শিরোনাম:

সহিংস কর্মসূচিতে জনগণের স্বার্থ নেই

জামায়াতের হরতাল

| তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ৭ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে হরতাল! যে রাজনৈতিক বাস্তবতায় হরতাল মানেই জনমনে আতঙ্ক আর নাশকতা, সেই বাস্তবতায় এ রকম কর্মসূচি কেবল হঠকারীই নয়, গণবিরোধী হতে বাধ্য। প্রতিবাদ আর নৈরাজ্য সৃষ্টির মধ্যে যেমন পার্থক্য রয়েছে, তেমনি জামায়াতের সমাবেশের সঙ্গে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার মৌলিক পার্থক্য ঘটে গেছে। মানুষকে জিম্মি করে, ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করে দাবি আদায় কোনোভাবেই সমর্থন পেতে পারে না।
গত কয়েক মাসে তো বটেই, গত কয়েক দিনেও জামায়াতে ইসলামীর শরিক সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির যেভাবে পুলিশ বাহিনীর ওপর সহিংস আক্রমণ করেছে, যেভাবে গাড়ি ভাঙচুর ও জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচি চালিয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে নৈরাজ্যমূলক আচরণ। সরাসরি পুলিশ বাহিনীকে নিশানা করে চোরাগোপ্তা হামলা পরিচালনা করা কোনো নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না। রাজনীতির নামে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতেও দেওয়া যায় না। প্রশ্ন হচ্ছে, এসব চালিয়ে যাওয়ার জন্যই কি আরেকটি হরতাল ডাকা হয়েছে?
দ্বিতীয়ত, যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত নেতাদের মুক্তির দাবিও মোটেই আইনসম্মত দাবি নয়। এটি অনৈতিক ও জনস্বার্থবিরোধী একটি দাবি। এটি স্পষ্ট যে যাঁদের অপরাধের বিরুদ্ধে বিচার চলছে, তাঁদের বিষয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি আইনের শাসনের বিরোধিতার জন্যই দেওয়া হচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক দল এভাবে খোলাখুলি আইন, সংবিধান ও নীতিনৈতিকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে, সেই রাজনৈতিক দল জনগণের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছে বলে মনে হবে। জামায়াতে ইসলামী যদি তা করে, তবে সরকারকে অবশ্যই তা প্রতিহত করতে হবে।
বুধবার হরতাল ঘোষণামাত্রই যেভাবে রাজধানীতে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে যায়, তাতে বোঝা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাণ্ডুলিপি অনুসরণ করে যাচ্ছে। এ রকম অবস্থায় জনসমাজের হুঁশিয়ার থাকা যেমন প্রয়োজন, তেমনি সরকারেরও উচিত সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। কোনো রকম উসকানিতে পা না দিয়ে জনজীবনে শান্তি রক্ষায় সচেষ্ট থাকাই এখন সরকারের প্রথম দায়িত্ব।
এ অবস্থায় প্রধান বিরোধী দলেরও দায়িত্ব রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি একটি বৈধ রাজনৈতিক দাবি হিসেবে গণ্য হতে পারে। কিন্তু এর সঙ্গে একাত্তরের মুক্তিসংগ্রামে মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধকারী নেতাদের মুক্তির দাবিকে গুলিয়ে ফেলার সুযোগ নেই। এতে করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিটিই বরং আরও কলঙ্কিত হবে। জামায়াতের দ্বিতীয় দাবিটি জনদুর্ভোগের বিরুদ্ধে। হরতাল ও হামলা-নাশকতার মাধ্যমে যারা জনদুর্ভোগ ঘটাচ্ছে, অপ্রয়োজনীয় হরতাল করে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে, জনদুর্ভোগের প্রতিবাদের নৈতিক অধিকার তাদের কতটুকু আসলে?
যেকোনো রাজনৈতিক দাবি আদায় কিংবা রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে সহিংসতার চর্চাকে চিরতরে বিদায় জানাতে হবে। এখন হরতাল হয়ে দাঁড়িয়েছে সহিংসতার বাঁধনছেঁড়া প্রকাশ। অতীতে সহিংসতা আরও সহিংসতা ও বিপর্যয় টেনে এনেছে; এই শিক্ষা যেন সব কটি রাজনৈতিক দল গ্রহণ করে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 

rubel raj

rubel raj

২০১৩.০১.৩১ ০৭:২৭
বি এন পি কোন অভিশাপে বাংলার মানুষের সাথে এমন করছে ?দেশ আর জাতিয়তাবাদের নাম নিয়ে দেশবিরোধিদের , জাতিয়তাবাদ বিরোধীদের পক্ক নিয়ে কোন দেশ আর কোন জাতীয়তাবাদের যে অপমান করেছে তার শাসতি বি এন পি পাবে । দেশের মানুষ নাটক করে না তবে নাটক ঠিকই চিনে । তত্ত্বাবধায়ক সরকার বি এন পি এর দাবী নয় দাবী হলো নিজামি গোলাম আজমদের বাচানু

Russell

Russell

২০১৩.০১.৩১ ১০:১৯
জামাতি এই নৈরাজ্যে শেষ পর্যন্ত লাভ হবে আওয়ামী লীগের। এই ধরনের কর্মসূচীর কারনে মানুষ সরকারের দুর্নীতি নেয়ে কম ভাববে, সুসীল সমাজ ও সংবাদ প্রত্র যারা সরকারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়েছিল তারা বাধ্য হবে সরকারকে সমর্থন দিতে। টকশো আলারাও বাধ্য হবে জামাতি স্টাইল নিয়ে আলোচনা করতে এবং সরকারের সমালোচনা কম করতে। বিদেশী সহযোগীরাও জঙ্গীবাদ সমর্থন করে না, তারাও সরকারের পক্ষে দাড়াবে। ব্যবসায়ীরা তাদের সম্পদ বাচাতে সরকারের পক্ষে লড়বে। এই সকল গোষ্ঠী পরবর্তীতে সরকারের যে কোন নির্বাচনেও সমর্থন দেবে বা নৈতিক সমর্থন দেবে।

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১৩.০১.৩১ ১১:২৮
হরতাল, নৈরাজ্য কোন স্বাভাবিক চেতনার মানুষ মানতে পারে না, আর জামায়াত যে কারণে হরতাল দিয়েছে, তার অন্তর্নিহিত ভাবই হ'ল যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের সম্মূখীন তাদের নেতাদের মুক্তি ও বিচার বানচাল- এটা অনেকটা সহজবোধ্য।
বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটেছিল মূলতঃ ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে- ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার- এ নৈতিকতার মানদন্ড থেকে। রাষ্ট্রটার হওয়ার কথা ছিল সর্বতোভাবে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। কিন্তু স্বাধীনতার পর কালক্রমে আমাদের রাষ্ট্রব্যাবস্থায় ও চেতনায় বিচ্যুতি ঘটতে থাকে। এ বিচ্যুতির প্রথমটা ঘটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক ১৯৭৪ সালে বাকশাল নামক একদলীয় শাসন ব্যাবস্থা ঘোষণার মধ্য দিয়ে। অতঃপর বিভিন্ন স্থানিক-অস্থানিক পরবর্তনের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বহুদলীয় শাসন ব্যাবস্থা ফিরিয়ে আনার সাথে সাথে ধর্মভিত্তিক রাজনীতিরও পূনরোদ্ভব ঘটান, যার কারণে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল রাজনীতি করার সুযোগ পায়। কোন ধর্মও খারাপ নয়, আর প্রকৃত-অর্থে রাজনীতি বলতে যা বুঝায়, তাও খারাপ নয়, এমনকি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি যে খারাপ, আমরা তাও বলবো না, কিন্তু ধর্মের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে কেউ রাজনীতি করলে, তাকে অবশ্যই খারাপ বলবো।
বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক দল, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর অনেক নেতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সময়ে মানবতা-বিরোধী অপরাধে পাকিস্তানী সৈন্যদের সহযোগিতা করার ও কারো কারো বিরুদ্ধে সরাসরি ঐ অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আছে। অতীতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে রাজনৈতিক মোর্চা গঠন করে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকার গঠন করে, যা এ দলটাকে সুশীল সমাজের প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয় এবং একে তার জন্ম-ইতিহাসের সাথে সামঞ্জস্যতার একটা নেতিবাচক মাত্রা হিসেবে বিদগ্ধজনরা মনে করেন। বিষয়টা আচ করতে পেরে বা বিভিন্ন প্রকারের দ্বন্দের মুখে এক পর্যায়ে বিএনপি জামায়াতকে ত্যাগ করে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় নীতি-নৈতিকতার সাথে যাক বা না যাক, রাষ্ট্রক্ষমতার মোহে আওয়ামী লীগ জামায়াতকে প্রচ্ছন্নে-অপ্রচ্ছন্নে কোলে তুলে নিয়ে বিএনপির মতই একই পঙ্কে নেমে যায়। বলা যায়, বিএনপি জামায়াতকে পূনর্জন্ম দিয়ে লালন-পালনের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ তার লালন-পালনের ভার নিজের স্কন্ধে তুলে