সংসদে না গিয়েও সুবিধা নিচ্ছেন সাংসদেরা

তানভীর সোহেল | তারিখ: ২৭-০১-২০১৩

  • ৮৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

সংসদ বর্জন করলেও বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ঠিকমতোই নিয়েছেন বিএনপির সাংসদেরা। এমনকি সংসদে না গিয়ে দৈনন্দিন যাতায়াত ভাতা পর্যন্ত তুলে নেওয়া হয়েছে। অতীতে সংসদ বর্জন আওয়ামী লীগও করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে এবার রেকর্ড করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।
নবম জাতীয় সংসদে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের সদস্যসংখ্যা ৩৭। এর মধ্যে ৩৪ জন বিএনপির, দুজন জামায়াতে ইসলামীর ও একজন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি)।
চলতি সংসদের চার বছরে মোট ৩৩৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিএনপি উপস্থিত ছিল মাত্র ৫৪ দিন। অনুপস্থিত ছিল ২৮৩ কার্যদিবস। আর অষ্টম সংসদের পুরো মেয়াদে ৩৭৩ কার্যদিবসের মধ্যে আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত ছিল ২২৩ দিন, উপস্থিত ছিল ১৫০ দিন।
সপ্তম সংসদে ৩৮২ দিনের মধ্যে ওই সময়ের বিরোধী দল বিএনপি অনুপস্থিত ছিল ১৬৩ দিন। পঞ্চম সংসদের ৪০০ কার্যদিবসে আওয়ামী লীগ বর্জন করে ১৩৫ কার্যদিবস।
বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সংসদে অনুপস্থিতির দিক থেকেও এগিয়ে আছেন খালেদা জিয়া। তিনি চার বছরে সংসদে উপস্থিত ছিলেন মাত্র আট কার্যদিবস। অষ্টম সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন ৪৫ কার্যদিবস। সপ্তম সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া উপস্থিত ছিলেন ২৮ কার্যদিবস আর পঞ্চম সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন ১৩৫ কার্যদিবস। সংসদ সচিবালয় থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি বিশেষজ্ঞ নিজামউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, সংসদে না গিয়ে অর্থ নেওয়ার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক কোনো বাধা নেই। এটা অবৈধও নয়। কিন্তু এটা ঠিক নয়। তিনি বলেন, আইন করে সংসদ বর্জন বন্ধ করতে হবে। সাংসদদের নৈতিকতা জাগ্রত করে এটা হবে না।
সচিবালয়ের হিসাব শাখা থেকে জানা যায়, নবম জাতীয় সংসদের একজন সাংসদ প্রতি মাসে বেতন পান দেড় লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪০ হাজার টাকা পান গাড়ির খরচ বাবদ। এর বাইরে প্রতিদিনের অধিবেশন ভাতা উপস্থিত থাকলে এক হাজার আর অনুপস্থিত থাকলে ৩৭৫ টাকা, বার্ষিক বিমানভাড়া বাবদ এক লাখ টাকা, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হলে যাতায়াত ভাতাও পেয়ে থাকেন। প্রত্যেক সাংসদ একটি করে শুল্কমুক্ত গাড়ি পান। বিদেশ সফরও করেছেন তাঁরা।
জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪৮ মাসে বিরোধী দলের সাংসদেরা বেতন বাবদ ১৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা পেয়েছেন।
মন্ত্রী পদমর্যাদার বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া অতিরিক্ত কিছু সুযোগ-সুবিধাও পেয়েছেন। বিমানভাড়া বাবদ পাওয়ার কথা এক কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সংসদে অনুপস্থিত থেকেও তাঁরা ভাতা তুলেছেন ৪১ লাখ ১২ হাজার টাকা। এ ছাড়া সংসদে উপস্থিত থাকার ভাতা বাবদ প্রায় ১৬ লাখ টাকা তুলেছেন। স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সদস্য হিসেবে যাতায়াত ভাতাও নিয়েছেন কমিটির বৈঠক অনুযায়ী। সংসদের একজন কর্মকর্তা বলেন, গত চার বছরে বিরোধীদলীয় সাংসদদের পেছনে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। বাকি এক বছরে আরও অন্তত পাঁচ-ছয় কোটি টাকা ব্যয় হবে।
তবে বিরোধীদলীয় সাংসদদের মধ্যে শুধু বিজেপির আন্দালিব রহমান ব্যতিক্রম। অনুপস্থিত ভাতা তিনি নেননি, বিদেশ সফরেও যাননি। আর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপির সাংসদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও বিদেশে চিকিৎসাধীন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সব বেতন-ভাতা তুলতে পারেননি। অন্যরা ইতিমধ্যে সব টাকা তুলে নিয়েছেন।
অষ্টম সংসদের পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগের ৫৮ জন সাংসদ বেতন-ভাতা, গাড়ি বাবদ সব খরচ মিলিয়ে প্রায় ২৬ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। শুল্কমুক্ত গাড়িও নিয়েছেন তাঁরা। এঁদের কেউ কেউ পোরশের মতো বিলাসবহুল গাড়ি এনে বিক্রি করেছেন। তবে এবার এত দামি গাড়ি আনা থেকে বিরত রাখতে নীতিমালা করা হয়।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ প্রথম আলোকে বলেন, সংসদে না এসে বিরোধীদলীয় সাংসদেরা বেতন-ভাতা নিচ্ছেন। এটাকে বেআইনি বলা যাবে না, তবে অনৈতিক।
সংসদের হিসাব শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন ভাতা তোলার জন্য বিল তৈরি করে তাঁরা সাংসদদের কাছে পাঠান। সাংসদেরা ওই বিলে সই করে তা তোলেন। বিরোধী দলের কোনো সাংসদ বিল তোলেননি এমন নজির নেই। ওই কর্মকর্তা বলেন, ২০১০ সালে সাংসদদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি-সংক্রান্ত বিল পাস হয়। গত ৩৭ বছরে সাংসদদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে ১২ বার। এ সময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানো হয়েছে সাতবার।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বিএনপি অতিরিক্ত বা অনৈতিক কোনো সুবিধা নিচ্ছে না। সংবিধান অনুযায়ী যা প্রাপ্য, সেটাই নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ চালু করেছে।
১৯৯৫ সালে সংসদে না গিয়ে বেতন-ভাতা নেওয়াকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে রায় দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। ওই সময়ের বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি এর বিরুদ্ধে আপিল করে। এর পর থেকে হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে আছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 

