একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন গ্রহণ

তদন্তের এক বছরেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি | তারিখ: ২৭-০১-২০১৩

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর হাজী ওসমান গণি কলেজের পাঁচজন প্রভাষকের একসঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি ও বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার এক বছরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তদন্ত কমিটি বেতনের টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত ও তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফিরোজ কবির, সাজেদুল হক, আবদুল বারী, নাজিমুদ্দিন ও আবদুল হামিদের একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেওয়ার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন কয়েকজন শিক্ষক ও এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ তদন্তে তত্কালীন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ২০১১ সালের ৯ আগস্ট কমিটির প্রতিবেদনে পাঁচ শিক্ষকের একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজ পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, টাকা ফেরত নেওয়া তো দূরের কথা, কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের অভিযুক্ত শিক্ষকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে টালবাহনা করছেন।
তবে আবদুল কাদের প্রভাবিত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের।
কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক কাজী আনোয়ারুল হক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০১১ সালের ২৫ অক্টোবর প্রথম আলোয় একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি তদন্তে সত্যতা মিলেছে শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 
আপনার মতামত দিন