ঢাকা ও চট্টগ্রামে আধা বেলা, সারা দেশে পুরো দিন, বিএনপির সমর্থন

হরতাল ডেকেই তাণ্ডব শুরু!

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ৩৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা গতকাল দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন রোডে ঝটিকা মিছিল থেকে নির্বিচারে

জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা গতকাল দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন রোডে ঝটিকা মিছিল থেকে নির্বিচারে গাড়ি ভাঙচুর শুরু করেন। এ সময় যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়

ছবি: প্রথম আলো

সারা দেশে তাণ্ডবের এক দিন পর গতকাল বুধবার ঢাকায় সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সারা দেশে হরতাল ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী। আবার চট্টগ্রামে পুলিশ অনুমতি দিলেও সমাবেশ করেনি দলটি। ঢাকায় হরতালের ঘোষণা দেওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তায় নেমে নির্বিচারে গাড়ি ভাঙচুর শুরু করেন জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। রাতে জামায়াতের এই হরতালে সমর্থন জানায় বিএনপি।
সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকলেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে তা হবে আধা বেলা। আধা বেলার ব্যাখ্যায় জামায়াত বলেছে, বেলা দুইটা পর্যন্ত হরতাল করবে তারা।
শিবিরের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে গতকালও রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরে আধা বেলা হরতাল পালন করে শিবির। এসব জায়গায় অন্তত ১৮টি যানবাহন ভাঙচুর করে তারা। আজকের হরতাল ঘোষণার পর বিকেল থেকে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে রাস্তায় টায়ারে আগুন দিয়ে যান চলাচলে বাধা, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেন শিবিরের কর্মীরা।
তবে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ গতকাল কিছুটা হলেও খণ্ডনের চেষ্টা দেখা গেছে। গতকাল সকাল থেকেই জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে জামায়াতের সমাবেশ নিয়ে সতর্ক অবস্থায় ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন ছিল। ছিল জলকামান ও সাঁজোয়া যানের মহড়া। কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে হরতালের ঘোষণা দিলে এই কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে শিবির ভাঙচুর শুরু করে। শহরে যান চলাচল কমে যায়। রাস্তায় বাস কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
মূলত যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ, আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জামায়াত আন্দোলন করে আসছে। গত ৩ ডিসেম্বর বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে সমাবেশ করতে না দেওয়ায় ৪ ডিসেম্বর একবার হরতাল ডেকেছিল দলটি। ওই হরতালে মাঝরাতে ঘোষণা দিয়ে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছিল বিএনপি। আর আজকের হরতালে গতকাল সন্ধ্যারাতেই নিজেদের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়ে দেয় দলটি।
বিএনপির সমন্বয়ক তরিকুল ইসলামের পক্ষে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের টেলিফোনে বলেন, বুধবার জামায়াতের পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ ছিল। এর অনুমতি না দিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে। যেহেতু জামায়াত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হরতাল ডেকেছে, তাই বিএনপি এই হরতালে সর্বাত্মক সমর্থন জানাচ্ছে। এদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ জামায়াতের ‘ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ’ প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল দলের ঢাকা মহানগর কমিটির বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, জামায়াত-শিবির যাতে কোনোভাবেই নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ হলে জামায়াতের দোসর বিএনপির রাজনীতিও দুর্বল হয়ে যাবে। এ জন্যই বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে মাঠে নেমেছে। মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কোনো এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির মিছিল বের করলে সেই এলাকার কমিটিকে সাংগঠনিকভাবে জবাবদিহি করতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন।
অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ: হরতাল ঘোষণার পরপরই বেলা দুইটার দিকে কমলাপুরে আইসিডির (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) সামনে জামায়াত-শিবিরের একদল কর্মী প্রাইভেট কারে ভাঙচুর চালান। তাঁরা আরও অন্তত ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ সময় রাস্তায় পেট্রল ঢেলে আগুন জ্বালানো হয়। কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পুলিশ অবিস্ফোরিত দুটি ককটেল উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে আট থেকে দশটি কালো রঙের মোটরসাইকেলে করে ২০ জনের মতো যুবক কমলাপুর স্টেশনের সামনে দিয়ে সায়েদাবাদমুখী রাস্তাটির মোড়ে এসে থামেন। এঁদের মধ্যে একজন হুইসেল বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেলের পেছনে বসা যুবকেরা নেমে পড়েন এবং রাস্তার পাশে আগে থেকে রাখা ক্রিকেটের স্টাম্পসদৃশ লাঠি হাতে চলন্ত গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভাঙচুর শুরু করেন। সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত এসব গাড়ির চালক ও যাত্রীরা গাড়ি ছেড়ে নেমে কোনোমতে আত্মরক্ষা করেন। কেউ কেউ লাঠি ও কাচের আঘাতে আহত হন। ঘটনাস্থলের পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে, রাস্তার এক পাশে কিছু যুবক তাণ্ডব চালাচ্ছেন, আরেক পাশে অন্য যুবকেরা মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছেন। তাঁদের একজন হুইসেল বাজালে সবাই আবার অপেক্ষমাণ চালকদের পেছনে বসে মোটরসাইকেলে করে চলে যান।
বেলা তিনটার দিকে পশ্চিম তেজতুরী বাজারের একটি গলি দিয়ে জামায়াত-শিবিরের একটি মিছিল কারওয়ান বাজারের প্রধান সড়কে আসে। সঙ্গে সঙ্গে সড়কের আশপাশে অবস্থান নেওয়া পুলিশ নিরাপদ দূরত্বে চলে যায়। শিবিরের কর্মীরা পান্থপথ হয়ে গ্রিন রোড ট্রাফিক মোড়ে গেলে ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এতে শিবিরের কয়েকজন কর্মী আহত হন।
বিকেল পাঁচটার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পুলিশ অবিস্ফোরিত অবস্থায় দুটি ককটেল উদ্ধার করে। এখান থেকে পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মগবাজার ওয়্যারলেস গেটে মতিঝিল-বনানী রুটের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়। সেখানে দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
রাত সোয়া আটটার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরে ঢাকা ব্যাংকের সামনে যাত্রীবাহী একটি বাসের পেছনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগে সারা দিন কাজ করে ঘরে ফেরায় উদ্গ্রীব যাত্রীরা নেমে যান।
রাত সাড়ে আটটার দিকে মিরপুর ১০ নম্বরে, যাত্রাবাড়ী ও পুরান ঢাকার ইসলামবাগে তিনটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এ ছাড়া রাত পৌনে নয়টার দিকে টঙ্গী এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে বলা হয়েছে, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের ৩৮ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। শিবিরের হামলায় পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন।
সব হরতাল ট্রাইব্যুনালকেন্দ্রিক: দলের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার আগে আগে হরতাল ডাকে জামায়াত। ৬ ডিসেম্বর ওই মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হলেও স্কাইপ আলোচনার কারণে সাময়িকভাবে থমকে যায় সাঈদীর মামলার রায়। আবার যুক্তিতর্ক শুরু করে গত মঙ্গলবার তা শেষ করেন ট্রাইব্যুনাল। এখন যেকোনো সময় এই মামলার রায় হতে পারে।
জামায়াতের আরেক নেতা আবদুল কাদের মোল্লার মামলাও রায়ের অপেক্ষায় আছে। আর যুদ্ধাপরাধের দায়ে এ দলেরই সাবেক নেতা আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
দুটি হরতালই ট্রাইব্যুনালের রায়কেন্দ্রিক কি না, জানতে চাইলে জামায়াতের ঢাকা মহানগর কমিটির সহকারী সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘রায়কে কেন্দ্র করে আমরা কর্মসূচি পালন করছি না। তবে আমরা মনে করি, এই ট্রাইব্যুনালের সবাই দলীয়। তাই এটি ভেঙে দেওয়াই আমাদের দাবি।’
দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে জানান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির অনুরোধে ঢাকায় এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের (বিপিএল) অনুরোধে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় অর্ধদিবস হরতাল পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, আজ বেলা সোয়া একটায় সমিতির বার্ষিক ভোজসভা। তাই সমিতির সভাপতি সংবাদ সম্মেলন করে হরতাল প্রত্যাহার বা তা আধা বেলা করার অনুরোধ জানান।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 

