-
রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে বিস্তীর্ণ বালুচরে গড়ে উঠেছে গবাদিপশুর বাথান। দিন শেষে ছেড়ে দেওয়া গরু-মহিষগুলোকে এভাবেই নিয়ে আসা হয় বাথানের দিকে। আর এই বাথানের গরু-মহিষের দুধ নিয়েই এই এলাকায় গড়ে উঠেছে দুধশিল্প। ছবিটি পদ্মার চর থেকে তোলা।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
রাজশাহীর পদ্মার চরে বাথানে দীর্ঘক্ষণ চরে বেড়িয়েছে এ মহিষগুলো। দুপুরে আগুন তাতানো রোদে নিজেদের একটু জিরিয়ে নিতেই দলবেঁধে নদীর জলে নেমে পড়েছে মহিষের পাল।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
গরু-মহিষগুলোকে পদ্মার চরের বাথানে চরানোর পর ওই বাথানেই তাদের দুধ দোহানো হয়। আর এ দুধ দোহানোর আগে এভাবেই গরুগুলোকে নদীতে নামিয়ে গোসল করিয়ে নেওয়া হয়।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
নদীতে গোসল করার পর এভাবেই এক এক করে মহিষগুলোকে তুলে বাথানের পাশেই দুধ দোহায় গোয়ালারা।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
নদীর চরে বাথানেই গরু-মহিষের দুধ দোহানোর পর টিনের বালতিতে করে সেই দুধ নদীর ওপারে শ্রীরামপুরে নিয়ে যাচ্ছেন গরুর মালিকেরা।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
সংগৃহীত দুধ থেকে ছানা তৈরি করার জন্য নদীর ওপারে মাঠের মধ্যেই কাঁচা দুধ আগুনে জাল দিচ্ছেন শ্রমিকেরা।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
কাঁচা দুধ আগুনে জাল দিয়ে ছানা তৈরি করার পর কাপড়ে বেঁধে নদীর পাড়েই পানি ছেঁকে নেওয়ার জন্য ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
ছবি: আজাহার উদ্দিন -
দুধ আগুনে জাল দিয়ে তৈরি করা হয় ছানা। আর সেই ছানা দিয়েই মিষ্টি ও সন্দেশ তৈরি করছেন মিষ্টির কারিগর।
ছবি: আজাহার উদ্দিন



