অনুশীলনে নেমেই কাবাডির চোখে ফাইনাল
বাংলাদেশ তো বটেই, বিশ্বেরই সেরা রেইডার বলা হয় তাঁকে। সেই জিয়াউর রহমান সর্বশেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলেছেন পাঁচ বছর আগে। ২০০৮-এ ম্যাকাওতে এশিয়ান ইনডোর গেমসে খেলার পরের বছর হাঁটুতে চোট পেয়ে ছিটকে যান দল থেকে। জিয়ার মতোই বাংলাদেশ কাবাডি দলও যেন ছিটকে পড়ে নিজেদের কক্ষপথ থেকে।
বিশ্বকাপ কাবাডি উপলক্ষে আবারও দলে ফিরেছেন জিয়া। দলের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে একই সঙ্গে। ১৬টি দেশকে নিয়ে ২৭ মার্চ ভারতের ওডিশায় শুরু হবে তৃতীয় বিশ্বকাপ কাবাডি। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ দলের অনাবাসিক অনুশীলন শুরু হলো কাল। ১৫ খেলোয়াড়ের সবাই কোচ আবদুল জলিলের কাছে সশরীরে রিপোর্ট করেছেন।
এর আগে দুটি বিশ্বকাপে (২০০৪ ও ২০০৭ সালে) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ব্রোঞ্জ। এবার বাংলাদেশ পদকটির রং বদলাতে চায়। ফাইনালে চোখ রাখছে দল। কাবাডির সাফল্যের রূপকার আবদুল জলিল ফাইনালে খেলার ব্যাপারে আশাবাদী, ‘এত দিন দলটা ছিল ভাঙাচোরা। এবার অভিজ্ঞ খেলোয়াড় নেওয়া হয়েছে বেশি। আশা করি, আমরা ফাইনালে খেলব।’
এক মাস অনাবাসিক ক্যাম্পের পর এক মাস আবাসিক ক্যাম্প করার পরিকল্পনা ফেডারেশনের। সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট খেলার জন্য স্বাধীনতা দিবস কাবাডির আয়োজন করেছে ফেডারেশন, যেটি শুরু ৭ মার্চ। এতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ছাড়াও অংশ নিচ্ছে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের কাবাডি দল। এরপর তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে জাতীয় দল।
অনেক দিন পর দলে ফিরে জিয়াউরকে বেশ উদ্বুদ্ধ মনে হচ্ছে, ‘গত কয়েকটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ভালো খেলছি। দুটি টুর্নামেন্টে সেরা হয়েছি। দলে ডাক পেয়ে ভালো লাগছে। বিশ্বকাপে শতভাগ উজাড় করে দিতে চাই।’
দিন দিন বাংলাদেশ পুরুষ কাবাডি দলের সাফল্যের গ্রাফ হচ্ছে নিম্নমুখী। এশিয়াডে তিনবারের রুপাজয়ী বাংলাদেশ গত এসএ গেমসে ব্রোঞ্জ জিতেছে। এশিয়ান গেমসে পদকই পায়নি। গত দুই বছর কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশই নেয়নি বাংলাদেশ।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন








সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন