ভারত সীমান্তে পণ্য খালাসের চারটি স্থান প্রস্তাব

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক | তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
জি এম কাদের

জি এম কাদের

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যেন সহজে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোয় পণ্য রপ্তানি করতে পারে, সে জন্য সীমান্তসংলগ্ন এসব রাজ্যে পণ্য খালাসের জন্য স্থান নির্ধারণের বাংলাদেশের প্রস্তাব ভারত বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
ভারত সফররত বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার (সিআইআই)-এর আমন্ত্রণে পার্টনার-শিপ সামিটে যোগদানের উদ্দেশ্যে জি এম কাদের বর্তমানে ভারতে রয়েছেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মার সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন, সীমান্তে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বাংলাদেশের পণ্য ভারতে রপ্তানির ক্ষেত্রে অশুল্ক সমস্যা দূর করার ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী অশুল্ক বাধাসমূহ দূর করার ব্যাপারে বাংলাদেশের মন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের যে বাণিজ্য-ঘাটতি রয়েছে, তাকে আমরা নেতিবাচক মনে করছি না। কারণ, শিল্পের কাঁচামালসহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী আমরা ভারত থেকে আমদানি করে থাকি। বাংলাদেশ বছরে ভারত থেকে ৫০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। অপর দিকে আমরা ভারতে ৬০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে থাকি।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইতিমধ্যে ভারত কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেওয়া বিএসটিআইয়ের সনদ গ্রহণ করছে। তবে সব পণ্যের ক্ষেত্রেই তা গ্রহণ করার ব্যাপারে তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন। ভারতের কতিপয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে মূল্য পরিশোধ না করায় যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করার ব্যাপারেও ভারতের মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও শিল্পের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ভারতের শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য পৃথকভাবে ইপিজেড স্থাপনের ব্যাপারে এক প্রশ্নের উত্তরে জি এম কাদের বলেন, ‘আমাদের দেশে ভূমি সমস্যা রয়েছে। তবে সাতটি বিভাগে যে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে, ভারতের বিনিয়োগকারীরা ইচ্ছা করলে সেসব অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে পারবেন।’
এ সময় নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার এনামুল হক চৌধুরী এবং কমার্শিয়াল মিনিস্টার হাবিবুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক আলোচনায় মিলিত হন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 
আপনার মতামত দিন