নেয়। বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলনে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত ও এক সময়ের স্বৈরাচার এরশাদের সাথে যুগপৎ কর্মসূচী ঘোষণা করে বিএনপিকে একঘরে করে ফেলে এবং আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণ করে। এবারে তারা অপর একটা ধর্মভিত্তিক দল, যাদের বিরুদ্ধেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার অভিযোগ আছে, তাদের সাথে জোট গঠনের লিখিত চুক্তি পর্যন্ত সই করে। জামায়াত প্রথমে বিএনপি ও পরে আওয়ামী লীগ উভয়ের সাথে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য আতাত বা সম্বন্ধ করার কারণে তার বড় লাভ হ'ল- এখন যখন আওয়ামী লীগ তার নেতাদের বিরুদ্ধে বিচারের ব্যাবস্থা করেছে, তখন তার (আওয়ামী লীগের) নীতি-নৈতিকতার বিষয়টা জনমানুষের কাছে অনেকটা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। যাই হোক, বিএনপি আর জামায়াত কালের পরিক্রমায় এখন একই অক্ষে অবস্থান করছে, পূনরায় একই জোটে আছে। আর শোনা যায়, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় তার মূল প্রতিপক্ষ বিএনপিকে দুর্বল করার মানসে পূনরায় জামায়াতকে বিএনপি থেকে ছাড়িয়ে তাদের করতলগত করার জন্য নানা টোপ ও ধাক্কা দিয়েছে এবং দিচ্ছে।
অতীতে আওয়ামী লীগ জাতীয় নির্বাচনে নির্দলীয় তত্ত্ববধায়ক সরকারের জন্য অনেক আন্দোলন করেছে, কিন্তু তারা তাদের বর্তমান ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার মানসে সেই তত্ত্ববধায়ক সরকারকে সংবিধান ও আদালতের দোহাই দিয়ে বাতিল করেছে, যেখানে বিএনপি জোট এটাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আন্দোলন করছে। আর এই আন্দোলনে বিএনপি সকল নিন্দা ও সমালোচনা উপেক্ষা করে তার পূর্বতন মিত্রদের কাছে রাখতে চাইবে এবং আরও আরও natural বা অন্যরূপ মিত্র সে জোটে ভিড়িয়ে জোটের কলেবর ও শক্তি বৃদ্ধি করতে চাইবেই এবং এটাই এখনকার পরিস্থিতিতে তার জন্য স্বাভাবিক ; শত ইচ্ছা থাকুক, কি চাই নাই থাকুক, তার পক্ষে জামায়াতকে এ পরিস্থিতিতে জোট থেকে বাদ দেয়ার কোন সুযোগই নেই। আর জামায়াতকে ধরে রাখার এ পরিস্থিতির জন্য বিএনপি যেমন প্রত্যক্ষ দায়ী, তেমনি অতীতে বিএনপি তাকে ছেড়ে দেয়ার পর কোলে তুলে ও ইদানিংকার গোপন যোগাযোগের প্রচারণার কারণে আওয়ামী লীগও কি পরোক্ষে কম দায়ী ? আর দেখুন, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যদি প্রাণখোলাভাবে বসে নির্বাচনী পদ্ধতি বা অন্য যেকোন ইস্যুর বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতো, তবে আজ যুদ্ধাপরাধীর কালিমাযুক্ত জামায়াত বা স্বৈরাচারীর কালিমালিপ্ত এরশাদের দলকে এখনকার মত বিএনপি-আওয়ামী লীগ কারোরই আর জামাই-আদর করার বা আস্কারা দেয়ার দরকার হত না ; আর সেই সাথে সাথে দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি ইত্যাদির গড্ডালিকা-প্রবাহে দেশটাকে এভাবে উচ্ছন্নে যেতে হ'ত না ; আমরা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণ সুশাসনের সুবাতাস গায়ে মেখে অবগাহন করতে পারতাম।
তাই, আমরা আমজনতা আশা করবো, সরকার উদ্যোগী হয়ে বিরোধী দলকে ডেকে একত্রে বসে আগামী জাতীয় নির্বাচনসহ এখনকার পরিস্থিতিতে সকল জাতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়ের সঠিক সমাধানে ব্রতী হবে। আর বিরোধী দলেরও বাস্তবতার নিরিখে বৃহত্তর স্বার্থে সরকার থেকে আহ্বান করা হ'লে, উত্তেজনার বশে নয়, যুক্তিসংগতভাবে তাতে সাড়া দিয়ে জাতীয় নির্বাচনসহ সকল সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

SHAHADAT H SHAD (শাহাদাত শাদ )

SHAHADAT H SHAD (শাহাদাত শাদ )

২০১৩.০১.৩১ ১২:৩৬
জামাত/শিবির কে নিষিদ্ধ কর ......