Titon

Titon

২০১৩.০১.৩১ ০৬:০০
তোমরা যা করার সরকার এবং আওয়ামীলীগের সাথে কর কিন্তু সাধারন জনগনকে বিরক্ত করনা ।
২০১৩.০১.৩১ ০৬:০৫
হরতাল ডেকেই হরতালের আগের দিন আতংক ছড়িয়ে যে কালচার আওয়ামীলীগ শুরু করে এসেছিল এখন বিরোধী দল তারই অনুসরণ করছে । আওয়ামীলীগ এখন সরকারে থেকে কি অনুধাবন করতে পারেন, আপনাদের সৃষ্ট সেই অপকর্ম কীভাবে নিজেদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে ? নাকি ক্ষমতায় গেলে অতীত একেবারেই ভুলে যান ?

Punom

Punom

২০১৩.০১.৩১ ০৬:৩০
দয়া করে দেশ এর ক্ষতি করবেন না ।।দেশ টা আপনাদের একার না ।। আমাদেরও।।আমরা সাধারণ জনগণ ।।আমরা এই রকম রাজনীতি সমর্থন করি না।।

মনিরুজ্জামান

মনিরুজ্জামান

২০১৩.০১.৩১ ০৭:১০
জামাত শিবির কোনো রাজনৈতিক দল না, যে এম বি, হরকাতুল জিহাদের মত মৌলবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন, এমন কি এদের গঠনতন্ত্র ও বাংলাদেশ সংবিধান পরিপন্থী। এদের কে নিসিদ্ব করে কঠোর হাতে দমন করা হোক।
২০১৩.০১.৩১ ০৭:৩৭
আমার এক নিরীহ শিক্ষককে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ।

Salekin

Salekin

২০১৩.০১.৩১ ০৭:৫৪
জামাতের যাও বা সামান্য জন সমরথন ছিলো তাও এবার যাবে । মানুষের গাড়ি ভেংগে , আগুন দিয়ে , মানুষকে কষট দিয়ে রাজনিতী হয় না । বিচার হচছে - যদি ন্যায় বিচার না হয় তবে সেটা জনগণ দেখবে ।

Russell

Russell

২০১৩.০১.৩১ ০৭:৫৫
জামাতকে সমাবেশ করাতে না দিলে বিএনপির তো কষ্ট লাগবেই। কেননা এই জঙ্গী সংগঠনটির ৭৫ এর পর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। জামায়েতের অরাজগতায় বিএনপি সমর্থন দিয়ে দেশ বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিচার হওয়া উচিত। জামাতকে ব্যবহার করে বিএনপি কি চাচ্ছে?

hifzur

hifzur

২০১৩.০১.৩১ ০৮:৩৭
সহিংসতা পরিহার করা উচিৎ। কিন্তু আওয়ামীলীগ যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন তারা সর্বোচ্চ হরতাল দিয়ে, মানুষসহ গাড়ি পুড়িয়ে, নানা রকম তান্ডব চালিয়ে অন্যদেরকে সহিংসতা শিখেয়ে দিয়ে গিয়েছে। তাই এখন..............

Arnab Biswas

Arnab Biswas

২০১৩.০১.৩১ ০৯:৩৬
Police uses "Pepper Spray" on teachers and leftist politician,even though they did not throw a brick piece to them, but cannot use it on Jamayat, who shot bullet, how sympathy to the Jamayat -Shibir !!!!!!