Subir Kashmir Pereira

Subir Kashmir Pereira

২০১৩.০১.২৭ ০৩:২৩
এভাবে সংসদে না গিয়ে বেতন-ভাতা নেওয়া ঠিক না। আপনাদের ভোট দিয়ে আমরা সংসদে পাঠিয়েছি। সংসদে বসে আপনারা দেশ ও জনগণের ঊন্নয়নের জন্য আলোচনা করবেন। আর তা না করে বিরোধঈদল হরতাল করছে, গাড়ী ভাংচুর করে জনজীবন দ্যরবইসহ করে তুলছে। জনগণের বারোটা বাজিয়ে তারাই আবার নিয়মিত বেতন-ভাতা নিচ্ছে! আর সরকারী সাংসদরা সরকারী খরচে বিদেশ ভ্রমর করে সরকারী কোষাগারের টাকার শ্রাদ্ধ করছে। জনগণের সেবার নামে এ ধরনের প্রতারণা করা ঊচিত না।

Jayanta Saha

Jayanta Saha

২০১৩.০১.২৭ ০৩:২৪
বাংলাদেশে যেহেতু “সংসদ বর্জন” একটা কালচার হয়ে গেছে এবং যে দলই ক্ষমতাই আসুক না কেন এই কালচার টাকে অনুসরণ করছে, সেহেতু আমার মতে একটা সাংবিধানিক আইন হওয়া উচিত যে, কোন দল বা সংসদ সদস্য, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে পরপর তিনদিন (বিশেষ কোন কারন বা শারীরিক অসুস্থতা ব্যতীত) অনুপস্থিত থাকলে, উক্ত দল বা সংসদ সদস্য বেতন, ভাতাসহ সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।
আমার মনে হয়, এটার ফলে সাংসদরা ভাতা হারানোর ভয়ে সংসদে উপস্থিত হতে পারেন, আর তা যদিও না হন, দেশের অনেকগুলো টাকা তো বাঁচবে। একটু চিšতা করুন, এই টাকাগুলো আমরা দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য কাজে লাগাতে পারব আর আগামীতে পদ্মাসেতু বা যেকোন সেতুর জন্য বিশ্বব্যাংক বা কোন দাতাগোষ্টীর নিকট আমাদের ধর্ণা দিতে হবে না।
আজব ব্যাপার হলো, সংসদে আসতে তাঁদের যত সমস্যা কিন্তু ভাতা নেওয়াতে কোন সমস্যা নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিবীদরা গণতন্ত্রের অপব্যবহার করছেন।

Durbar

Durbar

২০১৩.০১.২৭ ০৩:৩৯
বাংলাদেশের মানুষের কাছে ' নৈতিকতা ' শব্দটার অর্থ অজ্ঞlত । এখনে বাধ্যতামূলকভাবে ছাড়া কোন কিছু আশা করা বোকামীর নামান্তর। আইন করে সংসদ বর্জনকারীদের ভাতা বন্ধ করা আবশ্যক ।

dosmohammed

dosmohammed

২০১৩.০১.২৭ ০৩:৫৪
আমরা দেখেচি বেতন দিয়ে িসকুলে পরা লেখা করে অনুপসথিত থাক্লে ফায়ন দিতে হয় ?আর সাংসদেরা অনুপসথিত থেকে অ বেতন তুলে নেয় ?

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

২০১৩.০১.২৭ ০৬:১৮
সাংসদেরা অনেক কিছুতে সুবিধা ভোগ করে থাকেন । রাষ্টের প্রয়োজনে যতটুকু না নিজেদের প্রয়োজনে তার চেয়ে বেশি সুবিধা নেন । বেশির ভাগ সাংসদরা বিত্তবান তার পরেও সুবিধা গ্রহনকরা কতটুকু যোক্তিক হতে পারে । সাংসদ এবং রাজনীতিবিদদের এমন হওয়া উচিত যাতে তাদেরকে নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলার সুযোগ না পায় ।

Muzibur rahman

Muzibur rahman

২০১৩.০১.২৭ ০৬:৪৯
Very shamefull report of Bangladesh politics. Still hartals numbers missed out. If we memorise war heroes works,we found opposite characters of present leaders. Bango bandhu's long struggle,prison life, Tajuddin's prison life. War time PM Tajuddin was 7 days/24 hours in office,.Slept in office,washed own clothes, includes frequent visit of war filelds. Most talented/honest PM bangladesh ever had. Did never contested more than one seat in election. Brought the glorious win of liberation war. We elect Khaleda/Hasina on war heroes image..Are they desreved to be consider to be foot steps followers of war heroes??????

