ছুরি মেরে ট্রেন থেকে ফেলে তিনজনকে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | তারিখ: ৩১-০১-২০১৩

  • ১২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে ঢাকাগামী তিতাস কমিউটার ট্রেনের তিনজন যাত্রীকে ছুরিকাঘাত করে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে ডাকাতেরা। এ ঘটনায় আরও এক যাত্রী আহত হয়েছেন। ডাকাতেরা তাঁদের কাছে থাকা নগদ অর্থ লুটে নিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের অদূরে ভাদুঘর কুরুলিয়া রেলসেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন: বিজয়নগর উপজেলার মিরাসানি গ্রামের সুদ মিয়া (৫০) ও তাঁর প্রতিবেশী সাহানা বেগম (৪০)। আহত হয়েছেন আখাউড়ার পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। খোরশেদকে জেলা সদর হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। তাঁর মাথা, পা ও গলার নিচে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁদের মালামাল লুট হয়েছে কি না, এ ব্যাপারে জানা যায়নি।
তিতাস কমিউটার ট্রেনের গার্ড কামাল মিয়ার বরাত দিয়ে আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ট্রেনটি আখাউড়া থেকে ছেড়ে পাঘাচং স্টেশন এলাকায় পৌঁছার পর সাত-আটজনের একটি ডাকাত দল ট্রেনটি থামিয়ে ইঞ্জিনের পাশের বগিতে উঠে পড়ে। তারা ওই বগিতে থাকা পাঁচজন যাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে, এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তাঁদের কাছ থেকে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এর পর ডাকাতেরা তাঁদের ভাদুঘর এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলে দুজন মারা যান। আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রব জানান, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সবাইকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। নিহত তিনজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত খোরশেদের চিকিত্সা চলছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 

২০১৩.০১.৩১ ১২:৪১
রাস্তার ধার, খাল, বিল, নদী ও ডোবা থেকে প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে হতভাগা মানুষের লাশ। ধর্ষণ, গুম, খুন, ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট দেশের মানুষ

২০১৩.০১.৩১ ১২:৪৬
All govt forces r busy with suppression of BNP,Jamat.....so who will take care of these..???

২০১৩.০১.৩১ ১৩:০৩
"সাত-আটজনের একটি ডাকাত দল ট্রেনটি থামিয়ে ইঞ্জিনের পাশের বগিতে উঠে পড়ে।" এ সব কি হচ্ছে? মনে হয় কোন সরকারের অস্তিত্বই নেই।

Mahfuzar Rahman

Mahfuzar Rahman

২০১৩.০১.৩১ ১৩:১৮
শুধু শিবির দমনে ব্যসত না থেকে এদিকে একটু খেয়াল দেন মাননীয় কর্মকর্তাগণ /
২০১৩.০১.৩১ ১৩:২১
entire country becomes a death zone,army should take the control of the power of bangladesh now.

২০১৩.০১.৩১ ১৩:২২
হায়রে আমার দেশ।
বড়ই কষটে আছি। কবে ্যে এই আপদ থেকে মুক্তি হবে।
২০১৩.০১.৩১ ১৩:২৬
I didn't see 71-75. Law and order situation is like that? May be, when police, RAB works as a govt political worker, then law and order situation how can improve?

Prodip

Prodip

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৪৩
চলন্ত ট্রেন মাঝপথে থামলো কেন ? ট্রেনে কী পুলিশ নেই ? এই রেল মন্ত্রী কে দেয়ার পর ,এমনিতেই এখন রেলের ইমেজ যতটুকু এগিয়েছিল ,তা অাবার পিছাচ্ছে । তাকে মনে হয় না তিনি দক্ষ একজন মন্ত্রী ।

Mjan Mati

Mjan Mati

২০১৩.০১.৩১ ১৩:৫৬
মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই । কে কখন কোথায় মারা যায় তার কোন ঠিক নেই । সরকারের উচিত জনগণের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা।

Mrinal Kumar Banday

Mrinal Kumar Banday

২০১৩.০১.৩১ ১৪:১৯
ট্রেন- এক আতঙ্কের নাম...
গতকালও ২জন মারা গেছেন ডাকাতের শিকার হয়ে। এভাবে আর কতদিন?
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ সকল দেশে ট্রেন হচ্ছে নিরাপদ ও আরামদায়ক একটি পরিবহন।
আমাদের দেশে আতঙ্ক!
মাননীয় রেলমন্ত্রী! শুনছেন কি?

Tuhin

Tuhin

২০১৩.০১.৩১ ১৪:৪৫
jamat shibir is involve with robbery .

শিল্পী রহমান

শিল্পী রহমান

২০১৩.০১.৩১ ১৪:৫০
ভাবছিলাম এটাও কি আবার জামাত শিবিরের তান্ডবতার অংশ?