রাজশাহী নার্সিং কলেজ

সেবার ব্রত

আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ | তারিখ: ২৭-০১-২০১৩

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
রাজশাহী নার্সিং কলেজের এই শিক্ষার্থীরা এখন প্রবেশ করবেন পেশাজীবনে

রাজশাহী নার্সিং কলেজের এই শিক্ষার্থীরা এখন প্রবেশ করবেন পেশাজীবনে

দেশের প্রথম চার বছর মেয়াদি নার্সিং কোর্সের ব্যাচটি সদ্য বের হয়েছে। রাজশাহী নার্সিং কলেজ থেকে পাশ করা এই ব্যাচে রয়েছেন ৪৩ জন মেয়ে ও দুজন ছেলে। ব্যাচটির নাম ‘মেঘদূত’। তাঁরা বলছেন, শুধু মানুষের শরীরে সুঁই ফোটানো নয়, সেবার ব্রত নিয়ে তাঁরা মাঠে নামতে চান। নার্সিং পেশাকে আরও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যেতে চান। ২০০৭ সালে দেশে প্রথমবারের মতো এই কোর্স শুরু হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে। এর মধ্যে ঢাকা ও ময়মনসিংহ কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির অধীনে, চট্টগ্রাম কলেজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী কলেজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মেডিসিন ফ্যাকাল্টির অধীনে পরিচালিত। জীববিজ্ঞানসহ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে চার বছর মেয়াদি এই নার্সিং কোর্সে ভর্তি হতে হয়। ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই মেধা তালিকার ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি নেওয়া হয়। দেশে ও বিদেশে সরকারি-বেসরকারি যেকোনো হাসপাতালে তাঁরা কাজের সুযোগ পাবেন। ২০০৮ সালে একই সঙ্গে ভর্তি হলেও রাজশাহী নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের কোর্স শেষ হয়েছে আগে। ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর তাঁদের ফলাফল প্রকাশিত হয়। মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন মেরিনা জেরিন। তাঁর বাড়ি খুলনা মহানগরের ছোট বয়রা এলাকায়। বাবার নাম মজিবুর রহমান ও মাহমুদা খানম। মেরিনা বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক বেসরকারি হাসপাতালে বাহির থেকে নার্স নিয়ে আসা হয়। আমরা দেখাতে চাই আমরাও সেই কাজ করার মতো দক্ষতা অর্জন করেছি।’ তিনি বলেন, ‘নার্সিং পেশাকে আমরা বিশ্বমানের করে তুলতে চাই।’ এ ছাড়া এই ব্যাচের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আলী, ফাতিমা-তুজ-জোহরা, রোকসানা ফেরদৌস, রঞ্জিনা খাতুন, ফারহানা আরমিন ও তাপসী রাবেয়াসহ সব শিক্ষার্থীর চোখে যেন নতুন দিনের স্বপ্ন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক খালেকুজ্জামান খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে এই ব্যাচের ক্লাস নিয়েছেন। তিনি বলেন, ইংরেজিতে ও কম্পিউটারে এদের ভালো দখল রয়েছে। এরা ইংরেজির দক্ষতা বাড়িয়ে আইইএলটিএসে ভালো স্কোর করতে পারলে বিদেশে উচ্চ বেতনে ভালো চাকরির সুযোগ পেতে পারে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 
আপনার মতামত দিন