Biplob Roy Genis

Biplob Roy Genis

২০১৩.০১.২৭ ০৭:০৫
বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিতে সংসদে যাবার তো কোন প্রয়োজন নেই। এটা এ দেশের রাজনীতির একটি ধারা। কারণ, আইন তো তারাই তৈরি করেন। সুতরাং, তারা যা করেন, তাই হতভাগ্য জনগণের শিরোধার্য। একসময় বর্তমান সরকারি দলের সদস্যরা এই কাজই করেছেন।

Md.Ismail Hossain

Md.Ismail Hossain

২০১৩.০১.২৭ ০৭:১৯
these guys are our leader,, shame on u,,

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১৩.০১.২৭ ০৭:৪১
সংসদ সদস্য হিসেবে যথাযথ দায়িত্ব পালন না করেও ভাতা নেয়া অবৈধ না হ'লেও অনৈতিক অবশ্যই। আর যাতায়াত না করে বা সভায় উপস্থিত না হয়ে, যাতায়াত ভাতা বা সম্মানী ভাতা গ্রহণ করা অবশ্যই অবৈধ ও অনৈতিক।

Golam Wadud

Golam Wadud

২০১৩.০১.২৭ ০৮:০৫
সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ চালু করেছে।
১৯৯৫ সালে সংসদে না গিয়ে বেতন-ভাতা নেওয়াকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে রায় দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। ওই সময়ের বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি এর বিরুদ্ধে আপিল করে। এর পর থেকে হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে আছে।
খালেদা-হাছিনা যুগ যুগ ধরে এই ঐতিয্য ধরে রেখেছেন। আমরা প্রতি ৫ বছর পর পর এদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাই আমাদের সুখ-দুখের কথা বলার জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য। অথচ এনারা ক্ষমতার জন্য বছরের পর বছর সংসদ বর্জন করছেন এবং লাখ লাখ টাকা অনৈতিকভাবে তুলে নিচ্ছেন।
২০১৩.০১.২৭ ০৮:০৮
এই না হলে কি আর আপসহীন বিএনপি!!!

M. M. Alauddin Al-Azad

M. M. Alauddin Al-Azad

২০১৩.০১.২৭ ০৮:১২
আইনের বাইরে ও নৈতিকতার কারনেও সাংসাদগণ বেতনভাতা থেকে বিরত থাকতে পারে। আমরা রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে কিছু শিখতে চাই।
২০১৩.০১.২৭ ০৮:২১
সাংসদের সংসদে না গিয়ে বেতন-ভাতা নেওয়াকে অনৈতিক ও অবৈধ করে দেয়া ঊচিত । এসব অর্থ জনগণের কাজে লাগানো যায়। সাংসদদের বেতন-ভাতা ১২ বার না বাড়িয়ে , সরকারি চাকুরিজীবিদের বেতন বৃদ্ধি করা ঊচিত । কারণ দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে না ।

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১৩.০১.২৭ ০৮:২৩
প্রতেক সরকারই বিরোধী দলের সংসদ বর্জনে জাত গেল জাত গেল বলে হায় হায় করেন !কিন্তু নিজেরা যখন বিরোধী দলে তখন ঠিকই এই সুবিধা গ্রহন করেন!কোন সরকারই এই ব্যপারে কোন অাইন করেন না !সুধু মুখেই ফেনা তোলেন !কারন তারা জানেন নিজের হাতে নিজে কুড়াল মারা ঠিক না ! মুদ্রার উল্টা পিঠতো ৫বছর পরেই দেখতে হবে !এদিকে অামাদের হয়েছে যত জ্বালা ,কারন বেতন ভাতাতো অামাদের মত মানুষেরই হাড় খাটুনি করের টাকা !তাদের অার চিন্তা কী।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১৩.০১.২৭ ০৮:২৪
আসলে সত্যি কথা হল , সংসদে উপস্থিত না থেকে বেতন ভাতা নেওয়া এটা নিচু মন-মানুষিকতার উদাহরণ। এ কাজে সাংসদ দের ব্যাক্তিত্ববোধ হ্রাস পায়।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১৩.০১.২৭ ০৮:২৭
সংসদে না গিয়ে যাতায়াত ভাতা তোলে নেওয়া দিন দুপুরে ডাকাতি ছাড়া কিছুই নয়। যে দলই বিরুধী দলে থাকেন আর এ ভাবে টাকা তোলেন সবার জন্যই আমার মন্তব্য প্রযোজ্য ।

Zulfikar Hyder

Zulfikar Hyder

২০১৩.০১.২৭ ০৮:২৮
if our elected leaders are doing this, corruption is encouraged. taking benefits without the service attached to it is so easy that anyone is up to it. moreover, if our leaders are doing this, what will the citizens think and do? this country will remain at the top list of the countries with corruption.