Durbar

Durbar

২০১৩.০১.৩১ ০৯:৪২
If the then govt had taken the Rajakars & Jamat into justice just after the liberation,we wouldn't have to face the barbaric activities from this fanatic cavemen.If the current govt doesn't take it seriously, then one day this group with the help of similar forces will accuse freedom fighters for breaking up Pakistan & punish them
২০১৩.০১.৩১ ০৯:৪৮
মনে হচ্ছে ওদের বাপ দাদাদের টাকায় কেনা গাড়ি ভাংচুর করেছে।ওরা দেশের শত্রু।জাতির শত্রু।আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব ওদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার।
২০১৩.০১.৩১ ১০:০২
আপনারা কি জানেন ২৮ তারিক কত জন আামি সিলো

mahmoodun nabi nayeem

mahmoodun nabi nayeem

২০১৩.০১.৩১ ১০:০৯
কি বলা উচিত জানি না। যদি রাজনৈতিক নেতারাই ছাত্রসংগঠনগুলোকে লেলিয়ে দেন একে অপরের পিছনে, দেশে তো অরাজকতা হবেই। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আপনারা কি কোনদিন সুস্থধারার রাজনীতিতে ফিরে যেতে পারবেন না?

২০১৩.০১.৩১ ১০:৩২
আওয়ামী লীগ হচ্ছে হরতালের এমন এক চ্যাম্পিয়ন যারা প্রকাশ্যে জনসম্মুখে হরতাল না করার ঘোষণা দিয়েও অদ্যাবদি ক্ষমতাসীন হয়েও হরতাল খেলায় মেতে আছে। সুতরাং হরতাল বন্ধ করার মত নৈতিক সাহস তাদের নেই। বরং প্রত্যেকবারই দেখা যায় হরতালে প্রাক্কালে নানা দুস্কৃতি কর্ম করে ভীতিজনক সৃষ্টি করে নতুন মামলার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে হরতাল আহবানকারীদের ফাসানোর জন্য।
২০১৩.০১.৩১ ১০:৩৯
ছাত্রলীগ নামক সংগঠনটি কোনো রাজনৈতিক দল না, যে এম বি, হরকাতুল জিহাদের মত মৌলবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন, এমন কি এদের গঠনতন্ত্র ও বাংলাদেশ সংবিধান পরিপন্থী। এদের কে নিসিদ্ব করে কঠোর হাতে দমন করা হোক।

হাসান তারিক

হাসান তারিক

২০১৩.০১.৩১ ১০:৪৩
ভাই পুনম এ কথাটা আওয়ামী লীগ কে বললে ভাল হয়।। ন্যায় বিচার চাই আমরা ।। কন অন্যায় বিচার সহ্য করা হবেনা।।

saifislam

saifislam

২০১৩.০১.৩১ ১০:৪৫
জামাতিদের বিরুদ্দে এক হও দেশ বাচাও

২০১৩.০১.৩১ ১১:০৭
সারা দেশে আজ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত শিবিরের তাণ্ডবে দেশের সাধারণ মানুষ দিশেহারা। আর আওয়ামী সরকার তো আগেই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে।

Debasish Chakraborty

Debasish Chakraborty

২০১৩.০১.৩১ ১১:১৮
আসুন, জামায়েত শিবির দেখলে আমরা নিজেরাই প্রতিরোধ করি, পুলিশের অপেক্ষায় না থেকে।
একটা দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সব ভুমিকা শুধু সরকার এর না, সে দেশের জনগণেরও আছে। প্রথম আলো র ৬০ লক্ষ্য পাঠকের মধ্যে সামান্য কয়েকজন ও কি নেই এই পরিবর্তন শুরু করার জন্য?

