তরুণী উদ্ধারে হান্নানের সাহসী ভূমিকা
‘ওর মতো মানুষ হয় না’
মানুষের উপকারের জন্য সব সময় অর্থ আর ক্ষমতার প্রয়োজন হয় না, চাই মনোবল আর ইচ্ছা। তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মানিকগঞ্জের হান্নান (৩৮)। পরোপকারের সদিচ্ছার সঙ্গে অসীম সাহসকে সম্বল করেই পেশায় হকার এই মানুষটি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তরুণী ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।
হান্নান মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার পশ্চিম সেওতা গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে। কখনো বাসে আবার কখনো মহল্লায় ঘুরে ঘুরে সবজি, বাদাম বিক্রি করেন। চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী গত বৃহস্পতিবার নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে পাটুরিয়াগামী শুভযাত্রা পরিবহনের বাসে ওঠেন। মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে অন্য যাত্রীরা নেমে গেলে বাসে শুধু ওই তরুণী, হেলপার আবুল কাসেম ও চালক দীপু ছিলেন। এ সময় দীপু তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এরপর দীপু বাস চালাতে থাকলে কাসেম তরুণীকে ধর্ষণ করেন।
হকার হান্নান ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাগজান এলাকায় বাসের ভেতর ধস্তাধস্তি দেখে ঘটনা বুঝতে পারেন। তিনি দ্রুত অন্য একটি বাসে উঠে শুভযাত্রা পরিবহনের ওই বাসটিকে অনুসরণ করতে থাকেন। কিন্তু তাঁকে বহনকারী বাসটি এগিয়ে গেলে তিনি মহাসড়কের ঘিওর উপজেলার তরা সেতুর কাছে নেমে অপেক্ষায় থাকেন। বাসটি সেখানে এলে হান্নানকে দেখে চালক বাসটিকে ঘুরিয়ে মানিকগঞ্জের দিকে চলতে থাকেন। হান্নানকে ওই চালক ও হেলপার আগে থেকেই চিনতেন। হান্নান আবার বাসটির পিছু নেন। একপর্যায়ে ধর্ষকেরা মানরা সেতুর কাছে তরুণীটিকে বাস থেকে ফেলে দিয়ে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে বাস রেখে পালিয়ে যান।
হান্নান তখন স্থানীয় লোকদের সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। হান্নান প্রথম আলোকে বলেন, মেয়েটিকে সহায়তা করায় এখন তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, মানুষের উপকার করতে গেলে হুমকি যেমন আসবে, আবার পক্ষের লোকেরও অভাব হবে না। হান্নানের প্রতিবেশী মানিকগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মো. খৈমুদ্দিন বলেন, ‘মানুষের পাশে দাঁড়ানো হান্নানের অভ্যাস। ওর মতো মানুষ হয় না।’
পাঠকের মন্তব্য
সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন







Humayun
২০১৩.০১.২৭ ০৩:৩১Dr Ahsan Ullah
২০১৩.০১.২৭ ০৪:১০Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১৩.০১.২৭ ০৫:৪৭shishir
২০১৩.০১.২৭ ০৭:১২Biplob Roy Genis
২০১৩.০১.২৭ ০৭:১৯মাছেম
২০১৩.০১.২৭ ০৭:৪৯Benoy
২০১৩.০১.২৭ ০৮:০০Salekin
২০১৩.০১.২৭ ০৮:১০M M Rahaman
২০১৩.০১.২৭ ০৮:৩৩Tajerul islam sadhin
২০১৩.০১.২৭ ০৯:১৩alamin
২০১৩.০১.২৭ ০৯:২৪Osman Shekh
২০১৩.০১.২৭ ০৯:৩১Kazi Md. Shariful Islam
২০১৩.০১.২৭ ০৯:৩৬sharif
২০১৩.০১.২৭ ০৯:৫৫Md. salauddin
২০১৩.০১.২৭ ১০:১৪Nurul Shimul
২০১৩.০১.২৭ ১০:২৩Faruk
২০১৩.০১.২৭ ১০:৪৯Farhan Fardin
২০১৩.০১.২৭ ১১:০১Md. Mushfiqur Rahman
২০১৩.০১.২৭ ১১:০৪Arup Das (Oronno)
২০১৩.০১.২৭ ১১:৪৫Mohammad Shah Alam
২০১৩.০১.২৭ ১১:৫১Russell
২০১৩.০১.২৭ ১২:৩৫Rasebul
২০১৩.০১.২৭ ১২:৫৮***জাহাঙ্গীরনগরইউনিভার্সিটি****
মাথার মধ্যে আগুন জ্বলছে। অক্ষমতায় সমস্ত হাত পা কাপছে। আমি নিশ্চিত স্ট্যাটাস টি পড়ার পরে আপনার মাথার মধ্যেও আগুন ধরে যাবে।
সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি। ফেসবুকের এক ভাই একটু আগে মেসেজ দিলেন। পুরো মেসেজ টা এখানে তুলে দিচ্ছিঃ "ভাই, আপনার কাছে একটা হেল্প চাই।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে আমার এক বোন (কাজিন) আজ প্রথম ক্লাস করতে গেছে, আইটি ডিপার্টমেন্টে, ফার্স্ট ইয়ার।
ভাই! বোনটা আমার সারাদিন কাঁদল, কাঁদল আমার খালা... কিছুই করতে পারলাম না ভাই! ও জাহানারা হলে থাকে। ওর ডিপার্টমেন্টের বড় আপুরা ওকে ডেকে শারিরীক এবং মানসিক ভাবে লাঞ্চিত করে আধমরা করে দিয়েছে।
ওর বড় আপুরা ওকে বলেছে ক্লাসের বড় ভাইদের কাছে গিয়ে তোমার ব্রেস্টের মাপ দিয়ে আসো...ভাই ! সব বলতে পারছিনা।
কাল ঐ বড় আপুরা সবাইকেই হলে থাকতে বলেছে, হল ছাড়া যাবেনা। আজ নাকি ওরা কেবল মাংস "ধুইছে", কাল "কশাবে"!