sm shakil

sm shakil

২০১৩.০১.২৭ ০৮:৫৬
এখন বিরোধী দলের উচিত সংসদে নিয়মিত আসা। সরকারের গঠণমূলক সমালোচনা করে সুন্দর দেশ গঠনে সহায়তা করা।
২০১৩.০১.২৭ ০৯:১৬
মানসিকতার বৈপরিত্যের এক জ্বলন্ত উদাহরণ, এঁদের কাছেই জনগণকে নৈতিকতার বাণী শুনতে হয়।দুর্ভাগা দেশের হতভাগ্য জনগণ।

Osman Shekh

Osman Shekh

২০১৩.০১.২৭ ০৯:১৯
যারা সংসদে গিয়ে জনগনের পক্ষে কথা বলার সময় পান না আগামী নির্বাচনে তাদের বর্জন করতে হবে।

Kamaluddin Ahmed

Kamaluddin Ahmed

২০১৩.০১.২৭ ০৯:৩৭
এমন অসৎ রাজনীতিবিদ যে দেশে সে দেশে উন্নতি হবে কি করে? কাজ করবে না অথচ সুবিধা পুরোটাই নেবে, বেতন ভাতা বৃদ্ধির সময় সংসদে যাবে অন্য সময় নয়। ৯০ দিন অনুপসি'ত থাকার আগে একবার সংসদে গিয়ে সদস্যপদ রিনিউ করে নিচ্ছে তারা এসব নিয়ম বন্ধ হওয়া উচিত। ১০ দিন সংসদে না গেলে সদস্যপদ বাতিল করা হোক এবং তাদের বেতনভাতা বন্ধ করা হোক। এদের কাছ থেকেই তো পাতিনেতারা অসৎ হতে শেখে।
২০১৩.০১.২৭ ০৯:৩৯
যেমন আমাইনন্যা তেমন হুমাইনন্যা -যেমন বিএনপি তেমন আওয়ামীলীগ।

dulal

dulal

২০১৩.০১.২৭ ০৯:৪৪
Speak Less, We ashamed for them, it is one kinds of mono policy

Farhad Nazem

Farhad Nazem

২০১৩.০১.২৭ ০৯:৪৬
দূর্ভাগ্য বাংলাদেশের জনগণের! কিংবা এই পরিস্থিতির পরোক্ষভাবে হলেও আমরা জনগণই দায়ী। কারণ উনারা আমাদের ভোটেই নির্বাচিত হন।
কিন্তু একটা লক্ষণীয় ব্যাপার হল দেশে যে কোন ব্যবস্থাই কাজ করে না বা, জনগণের আকাঙ্খার কথা বিবেচনায় নিয়ে গণতন্ত্রের মূলস্তম্ভের যেকোন একটি (যেমনঃ বিচার ব্যাবস্থা) নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসে না, তার একটি দৃষ্টান্ত হল এমন একটি জনগূরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে হাইকোর্টে রায় পনের বছরের অধিক কাল স্থগিত থাকা। অথচ এধরনের ইস্যুগুলোতে জুডিশিয়ারী জনমতের পক্ষে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখতে পারতেন।
২০১৩.০১.২৭ ১০:০১
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালযের শিক্ষক যাঁরা ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং রাজনীতির কাজে দৌঁড়ঝাপ করে সময় ব্যয় করেন ,তাঁরা ঠিকমত ক্লাস নেন?খোঁজ নিলে দেখা যাবে শুধু ক্ষমতাসীন দলের শিক্ষক রাজনীতি করার স্বার্থে ক্লাস না নিলেও তাঁদের কোন সমস্যা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সুবিধার দ্বার তাঁদের জন্য অবারিত।

swapan

swapan

২০১৩.০১.২৭ ১০:০৮
বেতন দেয়া ঠিক হবে না ।

Amity.duVietnam

Amity.duVietnam

২০১৩.০১.২৭ ১০:০৯
গত ৩৭ বছরে সাংসদদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে ১২ বার। এ সময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানো হয়েছে সাতবার।

Mahmood Hussain

Mahmood Hussain

২০১৩.০১.২৭ ১০:১৪
নিল্লজ্জ লোভ আর কাকে বলে ? বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া সংসদে না গিয়েও যদি যাবতীয় সুবিধা নেন, তাহলে তার পক্ষে ভালোমানুষী কথা মানায় না; আওয়ামী নেত্রী করেছে বলে আমিও করবো - এটি যুক্তিসঙ্গত কোন কথা না। জানতে ইচ্ছে করে ইসলামী চিন্তার (!) জামাত নেতারা কি বলবেন। পরন্তু ধন্যবাদ আন্দালিবকে।

২০১৩.০১.২৭ ১০:১৭
"সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ চালু করেছে।"------ তাহলে কি বিএনপি আওয়ামিলীগের অনুসারি???
আসলে আমাদের যে রাজনীতিক সংস্কৃতি তাতে বিরোধিদলের জন্য রাজপথই উপযুক্ত স্থান। অনৈতিক ও অবৈধ যাই বলা হোকনা কেন, বাস্তবতা হল, শেখ হাসিনার মুখের কাছে, প্রতিবাদ করা একটি দুঃসাহসিক কাজ। তার কি কোন রাজনীতিক উপদেষ্টা নেই!! তারা কি করেন?? তারা কি কেবল লুটপাটের কথাই ভাবেন ???

Provat Chandra

Provat Chandra

২০১৩.০১.২৭ ১০:২৩
তাতে আপনার কি ???