SHAHADAT H SHAD (শাহাদাত শাদ )

SHAHADAT H SHAD (শাহাদাত শাদ )

২০১৩.০১.৩১ ১১:৩৩
জামাত/শিবির/রাজাকার ১৯৭১ সালে জনগনের কথা ভাবেনি (করেছে গণ ধর্ষণ, লুন্ঠন, হত্যা ....), এখনো তারা ঐ একি চরিত্রের অধিকারী (জালাও, পোড়াও, পুলিশ পেটাও, মানুষ মার)......জামাত/শিবির কে নিষিদ্ধ কর ......

Mohammed Ayub

Mohammed Ayub

২০১৩.০১.৩১ ১১:৪৬
এ জন্য সরকার দায়ী।

২০১৩.০১.৩১ ১১:৪৭
BNP support this Hortal means they wanna save all Rajakar & WAR Criminals.
No real Bangladeshi will support this HORTAL. BNP Shame on u. !!!

Joynal

Joynal

২০১৩.০১.৩১ ১১:৫৭
এটা তাণ্ডব নয় সরকার পতনের ১ম ধাপ ।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১৩.০১.৩১ ১২:০২
এ আর নতুন কী ? কোন রাজনৈতিক দল জানেনা, হরতাল সফল করতে হলে চায় শুরুতেই সহিংসতা প্রদর্শন ?

Shafiq Islam

Shafiq Islam

২০১৩.০১.৩১ ১২:০৮
Where was our pride son of Gupalgong Mr Benezir Ahamed Police Commissioner of Dhaka ?

gazi

gazi

২০১৩.০১.৩১ ১২:৫৩
জামাত-শিবির দলটাকে নিসিদ্ব করা হোক।

pavel saha

pavel saha

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৩৮
তাহলে কি পাকিসতানের মত হয়ে জাবে?

RonY Haque

RonY Haque

২০১৩.০১.৩১ ১৪:২৪
হাসান তারিক ভাই..........। ঠিক ই বলেছেন......... নিজের দোষ ধরা খুব কঠিন কাজ
২০১৩.০১.৩১ ১৫:২৯
ঐ সময় ঐই ভাংচুরকারীর বুকের উপর দিয়ে গাড়ী চালানো উচিত ছিল ! যদি আমি হতাম টিক ঐ হামলাকারী বুকের উপর দিয়ে গাড়ী চালাতাম ! জীবনে ইচ্চাও আছে কোন এক বড় মন্তীর বুকের উপর দিয়ে গাড়ী চালিয়ে হরতালে প্রতিবাদ করব !!

Md Monirul Hasan

Md Monirul Hasan

২০১৩.০১.৩১ ১৬:০৭
Hartal should be banned, as every party is making "তাণ্ডব" before and in hartal. The action of AL, BNP, Jamat or any other party in the hartal is same.

Titon

Titon

২০১৩.০১.৩১ ১৮:২০
ভাই Debasish Chakraborty জামায়েত শিবির দেখলে আমরা নিজেরাই প্রতিরোধ করি। শুধু জামাত কে কেন? আওয়ামীলীগকেও কেন নয়?
২০১৩.০১.৩১ ১৯:০৭
This is the true character of Jamat-Sibir. They are real fascists and spreading anarchy.Ban them immediately.

Rashadur Rahman Chy

Rashadur Rahman Chy

২০১৩.০১.৩১ ২০:২১
I don’t like or support any political party in Bangladesh as all they are corrupted but I demand all the war criminals must be punished because what they have done with us, it’s one of the most horrific part in the last century.
I had soft corner for the chattra shibir when I was 14 or 15 years old but the time my grandmother told me the true story what she had seen her own eyes. Since then I started hates them (During the war time grandmother was 81 years old. She wasn’t educated and she doesn’t understand anything about politics)

Mollah Abdul Wadud

Mollah Abdul Wadud

২০১৩.০১.৩১ ২০:৪৮
Hortal is a noncivilised activities. Please stop it and find an alternative way. General people do not like it.