Sujay Halder

Sujay Halder

২০১৩.০১.৩১ ১৩:১৩
১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তি সংগ্রামের বিরুদ্ধাচারন যারা করেছিল, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে চেয়েছিল তারা ৪২ বছর পর আমার স্বাধীন দেশের মাটিতে হরতাল আহবান করে.., বিএনপি নৈতিক সমর্থন জানায়। লজ্জা লাগে ভাবতে, আমরা স্বাধীন দেশে বসবাস করছি কি না? বিএনপি বা আওয়ামীলীগের ত্যাগী, দেশপ্রেমিক নেতাদের কি লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা এই দেশের প্রতি কোন কর্তব্য নেই...

Mohammed Rezaul Karim

Mohammed Rezaul Karim

২০১৩.০১.৩১ ২০:০৩
জামাতকে এ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কে দায়ী ? এটা কি একদিনে হয়েছে ? তাদের কেন্দ্রীয় অফিস জোর করে বন্ধ করে দেয়া হলো কেন ? মানবতা বিরোধি অপরাধের মামলা ছাড়াও বিনা কারনে এতগুলো কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মতো ডান্ডাবেড়ী পড়িয়ে নির্যাতন করা হলো কেন ? পিএম, তার কেবিনেট ও তাদের দলীয় নেতাদের বক্তব্য কি কুবই দায়িত্বশীল ? এসব উস্কানীমূলক কর্মকান্ডের জবাব আর কিভাবে দেয়া যায়। সকল দলই তাদের নেতাদের মহান মনে করে। স্বাভাবিক কারনেই জামাত তার নেতাদের জন্য বাচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্ঠা করবেই। এটা খুবই সংগত । বিতর্কিত বিচারে তাদের এতগুলো নেতার ফাসি হবে আর তারা বিনা চ্যালেজ্ঞে ছেড়ে দেবে এ রকম ভাবাটা বোকামী হবে। বিষয়টা এত সরল না। যুদ্ধাপরাধীর বিচার সবাই চায় কিন্তু যে বিচার চলছে এটা যে বিতর্কিত এটা অন্তত দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার। তাই সামনে পরিস্থিতির আরো অবনতির আশংকা আছে। এতে আওয়ামীলীগ আর জামাতের ক্ষতির চেয়ে ও দেশের ই যে বিশাল ক্ষতির আশংকা রয়েছে তা নিরপেক্ষ ও দেশপ্রেমিক সুশীল সমাজ বার বার বলে আসছেন। অবশ্য প্রথম আলো তেমনটি মনে করছে না। কারন তারা `আদর্শিক শত্রু'র পরাজয় নিশ্চিত করার জন্য `শয়তানে'র সাথে হাত মেলাতে ও কসুর করে না। এ লেখাটা প্রদর্শিত হলে অবাকই হবো।
২০১৩.০১.৩১ ২১:১৬
@ Rezwaul Karim
যতগুলো নীতির কথাই বলেছেন, সবগুলোই প্রোযোয্য অামার অাপনার জন্য যারা এদেশের মাটি / মানুষকে ভালোবাসি।
যাদের কথা বলছেন এই গুলো তো সেই লোক গুলো যারা অামার / অাপনার প্রানের মাতৃভুমীর েক স্বীকার করেনা।
তাহলে তাদের অধিকার কোথায় রাজনৈতীক অান্দোলন করার?
এতদিন পর এই সরকার বিচার শুরু করেছে এই সব মানুষগুলোর যাদের কারনে অামি অামার অাপন জনকে হারিয়েছি।
অাপন জন হারানোর ব্যাথা কি অাপনি জানেন?
অাপিন বোধ হয় জামাত শিবিরের রাজনীতির সাথে যুক্ত। যদি তাই হয় এবং যদি অাপনি ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ দেখে থাকেন তাহলে কি অাপনি জানেন না এই বদমায়েশ গুলো কি করেছে ?
অার অপনার যদি বয়স কম হয় , দয়া করে বয়শী মানুষ গুলেরা সাথে একটু কথা বলুন/ বই পড়ুন ইতিহাস জানুন।
বাংলাদেশ অামাদের অহংকার। অাসুস এই দেশ কে ভালোবাসি।