Mohammed Arifur Rahman Chowdhury

Mohammed Arifur Rahman Chowdhury

২০১৩.০১.২৭ ১০:২৬
সদস্যপদ বাতিল এর নোটিশ দিলে আমাদের মাননীয় সানসদ্গন হাজিরা দিয়ে সদস্য পদ টিকিয়ে রাখেন। আমার মতে প্রথমবার নোটিশ, তারপরও বেতিক্রম হলে সরাসরি সদস্যপদ বাতিল করা হবে এই রকম একটি আইন পাস করানো দরকার।
সর্বপরি, মাননীয় সদস্যগণ জনগণ কে তোয়াক্কা করেননা ভালো কথা, আল্লাহ কে তো ভয় করেন। তিনি সব দেখছেন, যার প্রতিটি হিসাব আপনাদের দিতে হবে।

satyajit

satyajit

২০১৩.০১.২৭ ১০:৩৯
সংসদে নাগিয়ে যদি বেতন-ভাতা পেতে পারি .... তাহলে মন্দ কি
২০১৩.০১.২৭ ১০:৫০
Actually Bangladeshi politics is one kind of investment. Honestly our most of the leaders they’re not for the people, not for the country. They know that very well if they became a leader one of those two big parties than their six generation will be set for the rest of the life. Shame on you our political leaders how long you’ll be looted our hard working poor people money???
২০১৩.০১.২৭ ১০:৫৪
খুবই অনৈতিক । এত আহ্লাদ কেন ? জনগনের জন্য কাজ না করে যখন তাদেরই দেয়া টাকাটা গ্রহণ করেন, তখন লজ্জা করে না ? কারে সুধাই কি ? এদের লজ্জা করবেই বা কেন ?

T. BAGMAR ( Gazipur )

T. BAGMAR ( Gazipur )

২০১৩.০১.২৭ ১০:৫৬
আইন করে সংসদ বর্জনকারীদের ভাতা বন্ধ করা উচিত।

ড. মতিউর রহমান

ড. মতিউর রহমান

২০১৩.০১.২৭ ১১:০০
সংসদীয় গণতন্ত্র সুরক্ষা ও অগ্রগতিতে সরকার ও বিরোধীদল বলতে গেলে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে!

Sharif

Sharif

২০১৩.০১.২৭ ১১:০১
দেখেন তাদের ই আবার জনগনের জন্য প্রাণ কান্দে ,মন কান্দে। তাছাড়া এমনিতেই খালেদা জিয়া বেশীএকটা সংসদে যাননা ।

Faruquzzaman

Faruquzzaman

২০১৩.০১.২৭ ১১:০১
দিললির বাদশা নাসিরুদ্দীন টুপি সিলাই করে সংসারের খরচ নিরবাহ করতেন।

Younos

Younos

২০১৩.০১.২৭ ১১:০৩
দেশের রাজনীতিবিদরা কেন বুঝতে পারেনি এখন নব্বই দশক নয় ? তারা এখনও কেন বুঝতে পারেনি আমরা তাদের প্রজা নয়, বরং দেশের নাগরিক ? তারা কেন বুঝতে পারেনা আমারা তাদের কার্যক্রম শুধু দেখিনা, বিশ্লেষণও করি ?

Faruquzzaman

Faruquzzaman

২০১৩.০১.২৭ ১১:০৪
ইসলামের প্রথম খলিফা ব্যসততার কারনে যে ভাতা নিতে বাধ্য হয়েছিলেন, মৃত্যুর আগে আবার তা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন।

Russell

Russell

২০১৩.০১.২৭ ১১:১৪
ভাববে অবাক লাগে এই অসৎরাই আমাদের নেতা। কিছুদিন পড়ে ক্ষমতায় যাবে। আর এরা ক্ষমতায় যেয়ে কি করতে পায়ে তা অতিতের অসততাই তার প্রমাণ ।

Russell

Russell

২০১৩.০১.২৭ ১১:২০
পরীক্ষা দেবার জন্য যেমন নুন্যতম উপস্থিতি লাগে তেমনি সংসদ সদস্য পদ ধরে রাখার জন্য ৭০-৮০% উপস্থিতি বাধ্যতা মূলক করতে হবে।

MD Ziauddin

MD Ziauddin

২০১৩.০১.২৭ ১১:৩৪
সংসদ সদস্য হতে যোগ্যতার বালাই নাই । কিন্তু বয়সের, লেখাপড়ার, যোগ্যতা থাকা উচিত । অবসরের সময়সীমাও থাকা উচিত । তরুনেরা গড়ে, আজকের অধিকাংশ সাংসদ সাবেক আমলা, কম লেখাপড়া জানা, ইন্টারনেট জানেনা ৮০ %। এদের দিয়ে কিভাবে দেশকে এগিয়ে নিবেন ? সাংসদ নির্বাচিত হবার পরে সংসদে না গেলে কিভাবে সদস্যপদ থাকে ? সাংসদ চোখে না দেখলেও, কানে না শুনলেও তিনি সাংসদ, বেতন-ভাতা সবই পান । যে এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে থাকার সময় আর সংসদ থাকার সময় নির্ধারন করা উচিত ।

Taslima Akter

Taslima Akter

২০১৩.০১.২৭ ১১:৩৭
আইন করে সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি বনধ করা উচিত।

