা সড়ক সংস্কার করতে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর গত ডিসেম্বর মাসে প্রায় আট লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। আশা করছি শিগগির সড়ক সংস্কারকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 
আপনার মতামত দিন