ভাই, আমাদের প্রভাবশালী কোনো মামা/খালু নেই। আপনি তো ব্লগে লিখেন, এত বড় একটা গ্রুপ চালান- আপনি চাইলে হয়ত কিছু করতেও পারেন। আপনার ও বোন আছে, দয়া করে একজন ভাই হিসাবে একটু হেল্প করেন ভাই..."
ক্লাসের প্রথমদিন নতুনদের উপর ৱ্যাগিং নতুন কিছু নয় । প্রথমে ৱ্যাগিং দিয়ে শুরু হলেও পরে ভার্সিটির বড় ভাই/নেতাদের মনোরঞ্জনে শরীরটাও বিকিয়ে দিতে হয় টিকে থাকতে হলে।
খবরের কাগজে/ব্লগে এগুলো নিয়ে পড়তে পড়তে অনেকের কাছে হয়ত ডাল-ভাতের মত হয়ে গেছে ব্যাপার টা।
কিন্তু মনে রাখুন- আজ অন্য কারো বোন লাঞ্ছিত হচ্ছে,কাল হতে পারে আপনার বোন/আত্নীয় টিও। ফ্রেন্ডলিস্টের সবার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, যে যেভাবে পারেন প্লীজ হেল্প করেন!
আপনাদের ফ্রেন্ডলিস্টে জাহানীরনগর ইউনিভার্সিটির কেউ থাকলে প্লীজ এগিয়ে আসুন। আগামীকাল ঐ বোনটির লাঞ্ছিত হওয়া যেভাবে পারেন বন্ধ করেন। আর একটি মেয়েও যেন লাঞ্ছিত না হয়, আর একটি মেয়ের স্বপ্ন যেন অঙ্কুরেই শেষ না হয়ে যায়।
মনযূরুল হক
২০১৩.০১.২৭ ১৩:০৩nasir uddin (kuwait)
২০১৩.০১.২৭ ১৩:০৪Kulsum Al-Nazrul
২০১৩.০১.২৭ ১৪:০২Md. Mohiuddin shamim
২০১৩.০১.২৭ ১৪:১১sukriti mazumdar
২০১৩.০১.২৭ ১৪:১৭Hotobak Bashar
২০১৩.০১.২৭ ১৪:৪১Musabbir
২০১৩.০১.২৭ ১৫:২২এখনতো সংসদে আওয়ামীলীগের জয়জয়কার অবস্থা, সরাসরি এমন বিল পাশ করা হোক কেউ যেন অধিবেশনে অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতার সুবিধা নিতে না পারে। শেখ হাসিনা তলে তলে অনুপস্থিত সদস্যদের সকল সুবিধাই বহাল রাখবে আবার জনগন ও মিডিয়ার সামনে অভিযোগ করবে বিরুধীদলের এম্পিরা অধিবেশনে না এসে ভাতা নেন।
কারণ একটাই ভবিষ্যতে আওয়ামীলীগও একই পথে হাঠবে তাই এখন কোন কঠোর আইন পাশ করা যাবে না। তবে শুধু শুধু এত লোকদেখানো অভিযোগ কেন??
Tarique Bin Shahid
২০১৩.০১.২৭ ১৭:৩৪ABDULLAH AL MAMUN
২০১৩.০১.২৭ ২১:৫১kabir
২০১৩.০১.২৭ ২২:২২What is the connection between the following comment & the topics of this article ?