Zaheed Hasan

Zaheed Hasan

২০১৩.০১.২৭ ১১:৩৯
ইসলাম ধর্মে কাজ না করে উপার্জন হারাম হিসাবে গন্য হয় । আর হরাম খাওয়র জন্যই এ দেশের তথাকথিত রাজনীতিবিদরা রয়েছেন । খেয়ে যেতে দেন । তারপর মরনের ডাকে এসব হারাম সামনে এসে দাড়াবে ।

Rimi

Rimi

২০১৩.০১.২৭ ১২:০৫
ভারতের পারক্তন রাষটপতি ডক্টর আবুল কালাম আজাদ একদিন শিশুদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন - তোমরা বড় হয়ে কি হতে চাও ? জবাবে তারা সবাই অনেক বড় বড় ব্যক্তির কথা বললেও কেহই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা সাংসদের কথা বলেনি। তার মানে হল শিশুদের কাছেও তারা তাদের মরজাদা অটুট রাখতে পারেননি।

naifbinlokman

naifbinlokman

২০১৩.০১.২৭ ১২:০৮
Because the politician,s are shameless!
২০১৩.০১.২৭ ১২:১২
বেতন-ভাতা না নিলে সংসদ-সদস্যপদ খারিজ হয়ে যায় কিনা? একটা ঘটনা দেখলাম ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংসদ-কাম-মন্ত্রী সোহেল তাজ সাহেব পদত্যাগ করে মাকিন মুল্লুকে চলে গেলেও, উঁনার বেতন-বোনাস ঠিকই উঁনার একাউন্টে জমা হচ্ছিল। যেহেতু ক্ষমতাসীন শীর্ষমহল উঁনার পদত্যাগ চাচ্ছিলেননা।

Md. Ikbal Mahmud khocon

Md. Ikbal Mahmud khocon

২০১৩.০১.২৭ ১২:১৮
১৯৯৫ সালে সংসদে না গিয়ে বেতন-ভাতা নেওয়াকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে রায় দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। ওই সময়ের বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি এর বিরুদ্ধে আপিল করে। এর পর থেকে হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে আছে।

M. Khalid

M. Khalid

২০১৩.০১.২৭ ১২:২০
এঁদের কেউ কেউ পোরশের মতো বিলাসবহুল গাড়ি এনে বিক্রি করেছেন

Prodip

Prodip

২০১৩.০১.২৭ ১২:২১
বেগম খালেদা জিয়ার সংসদে অনুপস্থিতির রেকর্ড অালাদা ভাবে চোখে পড়ার মত । একটা জিনিষ প্রতীয় মান হয় তিনি সংসদীয় পদ্মতির প্রতি উতসাহী নন । এবারও তিনি যে কয়দিন গেলেন এবং কোন হস্তক্ষেপ ছাড়া সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বক্তৃতা দিলেন ,তারপর অজুহাত তুলে চলে গেলেন । অথচ অামরা চাই তিনি এবং তার দলীয় সাংসদরা যে কোন মূলে সকল প্রতিকূলতার মাঝে সংসদে থাকুন । তাদের কোরো তো টাকার অভাব নেই ,তারা তো যথেষ্ট উপার্জন করেছেন । তারপরো কেন এরতম অনৈতিক কাজ এর ধারা বহাল রাখছেন ???

SR Taufiq

SR Taufiq

২০১৩.০১.২৭ ১২:৪৩
সংসদে না গিয়েও সুবিধা নিচেছন এতে যদি এতই অসুবিধা হয় হয় তাহলে বরতমান আওয়ামী লীগ সরকার আইন করে বাতিল করে দিতে পারে। বরতমান আওয়ামী লীগ সরকার কি তা করবে? অবশ্যই করবে না কারন তারা ভবিষ্যতে গিয়ে আজ বিএনপি যা করছে আওয়ামি লিগও তাই করবে।

Khandaker Ahashanuzzaman

Khandaker Ahashanuzzaman

২০১৩.০১.২৭ ১২:৪৭
এত কথার দরকার কি। সারাজীবন এভাবে চলতে পারে না। তাই দ্রুত আইন করা দরকার। এবং এই সরকারের আমলেই হতে হবে।

২০১৩.০১.২৭ ১২:৫৫
বিরোধী দলের সাংসদেরা দু’জন চারজন করে নিয়মিত সংসদে থাকতে পারেন; এতে সবার সদস্য পদও থাকবে, সংসদ বর্জনের প্রশ্নও উঠবে না। বিরোধী দলের সবাইকে একসঙ্গেই সংসদে আসতে হবে এমন তো বাধ্যবাধকতা নেই। সরকারি দলের সাংসদেরাও কী সবাই একসঙ্গে অধিবেশনে থাকেন?
২০১৩.০১.২৭ ১২:৫৬
আগে শুনতাম "আসি যাই, বেতন পাই/ কাজ করলে উপরি চাই।" মাননীয় (?) সাংসদগণ কাজ তো দূরের কথা, কাজে না গিয়েই দেখছি সবকিছু হাতিয়ে নিতে ব্যস্ত। কবি, নতুন পদ্য লিখুন।
২০১৩.০১.২৭ ১৩:০০
সরকারী কর্মচারীরা যেমন অননুমোদিত অনুপস্থিত থাকলে তাদের বেতন কেটে নেয়া হয়, তেমনি এদের বিরুদ্ধে একই ব্যবস্থা নেয়া উচিত । এ বিষয়ে আইন সংশোধন করা দরকার বলে মনে করি ।
২০১৩.০১.২৭ ১৩:০৩
যারা নীতি নির্ধারক তারাই যদি নীতি বহির্ভুত কাজ করেন তবে আমরা সাধারন জনগন কোথায় যাব ? দেশকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসাতে গিয়ে নেতারা সংসদে আসা্‌ই বন্ধ করে দিয়েছেন !

Sheikh Abul Hasan

Sheikh Abul Hasan

২০১৩.০১.২৭ ১৩:০৪
দেশে এমন একটা অবসথা যে মানুষ হালাল আর হারামের পার্থক্য ভুলে গেছে । কাজ না করে বেতন ভাতা নেয়া যে অনৈতিক এটা পাগলেও বোঝে । আর এইসব নৈতিকতাহীন লোকদেরকে আমরাই আবার ভোট দেই । তার মানে আমরাও অনৈতিক কাজ করছি। এবং বারবার ।
২০১৩.০১.২৭ ১৩:০৮
গনতান্ত্রিক একটি দেশে এ অবস্থা চলতে পারেনা । এটা দু:খজনক

NASIR UDDIN

NASIR UDDIN

২০১৩.০১.২৭ ১৩:০৯
দিনের পর দিন সংসদ বর্জন অর্মাজনীয় অপরাধ। এ ব্যাপারে আইন প্রনয়ন করা অবশ্যই জরুরী।
২০১৩.০১.২৭ ১৩:২৬
গরিবের কসতার্জিত তাকা পেতে আমাদের সংসদ সদসসদের লজ্জা হয় না ? দরিদরের ধন করে চুরি রাজ কাংালের দল।

২০১৩.০১.২৭ ১৩:৩২
আমরা সবাই নীতি কথাও বলতে পারি আবার চোখ বুজে তাদেরকে ভোট ও দিতে পারি! আজব মানুষ!

m rahman

m rahman

২০১৩.০১.২৭ ১৩:৫৬
According to Mr. Faruk as per constitution he is taking his benefits, nothing wrong. But it is not ethical.
Constitution describes there duty. Congratulate Mr. Andalib Partho he is doing the right thing he did not follows previous opposition party. We need like him as a moral politician.
Yong generation is much better then other politician.
Not joining the perliament how come getting money it is not halal ruji.

Kulsum Al-Nazrul

Kulsum Al-Nazrul

২০১৩.০১.২৭ ১৩:৫৯
সংসদে না গিয়ে বেতন ভাতা নেয়া সরকারি অর্থের অপব্যবহার । এ নিয়ম ভাঙ্গতে হবে ।

BANI AMIN

BANI AMIN

২০১৩.০১.২৭ ১৪:৪২
আজব কারবার, দুনিয়ার আর কোনো দেশে এইরকম কারবার হয় কিনা জানা নেই। আর আমাদের মত গরীব দেশের কথাতো বাদই দিলাম। দয়া করে রাতের বেলায় একটু রাস্তায় বের হয়ে দেখবেন কত মানুষ ফুটপাতে, পার্কে, বাস-ট্রেন ষ্টেশনে না খেয়ে ঘুমাচ্ছে।

Chowdhury Masud

Chowdhury Masud

২০১৩.০১.২৭ ১৪:৪৯
Its a time to refund or realize the amount were paid by the leaders against various facilities immorally despite absence in Parliament. Government should take initiative promptly by passing special law.

Md. Farid

Md. Farid

২০১৩.০১.২৭ ১৪:৫৬
জব না করে সেলারি পেলে কেও কাজ করতে চায়না। আমাদের গণতন্ত্র আজব গণতন্ত্র। যেখানে ৫ বছর পর পর নির্বাচন হয় এই নির্বাচন নিয়ে রাজনিতিক দের অনেক অনেক মাথা বেথা !!!কিন্তু নির্বাচনের পর সেই রাজনিতিক দের আর চেনায় যায়না। একান্ত বিপদে না পড়লে সংসদের চত্তরে পা মারায়না। এই ধরনের গতন্ত্র আর কন কন দেশে আছে তা জানতে ইচ্ছে করে। বাংলাদেশ এর জনগন অনেক বোকা যদিও চালাক হবার ভান করে না হলে এই সব রাজনিতিক রা মানুষ এর ভোট পায় ক্যামনে

Nahid Nill

Nahid Nill

২০১৩.০১.২৭ ১৫:০০
ধিক ধিক .........। সব নিজের পকেট ঠিক রাখে র জনগনের টাকাই ফুর্তি করে । ছিঃ ছিঃ ............।।

saddam hossain

saddam hossain

২০১৩.০১.২৭ ১৫:০৯
সংসদে যাই আর না যাই .... কাজ করি আর না করি ...... ইনকাম হউসফুল ......... এরা নাকি জন্য প্রথিনিধি । আজব দেশ

Dr. Sabur

Dr. Sabur

২০১৩.০১.২৭ ১৫:২৭
আমি একজন সরকারী চিকিৎসক । বৎসরে সর্বোচ্চ দশ দিন ছুটি নিতে পারি, তাও একটানা তিনদিনের বেশী না । সাংসদ এবং চিকিৎসক, সবারই বেতন আসে জনগণের টাকায় । তাহলে কেন আমরা সরকারী চাকুরীজীবিরা বেতন- ভাতাসহ একটানা উননব্বই দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবোনা ??

Partho Das

Partho Das

২০১৩.০১.২৭ ১৫:২৮
ছিঃ ছিঃ ছিঃ সাংসদরা এত টা নীতিবর্জিত কাজ করে !!!!!!

Ibrahim

Ibrahim

২০১৩.০১.২৭ ১৫:৪৭
দেশের সংসদের যে কাজ, তা বাংলাদেশের সংসদে হয় না বললেই চলে।

MK. Hasan

MK. Hasan

২০১৩.০১.২৭ ১৭:২৭
আমি একজন সরকারী চাকুরীজী । বৎসরে সর্বোচ্চ দশ দিন ছুটি নিতে পারি, তাও একটানা তিনদিনের বেশী না । সাংসদ এবং চিকিৎসক, সবারই বেতন আসে জনগণের টাকায় । তাহলে কেন আমরা সরকারী চাকুরীজীবিরা বেতন- ভাতাসহ একটানা উননব্বই দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবোনা ??

Md Minhajul Abedin

Md Minhajul Abedin

২০১৩.০১.২৭ ১৮:৩৭
How funny......

abdul moyeen

abdul moyeen

২০১৩.০১.২৭ ১৯:০৪
যদিও দুই দলই সংসদে অনুপস্তিত থাকার ব্যপারে ভালো স্কোর করেছেন , তবে তুলনামূলক ভাবে বি এন পি ও তাদের নেত্রী এ ব্যপারে আওয়ামীলীগের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে আছেন। তাই দুই দলকে সমানভাবে না দুষে মন্দের ভালো দেখা উচিত

Zaheed Hasan

Zaheed Hasan

২০১৩.০১.২৭ ১৯:৩২
সংসদে না গিয়েও সুবিধা নিচ্ছেন সাংসদেরা । এবং ভবিষ্যতেও নিবেন । আইনের মাধ্যমে এর বৈধতা হারাক এ বিষয় সরকার ও বিরোধীদল কেহই চাইবে না । অর্থাৎ এখানে তারা এক মত । কারণ দল দুইটি নিজেরা জানে তারা কেহই দেশ ও জনগণের সেবা করার জন্য রাজনীতি করেন না । ক্ষমতা ও অর্থ কামানোর প্রতিযোগিতায় একে অপরের বিরোধিতা করা মাত্র ।
২০১৩.০১.২৭ ২০:১০
মন্ত্রী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে মাসের পর মাস বিদেশে অবস্থান করছেন,আর তাঁর বেতন যথারীতি নিয়ম মাফিক ব্যাংকে জমা হচ্ছে। এমন উদাহরণ কি নেই এদেশে?এদেশে কজন সাধু আছেন যিনি সুযোগ (তা যতই অনৈতিক হোক )সহজে হাতছাড়া করেন ? দেশের প্রধান মন্ত্রী যখন আত্মীয় স্বজনসহ সদলবলে বিদেশে সফরে যান, তা কতটা নৈতিক ?
২০১৩.০১.২৭ ২০:৪৭
তারতো আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখেননা, তাই এবার জনগন তাদের সামনে আয়না ধরেছেন তাদের চেহারা তাদেরই দেখার জন্য।

Manna A

Manna A

২০১৩.০১.২৭ ২২:০২
সংসদে না গেলে বেতন ভাতা পাবে না - লিখে রাখুন কোনো দলই এই আইন কবে না ।

Mostaq Ahmed

Mostaq Ahmed

২০১৩.০১.২৭ ২৩:০৩
যারা মন্তব্য িলেখেেছন তােদর প্রিতি িবরক্ত প্রকাশ করিছ। কারণ আপনারা েজেনেো না জানার ভান করেছন !!!!! কারণ ্‌ৈ ঘের যারা যায় তােদর bা আেছ ৈনিতকতা েবাধ, না আেছ লজ্জা !!!! আর আমরা এ অভাগা জািত .........

Hassan Imam Khan

Hassan Imam Khan

২০১৩.০১.২৮ ০০:০৭
সাংসদ দের বেতন ভাতা ও অন্নান্য সুজোগ সুবিধা সংসদে তার উপস্থিতির আনুপাতিক হারে দেয়ার আইন প্রনয়ন কারা হউক। তাতে করে জনগনের ম্যান্ডেটারী কোন কাজ, বিশেষ করে সংসদ অধিবেশনে যোগদান না করেই তার সকল ভাতা ও সুজোগ সুবিধা নেয়ার প্রবনতা থাকবেনা। যিনি একটি অধিবেশনের যতদিন দিন অংশ নিবেন পরবর্তী অধিবেশনের আগের মাস গুলি তিনি সেই হারে ভাতা ও সুজেগ সুবিধা উত্তলন করার যোগ্য হবেন। এ ভাবে জনগনের কিছু টাকা অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

Mamun

Mamun

২০১৩.০১.২৮ ০০:১১
It is the universal practice of both BNP and AL. there are no difference ..................

Mohammad

Mohammad

২০১৩.০১.২৮ ০০:৩৫
Shameless people can do any unethical job....best example are our MPs

Md,Forhad

Md,Forhad

২০১৩.০১.২৮ ০০:৪৯
গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে সংসদে কার্যকর ভুমিকা রাখাই প্রমান করে যে কোন দলের গ্রহন যোগ্যতা।

বিএনপি তা থেকে যোজন যোজন পিছিয়ে।
আওয়ামীলীগ অবধারিত ভাবেই এগিয়ে।